জমি খারিজ
খারিজ এর জন্য ৬০০০ টাকা পেইড করতে হয়েছিলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খারিজ এর জন্য ৬০০০ টাকা পেইড করতে হয়েছিলো
প্রতিটা পাবলিক পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। ব্যাহারিক পরীক্ষার সময় সাবজেক্ট পতি নেয়া হয় বিভিন্ন পরিমানের টাকা
SSC Science, ৪ টা প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার খাতায় সাইন করানোর জন্য স্কুল থেকে প্রতি সাবজেক্টে ১৫০ টাকা করে মোট ৬০০ টাকা নেওয়া হইছে । না দিলে সাইন করে না। পরিস্থিতির শিকার হয়ে দিতে হইছে।
holding tax re calculation, the person asked 30 otherwise he will put us in highest slab
—, —, — সহ বেশির ভাগ সময় ওরা টাকা চায়, টাকা ছাড়া ওরা কিছু বুঝে না কেউ কিছু বলে না ঠিকাদাররা জিম্মি
Birth certificate correction around 2015, went there with my friend. We were asked to pay this amount. We paid 500 if I remember correctly.
অভিযোগ: পাসপোর্ট করতে হয়রানি ও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি প্রথমবার নিজে অনলাইনে আবেদন করে শুধুমাত্র সরকারি নির্ধারিত ফি দিয়ে পাসপোর্ট করতে যাই। কিন্তু কোনো স্পষ্ট কারণ না জানিয়ে আমাকে ফেরত দেওয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে একজন দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। দালাল আমার কাছ থেকে ১৫,০০০ টাকা নেয় এবং এরপর আমার পাসপোর্টের কাজ সম্পন্ন হয়। আমার প্রশ্ন হলো—আমি যখন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করে সরকারি ফি পরিশোধ করেছিলাম, তখন আমাকে কেন কোনো কারণ ছাড়াই ফেরত দেওয়া হলো? এবং পরে দালালের মাধ্যমে একই কাজ করাতে কেন অতিরিক্ত ১৫,০০০ টাকা দিতে হলো? আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। সাধারণ মানুষ যেন পাসপোর্ট করতে গিয়ে হয়রানি বা দালালের
আমাদের একটি নতুন ট্রেন লাইসেন্স বানাতে গিয়েছিলাম, 5800 টাকার ট্রেন লাইসেন্স আমার কাছে 11000 টাকা নিয়েছে। টাকা না দিলে লাইসেন্স হবেনা বা দিবেনা বলছে, বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হলো।
তেজগাঁও ৭ রাস্তায় ট্রাফিক আমার গাড়ি ধরে রোদের কারণে আমি পিছনে কালো গ্লাস করেছি ঢাকা শহর ৯০% গাড়িতেই কালো গ্লাস করা আমাকে বলে ট্রাফিক সার্জন ১৫০০০ টাকার মামলা হবে কি করবে আমি বললাম স্যার এটা তো পারিবারিক পর্দার জন্য করা হয়েছে সে কোনভাবেই মানতে নারাজ বলে মামলা নিবেন নাকি করবেন পরে আমার থেকে ১৫০০ টাকা দাবি করে আমি এক হাজার টাকা দিয়ে ফিরে আসি সবচেয়ে দুঃখের বিষয় আমাদের বিআরটিএ সাবজেক্ট ট্রাফিক সাবজেক্ট এই সমস্ত অফিসগুলোতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না
জমি রেকর্ড করতে গেলে তাদের হয়রানি
সার্টিফিকেট দেয় না। অনেক কিছু বলে। পড়ে টাকা নিয়ে সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে। আমাকে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
হিসাবরক্ষণ অফিসে কোন পেনশন যে জিপিএফ হতে কোন অগ্রিম লোন নিতে গেলে অডিটর কে ১% ঘুষ দিতে হবে। আরেকটা টিএ বিল নিতে গেলেও টিএ বিলের ৫% টাকা তাদেরকে দিতে হবে না হলে বিল দেবেনা। অ্যাকাউন্ট জমা দিতে গেলে এখন নাকি প্রত্যেক অফিসকে ১০০০ করে টাকা দিতে হবে এটা নাকি তাদের সি ও সাহেবের নির্দেশ।
এলজিইডি কুমিল্লা অফিসে কাজের বিল করতে ২ পারসেন্ট হারে টাকা না দিলে বিল করে না প্রত্যেক ঠিকাদারি ২% ছাড়ে দিতে হয় সঠিকভাবে তদন্ত করলে অফিসের সকলে দুর্নীতির সাথে জড়িত এক টেবিল কি আরেক টেবিলে স্যারের জন্য গেলে টাকা লাগে এবং কি ল্যাব এর মধ্যে টাকা ছাড়া কোন রিপোর্ট দেয় না এতো ভালোই কাজ করো তাদেরকে টাকা দিতে হয়।
খামার ঝাড়বাড়ি নতুনপাড়া দিনাজপুর সদরে সরকারি আশ্রয়ন কিছু ঘর দেওয়া হয় । এলাকার কিছু পাতি নেতা ঘর নির্মাণের সময় ঘর মালিকের কাছে ১-১০ হাজার টাকা মানুষের কাছে দাবি করে । তাদের মধ্যে —, — অন্যতম । এরা অন্যায় ভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের কাছে কৌশলে চাদা দাবি করে এবং মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে
