মিউটেশন
জমি নামজারি করার জন্য সরকারিভাবে ১ হাজার ৭৩ টাকা থাকলেও আমার থেকে ৯ হাজার টাকা নেয়া হয়েছিল। এক টাকা কম নিবে না। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে টাকা দেয়। নায়েব — নাম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি নামজারি করার জন্য সরকারিভাবে ১ হাজার ৭৩ টাকা থাকলেও আমার থেকে ৯ হাজার টাকা নেয়া হয়েছিল। এক টাকা কম নিবে না। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে টাকা দেয়। নায়েব — নাম।
আমি আমার দাদার বাড়ি জমি নামজারী খারিজ করতে গেলে তারা করে দিতে অসিকার করে, বার বার আবেদন বাদ করে দেয়, তার পর দালাল এর মধ্যেই ৫০ হাজার টাকায় করে দেয়, আমি বাধ্য হই টাকা দিতে, শুনেছি কিছু দিন আগে সে রিটায়ার করেন চাকরি সময় শেষ, সে বার ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন 🙂 এ দেশে এ অবিচার থেকে কে আমাদের মুক্ত করবে? এদের জনগনের কোনো মুক্তি কি নেই? লোঃ নরসিংদী , হাসনাবাদ বাজার সাব রেজিস্ট্রার
শিক্ষকগণ সমাজের মানুষ গড়ার কারিগর। কিন্তু শিক্ষকদের বেতন পেতে অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়। অন্যান্য সরকারি শিক্ষকদের চলতি মাস থেকেই বেতন পেয়ে থাকে কোন ধরনের হ্যাসেল ছাড়াই। কিন্তু শিক্ষকের MPO সাবমিট করতেই ৩/৪ মাস সময় লেগে যায়। তার উপর টাকা ছাড়া থানা শিক্ষা অফিস থেকে ফাইল ছাড়ে না।MPO সাবমিট হতে যে কয়টি মাস চলে যায়, সে মাসের বেতনের জন্য আবার আবেদন করতে হয়, যাকে Arrear বিল বলে। Arrear বিল থানা অফিস থেকে ছাড় করতে আবার টাকা পয়সা দিতে হয়। এই হলো শিক্ষকদের বেতনের অবস্থা। শিক্ষার অবস্থা এর থেকে ভাল কিভাবে আশা করা যায়।
ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে ছিলাম, সেখানে নাকি আবেদন করার জন্য টাকা প্রয়োজন এবং ব্যাংকে নাকি টাকা দিতে হয় সেই কথা বলে ১০০০ টাকা নিয়েছে, আমি সেখানে উপস্থিত থাকাকালীন আরও ব্যক্তিবর্গ এসেছেন যারা তাদের ভোটার আইডি কার্ড,বিধবা কার্ড, জন্ম নিবন্ধনের কার্ড তৈরি করতে চায় তাদের কাছ থেকেও ৫০০-১ হাজার করে নিয়েছে। টাকা মূলত সচিবের কর্মচারী মানে যে কম্পিউটারে আবেদন করে এবং যে ফাইল আদান প্রদান করে মানে দপ্তরি টাকা নিয়ে থাকে, আমি টাকা কম্পিউটারে আবেদন করা ব্যক্তির কাছে দিয়েছি, এবং দপ্তরিকেও লুকিয়ে নিতে সন্দেহ করছি।
সাতকানিয়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের এক কর্মচারী আমার IBAS একাউন্টে পে ফিক্সেশন করার জন্য আমার কাছে 5000 টাকা ঘুষ চায়। এটি ছাড়া আমার বেতন আসতো না তাই বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করি। টাকা না দেওয়ায় আমার দুই মাস বেতন আটকে ছিল।
আমার বাড়ির গেইটের সামনে একটা সোডিয়াম লাইটের খুটি ছিলো, সেটা সরানোর জন্য সিটি কর্পোরেশনের অফিসে চার বার গিয়েছি তারা কোনরকম কথা বলার সুযোগ দিচ্ছিলো না, তাদের একজন লোক এসে বলে এগুলো অফিসিয়ালি হয়না আমাদের টাকা দিলে আমরা করে দিবো, আমার কাছে ১৪০০০ হাজা দাবি করে, পরবর্তীতে ১৪ হাজার টাকা দিয়ে খুটি সরাইতে হইছে, সময়টা ছিল ইন্টারিম গভমেন্টের সময়।
