Mutation
নাচোল উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের, হাটবাকইল ভুমি অফিসে আমার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তির মাত্র ১ বিঘা জমি নামজারি করতে দশ হাজার টাকা নিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাচোল উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের, হাটবাকইল ভুমি অফিসে আমার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তির মাত্র ১ বিঘা জমি নামজারি করতে দশ হাজার টাকা নিয়েছে।
নতুন চাকুরীর একাউন্ট করা এবং পে-ফিক্সেশন বাতিলের আবেদন
আমার বাবা তার কিছু জমি আমার নাবালক ভাইকে দলিল মুলে হেবা করে। এখন আমার বাবার টাকার দরকার হলে উনি ঐই জমিটি বিক্রি করার মত পোসন করে জমিটি বিক্রি অনুমতির জন্য আদালতে দরখাস্ত করে। আদালত উনার দরখাস্ত গ্রহন করে উনাকে পুনরায় অভিভাবক হিসেবে নিয়োগ দেই। বিজ্ঞ আদালত অভিভাবক হিসেবে বাবাকে অনুমতি দেয় এবং পরবর্তীতে কিছু পেপারে সাইন করতে বলে কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের পেস্কার সাইন করার জন্য আমাদের থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে, বলে যে ১০০০ টাকা না দিলে সাইন করতে দিবেনা আর আমাদের কাজটাও আটকে যাবে জার জন্য আমরা ইচ্ছার বিরুদ্ধে টাকাতস দিতে বাদ্ধ হই যদিও পেপারে সাইন করার জন্য সরকারি কোন ফি লাগেনা। সব টাকা পেস্কার পকেটে নিয়ে নিয়েছে তার বিনিময়ে কোন সরকারি রসিদ দেই নাই।
আমার বাবা তার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি ছেলে হিসেবে আমার নিকট হেবা করলে ৪০০০০ টাকা দাবি করে, দাবির কারণ ইউনিয়নে জনগণ নির্বাচিত চেয়ারম্যান, মেম্বার নেই। আমার বাবা নিজে কাজ আরম্ভ করলে সব কাগজ ঠিক থাকার পরও ভূমি সহকারী কমিশনার তা বাতিল করে দিলে আবার টাকা দিয়ে কাজ করাতে বাধ্য হয়েছে।
মাদক দ্রব্য আমদানি ও রপ্তানি লাইসেন্স নবায়ন করতে ২৫০০০ টাকা খরচ করতে হবে,টাকা না দিলে নবায়ন করা যাবেনা । তাই টাকা পরিশোধ করা হয়েছে ।
জমির বাষিক খাজনা দিতে যাওয়ার পর মূল নথি বই খুঁজ বের করার জন্য ঘুস হিসেবে ১০০ টাকা নেয় তারা। এটা সবার সাথেই করে। না দিলে বই আনেনা, বলে আজকে হবেনা পরে আসেন।
আমি সাধারণ একজন মানুষ আমার কাছে মনে হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্নীতি গ্রস্থ খাত হলো বিআরটিএ এখানে প্রতি মিনিটে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করে নিয়ে যায় দালাল এবং অফিসাররা। একটি গাড়ির ফিটনেস করতে নিয়ে গেলে প্রথমে নানা অযুহাত দিয়ে ফিটনেস দেয়না পরবর্তীতে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার ঘুস দিলেই মুহূর্তেই ফিটনেস হয়ে যায়। আমি সাধারণ একজন মানুষ তবে দীর্ঘ দিন পুর্বাচল বিআরটি অফিসের ওখানে ছিলাম নিজের চেখে দেখেছি। বিআরটিএর একজন অতি নিম্ম পদের কর্মকর্তারাও গাড়ি ব্যবহার করে এক একজন কর্মকর্তা প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করে নিয়ে যায় ওখানকার যিনি ডিডি আছেন তিনি তো লক্ষ্য টাকা ইনকাম করেন। হয়তো আমার কথাগুলো আপনাদের কারো কাছে অবাস্তব মনে হতে পারে কিন্তু আমি একবিন্দু মিথ্যা বলছি না। সাংবাদিকসহ স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ
