এন আইডি সংশোধন
এন আইডি সংশোধন এর জন্য আমি উপজেলা নির্বাচনি অফিসে যাই সেখানে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে সংশোধন করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এন আইডি সংশোধন এর জন্য আমি উপজেলা নির্বাচনি অফিসে যাই সেখানে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে সংশোধন করি।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,মাগুরা তে আমার নামের বানান ভূল সংশোধন এ যাই। ওখানকার লাল দাড়িওয়ালা এক মুরব্বি আমার দিকে এগিয়ে আসে এবং জিজ্ঞেস করে, কি সমস্যা। আমি তাকে জানানোর পর তিনি বলেন, এইটা তো কঠিণ বিষয়। যাইহোক তুমি ৭ হাজার টাকা দিয়ো, আমি স্যারকে বলে করায় দিবানে। এদিকে উপরে যাইতে গেলে আনসার সদস্যগণ বাধা দেন।পরে জানতে পারি লাল দাড়িওয়ালা ব্যক্তি ওখানকার অফিস সহায়ক। ওনাকে দিয়ে কাজটা জরুরিভাবে ঘুস দিয়ে করাতে বাধ্য হয়🥹
They are finds lots off error and i try to solve the issue again and again. But they didnt accept my document. But when i pay the ghush amount then automatic solve all the problem and errors. I did not meet with any gov person. They contact me via Muhuri —.
মূল ভলিউমে সাবরেজিস্ট্রারের সহি নেই অজুহাতে।দলিল সম্পাদন 1972 সাল
দেনমোহর পরিশোধের প্রথম কিস্তিতে বলা হয়েছে, ম্যাডামকে দিয়ে শুধু কাজ করান,সম্মানি দিবেন না। তারপর প্রতি কিস্তিতে ৫০০/- দিতে হয়েছিলো এবং ৪ কিস্তিকে ৬ মাস টানা হয়েছে, প্রতিপক্ষকে নূন্যতম নির্দেশনা দেয়া হয়নি।
I had a previous passport that had expired, Later, when I applied passport renewal at the bogra passport office, they were not taking my documents. they were making me stand in a long line and long time. Later i came out disappointed and some one offered me that if you give me 2000 taka, I will help you to deposit your passport file. I agred and give them 1500 taka.
আমি একটা জমি নামজারি করতে গিয়েছিলাম , সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার সত্বেও, সে ভূমি উন্নয়ন কর এবং নামজারি প্রস্তাব দেওয়ার জন্য, ঘুষ দাবি করে থাকে। এবং সকলে কাজের জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা নিয়ে যাচ্ছেন। ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, সে দিলপাশার ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা, উপজেলা ভাঙ্গুড়া, জেলা পাবনা।
খারিজ ভূমি কমিশনার মহোদয় অনুমোদন দিলেও পলাশবাড়ী ভূমি অফিসের ক্যাশিয়ার ৫০০ টাকা না দেয়া পর্যন্ত খতিয়ান নম্বর দেননি।শেষে ৫/৭ দিন পর ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার একজন বাসিন্দা। পাথরঘাটা থেকে বরগুনা শহরে আসতে যেতে প্রায় ১০০০/- টাকা খরচ হয়। আমার জাতীয় পরিচয় পত্রে পেশা দেওয়া ছিলো জেলে। বর্তমানে আমি একজন লাইসেন্সধারী ড্রাইভার। অতঃপর পাসপোর্টের আবেদন করার সময় আমি আমার বর্তমান পেশা দিয়ে আবেদন করি। আবেদন জমা দিতে গেলে অফিস কর্তৃপক্ষ আমাকে বলে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের পেশাতো জেলে দেওয়া, আপনি ড্রাইভার কেনো লিখেছেন? আমি বললাম ভাই আমি বর্তমানে একজন ড্রাইভার। তারা বললো হবে না, আপনি হয় জাতীয় পরিচয় পত্রের পেশা পরিবর্তন করে ড্রাইভার করে নিয়ে আসেন না হয় পাসপোর্টের আবেদনে জেলে লিখে নিয়ে আসেন। নাহলে পাসপোর্ট করতে পারবেন না। এই কথা শুনে আমিতো বিপাকে পরে যাই। তখন ১৫০০/- টাকার বিনিময়ে আমার পাসপোর্টের সেই আবেদনটাই গ্রহন করা হয়।
আমার একটি ২৮,০০০ হাজার টাকা দামের মোবাইল হারিয়ে গেছে, আমি থানায় জিটি করলে, আমার জিটির দায়িত্ব অফিসার আমার কাছে খরজ বাবদ ২৫০০ শত টাকা দাবি করে, আমি নিরুপমায় হয়ে ১৫০০ শত টাকা দেই। আমি তার সঙ্গে অনেক বার যোগাযোগ করছি ফলাফল জিরো। আমার মোবাইল গেল আবার ১৫০০ টাকাও গেল।
License renewal er jonno 30k ditey hoye chilo.