মানিকগঞ্জ জেলা,ঘিওর উপজেলা,সিংজুরী ইউনিয়ন এ সরকার কৃত্বক বৈকন্ঠপুর ব্রীজ এর জন্য ভুমি অধিগ্রহন প্রকল্প নেওয়া ৪ বছর আগে সেখানে আমার ফ্যামিলির ৩০ শতাংশ জায়গা অধিগ্রহন সিদ্বান্ত নেওয়া হয়।।আমরা আমাদের সকল বৈধ কাগজ পত্র জমা দেই তারপরও তারা নানা ধরনের তালবাহানা করে এই সমস্যা ওই সমস্যা তাছাড়াও অফিস এর পিয়ন এর মাধ্যমে প্রতি লাখে ১০℅ করে টাকা দাবী করা হয়।। প্রথমে টাকা না দিলে তারা নানা ধরনের অজুহাত দেয়।।পরে বাধ্য হয়ে ৩৪ লক্ষ টাকার মধ্যে নগদ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে চেক নেই।।তাছাড়া ৩% ভ্যাট এর নামে ৬০ হাজার টাকা কাটা হয়।।।ঘুষ না দেওয়ার অনেক চেষ্টা করছি কোন লাব হয় নাই।।ধন্যবাদ
লোহাগাড়া ভূমি অফিসে একটা জায়গার নামজারী করতে গেছিলাম। আবেদন এর শুরু থেকেই টাকা চাওয়া শুরু।সরকারি নিয়ম মেনেই সব ডকুমেন্টস দিয়ে আবেদন করার পরও আবেদন নেয় না।পরে জানলাম সাথে ৫০০ না দিলে আবেদন নিবে না।নেওয়ার পর এই ফাইল এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রতিটা রুমে টাকা নিছে।টাকা না দিলে ফাইলে সাইন দিচ্ছে না। নাহয় ঘন্টার পর ঘন্টা দাড় করিয়ে রেখে বলে এক সপ্তাহ পরে আসুন
আমি বাংলাদেশ পুলিশের একজন কর্মকর্তা। মামলা তদন্তকালে আহত হয়ে ভিকটিমরা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটে চিকিৎসা গ্রহন করে থানায় মামলা করলে উক্ত চিকিৎসা সনদপত্র সংগ্রহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটে আবেদন করলে নরমালি রেডি করে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দেয়ার কথা কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত এমসি(মেডিকেল সার্টিফিকেট) প্রদানকারী শাখার সাথে যোগাযোগ করা না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তারা ঐ ফাইলটি হাতেই নেন না। যোগাযোগ না করলে উক্ত আবেদনটি ৬ মাস, ১ বছর বা ১.৫ বছর পর্যন্ত পড়ে থাকে। নরমারি যোগাযোগ করলে বলে আপনার আগের অসখ্য ফাইল পড়ে আছে দিতে পারছি না কিন্তু টাকা প্রদান করে কথা বললে দ্রুত করিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেয়। অনেক সময় টাকা ম্যানেজ করে দেই আবার অনেক সময় নিজের পকেট থেকেই দেই।
আমি আমার পার্টনার কে নিয়ে পতেঙ্গা ঘুরতে সিনএনজি দিয়ে চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সেস ওয়ে হয়ে যাচ্ছিলাম,সিনএনজি ড্রাইভার যখন লালখান বাজার থেকে উঠে সিটি কর্পোরেশন গেইট বরাবর উপরে ফ্লাইওভারের উপরে একটা পুলিশ চৌকি বসে ওখান তারা সিনএনজি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করে,আমাদের পরিচয় কি পরিবার জানে কিনা, কই যাচ্ছি কেন যাচ্ছি এসব বলে বলতেছে থানায় নিবো না হয় ২০০০ টাকা দিতে হবে।পরে এক পর্যায়ে দর কাশাকশি করে ৫০০ টাকাতে রাজি হয়।এমনকি ৫০০ টাকা দেয়ার পরও ওটা আমাদের ছবি উঠাই বিনা পারমিশনে।
সরাসরি করতে গেলে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়। সরকারি ভাবে যেখানে ২০০০ হাজার মধ্যেই সব হয় সেখানে ৬ হাজার এর নিচে একটা জমির নাম খারিজ হবে সেটা কোথাও কল্পনা ও করা যায় না। তারা এমন সিস্টেম বানিয়ে রেখেছে, বলে অনলাইন এ আবেদন ও সব প্রক্রিয়ার জন্য টাকা লাগে এত। একটা সিগনেচার এর জন্য ঘুরতে হয়। অফিসে বড় স্যারদের কাছে সরাসরি গেলে তারা তাদের চামচাদের কাছে ফাইল রেখে যেতে হবে। এটা পুরাই একটা সিন্ডিকেট হয়ে আছে। শুধু নাম খারিজ না, জমি রিলিটেড এই বিষয়ে এর পরিমাণে ঘুষ এর ঝামেলা তা বলার মত না।