আমার দাদুর পেনশনের টাকা উঠাতে গেলেই চট্রগ্রাম বিদ্যুৎ অফিসে ১০০ করে ঘুস দেওয়া লাগে, পেনশনের বইয়ের ভেতরে, এবার দাদুকে নিয়ে যেতে পারি নাই, তাই ৩০০ দিয়েছি,
আমার কাছে ভোটার আইডি কার্ড স্থানান্তর খরচ বাবদ ৫০০ টাকা নেয়া হয়ছে যা অবৈধ
Name transfer fitness genuine thakle magistrate bole apni line chinen na,name transfer gush chara dey na
প্রথমে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিজে নিজে এপ্লাই করে এক্সাম সমপন্ন করি, বাসায় স্লেসে রাতে রেজাল্ট দেখলাম ফেইল, সিলেট বি আর টি এর এক পিয়নকে বললাম ভাই পাশ করার উপায় কি উনি বল্লেন ৪৫০০ এক্সট্রা দিলে পাশ নিশ্চিত। নিজে নিজে পাশ করতে পারলে সবাই ত আর দালাল দরতনা। যাইহোক সে বলল ভাই আমি ৫০০ খাবো সারদের ৪০০০ দিলেই আপনার পাশ চলে আসবে। পরের ডেইটে ঠিকমত এক্সাম ই দেইনাই টাকা দেওয়া ছিল তাই পাশ , ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হয়ে গেছে। শুধু তাই না আমার বাইকের রেজিষ্ট্রেশন আমি নিজে করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা প্রক্রিয়া এত জটিল করে রাখছে আপনি চাইলেও পারবেন না, তাই শুরুমের মাধ্যমে করালাম।
Doliler nokol prapti. Syndicate including subregistrar. Office assistant claimed directly as govt fee without giving money receipt.
আমি নতুন মোটরসাইকেল কিনে শো রুম থেকে বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গুলিস্তান আহাট পুলিশ বক্স এর কাছে আসার সাথে সাথেই ট্রাফিক পুলিশ — আমার গাড়ি আটক করে, আমি তাকে বলেছিলাম এইমাত্র গাড়িটা কিনে আমি বাড়িতে যাচ্ছি এবং এই দেখেন আমার লাইসেন্স এবং শোরুম পেপার, কিন্তু সে বলে গাড়ির ট্যাক্স টোকেন রেজিস্ট্রেশন ছাড়া একদিনও গাড়ি চালানো যাবে না, এখন আপনার গাড়ি ডাম্পিংয়ে যাবে এবং ১০ হাজার টাকার মামলা হবে, আমি তাকে অনেক রিকোয়েস্ট করে কিন্তু তাও গাড়ি ছাড়বে না, সে বলে চার হাজার টাকা দিলে গাড়ি ছেড়ে দেব, আমি দিতে চাইনি পুলিশ সার্জেন্ট — আমাকে ট্রাফিক বক্সে নিয়ে আমার পকেটে হাত দিয়ে টাকা বের করে নেয় ৪০০০ হাজার, এরপর গাড়ির চাবি দেয়, আমি অসহায়ের মত তাকিয়ে ছিলাম সেদিন,
আমার বাড়ি থেকে আমার কর্মস্থল অনেক দূরে ছিলো। আমি বদলির জন্য অধিদপ্তর আর মন্ত্রনালয় অনেক ঘুরাঘুরি করেছি। কিন্তু, কোনো কাজ হয়নি। পরবর্তীতে ২ লক্ষ টাকা ঘুষের মাধ্যমে বদলি হতে পেরেছিলাম। টাকাটা জোগাড় করতে আমার ব্যাংক লোন করা লেগেছিল, যার ঘানি এখনো টানছি
মামলার সার্টিফাইড কপি নিতে সরকার নির্ধারিত ফি এর বাইরে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, এছাড়া বেইল বন্ড দিতে ও অন্যান্য কাজে প্রতিদিন ২/৩ লক্ষ টাকা ঘুষ লেনদেন হয়।জজ ম্যাজিস্ট্রেটরা এর দায় এড়াতে পারেন না
