সরকারি অফিস এর কনটেনজিন্সি বিল উত্তোলন
এটা একটা রেগুলার প্রাকটিস । অফিস এর বিল করলে নিয়ম মাফিক ভ্যাট, ট্যাক্স কর্তন করার পর যে টাকা অফিস পাবে তার থেকে ৪-৫% টাকা এজি অফিস অবশ্যই রেখে দিবে। আর না দিলে সেই বিলে নানা রকম আপত্তি দিবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এটা একটা রেগুলার প্রাকটিস । অফিস এর বিল করলে নিয়ম মাফিক ভ্যাট, ট্যাক্স কর্তন করার পর যে টাকা অফিস পাবে তার থেকে ৪-৫% টাকা এজি অফিস অবশ্যই রেখে দিবে। আর না দিলে সেই বিলে নানা রকম আপত্তি দিবে।
প্রথমে অনলাইনে পাসপোর্ট নিবন্ধনের সকল প্রক্রিয়া শেষ করি। এরপর যেদিন আমার ডেট আসে সেদিন যখন অফিসে যাই বিশাল লাইন ছিল। ৩-৪ ঘন্টা অপেক্ষার পর আমার সিরিয়াল আসে। দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমার আবেদন বাতিল করে দেয়। কারন হিসেবে দেখায় যে আমার নিজ জেলা শহরে তো পাসপোর্ট অফিস আছে তাহলে আমি কেন এখানে আবেদন করেছি। উলেখ্য আমি ঢাকায় থাকি এবং এখানেই চাকুরিরত আছি। বর্তমান বাসা বিদ্যুৎ বিল ও গ্যাস বিলের কপিও প্রদান করি। এরপরও আমার আবেদন বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে সেখানকার একজন দালাল (আনসার সদস্য) আমাকে ফলো করে এবং বলে যে এক্সট্রা ৩০০০ টাকা তাকে দিলে সব সমাধান হয়ে যাবে। আমি এরপর ২০০০ এ তার সাথে ডিল করতে বাধ্য হই। পরদিন আমাকে আসতে বলে। আমি যখন পরদিন আসি সেদিনের সিরিয়াল লাগেনি সরাসরি আমার ছবি ও ফিঙ্গার দিয়ে চলে আসি।
কয়েক বছর আগে জমির খতিয়ান তুলতে বোয়ালমারী সাব রেজিস্টার অফিসে গিয়েছিলাম, ওখানে দাড়িওয়ালা একজন লোক থাকে যে সামনে টেবিলে বসে, সে খাতা দেখে জমির খতিয়ান তুলতে 400 টাকা দাবি করল। আমি পরিশোধ করে খতিয়ান তুললাম, কারন এছাড়া কোন উপায় ছিল না।
আমার ছোট বোনের ডিভোর্স কে কেন্দ্র করে, ইউনিয়ন পরিষদের বৈঠক এর জন্য আমাদের ওয়ার্ডের স্থানিয় মেম্বার টাকা দাবি করে। কিন্তু যে সেবা টা উনি বিনা খরচে করার কথা।
জরুরি প্রয়াজনে সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে বাংলা নাম সংযোজন করতে হয়েছিল। আমাকে বলা হয়েছিল ৭ দিনের মধ্যে নিয়ম মাফিক পাওয়া যায়। তারপরও ৫০০/- টাকা এক্সট্রা দিতে হবে। নয়ত কবে হবে তার কোন ঠিক নাই। আর সাথে সাথে পেতে হলে সরকারি ফি বাদে ৭০০/- টাকা দিতে হবে। ৭০০/- কি আর ৫০০/- কি তাই ৭০০/- দিলাম।
নকল দলিল উঠানোর জন্য টাকা দিতে হয়
৩০০০ থেকে ৭০০০ টাকা প্রতি পাসপোর্ট প্রতি নিয়ে যায়। দালাল ছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িইয়ায় কোন পাস্পোর্ট হয় না, এই ঐটা, ইভেন দাদার সার্টিফিকেট পর্যন্ত চেয়ে বসে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে দালাল ছাড়া নিজে ই-পাসপোর্ট করতে যাওয়াই ছিল আমার সবচেয়ে বড় ভুল। অনলাইনে নিখুঁত আবেদন জমা দেওয়ার পরও এডি স্যার ফাইলটি বাতিল করে দিলেন। বাইরে আসতেই এক আনসারের মাধ্যমে এক দালালের খোঁজ পেলাম। সে হাসিমুখে জানাল যে এখানে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই জড়িত! দশ হাজার টাকা দিলে কাজ এখনই হয়ে যাবে। নিরুপায় হয়ে সাত হাজার টাকায় রফা করলাম। টাকা পেতেই দালাল আমার সেই বাতিল ফাইলে একটি সিগনেচার বসিয়ে দিল। এরপরের ঘটনা স্রেফ ম্যাজিক! ওই সিগনেচার করা ফাইল নিয়ে ভেতরে যেতেই সবাই একদম চুপ। কেউ আমাকে একটি প্রশ্নও করল না। চোখের সামনেই দেখলাম, মাত্র সাত হাজার টাকায় দুর্নীতির পুরো সিস্টেম কীভাবে মুহূর্তেই অন্ধ আর বোবা হয়ে যায়!
