RED ক্যানসেল কাজে ঘুষ।
মি —, সহকারী কমিশনার অব কাস্টমস, যে। সমস্ত শুল্কায়ন ফাইলে RED থাকে সেগুলির RED রিমোভের জন্য ফাইল প্রতি ২৫০০/-টাকা করে নেন, তার পক্ষে টাকা গ্রহণ করেন —, —, —।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মি —, সহকারী কমিশনার অব কাস্টমস, যে। সমস্ত শুল্কায়ন ফাইলে RED থাকে সেগুলির RED রিমোভের জন্য ফাইল প্রতি ২৫০০/-টাকা করে নেন, তার পক্ষে টাকা গ্রহণ করেন —, —, —।
Trade license nobayon korte gele nobayon fee er sathe office koroch dite bole. Ami boli office koroch dte parbo nah ami jabitio kaj korbo amk draft den. Ami taka bank e joma diye asi. Bank e taka joma diye draft unak joma dey. Pore trade license ante gele bole office koroch dte hobe. Ami boli kiser office korch? Uni blc trade license sign korle taka dite hoi. Ami blc sign kora tho unar kaj. Uni bole 200 taka holeo dite hobe. Ses porjonto na pere 200 taka dite hoilo. Ato porisrom koreo gush mukto kaj korke parlam na.
গত ২৫ আগস্ট আমাদের বাসায় গত ৫ মাসের গ্যাস বিল পরিশোধ না করার কারণে গ্যাস অফিসের প্রতিনিধিরা আসেন। তারা জানান, আমাদের গ্যাসের চাবি ভেঙে গেছে। পরবর্তীতে তারা গ্যাসের রাইজার খুলে নেন এবং জানান যে, গ্যাসের বিল, বকেয়া সুদ ও ব্যাংকে কিছু টাকা জমা দিতে হবে। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী আমি গ্যাস বিল বাবদ ৫,৫৩০ টাকা এবং জামানত/অতিরিক্ত জামানত বাবত ব্যাংকে ৫,৯৭৬ টাকা জমা দিই। পরবর্তীতে আমাকে জানানো হয় যে, তাদেরকে আরও ৪,০০০ টাকা দিতে হবে, যা তাদের মজুরি হিসেবে দাবি করা হয়। আমি ওই ৪,০০০ টাকার বিষয়ে বৈধ কোনো ডকুমেন্ট, রসিদ বা সরকারি কাগজপত্র চাইলে তিনি তা দিতে পারেননি। অতিরিক্ত ৪,০০০ টাকা কোনো বৈধ কারণ, রসিদ বা সরকারি প্রমাণ ছাড়া আমার কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে। “এর প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে”
আমি আমার হাতের এক্স- রে করার জন্য ঢাকা পংগু হাসপাতাল লে জাই, এক্স রে করার পরে, এক্স রে অপারেটর আমার কাছে ১০০ টাকা দাবি করে, টাকা না দিলে ফ্লিম দিবে না। রুম নাম্বার ১০৭, পরে টাকা দিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসি, যারা জাই সবাই কেই ১০০ করে টাকা দিতে হয়।
যাএাবাড়ী সবজি ও মাছের আড়দ থেকে মার্কেটে গাড়ি প্রতি ৫০০ টাকা চাঁদা নেয়া হয়
আমার একটা সরকারী চাকরী হয়। সাধারণত সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়। সেই নিয়মে একজন এসআই ফোন দেয়। তার সাথে দেখা করি। সব প্রোসিডিউর শেষ করার পর আসে মিস্টি খাওয়ার কিছু দেওয়া। আমি জানি এখানে কিছু দিতে হয়। না দিলে নাকি সমস্যা হয়। বাধ্য হয়েই ১৫০০ টাকা দিলাম। টাকাটা গুনে বলে, এতো দূর আসলাম এই প্রচন্ড রোদের মধ্যে। বাধ্য হয়ে আরও ৫০০ দেই। আমাদের দিতেই হবে। নয়তো ভেরিফিকেশনে উল্টাপাল্টা লিখে দিতে পারে। যাকে বলে মনে বিরুদ্ধে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য অ্যাপ্লিকেশন করি, আমার লাইসেন্সটি ছিল অপেশাদার, নিজে নিজে করার সিদ্ধান্ত নেই, আমি ৯০০ টাকার ডোপ টেস্ট এবং আই টেস্ট ৩০০ টাকা খরচ হয়, যদিও এগুলো পেশাদার লাইসেন্স এর জন্য কিন্তু নিজে নিজে করার জন্য এগুলো করতে হয় পরিক্ষার দিন আমি সব পরিক্ষায় পাশ করি, স্যার ও বলছে আপনি পাশ কিন্তু বিকেলে মেসেজ আসছে আমি ফেল, এবার আমি দালাল কে ৪৫০০ টাকা দেই এবং পরিক্ষা দিন আমি ব্যবহারিক পরীক্ষায় স্যার বলে আপনি ফেল আবার পরিক্ষা দিতে হবে, আমি দালাল কে কল দেই সে বলে আপনি বাড়ি চলে যান, বিকেলে দেখি আমি পাশ। দালালের পাওয়ার। আমার মোট ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। ১ম এ দালাল দিয়ে করালে ডোপ টেস্ট এবং আই টেস্ট ১৩০০ টাকা বেচে যেত, দালাল বলছে এগুলো লাগে না। শেষ কথা দালাল ছাড়া লাইসেন্স হয় না,