২০১৬ সালের ঘটনা, আমাদের বিল্ডিং এর হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট করে একটা অংক দাবি করা হয়। বলা হয় এইটা না দিলে এসেস্মেন্ট অনেক বেশি আসবে। পরে প্রাক্কলিত এমাউন্ট যেন কম দেখনো হয় সেটার জন্য আমি ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ঘুষ দেই। আমি এই হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট প্রক্রিয়ার একটি সচ্ছতা দাবি করছি। আর দাবি করছি, সরকার যেন হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট প্রক্রিয়া এবং হোল্ডিং ট্যাক্স সংগ্রহ পুরোটাই অনলাইনে করা হয় তাতে করে আন্ডার টেবল লেনদেন বা ঘুষ আদান প্রদান বন্ধ হবে।
বগুড়া র ওসির প্রাইভেট কার এ আমার মটর সাইকেল লাগার কারনে আমাকে আক্কেলপুর থানার ওসির হাতে তুলে দেয় আমার মটরসাইকেল সহ আর বগুড়া থানার ওসি বলে আক্কেলপুর এর ওসি আমার ক্লাসমেট এই বলে আমার থেকে ১০০০০ হাজার টাকা ঘুস চায় আর ভয় দেখায় জে তোর নামে মামলা দিবো তোকে জেলে চালান দিবো এর কারণে বাদ্য হয়ে ঘুস দেওয়ার সাথে সাথে আমাকে ছেড়ে দেয় এবং আদর করে মোটরসাইকেল ফেরত দেয়। আক্কেলপুর থানার ওসি ও, এ এস আই, ও বগুড়া থানার ওসি তিন জন আমার উপড় অনেক জুলুম করে আল্লাহ তাদের মান হানি করবে ইন সা আল্লাহ তাদের লাস জেনো শিয়াল কুকুর খায়, (ধন্যবাদ) তারিখ ২৬/০৮/২০২৬
২০২২ সালে ছোট বোনকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিলনা,ফতুল্লা থানায় জিডি করেছি,সেখানে কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় সাইনবোর্ড পিবি আই এর সরনাপন্ন হই,সেখান থেকে এস আই — ১৫০০০ অফিসিয়াল চার্জ এবং আরও ৫০০০ গাড়ি ভাড়া বাবদ দাবি করে।একনপর্যায় তা পরিশোধের প্রেক্ষিতে তিনি তদন্তে নামেন।এবং নিখোঁজ বোনকে উদ্ধার করেন।উদ্ধার পরবর্তীতে নারী পুলিশ সহকর্মীর নাস্তা বাবদ আরো ১৫০০ টাকা দাবি করেন।এবং এক পর্যায়ে তা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
সরকারি হেবা দলিল এর নির্ধারিত ফি 1800 থেকে 2500 টাকা। কিন্তু রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে ভিন্ন চিত্র। কেউ বলে 15, কেউ 14,12 হাজার টাকা। যখন আমি জিজ্ঞেস করি সরকারি ফি এতো বেশি না, তখন বলে যে প্রত্যেক পদে পদে অফিসারেরা টাকা খায় তাই বেশি। এমনকী সকল কাজ করতে যাওয়ার পরও একটা শীল নাকি কি দেয় ঐখানে বসেও চা খাওয়ার টাকা দিতে হয়। জনগণ কখন জাগবে? সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন এইসব খাতে এতো অনিয়ম কেনো? জমির সকল ধরনের কাজে পদে পদে ঘুষ এবং বাড়তি টাকা কেনো দিতে হয়???
আসলো একজন মানুষ সবচেয়ে বড় অসহায় চিকিৎসা সেবা নিতে যায় যখন আমি তার একজন সামান্য উদাধারন।আমার বাবাকে নিয়ে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রাত ১১ টাই ভর্তি হই।শুরু হলো ট্রলি ম্যানদের ধান্দা ভর্তি করার পর রসি এ সব লেখা আসে উপর বেডে রেখে আসবে ট্রলি। তারপর ও সেই ট্রলি ম্যান ৫০০ টাকা দাবি করে বলে নাকি এটা সবাই দেয় বকসিস। তারপর থেকে বিভিন্ন পরিক্ষার করার জন্য নিচে নিয়ে যাওয়া আসার বকসিস ২০০/-৩০০/- নিয়ে থাকে। রোগীর চিকিৎসা দিকে তেমন কোন ফোকাস নাহ থাকলেও ২০০/- টাকা কোথায় ধান্দা হবে সেই দিকে সবার ফোকাস। যানি এখানে এই গুলো লিখে মনকে শান্তনা দেওয়া সারা কিছুই হবে বলে আমার মনে হয় নাহ। যাই হোক যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। হাসপাতালে পরিবেশ ফেরাতে গেলেঅবশ্যই মেড প্রশাসনকে এই বিষয়গুলো তদরকি হব
বি আর টি এ তে আমি যখন গাড়ির টেস্টিং এ নিয়ে যাই তখন সবকিছু টেস্ট করার পরে আমার নতুন গাড়ি এবং রিকন্ডিশন গাড়ি সেটাকে তারা হ্যান্ডব্রেক স্লো বুলিয়ে ফেল দেখিয়ে দিল পরে তাৎক্ষণিক এটা 5000 টাকা দেওয়ার পরে আমার এটা ঠিক করে দিল