এমপিও
আমি ২৫০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ২৫০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
Nam zari notice er jobab ebong positive opinion prodhan korarjoinno vhumi sahakari officer k 2000.00 taka ditey hoichey
মায়ের ক্যান্সার হয়েছিল, CT Scan করাতে হবে বলেছিল লেট হবে, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার বলেছে শনিবারে আসতে। এটা ২০২১ সালের কথা ৫০০ টাকা দিতেই সাথে সাথে করে দিল
আমি BRTC BRSP প্রকল্পের একজন শিক্ষার্থী . আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সিভিল সার্জন এর সাক্ষর প্রয়োজন হয় . কিন্তু আমাদের নারায়ণগঞ্জ এর সিভিল সার্জন প্রতি শিক্ষার্থী থেকে 100 টাকা ঘুষ দাবি করে যা সবাই দিতে বাধ্য হই .
দক্ষিণ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের জন্ম নিবন্ধনের জন্য 4000 টাকা দেয়া হয়েছে তারপরেও জন্ম নিবন্ধন নামের বানানে ভুল করেছে
নদীতে যেমন পানি বহমান, ঠিক তেমনি বাংলাদেশের BIWTA বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দূর্নীতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠান। পানিতেই টাকা। নদীতে বার্জ ইজারা দেওয়ার জন্য BIWTA র কর্মকর্তারা ২৫ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহন করেন।
একটি দলিলের নকল কপি প্রয়োজন হওয়ায় নকল কপি তোলার জন্য যাই। সরকারি খরচ সহ ৩০০০ টাকা প্রদান করতে হয়েছে। সম্ভবত সরকারি কোষাগারে ৫০০-৭০০ টাকা লাগে। বাকিটা কই গেল। প্রশ্ন করার সুযোগ না। এটাই অলিখিত নিয়ম।
আপানদের উদ্যেগ খুবই ভাল। দয়া করে এখানে ভিডি্র, ছবি এবং ভয়েস রের্কড আপলোড দেয়ার সিস্টেম রাখুন।
আমার গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে সরকারি ফি ছাড়াই বারতি ১৫০০০ টাকা নিয়েছে।টাকা দেওয়ার পরেও আমি ৪ মাস পরে আমি লাইসেন্স পেয়েছি।
ট্রাফিক সা্রজেন্ট বাইক থামিয়ে বললেন ২০ টাকা দিতে।
আমার বড় ভাইয়ের জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে গেলে ভোলা জেলার আফিসে প্রধান কর্মকর্তা আমার সাথে কোন কথা বলি নাই, পরে কম্পিউটার কর্মকর্তা বলেন স্যার ৪০০০০ টাকার কমে কাজ করবে না,তারপর বাধ্য হয়ে সংশোধন করলাম।
There was an issue with my Father's name. His name on NID did not match with my NID. The responsible officer noticed that. then he referred me to another room, I don't remember the room number. there was nobody but a Ansar guy waiting in the room. he checked my papers. Told me it's a major issue. It will require minimum 10,000tk to issue my passport. I was in shock. then they told me there's no other option because I am in their premises. If they want, they can cancel my application and block me in the system forever. I will never be able to apply. then I started bargaining. After a long negotiation, they agreed to the amount 4000. I paid them cash. Then they said the passport will be issued
২০০০০ টাকা না হলে কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে এমন কি অন্য কেউ কাজ শেষ করতে পারবে না ঐ ব্যাক্তি ব্যাতীত
রাজশাহীর ড্রাগ অফিসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কাছ থেকে নিয়মিত ভাবে লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা আদায় করা হয়। প্রত্যেক দুই বছর পর পর লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। নবায়নের খরচ ১০০০ টাকা হলেও এর থেকে দ্বিগুণ তিনগুণ চারগুণ পর্যন্ত টাকা চায়। যদি কেউ না দিয়ে নিজে নিজে অনলাইন আবেদন করে চালান জমা দিতে চাই, তাহলে পরবর্তীতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই চালান কে অস্বীকার করে এবং বলে যে এই চালান এভাবে জমা দেওয়া যাবে না। শত শত মানুষ আজ যেন অফিসের কাছে জিম্মি। তারা ঠিকমতো বলেও না যে কিভাবে অনলাইনে চালান জমা দিতে হয় যাতে তারা টাকা খেতে পারে।মাত্র দুই থেকে তিনজন কর্মকর্তা -কর্মচারী নিয়ে চলা এই অফিস যেন দুর্নীতির অভয় আশ্রম। দেখার যেন কেউ নেই।
আমি একটি brta তে লাইসেন্স নবায়ন করতেছিলাম। করেছি এবং তা ৳15,000 পরিশোধ করছি। তা না হলে আমার ইয়া আটকে দিয়েছিল। আমার সাথে অনেকেই অনেকেই কার্ড পেয়েছিল। আমারটা প্রায় ছয় থেকে এক বছর ঝুলে ছিল। তারপর লাস্ট পর্যন্ত আমি ৳12,000 দিয়েছিলাম। তারপর শেষে আবার ৳3,000 দিয়ে আমি এটা ওকে করেছি।
আমা গত ২৫ শে আগষ্ট নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য গেলে মোট ৭০০০ টাকা দাবী করে সরকারী জমা ছিল ৪২৫৭/টাকা
চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন। চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ে —কে দিয়েছি। ১০২ নম্বর রুমে।
রাজউক প্লান পাশ করে না । ঘুষ চায় ১০ লাখ । প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে, কর্মচারী বেকার হয়ে যাবে । বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে প্লান পাশ করিয়েছি ।
আমাদের বিল্ডিং এর অনুমোদনের জন্যে এই টাকা পে করতে হয়েছে।
আমি নিজে নিজে অনলাইনের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন করে অতঃপর কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই। কিন্তু তারা আমার এপ্লিকেশন জমা নিবে না। এই ভুল ওই ভুল বলে এই টেস্ট ওই টেস্ট বলে হয়রানি করে। এনআইডি কার্ডে পেশা দেয়া ছিল শ্রমিক আর পাসপোর্টে দিয়েছিলাম লেবার এ কারণে নাকি আমার পাসপোর্ট হবে না। অতঃপর তারা আমাকে একটি কম্পিউটারের দোকানদের নাম্বার দিয়ে বলে এ নাম্বারে যোগাযোগ করে সংশোধন করে আনেন। নম্বরে যোগাযোগ করলে বলে যে ২ হাজার টাকা দিতে হবে আপনাকে। আরে টাকা আমি অর্ধেক নেব ওই অফিসার অর্ধেক নিবে। তাই প্রয়োজন এর কারণে আমি তাদেরকে ঘুষ দিয়ে কাজটি করতে বাধ্য হই।