আমি আমার জেলার জজ আদালত সংশ্লিষ্ট কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। আদালতের যে কোন আরজির নকল কপি তুলতে পিওন ও পেশকারকে 200 টাকা ঘুষ দিতে হয়। জি.আর.ও অফিস থেকে যে কোন মামলার এফ.আই.আর কপি তুলতে পুলিশকে দিতে হয় 500 টাকা। যে কোন মামলার তারিখ নিজ ইচ্ছেমত নিতে পিওন অথবা পেশকারকে ঘুষ দিতে হবে 200 টাকা থেকে 500 টাকা। তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে পেতে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হবে 5000 টাকা থেকে 500000 টাকা পর্যন্ত (অপরাধের ওজন বুঝে)। জমিজমার পর্চা তুলতে ঘুষ 100 টাকা থেকে 300 টাকা প্রতি পিস। জমির দলিলের জাবেদা নকল তুলতে ঘুষের পরিমান 500 টাকা থেকে 1000 টাকা পর্যন্ত। যদিও কোর্ট ম্যারেজ ক্ষেত্রে নাবালক ও নাবালিকার বিয়ের ক্ষেত্রে 10000 টাকা থেকে 20000 টাকা পর্যন্ত খরচ। খরচগুলো রেট করা।
মিসকেইস সংশোধন এর জন্য ১ লাখ দাবি করেন আমি ১০,০০০ দিয়েছি । এখন ট্রান্সফার জানি না আবার বিরম্বনার সম্মুখীন হবো কি না।
ড্রাইভিং পরীক্ষার সময় পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়া ও দ্রুত লাইসেন্স পাইয়ে দেয়ার জন্য দালাল কর্তিক ঘুষ চাওয়া হয় যা আমি দেয়ার পরেই আমার কাজ সম্পন্ন হয়। সবাইকেই এমন দিতে হয়
৫ আগস্ট ২০২৬—জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তহশিলদার সরেজমিনে এসে আমাদের কাগজপত্র, খতিয়ান ও দখল সঠিক পান। বাদীপক্ষের ৭ শতাংশ জমি থাকলেও ৯ শতাংশ দাবি করে মামলা করে; অতিরিক্ত দাবির পক্ষে কোনো কাগজ দেখাতে পারেনি। এরপর তদন্ত রিপোর্টের জন্য আমাদের কাছে ১০,০০০ টাকা দাবি করে বলা হয়, “কাগজ যতই সঠিক থাকুক, আমরা যে রিপোর্ট দেব সেটাই মূল।” বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
আমি 2024 সালে নিজের পাসপোট নিজে করতে যাই সরকারী ফি 5750 টাকা পরিশোধ করেছি এবং সকল তথ্যাদি সঠিক, কাগজপত্র নিয়ে গেছি অফিসে, আমি লম্বা লাইনে দাড়িয়ে দীর্ঘ 2.45+ঘন্টা পর ফাইলটা নিয়ে সেখানকার কর্মকর্তাদের সামনে যাই তারা বলে কিছু বল রয়েছে এবং আমাকে পিরিয়ে দেয়, পরবর্তীতে অফিসের বাহিরে কয়েকজন মানুষকে ডাকাডাকি করে বলে কী সমস্যা কী সমস্যা আমি সমস্যার কথা বলি এবং তারা বলে এটা ঠিক করে দিবো 1800 টাকা লাগবে, আমি টাকাটা দেই তারা কিছু একটা লিখে দেয় এবং কোন লাইনে না দাঁড়িয়েই আমাকে কর্মকর্তার সামনে দিয়ে যায় এবং আমার কাজটি হয়।
২০২৩ সালে শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন ভাতা টাকা পাওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস ঘুষ নিয়েছে।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমাকে বারবার ফেরত দিচ্ছিল। যখন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম তখন কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার — এর শাসনামলে, নাগরিক সনদপত্র চাইতেছিল, নাগরিক সনদপত্র আনার পরও আর অনেক কাগজপত্র চাইতেছিল, পরে বাহির থেকে একজন বলল কিছু টাকা দেন আর কোন কাগজপত্র কিছুই লাগবে না আপনার পাসপোর্ট রেডি হয়ে যাবে। টাকার এমন বলতে দাবি করছিল তিন হাজার টাকা। আমি একজন স্টুডেন্ট মানুষ এত টাকা না থাকার কারণে মুলামুলি করে দুই হাজার টাকা বলেছিলাম শেষমেষ ২৫০০ টাকায় রাজি হয়েছে। টাকা হাতে কাজ করার পর দেওয়ার কথা ছিল। সেই লোকটি ভিতরের কোন এক কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে বলে দিয়েছে আমি যাওয়া মাত্রই আর কোন কাগজপত্র চাইনি। কমেন্ট ছাড়াই আমার পাসপোর্ট এর ফিংগার ভেরিফিকেশন করে দিয়েছে।
