পাসপোর্টের আবেদন
— সাবেক শিক্ষার্থী, বেরোবি। ঘটনাটি ২ বছর আগের।আব্বার ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়ায় যাওয়ার প্রয়োজন ছিলো। সে জন্য ইমারজেন্সি পাসপোর্টের আবেদন করতে যায় পঞ্চগড় পাসপোর্ট অফিসে। সকল কাগজ রেডি করে জমা করতে যায়। এর পর সরাসরি ঘুস চাওয়া হলে দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এজন্য বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানির স্বীকার হই। এবং পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হই।এর পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য NSI এর এক কর্মকর্তাকে ৫০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে। ঘুস দিতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তিকে আমার সামনেই চড়ম ভাবে অপদস্ত হতে দেখেছি।