BDS নতুন করে ভূমি জরিপ . জমির পর্চা বা খতিয়ান সংগ্রহ করার সময়
জমির পর্চা বা খতিয়ান সংগ্রহ কালে যার যত জমি অতিরিক্ত টাকা না দিলে পর্চা প্রদান করে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান সংগ্রহ কালে যার যত জমি অতিরিক্ত টাকা না দিলে পর্চা প্রদান করে না
I had applied for driving license twice before. 1st time the had me failed for reason unknown. 2nd time I applied, had waited for interview date for weeks. Yet no response from the authority. From a colleague I learnt he never got interview confirmation text till he applied through a "vendor". That vendor was not any employee of the BRTA just a random no one. He demanded 8500. We settled at 8000. I'm didn't even have to do any procedure now. Somehow I was in the system to which I didn't have access. That vendor informed me of the interview date and my name was already among the list of that day's participants.
নামজারির জন্য ৫০০০ টাকা নিছিলো পরিচিত একজন তহসিলদার
পাসপোর্ট অফিসে ঘুম বেশি চলে
খাজনা দিতে গেছি।১৯৮৯ সাল থেকে খাজনা শুরু।মোট ১১,০০০ টাকা মতো হয়।দিয়েছি।পরে উনি ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কম্পিউটার সাল ইডিট করে ২০২২ থেকে ২০২৩,দুই বছর বাকী দেখিয়ে দুইবছরের টাকার রশিদ দিয়েছে।কিন্তু টাকা নিয়েছে প্রায় ৩০ বছরের।
এটি মূলত আমি যে কোম্পানি চাকরি করি সেই কোম্পানির কাজে গিয়েছিলাম উনারা সরকারি ফিস বাদে অতিরিক্ত বিশ হাজার টাকা দাবি করে। আমি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে ১৫০০০ টাকা ঘুস প্রদান করি।
ঢাকা মেডিকেল এর আনসার কে ওটি তে রোগীর চিকিৎসা শেষে বকশিস দাবি করে নাহলে সমস্যা সৃষ্টি করে
ময়মনসিংহ সঞ্ছয়পত্র অফিসে সঞ্চয়পত্রের মোবাইল নম্বার পরিবর্তনের জন্য যাবার পর তারা বললো যে ঢাকা থেকে করাতে হবে।তারা ময়মনসিংহ থেকে নম্বার পরিবর্তন করতে পারবেনা, সেইজন্য কিছু খরচ দিতে হবে। আমি ৩০০ টাকা দিতে চাইলে তারা বলে ১০০০ দিতে হবে এইটা নাকি তাদের রেইট করা।
e-Passport with 48 pages and 10 years validity Regular delivery: TK 5,750 সেখানে এমন সিন্ডিকেট করা যে, কেও চাইলে ও নিজে এপ্লিকেশন সাবমিট করতে পারবেন না। দালাল ছাড়া গেলে আবেদন জমা নেয়না। বাইরে এসে দালাল কে ৮৫০০ টাকা দিলে উনারা জাস্ট একটা মেসেজ করে দেয়...(আবেদনে হাজার ভুল থাকলে ও জমা নেয়)।
পাকশি ডিমই অফিসে রেলওয়ে কর্মচারীরা অফিশিয়াল কাগজপত্র নিতে বা সংশোধন করতে দিতে হয় ধাপে ধাপে ঘুষ দিতে হয়।যেমন আমি কিছুদিন আগে আমার স্যালারি একাউন্ট এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম ডিএমই নিজস্ব অফিস সহকারি কাছে সে দাবি করে ১০০০টাকা না দিলে সম্ভব নয়।।কিন্তু এই সেবা নিতে কোন টাকা বা কিছু লাগেনা। ঘুষ দাবি কি তো ব্যক্তি : —, পদবিঃ অফিস সহকারি মোবাইলঃ—
রাজবাড়ী সদর, ১২নং সুলতানপুর এ ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর ***,সরকারি যেকোনো আবেদন জন্য ২০০-৫০০টাকা দাবি করে অথবা তাকে ইয়াবা সেবন করাতে হয় এছাড়াও তিনি চেয়ারম্যান(বর্তমান বিসিএস ক্যাডার ভারপ্রাপ্ত) তার সাক্ষাৎ নকল করে দিলে আরো ৫০০টাকা দাবি করে এবং সাধারণত কোনো সেবা নিতে গেলেও সময় লাগে ৫-৭দিন ১২নং সুলতানপুর ইউনিয়ন বাসী অনেক ভোগান্ত মধ্যে আছে
যখন আমি নিজে নিজে নতুন পাসপোর্ট তৈরি করতে যায়। আমি নিজে অনলাইন এ আবেদন করে নিয়ে যায়, যখন জমা দি, তখন একজনে দেখে বলে যে সব কিছু আনছ কিনা? আমি বলি জ্বি, তারপরও উনি আমাকে একটি কক্ষে যেতে বলে, যেয়ে দেখি কেও নাই। অনেক্ষণ দাড়িয়ে থাকার পর একজন ব্যাক্তি এসে উনি উনার কাজ করতেছে আমার দিকে তাকাইতেছে না, যখন আমি মোবাইল বের করি তখন উনি আমার দিকে তাকিয়ে বলে কেন আসছ, মোবাইল বের করছ কেন? ভিডিও করবা? এর মাঝে আমার পিছনের আরও কয়েকজন আসছে, তখন কিছু কথা কাটাকাটি হয়, এর পর বের হয়ে একজন জিজ্ঞেস করছি আর উনি বলে টাকা দেন নাই তাই ঘুরাইতেছে, তখন আমি বলি কত দিতে হবে, তখন 1500 টাকায় চায় আমি 1400 দিয়ে করতে হইছে।