বিদেশি দের ভিসা নবায়ন করতে প্রতি পাসপোর্ট এর বিপরীতে ১৫০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হতো। কোম্পানি এইটাকা দিতো আমি ও পরিশোধ করতাম। না দেবার কোনো উপায় ছিলো না, এক সময় কাজ করতে করতে জানতে পারি এই টাকা উপর মহলে ও যায় বন্টন হয়।
২০১৮ সালে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের বন্ধকী সম্পত্তি গ্রাহক তার ছেলের নামে হেবা করে ২০২২ সালে। পরবর্তীতে ব্যাংক ৪২০ ধারায় মামলা করে। মামলার শুনানি শেষে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। পুলিশের লোক তদন্তের জন্য ঘুষ দাবী করে এবং একরকম বাধ্য করে তাকে টাকাটা দিতে। তা নাহলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে রিপোর্ট চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। লোকটার বাড়ি গোপালগঞ্জ এবং মুখে দাঁড়ি ছিল। বয়স আনুমানিক ৫০- ৫২ বছর হবে।
ঢাকার উত্তরখান থানার কাচকুড়া বাজারে যে ইউনিয়ন ভূমি অফিস আছে সেখানে ঘুস ছাড়া কোন কাজ হয় না। আমার কাছে একটা নামজারি আবেদন ছাড় করার জন্য 10,000/- টাকা ঘুস নিয়েছে একজন কর্মকর্তা। তারপর খাজনা পরিশোধ করার জন্য নিছে 1000/-
আমার আব্বু খতিয়ান করার জন্য এপ্লাই করছে। কিন্তু ওনারা প্রথমবার অনুপস্থিত দেখিয়েছে, তারপর দ্বিতীয়বার কাগজপত্র পাই নাই এপ্লাইতে এইরকম দেখিয়ে বাদ দিয়ে দিয়েছে এরপর তৃতীয়বার তফসিল যিনি ওনি দাবি করেছে ১৫০০০ টাকা এবং ওইদিনের মধ্যেই জমা দিতে হবে সেজন্য আব্বু ওই তফসিলকে টাকাটা দিয়ে ও দিয়েছে এরপর ও আবেদনটা করে দেই নাই কি একটা কাগজ নেই বলে নাখচ করে দিয়েছে এখন চতুর্থবার চলতেছে এইবার ও শুনানির দিন যাওয়ার পর বলতেছে জমি খতিয়ানের একটা দাগে.(পয়েন্ট) পরিমাণ জায়গা বেশি উল্লেখ করছে যার জন্য আবার এপ্লাই করতে বলছে কিন্তু মিউটেশনে এখনো কোনো রেসাল্ট দেয় নাই।রেজাল্ট দিলে রিএপ্লাই করতে হবে আবার।।। জানিনা এইটার কোনো সুরাহ হবে কিনা
আমাদের সম্পত্তি ভুলবশত অর্পিত সম্পত্তির খ-তফসিলে পড়েছিল। সরকার গেজেটের মাধ্যমে এটি বাতিল করে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত খাজনা দেওয়ার সুযোগ দেয়। শেষ মুহূর্তে জানতে পেরে ভূমি অফিসে যাই। কর্মকর্তা কাগজপত্র দেখে জমি বিক্রেতাদের ওয়ারিশান সার্টিফিকেট চান। আইনজীবীকে ফোন করলে তিনি জানান, এ কাগজ প্রয়োজন নেই। খাজনা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ায় কর্মকর্তা অফিসের পাশে নিয়ে বলেন, “স্যারকে ম্যানেজ করতে ৩০,০০০/- টাকা লাগবে।” পরে ২০,০০০/- টাকা দিলে কাজ হবে বলেন। আব্বা অসুস্থ ও চিকিৎসায় অনেক খরচ হওয়া সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে ২০,০০০/- টাকা জোগাড় করে তাকে দিই। টাকা নেওয়ার পর তিনি জানান, ১৫ বছরের খাজনা ৪,৩৮৫/- টাকা। আমরা খাজনার টাকা দিলে তিনি রসিদ দেন। খাজনা প্রদানের তারিখ: ২০ জুন ২০১৯।
নামজারী করতে দলিল লেখকে ঘুষ দিয়েছি, সে বলে দ্রুত করে দিবে কিন্তু টাকাও দেয় না নামজারী করে দেয় না, শুনলাম এসিল্যান্ড স্যার অনেক সৎ, যাকে টাকা দিয়েছি উনাকে নিয়ে অফিসে যেতে চাচ্ছি সে আমার সাথে যেতে চায় না, এখন কি কবে?