ট্রেনের টিকিট
আমি টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠেছিলাম। কারণ টিকিট পাই নাই। টিটি আমার কাছ থেকে টিকিটের সমপরিমাণ টাকা নিল ঠিকই কিন্তু কোন রশিদ দিল না। টিটি এই টাকা মেরে দিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠেছিলাম। কারণ টিকিট পাই নাই। টিটি আমার কাছ থেকে টিকিটের সমপরিমাণ টাকা নিল ঠিকই কিন্তু কোন রশিদ দিল না। টিটি এই টাকা মেরে দিয়েছে
জমি দলিল করতে গেলে, সরকারি ফি হিসেব করে ৬০০০০ টাকা জানানোর পর দলিল নিবন্ধনকারী তাদের সমিতি ফি এবং সাব রেজিস্ট্রার এর ঘুষ বাবদ ৯০০০০ টাকা দাবি করে। এতে আমি অন্য নিবন্ধনকারীদের কাছে গেলে তারাও সম পরিমাণ টাকা দাবি করে। পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বরিশাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ স্টাডি সেন্টারে M.ed প্রথম সেমিস্টারের ভাইবে ছিল। ভাইবা চলাকালীন সময়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমের সামনে বসে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নিয়েছি যা নিয়ম নীতি বহির্ভূত।
আমি খারিজ করতে গেলে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা দাবি করে
I went to the pabna pourasava for the name and address correction. There was a man who works there inside the office. He mainly does everything in the computer. He reviewed everything and filled the form in the computer and asked 300 tk. But the real amount is less than that. I asked him about it and he said it's normal payment here. He didn't even gave me any payment slip or anything. It was urgent for me and I didn't say anything more about that. I paid him and he did rest of the process.
আমার টেক্স দিতে গেলে তারা ফাইল দেখে বলে হিসেবে গড়মিল আছে ৫০হাজার টাকা লাগবে। পরে দর কষাকষি করে ২৫ হাজারে কাজ হয়।
২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানিতে নিয়োগ পাই কিন্তু এসবি রিপোর্ট দিতে পুলিশ প্রায় পৌনে তিন মাস সময়ক্ষেপণ করে। অতঃপর এসবি অফিসে রিপোর্টের জন্য গেলে এসআই — (—) চার হাজার টাকা ফ্লাইওভারের নিচে ডাকিয়ে নেয়। টাকা দেওয়ার ৪/৫ দিন পর রিপোর্ট কোম্পানিতে গেলে চাকরিতে যোগদান করতে পেরেছিলাম।
পুলিশ রিপোর্ট কোর্টে জমা হয়েছে, রিপোর্ট এর কপি নেয়ার জন্য আমাকে ৬০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে কোর্টের স্টাফকে। স্টাফ বলে একটা বড় নোট দেন মানে ১০০০ টাকা। কোনমতে ৬০০ টাকা দিয়েছি।
২০১৬ সালের জুন-জুলাইয়ে গাজীপুর সদরের ফ্রন্ট ডেস্ক আমার পাসপোর্ট ইশ্যুর কাগজ জমা নিচ্ছিল না এবং দুইদিন ধরে অবান্তর কাগজ চাইছিল যা দরকারই না। এরপর সেখানে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত পুলিশ ও দালালদের দেখিয়ে ১,২০০ টাকা জমা দিতে বলে ঐ লোক এবং না দিলে আবেদন রিসিভ করবে না জানায়।