আনি নতুন পাসপোর্ট করার সময় আমার কাছে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দাবিকরে দালাল। আমি অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাই। কারণ দালাল ছাড়া পাসপোর্ট বাবানো প্রায় অসম্ভব।
“আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে চট্টগ্রামসিটির সদঘাট থানার ৩০ নং ওয়ার্ড অফিসে যাই। সরকারি ফি- 1,850 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 3000 টাকা। অবশেষে আমি 3000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।”
আমি একটা প্রোডাক্ট রেজিষ্ট্রেশন করতে ডিজিডিএ মহাখালী তে ফাইল জমা দিয়েছিলাম, কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, স্যার বল্ল ফাইল জমা দিলেই রেজিষ্ট্রেশন পাওয়া যায় না, আমাদের সাথে দেখা করতে হবে, দেখা করে ৮০ ০০০/- টাকা রফাদফা হলো, এবং তিনটা ড্রাগস লাইসেন্স নবায়ন করতে ২১০০০/- টাকা দাবী করলো আমি ১৫০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে নবায়ন করে নিয়ে এসেছি। এই হলো বর্তমান সেবার অবস্থা?
আমি আফতাব নগর পাসপোর্ট অফিসে সকল আবেদন অনলাইনে সম্পন্ন করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য দিয়েছি তখন উনাকে আমার কাগজপত্র যাচাই করে যখন ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য ডকুমেন্ট রাখবে ঠিক তখনই আমাকে বলতেছে আপনার নিজ এলাকায় গিয়ে পাসপোর্ট করা এখানে আপনারটা হবে না আমি জানতে চাইলাম কেন উনারা বলে কেন কোন উত্তর নেই। ওরে আমি যখন পাসপোর্ট অফিস থেকে বের হয়ে যাচ্ছি ঠিক তখন একজন দালাল আমাকে বলল ভাই আপনার পাসপোর্ট কি সমস্যা হয়েছে আমি করে দিব ২ হাজার টাকা দেন আজি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিবেন। নাকি ২০০০ টাকা দেওয়ার পরে ভিতরে গেলাম আর কোন কিছু জিজ্ঞাসা বাদ করা হয়নি আমি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে পাসপোর্ট হাতে পেলাম এক সপ্তাহ পরে। পাসপোর্ট অফিসের সকল লোক এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত।
আমার আম্মুর আইডি কার্ডে তার বাবা, অর্থাৎ আমার নানার নাম ভুল হওয়ায়, আমি সরকারি নিয়ম মেনে অনলাইনে আবেদন করি, ৬-৮ মাস পরও NID কার্ডটি সংশোধন না হওয়ায়, আমি উপজেলা NID অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করি। তারা বলেন এটা তাদের হাতে নেই এটা (খ) বিভাগে পড়ছে আমি বলছি এখন আমার করনিও কি এরপর উপজেলা NID অফিস থেকে আমার কাছে সরাসরি ঘুষ চাওয়া হয়। প্রথমে ৮-১০ হাজার টাকা চায় আমি অনেক কথা বার্তা বলে রিকোয়েস্ট করার পর তারা ৫০০০ হাজার টাকা হলে ঠিক করে দিতে পারবে বলে জানায়। আমি তাদের কাছে কত সময়ের মধ্যে ঠিক হবে এটা জানতে চাইলে তারা আমাকে ১ মাসের কথা বলে এরপর আমি টাকা দিয়ে আসি তারপর ১-২ পার হওয়ার পরও NID কার্ড ঠিক না হওয়ায় আমি তাদের অফিসে যাই তারপর তারা বলে আমরা য করার করছি এখন যদি ওনারা ঠিক করে না দেয় তাহলে আমার আর কিছু করার