পাসপোর্ট নবায়ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে দালাল ছাড়া নিজে ই-পাসপোর্ট করতে যাওয়াই ছিল আমার সবচেয়ে বড় ভুল। অনলাইনে নিখুঁত আবেদন জমা দেওয়ার পরও এডি স্যার ফাইলটি বাতিল করে দিলেন। বাইরে আসতেই এক আনসারের মাধ্যমে এক দালালের খোঁজ পেলাম। সে হাসিমুখে জানাল যে এখানে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই জড়িত! দশ হাজার টাকা দিলে কাজ এখনই হয়ে যাবে। নিরুপায় হয়ে সাত হাজার টাকায় রফা করলাম। টাকা পেতেই দালাল আমার সেই বাতিল ফাইলে একটি সিগনেচার বসিয়ে দিল। এরপরের ঘটনা স্রেফ ম্যাজিক! ওই সিগনেচার করা ফাইল নিয়ে ভেতরে যেতেই সবাই একদম চুপ। কেউ আমাকে একটি প্রশ্নও করল না। চোখের সামনেই দেখলাম, মাত্র সাত হাজার টাকায় দুর্নীতির পুরো সিস্টেম কীভাবে মুহূর্তেই অন্ধ আর বোবা হয়ে যায়!