নামজারি
আমি নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম সঠিক নিয়মে, কিন্তু নামঞ্জুর হয়। পরে ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর আবার আবেদন করলে মুঞ্জুর হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম সঠিক নিয়মে, কিন্তু নামঞ্জুর হয়। পরে ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর আবার আবেদন করলে মুঞ্জুর হয়।
প্রতিটি কেস এর জন্য ১৫০০ টাকা সবকিছু ঠিক থাকলে। ২৫০০ টাকা সব কিছু ঠিক থেকে যখন ওয়ারেশ কায়েম দিয়ে করলে। এটি ওখানকার রুটিন কাজ করতে হলে দিতে হবে না হলে কাজ পড়ে থাকবে৷ কিছুদিন পর ফাইল খুজে পাবেন না।
চট্টগ্রাম পাশলাইশ অফিস Passport কিভাবে কর্মকর্তরা কিভাবে সাধারণত জনগন হয়রানি করে একজন মানুষ ডকুমেন্ট যখন সব ঠিক থাকে তখন তারা ভিন্ন অযুহাতে মাধ্যমে তাদেরকে আবার ফেরত পাটিয়ে দে এরকম তারা ১০০ এর মধ্যে ৫৮ জনে ফাইল ইচ্ছা কৃত ভাবে ফেরত পাটায় আর বাকি গুলো নে কারণ তাদের ও বুজাতে হয় তারা লিগ্যাল ভাবে কাজ করছে, যাতে তাদের ব্যব সা টা চলতে পারে এখন আসি যারা ফেরত যায় তারা কি করে যারা ফেরত যায় তাদের মধ্যে যারা চালাক আছে তারা আবার লাইনে দাঁড়িয়ে ফাইল জমা দেওয়া চেষ্টা করে আর যারা এ সব বুজে না তাদের৷ বাধ্য হয়ে দালাল ধরতে হয় দালাল রা কিভাবে ফাইল তাদের জমা দে দালালদের আগে থেকে একটা মার্কা দিয়ে থাকে সেখানে পার্সপোর্ট কর্মকতরা। যা সাধারণ ফাইলে থাকা লাষ্ট পেজে তারা৷ কর্ম কর্তারা দেওয়া সেই ইম
একটি নামজারি করার জন্য ৩৭০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, আমি একজন ব্যাংকার হওয়ায় ঝামেলা এড়িয়ে ৩৭০০০ দিয়ে নামজরি সম্পন্ন করেছি।
আমি অন্য জেলার লোক টাঙ্গাইল থেকে পাসপোর্ট করতে যেয়ে ২০০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়েও পাসপোর্ট করতে পারিনি।
জন্ম নিবন্ধন এবং মৃত্যু নিবন্ধনের কাগজপাতি সবকিছু ঠিক থাকায় পরেও আমাকে তারা কোন অবস্থাতে এটা দিবে না যখনই কি করতে হবে তখন তারা 10000 টাকা দাবি করছে এরপরে আমি এক সপ্তাহ ঘুরেও কোন কাজ করতে পারি নাই টাকা তাদেরকে দিছি তখন তারা কাজটা করে দিছে আমার সবকিছু কাগজ পাতি ওকে ছিল
আসসালামুয়ালাইকুম, ফেনী শহরের একটি দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে ৫ তলা বাড়ির কথা গোপন রাখা হয়েছে। যার আনুমানিক রাজস্থ ৫০০০০০/- সরকার হারিয়েছে। এখানে অফিস সিস্টেম হল, গোপন রাখা টাকার অর্ধেক অফিস পেমেন্ট করতে হবে। দলিল নাম্বার টা আপনারা গোপন রাখবেন। শুধু সত্যতার জন্যে দেওয়া হল।
থানায় একটি বাইক আটকিয়ে ছিলো। ফেরত আনতে গেলে টাকা চায়।
ঢাকা কোর্ট থেকে জমির মালিকানা পরিবর্তন এর মিস কেস অর্ডার পাওয়ার পর সাভার ভুমি অফিস থেকে রায় নেওয়ার জন্য এই টাকা চাওয়া হয়।
সুবর্ন কার্ড করতে দিয়েছি,১৫দিন পর পাথরঘাটা উপজেলার সমাজসেবা অফিসের — বলে কাগজ হাড়িয়ে গেছে,পরে বলছি এখন কি করা যাবে?বলছে খরচ দিলে করে দিতে পারবে,খরচ ৩০০০ পরিশোধ করার পরে — নামে সুবর্ন কার্ড করে দেয়
৩৪ বছর আগের খারিজের ডিসিআর অস্পষ্ট ছিল।
ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গিয়েছি,উন্নয়ন কর এসেছে ৪০০(+) আমার বাবার নাম এন আইডিতে এবং পর্চাতে ভিন্ন এর জন্য আমি ইউনিয়ন, এবং জেলা মেজিস্ট্রেটের থেকে হলফনামাও নিয়েছি (সেখানেও ২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে) সেটা দেখিয়েও কাজ হয়নি তিনি অনুমোদন দিচ্ছেন না পরে ১৫০০ টাকা দাবি করেন এক্সট্রা আমি ১ হাজার বলেও হয়নি পরে ১২০০ টাকা দিয়ে সম্পন্য করতে হয়েছে, যদিও আমি প্রতিনিধি আইডি থেকে পরিশোধ করেছি। তসিলদার একজন মহিলা।
