Land Tax
270 টাকা খাজনা বলে পূর্বের এস এ খতিয়ান নাই তাই পূর্বের কোন হিসাব আমাদের কাছে নাই ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
270 টাকা খাজনা বলে পূর্বের এস এ খতিয়ান নাই তাই পূর্বের কোন হিসাব আমাদের কাছে নাই ।
আমি গিয়েছিলাম আমার আম্মুর এনআইডি কার্ড উত্তোলনের জন্য (স্মার্ট কার্ড) আমাকে বলেছে থানা থেকে জিডি করে আসতে যেহেতু আমার আম্মুর পুরানো আইডি কার্ড টা হারিয়ে গিয়েছিল । আমি চাইছিলাম না জিডি করতে এরপর আমাকে ইশারায় ২০০ টাকা দেখিয়ে দিল ২০০ টাকা দিলাম এরপরে আমাকে পুরানো এনআইডি কার্ডের নাম্বারটা বলে দিল খুঁজে জুতা দিয়ে আমি অনলাইন থেকে আবার আইডি কার্ড বানিয়ে নিয়েছিলাম আমার আম্মার জন্য
আমি আশুলিয়া সাব রেজিস্ট্রার অফিসে একটা জমি বিক্রি করতে গেছিলাম । তো আমার জমিটা খালি ছিল । সামনে অল্প একটু দোকানের মতো ছিল যেখানে দু তিনটা রিক্সা রাখত । ওই জায়গা বিক্রি করার সময় সাব রেজিস্ট্রার গুগলে চার্জ দিয়ে দেখে যে ওইখানে স্থাপনা আছে অল্প একটু স্থাপনা । উনি এটার জন্য তিরিশ হাজার টাকা ডিমান্ড করে এবং তিরিশ হাজার টাকা উনাকে দিয়ে আমার জমির রেজিস্ট্রি করতে হয়েছে ।
সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরবারী পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলে এবং ঘর থেকে সবকিছু লুট করে নিয়ে যায়, মহিলাদেরকে নির্যাতন করে, সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রভাবশালী ছিল,, তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা নিতে অস্বীকার জানায়,,এবং মামলা নিতে হলে ৫০০০০ টাকা লাগবে এটা জানায়,, বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে মামলা করেছি
আমার একাডেমিক সার্টিফিকেটে পিতা-মাতার নাম ভুল থাকায় শিক্ষা বোর্ডে যাই।ভুল সংশোধনের জন্য সরকারি নিয়ম কারণ অনুযায়ী আবেদন করে আসি, বিভিন্ন মিটিং ও কাগজপত্র যথাসময়ে জমা দেওয়ার পরেও ভুল আসে।পরবর্তীতে ব্যাঙ্ক ড্রাফটের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে পুনরায় আবেদন করে আসি।ফলাফল আবারও সেম।এইভাবে নিজে নিজে তিনবার চেষ্টা করি। তিনবারই সরকারি খরচের মাধ্যমে আমি সকল নিয়মকানুন মেনে ও কাগজপত্র জমা দিয়ে আসি ও মিটিংয়ে উপস্থিত হই।পরবর্তীতে সেখানকার এক কর্মচারীকে বিষয়টি শেয়ার করলে তিনি টাকা দাবি করে ও আশ্বাস দেয় আপনার আর আসা লাগবে না কাজ হয়ে গেলে আমরাই ডাকবো। পরবর্তীতে আমি কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিতে রাজি হয় এবং এক মাসের মধ্যে আমার কাগজটি সংশোধন হয়ে যায়।
পাসপোর্ট করতে গেছি ই পাসপোর্ট যদিও এক মাস আগে আমি একটা পাসপোর্ট করেছিলাম সেই পাসপোর্ট টা হারিয়ে গেছে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও না পাওয়াতে আমি আবারো পুনরায় পাসপোর্ট করতে গেছি আমার আগের পাসপোর্ট এর ফটোকপি ছিল এবং হারিয়ে যাওয়ার কারণে আমি থানায় জিটি করছি এই যেটির কপি ছিল আমার সমস্ত কাগজপত্র ওকে ছিল কিন্তু আগের পাসপোর্টে অবিবাহিত লেখা থাকার কারণে একমাস পরে যেটা করতে দিছি সেটা তো অবিবাহিতই দিছি কিন্তু তারা যেভাবে হোক বের করতে পারছে যে আমি বিবাহিত তখন আমারে বলতেছে কাবিননামা লাগবে আরো অনেক কাগজপত্র লাগবে না হয় পাসপোর্ট হবে না কিন্তু বাইরে আসার পরে এক দালালের মাধ্যমে ২০০০ টাকা দেওয়া হইছে তখন আমার পাসপোর্ট ওকে হয়ে গেছে আর কোন সমস্যা নেই
জেলা পরিষদ থেকে পাস হওয়া প্রকল্পের বিল ছাড়ের জন্য ১০% ঘুষ চাওয়া হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
খুলনা এলজিডি অফিসে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি
জমির মিউটেশনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে প্রেরণ করেন। আর সেখানেই ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেন।