অনলাইনে নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি, নির্ধারিত তারিখে পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করি, রিটন পরিক্ষায় পাস করে ভাইবা পরিক্রমায় যায়, আমাকে প্প্ররাশ ১০/ ১২ টা প্রশ্ন করে আমি সব গুলার সঠিক উত্তর দেয়। কিন্তু আপনাকে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে এমন একটা প্রশ্ন চিল তুমি কার মাধ্যমে আবেদন করেছ, আমি বলি নিজে নিজে, তখন তারা তাদের মধ্যে টিক আছে যাও। ২ বার এমন করছে,তখন আমাকে বলা হয় ঢাকা BRTA হেড অফিসে যেতে হবে ২০ হাজার টাকা + আসা যাওয়ার যে যাবে তার খরচ মিলিয়ে ২৫ হাজার টাকা লাগবে। তখন আমি সরাসরি ঢাকা বিআরটিএ এর হেড অফিসে গিয়ে কথা বলি, সেখানেও এমন অবস্থা আমার সবাই কাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে হবে। হেড অফিস থেকে আমাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাটায়। তখন আমি বাধ্য হয়ে তৃতীয় বার ব্রাহ্মণবারিয়ার বিআরটিএ এর কর্ম
mora body nite hoile naki taka dewa lagbe
আমার জমির নামজার খতিয়ান করার জন্য আমি নিজে নিজেই আবেদন করি। তারপর আবেদনের কপি ডকুমেন্টস নিয়ে জমা দেই আমার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বশিকপুর ইউনিয়ন। সেখানে যাচাই-বাছাইয়ের পর ভূমি কর্মকর্তা জানান আমার কাগজপত্র ঠিক আছে সব। সেখানে ওই কর্মকর্তা আমার কাছে পাঁচশত টাকা দাবি করেন উনি রিপোর্ট পেশ করবেন এই জন্য আমি জিজ্ঞেস করলাম ওয়েব সাইটে কোন চার্জ দেখায় নাই ইউনিয়ন অফিসের জন্য যে এখানে কোন টাকা লাগবে ওই কর্মকর্তা জানালেন এটা আমাদের খরচ আমি বাধ্য হয়েই উনাকে পাঁচ শত টাকা প্রদান করলাম। তারপর সেই মাসে আমার শুনানি ডেট ধার্য হয় ওই মাসের ২৮ তারিখ আমি ভূমি অফিসে উপস্থিত হই। কিন্তু জিজ্ঞেস করলে উনারা বলেন আমার শুনানি হবে না। আমার আবেদন বাতিল করা হয় বলা হয় আমি উপস্থিত হইনি। ঘুষ দেওয়ার পর আমার আবেদনটি সাকসে
Bike dorcilo than 500 taka gush dabi kora hoy
prattayan patra issue
সরকারি ফি ১১৫০ হলেও ৮০০০/- টাকা দতে বাদ্য হয়েছি। নিজে আবেদন করার পরেও। ঘুষ না দিলেই আবেদন বাতিল ঘুষ দেওয়ার সাথে সাথে মঞ্জুর
বাবা মারা যায় ২০২১ সালে, চাচা, ফুফু ও তাদের ছেলে মেয়ে নিয়ে আমাদের বাসা থেকে উচ্ছেদ করো নানা পরিকল্পনায় থানা কাছ থেকে সাহায্য নেয়ার সময় জিডির মধ্যেমে এক এক আয়ু আমাূের ও তাূের কাছ থেলে টাকা খেয়ে বেইমানি করে মিথ্যা মামলায় আমাূের ফাসিয়ে বাড়ি ধখল করে দেয় তাদের।
শেরপুর পারিবারিক আদালতে বাচ্চার বক্রী টাকা জমা দিতে গেলে, ঘুষ ছাড়া টাকা জমা নেই না, কোর্টে যে কোনো কাজ করতে বা কোনো ফাইল দেখতে টাকা দেওয়া কাজ হয় না,ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না।
একটা সরকারি কাজের জন্য আমি একটি অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও বারবার বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হচ্ছিল। পরে একজন মধ্যস্থতাকারী জানায় যে টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে। অনেক দিন অপেক্ষা ও হয়রানির পর বাধ্য হয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। টাকা দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই যে কাজ দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল, সেটি দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যায়।