৫ শতক জায়গা ক্রয় করে রেজিস্ট্রি করার পর যখন নামজারির জন্য দেয়ার পর এসিল্যান্ড ১১৭০ টাকার ১৮৮৩০ মোটা ২০,০০০ টাকা না দিলে নামজারি হবে না বলে জানিয়ে দেন।
যখন আমি নিজে আবেদন করে সব ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে যাই। তখন ঐখানের অফিসার বলে আবেদনে ভুল আছে এটা হবে না। তারপর আবার বলে 2000 টাকা দিলে ঠিক করে দিবে
টাকা না দিলে বছর পর বছর সময় লাগায় দেয় লাইসেন্স পায়তে। এমনকি পাশ করলেও ফেল দেখায় দেয় বলে নেটএ সমস্যা। কাগজে ভুল আছে বিভিন্ন তালবাহানা আবার বলে সার্ভারে সমস্যা।এমনও হয় অনেক এর বেলায় লাইসেন্স এর মেয়াদ ৫ বছর কিন্তু এই সময় এর মধ্যে ও হাতে পায় না লাইসেন্স।
আগে তো তাও জমির খাজনা সরাসরি অনলাইনে দেওয়া যেত। বর্তমান সরকার এসে সেই সিস্টেম একদম বন্ধ করে দিয়েছে। তো সেদিন গিয়েছিলাম জমির খাজনা দিতে ভূমি অফিস খিলক্ষেত এ। খাজনা খুব দ্রুত পরিষদের জন্য আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমি যখন বললাম আগে তো অনলাইনে দিতাম তখন তো এত ভেজাল ছিল না তাহলে আপনাকে কেন ১০০০ টাকা দিব। তখন সে বলে ভাই দ্রুত কাজ করতে হলে এইটুকু টাকা দিতেই হবে। সে ছিল ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক। যাই হোক পরবর্তীতে ৫০০ টাকায় জিনিসটা সেটেল করতে হয়। বিএনপি সরকার এসে অনেক কিছুই বন্ধ করে দিচ্ছে যাতে করে ঘুষের বাণিজ্য চলতে পারে। এরা জুলাই এর সাথে বেইমানি করা জাতি। এদের অবস্থান ও আওয়ামী লীগের তুলনায় অনেক বেশি খারাপ হবে লিখে রাখলাম।
মূলত নিজেদের জমির খাজনা নিজেরা দেয়ার জন্য ভূমি অফিসে যাই (দেহেরগতি ইউনিয়ন ভূমি অফিস)। সেখানে প্রধান কর্মকর্তা অফিসে নিয়মিত আসেন না। তাই সে অনলাইনে খতিয়ান সমূহ নিষ্পত্তির দায়িত্ব অপর এক কর্মচারীকে দিয়েছেন এবং সেই কর্মচারীকে বলা হয়েছে যে যদি কেউ নামজারি খতিয়ান নিষ্পত্তি করতে আসে তাহলে খতিয়ান প্রতি ১০০টাকা দিয়ে নিষ্পত্তি করতে হবে। আর নয়তো তাদের মাধ্যমে নিজের জমির খাজনা দিতে হবে সাথে তাদেরকে অনলাইন খরচ দিতে হবে(অনলাইন খরচ কত টাকা দিতে হবে তা বলেনি)।
আমার মিটারের চেয়ে তাদের বিলের কাগজে বেশি ইউনিট উঠিয়ে বারতি টাকা আদায় করতো, এটি সংশোধন করার জন্য যাওয়ায় আমার থেকে ৬০০টাকা দাবি করে পরে দর কসা কসি করে ৫০০টাকায় রাজি হন
বদলি ও অন্যান্য কাজে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। পুরো প্রাথমিক শিক্ষা অফিস দুর্নীতিতে ভরা টাকা ছাড়া কাজ হয় না। অফিস আদালত বলেন সব জায়গায় দুর্নীতিতে ভরা। ঘুস ও দুর্নীতি মুক্ত দেশ চায়। ধন্যবাদ
১১৭০ টাকা সরকারি খরজ লাগলেও কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে ৭০০০ টাকা অতিরিক্ত ঘুষ দিলে দ্রুত কাজ হয়ে যায়।
Asked by creating fear of misinformation as per NID documents. Just when I paid the Ghush amount, the same officer processed my Passport renewal!
বিভিন্ন ইস্যুতে ফাইল reject করে দেয়। নিচে আনসারের কাছে তিন হাজার টাকা দিলে ফাইল ছেড়ে দেয়।
আপনি যে কোন কাজেই জাবেন না কেন টাকা দিতে হবে। আগ্রাবাদ শিপিং অফিস