আমার বাবা আমাকে ১ শতকের কম জায়গা হেবা দলিল করে আমাকে দিতে চেয়েছিলো ২০২১ সালে ডিসেম্বরে তখন দলিল লেখক সহ সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দুই জন সরাসরি বলল ৪৩০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম কেনো? বলল এটাই রেট, আমি বললাম সঠিক রেট তো মাত্র ২/৩ হাজার টাকার মতো এত চাচ্ছেন কেনো? ওরা বলল রেজিস্ট্রার সাহেবের নির্দেশ মৌজা অনুযায়ী দরদাম হয় ঐটার মূল্যে টাকা দিতে হবে। আমি অস্বীকৃতি জানাই ওরা বলে কেউ ই ৪৩০০০ এর নিচে করবে না। পরে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোটো ভাইয়ের পরিচিত দলিল লেখকদের সাধারণ সম্পাদক উনি বলল তুমি আমাদের ছোটো ভাই ১৫০০০ দেও করে দেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেন দরবার করে হয়রানি হয়ে করলাম ১৫০০০ দিয়েই।
শরিয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষক অজিত বাসার ট্রেনিং সেন্টার থেকে কমিশন নিয়ে ছাত্র ছাত্রী দের ট্রেনিং সেন্টার এ ট্রেনিং করতে বাধ্য করে যেখানে ছাত্র ছাত্রী ফ্রিতে ট্রেনিং করতে পারে ইন্ড্রিষ্টিতে অনেক অস্বচ্ছল পরিবার আছে যারা টাকা দেওয়ার সমার্থ নেই
ভূমি অফিস, খালিয়া। রাজৈর থানার অন্তর্গত, মাদারীপুর জেলাধীন। এখানে নামজারির জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটা ধাপ পেরোতে হয়। দিনের পর দিন আবেদন পেন্ডিং থাকে। ঘুষ ছাড়া তহশিলদার কথাও বলে না। তহশিলদার নিজে কম্পিউটার জানে না। বাইরের লোক বসিয়ে কাজ করায় এবং ঘুষ আদায় করে। সেবাপ্রার্থীদের একরকম জিম্মি করে বা অনৈতিক সুবিধা দিতে তারা এ ঘুষের রমরমা বাণিজ্য খুলে বসেছে। নামজারির জন্য এখানে কোন টাকাই লাগার কথা না। তবে আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা আদায় করা হয়েছে কোন ধরনের রশিদ ছাড়াই।
আমার কাজিন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি আছে ১০ দিন যাবৎ।আমাকে একটা MRI টেস্ট করতে দিয়েছে ডাক্তার। আমি রেড়িওলোজি ডিপার্টমেন্টে যোগাযোগ করি। ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গেলে ওরা বলল একটা রুমে গিয়ে সিরিয়াল নিয়ে আসতে হবে।তারপর ১০৯ নাম্বার রুমে যায় আর্জেন্টিনার জার্সি পরা এক লোক আমাকে ৪ দিন পরে সিরিয়াল দেয়। তারপর আমি রোগীর অবস্থা বর্ননা করি, তখন সে বলল ডেট আগায়া নিয়ে আসা যাবে যদি কিছু নাস্তা পানির ব্যবস্থা করি। আমি নিরুপায় ছিলাম রোগীর অবস্থাও ভালো না বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা দিয়ে ডেট দুইদিন আগায়া নিয়ে আসি।
ঢাকা জেলার সকল ব্যাংক তাদের প্রয়োজনীয় সকল বিশেষ আঠালো স্ট্যাম্প (Adhesive Stamp) সংগ্রহ করে ঢাকা জেলা ট্রেজারি অফিস ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়,১৬ জনসন রোড, ঢাকা-১১০০ থেকে। উক্ত অফিসের কর্মচারীরা প্রত্যেকটি চালানের স্ট্যাম্পের বিপরীতে ৫০০-১০০০ টাকা ঘুষ নেন। বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।
বিভিন্ন ভ্যাট অফিসগুলোতে যখন একটা গ্রুপ আসে চেঞ্জ হয়ে তখন বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে যায় এবং যাইয়া তারা বিভিন্ন অজুহাতে অনেক টাকা ভেট ফাঁকি দিছেন এই কথা বলে কিন্তু একপর্যায়ে তাদের আসল রূপ বের হয়ে আসে তারা অনেক টাকা ঘুষ নেয় আমাকে কয়েকবার এক লক্ষ টাকা করে দিতে হয়েছে এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিব, কারণ এইভাবে আর পারছিনা। এবং প্রতি মাসেও একটা বিশাল অংক দিতে হয়।
আমরা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে উপজেলার এজি অফিসে যাই বেতন করাতে। ওখানে আমাদের মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করা হয় ৫০০০ করে আমরা প্রথমে দিতে চাইনি। ওরা আমাদেরকে গালাগালি করে বলে চাকরি করা দেখিয়ে দিবো। তোদের প্রমোশন, ইনক্রিমেন্ট এর কাজ বন্ধ করে রাখবো।পরবর্তীতে আমরা ১৫০০ টাকা করে দিয়ে বেতন এর কাজ সম্পন্ন করাই। পরবর্তীতে প্রথম বছরের ইনক্রিমেন্ট এর কাজ এজি অফিসে করতে গেলে ১০০০০ টাকা দাবি করেন এজি কর্মকর্তা। আমরা তাকে ২০০০ টাকা দিয়ে চলে আসি সেখানেও তিনি হুমকি দেন। দুর্নীতির সবচেয়ে বড় আতুরঘর হলো সরকারি হিসাব রক্ষন অফিস গুলো এগুলোর দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলে সরকারি খাতে বরাদ্দের দুর্নীতি একেবারেই অর্ধেকে নেমে আসবে।
আমি ভ্যাট নিবন্ধন করার জন্য ৫০০০ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে, — এই টাকা নিছে।