পাসপোর্ট ভেরিফাই করার জন্য পুলিশ ২০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিলো আমি প্রথমে দেই নাই। যার কারণে সে পাসপোর্ট ভেরিফাই করে নাই পরে ১মাস পরে তাকে ফোন দিলে বলে হবে না। টাকা দিলে হবে। কিন্তু টাকা বেশি দিতে হবে। তার পরে আমি ১৭০০ টাকা দেই🥲 তখন আমার পাসপোর্ট দরকার ছিলো তাই টাকা দিয়ে করেছি তা না হলে এই পুলিশ সালাদের টাকাই দিতাম না।🤬 এই দেশের সব থেকে বর শত্রু বাংলাদেশ পুলিশ ।🤬
২০২৫ সালে, আমি গাজীপুর যাছিলাম মহাখালী ফ্লাইওভার এর নিচ দিয়ে। একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে আটকালো। কেন আমি ডান পাশ দিয়ে মুভ করলাম? আমি কোন ওভারটেক বা ভুল পথে যাই নি। পুলিশ আমাকে মামলা র ভয় দেখাল। আমি সিনিয়র অফিসার এর সাথে কথা বলতে চাইলাম কিন্তু উনি ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করল। আমার তারা ছিলো তাই ৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসছিলাম। কিন্তু আমার মাথা থেকে বাপার টা যাচ্ছিল না । পুলিশ তখন উনার নেম প্লেট টা উলটিয়া রাখছিল । পুলিশ যতটা না মানুষকে সচেতন করার জন্য চেক করে, এর থেকে বেশী করে নিজেদের ঘুষ এর জন্য।
কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — চরম ঘুষখোর সে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে এক পারসেন্ট থেকে দুই পার্সেন্ট পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — একই পরিমাণে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে নিয়ে থাকে তাদের তত্ত্বাবধানে চলা সমস্ত কাজের ওয়ার্ক অর্ডার অ্যামাউন্ট যাচাই করলে জানতে পারবেন তারা ঠিক কি পরিমান ঘুষ নিয়েছে এটি অনেক বেশি পরিমাণ আপনারা হিসাব করলে পাবেন,
আমার মোটার সাইকেলের কাগজ হারিয়ে যাই, সেটা BRTA থেকে উঠানোর জন্য, BRTA কতৃপক্ষ জিটি কপি চাই। সে জন্য হারানোর জিটি করতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার আমার থেকে ৪০০ টাকা দাবি করে বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা দিয়ে আসতে হই। এটা আমার নিজের সাথে ঘটেছে এছারা আমার সামনে বিভিন্ন ঘটনার সরাসরি আমি বড় এমাউন্টের ঘৃষ নিতে দেখেছি।
ফটিকছড়ি নির্বাচন অফিসে ফাইল দতন্ত কর্মকর্তা দুইজনের NID এর ফাইল জমা নিয়ে ৫০০০ টাকা নিয়েছে। যদিও কাজটি দ্রুত হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কারণে আমাকে এই পথ বেছে নিতে হয়েছে। অন্যথায় এনআইডি করাতে হরেক রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এবং সময় সাপেক্ষ। অথচ অর্থ খরচা করলেই একদিনে পাওয়া যায়।
মা২০০ টাকা ঘুষ নিলো প্রস্রাবের নল লাগানো জন্য ।৩ তলায় ১৫ নং ওয়ার্ড ১৩৮ রুম
আমি জমির খাজনা দিতে যাই কিন্ত আগের রশিদ না থাকার কারণে আমার কাছে 16000 টাকা দাবি করে তারপরে আমার কাছে থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে ৪২৭ টাকা খাজনা দিয়ে আমাকে রশিদ দেয়,,,,,,
তারা টাকা না দেয়া পজন্ত ঘুরায় আমি দুই মাস ঘুরে সেস পজন্ত টাকা দিতে বাধো হলাম কারন আমার পাসপোর্ট নবাওন করার জন্নো
নামজারি করতে গেলে আমাকে জানানো হয় কাগজে ভুল আছে/কখনও আবেদনে ভুল আছে/কখনো প্রয়োজনীয় নথিপত্রের কমতি আছে।এই বলে প্রতিদিন তারা ঘুরাতে থাকে, শেষে দাবি করে ২০০০০টাকা হলে তারা কাজ করতে পারবে। সর্বশেষ টাকা দিয়েই কাজ করানো লাগল। ৩টি নামজারি করা হয়েছে পর্যায়ক্রমে।
বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করে দিবে তার জন্য নিয়েছে। ওনাদের টাকা না দিলে ৩-৪মাসেও জন্ম নিবন্ধন এর কাগজ পাওয়া যায়না
ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে ২৫০ টাকা দিতে হয় আমাকে। একজন চৌকিদার অথবা মেম্বারকে।