ছাতক গ্রীডের ইনচাজ — ও মেইনটেনেন্স অফিসার — দুজনে মিলে প্রায় ৩০ হাজার টাকার বেশি নগদ অথ গ্রহণ করেছে কিছু কাজ না করিয়ে তার বিনিময়ে এবং নিজে অপেনলি ঘুষের টাকা চেয়ে নিয়েছে।
দ্রুত NID করার জন্য ক্যান্টনমেন্ট থানা নির্বাচন অফিসে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছি। অথচ বিদেশে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই নির্ধারিত ফি'র মাধ্যমে অতি সহজেই এই কাজটা হয়ে থাকে। প্রবাসী হওয়ায় সময়ের অভাবে এই অন্যায় কাজটি করে আমি নিজেও অপরাধভোগে ভুগছি, তাই সবার জ্ঞ্যাতার্থে এই সাইটে অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। সরকার বদলায় কিন্তু দেশের দুর্নীতির সিস্টেম বদলায় না। হায়রে আমার মন মাতানো দেশ...
টাকা না দিলে মামলা দিত
jomir namjari jonno 200000 taka cheyecilo
2023-2024 সালের পারসোনাল ফাইল ট্যাক্স অডিটে পরে। অযথা হেন্সতা করে। পরে ২০০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই DCT, Range এইসব অফিসের জন্য।
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য থানায় গিয়ে আমার পরিচয় দিয়েছি পরিচয় দেওয়ার পরেও তারা আমার কাছ থেকে টাকা চেয়েছে এবং টাকা নিয়েছে আবার বিবাদীর কাছ থেকেও টাকা নিয়েছে আমার সকল কাগজপত্র বৈধ থাকার পরেও বিবাদীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমাকে লাস্টে বলেছে এটা থানা কাজ না থানায় হয় এই এসব দেখা হয় না। আপনার যা করার কোর্টে গিয়ে মামলা করেন।
বিদ্যালয়ের নাম: সুখানপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাতলা,বগুড়া বিদ্যালয়ে প্রত্যায়ন পত্র নিতে কী ৫০০৳ লাগে।আর যদি লাগে তাহলে কিছু কিছু বিদ্যালয় ২০০ টাকায় কীভাবে দেয়।ধরলাম তাদের একটা খরচ আছে, কিন্তু এত বেশি টাকা তারা চার্জ করে কীভাবে,,,?
আমার গাড়ি টা ঢাকা দোহার শোরুমের গাড়ির ফাইলে কুষ্টিয়ার ঠিকানা করা আছে সব ওকে। ৫০০০ টাকা পরিশোধ করা আছে এখনো ফাইল জমা হচ্ছে না বিভিন্ন ধরেনের কথা বলছে। আমাকে বলেছিল এটা বাইরের শোরুমের গাড়ি কাগজ করতে ঝামেলা হবে। টাকা বেশি লাগবে। আমি ব্যাংক ড্রপ অনলাইন সব করেছি সে ৫০০০ হাজার টাকা নেওয়ার পরেও কোন কাজ করে দিচ্ছে না। আমার রাস্তায় চলা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আমার কাছ থেকে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০ টাকা আদায় করা হয়।
Passport je e korok tare passport a akta akta vul dore bahire computer dokane gia 1ta tik dia 1200 taka Kore nea. Den Abar gele sob thik ase.
বাংলাদেশ রেলওয়ে তে বতলি হতে গিয়ে অফিস সহকারী দের দিতে হয়েছে
Passport renewal for me and my wife. All documents were okay but they sent us to the inspection room. The guy in charge was indirectly hinting us to pay and avoid the rejection.