আমার নামে এক ব্যক্তি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন তখন মামলা টি তদন্তের জন্য থানায় আসে থানার ওসি মহোদয় একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেন তখন তিনি আমাকে মামলা হতে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য একদম বিনা কারণে 60000 টাকা নেয়
আলোকদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মডেল মাদ্রাসা, বহুলী, সিরাজগঞ্জ এর অধ্যক্ষ সাহেব নিয়োগ বানিজ্য করে আসছে। কমিটির মাধ্যমে সে ২০ লাখ টাকা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন। তেমনি নিজে ৫ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে আরো ৫০/৬০ লাখ টাকা নিয়েছে। এমনকি NTRCA এর মাধ্যমে যারা নিয়োগ পান, তাদের কাছ থেকে ১৫/২০ টাকা জোর করে আদায় করে। আমিও এর ভুক্তভোগী।
আমার কাছে সত্য রেজিস্ট্রেশন করা ভূমির নাম জারি করতে গেলে পাঁচ হাজার টাকা চাওয়া হয়। এবং অরশি জমি নাম জারি করতে গেলে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। কিন্তু আমি সত্য রেজিস্ট্রেশন করা জমিটি নাম জারি করি সেখানেও আমাকে এক হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়। এখানে অনেক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়। আপনার জমি সম্পর্কে যদি একটু কম বোঝেন তাহলে বিভিন্ন দালাল চক্র সাথে জড়িত সেখানকার কর্মকর্তারা আপনার কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়ে নেবে। এবং নাম জারি মানেই সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা ঘুষ।
নামজারি করতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছে না দিলে কাগজে ভুল আছে ইত্যাদি বলে আবেদন বাতিল করে দেয় এবং বর্তমানে চলমান ডিজিটাল সার্ভে জরিপে ইচ্ছাকৃতভাবে দাগ ছোট করে জমির অংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ঠিক করতে টাকা দাবি করেছে শতাংশের হিসাব করে টাকার পরিমান দাবি করছে
আমি আমার পুলিশ কিয়ারেন্সের জন্য যখন যাই তখন আমার কাছে টাকা দাবি করে যেখানে পনেরশো টাকা লাগে এই আবেদন করা করতে সেখানে আমার কাছে ৫০০০ টাকা ছাড়বে। পরবর্তীতে কিছু কমিয়ে ৩৫০০ টাকায় আনা হয়েছে আমি চাই এর সুষ্ঠু একটি বিচার
সরকারি কর্মচারীর মারা গেলে ডিসি অফিস থেকে ৮ লক্ষ টাকা দিয়া হয় ।এটার জন্য আমরা ১ বসর দৌড়াইসি কিন্তু কোনও কাজ হয়নি ১ বসর পরে তার বলে তাদের ৪০০০০ টাকা না দিলে নাকি টাকা পাওয়া যাই না । যদি টাকা না দেই তাহলে এই টাকা কোনদিন পাবনা
আইসিডি কাস্টম চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার — ও — শুল্কায়ন পেপারের ফাইলে ধরে ধরে ঘুষ নেন। দৈনিক অন্তত ৫০০০০ হাজার টাকা ঘুষ নেন ওনারা। বলে ওই কাষ্টম অফিসে যেভাবে দিতেন এখানেও সেভাবেই দিতে হবে। অফিস থেকে কাস্টম খরচ না দিলে আইন আর এসআরও বলে হয়রানি করে। কাজে অনেক বিলম্ব হয়। কোনো অনুরোধ করলে বাজে ব্যবহার করে। শাস্তি চাই।
প্রায় ৩ মাস আগে কোনো দালাল ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্সের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। পরীক্ষার দিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ভাইভা ও প্র্যাকটিক্যাল ছিল। চার চাকার গাড়ি চালানোর সময় যশোর বিআরটিএর এক ব্যক্তি ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বলেন, টাকা না দিলে গাড়ি পেতে দেরি হবে, এমনকি সেদিন নাও পাওয়া যেতে পারে। পরে টাকা দেওয়ার পরই গাড়ি চালানোর সুযোগ পাই। আমার অভিযোগ, যশোর বিআরটিএ অফিসে এভাবে প্রতিদিন ঘুষ বাণিজ্য চলছে। দুঃখজনকভাবে, পাশে ম্যাজিস্ট্রেটরাও দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এসব ঘটছে, অথচ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।