একটি বাদ পড়া টাইম স্কেল বকেয়াসহ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন, যা আমার সঠিক প্রাপ্য ছিল। অন্যথায় বর্তমান অবস্থায় পেনশন ও আনুতোষিক দিবেন। আর তাতে চার পাঁচ লাখ টাকা বঞ্চিত হতাম।
ধানমন্ডি গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে একটি সেলফিশন নেয়ার জন্য রিপোর্ট প্রয়োজন হয় সেই রিপোর্ট করাইতে গেলে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় এবং আমি তাহা পরিশোধ করতে বাধ্য হই অন্যথায় আমার কাজ কোনোভাবেই তারা করে দিবে না বলে অঙ্গীকার করে অবশেষে আমি সেই টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
UP (Utilization Permission) অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত সরকারি/অফিসিয়াল ফি ছাড়াও প্রতিটি স্বাক্ষরের জন্য টাকা দিতে হয়। ১টি UP-তে ৪টি স্বাক্ষর লাগে। প্রতিটি টেবিল/স্বাক্ষরের জন্য আলাদা টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখ, স্বাক্ষর না করার এই অর্থপ্রদান নিয়মিতভাবে হচ্ছ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য নিয়মিত অনলাইনে ইউটিলাইজেশন পারমিশন (UP) সাবমিট করতে হয়। কিন্তু ঘুষ না দিলে ফাইল সাইন করে না। ১ UP-এর জন্য ৪টি সাইন লাগে। প্রতিটি টেবিলে প্রতিটি সাইনের জন্য টাকা দিতে হয়। সবাই নিয়মিত দিচ্ছে। কেউ প্রতিবাদ করে না। ১টি অডিট কমপ্লিট করার জন্য ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেয়।
নামজারি করার জন্য আমার থেকে অতিরিক্ত ৬৮০০ টাকা নেয়া হয় সরকারি ফ্রি হল ১১৭০ টাকা আমি টোটাল দিইআট হাজার টাকা
আমি ও আমার আত্নীয় স্বজনের বিএস কিংবা নামজারি খতিয়ানে থাকা জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে গেলে অনলাইনে আবেদন অনুমোদন না দিয়ে আটকিয়ে রাখে। অথচ নিয়ম ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অনুমোদন কিংবা কারণসহ জানিয়ে বাতিল। কিন্তু আবেদন মাসের পর মাস অপেক্ষমাণ রেখে আটকিয়ে রাখা হচ্ছে। পরে ফেসবুকে একটি জমি সংক্রান্ত গ্রুপে এই ব্যাপারে সাহায্য চাইলে তহশীল অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। ঐখানে গেলে ৫০০-১০০০ টাকার বিনিময়ে প্রতিবার আবেদন অনুমোদন করে। টাকা দিলে অফিসে বসে আবেদন করে অফিসেই অনুমোদন দিয়ে দেই। এভাবে আমার থেকে প্রায় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে। এছাড়াও নামজারি করার সময় প্রত্যেকটি ধাপে কানুনগো,তহশীলদার, এসি ল্যান্ড অফিসে টাকা দেয়া লাগছিল অথচ সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা। তাদের টাকা না দিলে আবেদন ফেলে রাখে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসসে আমর বাবা জমির নামজারি করতে গেছিলো, বললো একেকটা দলিলের জন্য 15000 টাকা করে দিতে হবে মোট ১১৫০০০ টাকা দাবি করে বাবা দিতেও রাজি হয় কারন এখানে সবাই টাকা দিয়েই কাজ করছে, টাকা ছারা কাজ ধরেই না। বাবা তহসিলদার কে ৭৫০০০ টাকা দিলো, তহসিলদার কাজ নিজে না করে আমাদের স্তানীয় সার্ভেয়ারকে কাজ দেয়, আমাদেরটাও তাকে দিলে যার সাথে আমাদের পূর্ব মনেমালিন্য ছিলো,। বাকি ৪০০০০ টাকা সার্ভেয়ার নিলো কাজ করলো কিন্তু আমদের দুইটা খতিয়ানে উনি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে রাখছে। পরে বাবা জিজ্ঞেস করলো এমন করলো কেন বললো সমস্যা নেই, কিন্তু সমস্যাটা গুরুতর। উল্লেখ্য ঐ অফিসে যত নতুন তহসিলদার আসে সবাইকে ঐ সার্ভেয়ার বাড়িতে এনে ভালোমন্দ আপ্যায়ন করে,
অডিট রিপোর্ট ঝামেলামুক্ত থাকার পরেও এই টাকা "ARO, RO, DC..." পর্যন্ত এই টাকা দিতে হইসে. এর পরের ধাপ এখনো নেয়নি. বলে রাখা ভালো, প্রত্যেক কাজে টাকা লাগেই. টাকা ছাড়া কাজ হয়না বললেই চলে.
তারা বাইরে — মাধ্যমে এই প্রথম গুলো করে থাকে, আড়াইহাজার এর সাব রেজিস্টার অফিসারের ঘুষ খাওয়ার পাবনতা খুবই বেশি
চট্টগ্রাম অবস্থিত একটা প্রাইভেট কোম্পানি আমাদের। যেখানে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানকে আমাদের (১৩,২৯,৯৩,২৫০-- তের কোটি উনত্রিশ লক্ষ তিরানব্বই হাজার দুইশ পঞ্চাশ) এই পরিমান অর্থ ঘুষ হিসাবে দিতে হয়েছে। যার মধ্যে আছে কাস্টমস, বন্দর, বেপজা,এনবিআর সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান। তারা এই ঘুষ গ্রহনের জন্য রীতিমতো রেইট চার্ট তৈরী করে রেখেছে যা আজকের এই সভ্য দুনিয়ার এক বিরল চিত্র!! এই ভয়াবহ দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মচারী কর্মকর্তাদের থেকে আমরা মুক্তি চাই। পরিমাণ (টাকা)-এখানে দশ কোটির উপর লিখা যাচ্ছে নাহ!