গাড়ির কাগজ সাথে ছিল না
গাড়ির কাগজ ছিল না তাই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গাড়ির কাগজ ছিল না তাই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে
নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে 800000 এই টাকা দাবি করে। 200000 সমবায় অফিসারা গ্রহন করে। নির্বাচন আসলেই প্রতিবার আইনের তোয়াক্কা না করে নিজেদের মতো নির্বাচন কমিটি গঠন করে। এই কর্ম তারা করে।
আমার নামে সাইবার ক্রাইম বিষয়ক একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। যা পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। সেই সুযোগ নিয়ে থানার এসআই অর্থাৎ তদন্ত অফিসার, জেলা কোর্ট পুলিশের পেশকার আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। যাতে করে মামলার তদন্ত রিপোর্ট আমার বিপরীতে না যায়।
জমি বিষয়ক: কোর্টের পেশকার, থানার ওসি সহ এস আই, ভুমি অফিসের কর্মকর্তা
কারখানার পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়ন করার সময় এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করা হয়
আমার পাসপোর্ট এর জন্য ৪০,০০০ টাকা পুলিশ ঘুষ নিয়েছিলো।
কম্পিউটার অপারেটর ইচ্ছাকৃতভাবে টাইপ করার সময় ভুল করেছেন এবং দোষ স্বীকার করতে অস্বীকার করেছেন। ভুলটি ঠিক করে দেওয়ার জন্য তিনি টাকা দাবি করেছেন।
তারাকান্দা উপজেলার মোজাহারদী মৌজায় একটি দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য সাব-রেজিস্টারকে বিগত জানুয়ারি ২০২৬ এ সরকারি জমার অতিরিক্ত ২ লক্ষ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে। না দিলে দলিল রেজিষ্ট্রেশন হবে না। কাগজে কোন সমস্যা ছিল না, শুধু দলিল এর মূল্য বেশি ছিল।
জমি বিক্রির সময় আমার মায়ের নামে সামান্য ভুল থাকায় তারা ঝামেলা করে এবং অর্থ দাবি করে এক প্রকার বাধ্য হয়েই সাব রেজিস্ট্রার কে অর্থ দিয়ে জ কাজ করতে হয়
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য কর্তব্যরত সরকারি কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি বাড়তি এক হাজার টাকা দাবি করেন এবং না দিলে আমার কাজটি আরো ২০ দিন পিছিয়ে যাবে বলে আমাকে ভয় দেখান।
MPO file transfer and area bill. MPO file transfer এর সময় সম্পূর্ণ টাকা দিয়েছি. Area bill file transfer এর সময় 1000 টাকা দিয়েছি file এখনো pending এ আছে।
জমির নামজারি করতে ঘুষ চেয়েছে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
আমার মনে হয় বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ঘুষ দিতে হয় ভূমি অফিসে ।
নিজেই পিয়নের মাধ্যমে নিয়েছে।
কক্সবাজার শহরে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত নতুন ভূমি জরিপ চলমান রয়েছে, এই জরিপে সকল ভূমি মালিকদের নিজ নিজ জমির সকল বৈধ কাগজপত্র (যেমন, জমির দলিল, খতিয়ান, পরিশোধিত খাজনার রশিদ ইত্যাদি) নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত সার্ভেয়ার কর্তৃক জমির মালিকানা প্রমাণ সাপেক্ষ নতুন বিডিএস খতিয়ান পাওয়া যায়। এই সেবাটি পেতে আমাকে দুই ধাপে যথাক্রমে, তিন লক্ষ এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, দুজন আলাদা সরকারি কর্মীকে।
মিটারের আবেদন করার পর অনেকদিন হয় গেছে কোনো খোঁজ খবর নেই তারপর একদিন অনলাইনে চেক করে দেখি প্রতিবেদন দেয়া আছে আমার 1টা মিটার আছে অথচ মিটার আমার বাবার নামে আর সেটা আমাদের প্রথম বাড়িতে এই বাড়ির জন্য আবেদন করেছি তো দেখিয়েছে আমার মিটার আছে। এরপর অফিসে গেলাম তারা বললো আবার আবেদন করতে।একটা আবেদন করতে নেই 100 টাকা একবার করেছি বাতিল করে দিয়ে বলে আবার আবেদন করতে।সরকারি ভাবে নির্দেশনা দেয়া আছে একটা মিটার নিতে 500 টাকা লাগবে আর এলাকায় বিদুৎ অফিসের যে দালাল আছে সে এনে দেবে 1500 টাকা দিতে হবে।সেইজন্য আবেদন করেছিলাম যে সরকারিভাবে আনবো কিন্তু বিদুৎ অফিসের মিথ্যাচার এর কারণে অধর্য হয়ে সেই দালালের দিয়ে পরে 1500 টাকা দিয়ে তাই নিয়ে আসলাম মিটার।
অভিযোগের বিবরণ: সম্প্রতি একজন পরিচিত ব্যক্তি পাসপোর্ট করার জন্য আমার সহযোগিতা চান। তিনি তুলনামূলকভাবে অশিক্ষিত হওয়ায় অনলাইনে আবেদন করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বোঝা, আবেদন ফি/ব্যাংকের টাকা পরিশোধসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় আমি তাকে সহযোগিতা করি। পাসপোর্টের আবেদন করার জন্য আমরা পাসপোর্ট অফিসের আশপাশের একটি কম্পিউটার/অনলাইন সেবার দোকানে যাই। সেখানে আবেদন করার সময় আমার পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, ওই দোকানের লোকজন পাসপোর্ট অফিসের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করে। আবেদনপত্রে নামের বানান, ইংরেজি নামের বানান, কাগজপত্রের কোনো তথ্য বা অন্যান্য ছোটখাটো বিষয়কে পরবর্তীতে সমস্যা হিসেবে দেখানো হতে পারে—এমন তথ্য তারা আগে থেকেই সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে রাখে বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়।
Custom Bond officer file pass korar jonno dabi kore
জমির নামজারি করতে ১১৫০ টাকার পরিবর্তে ৮০০০ টাকা দিতে হইসে।
মামলার ফাইল ৩ তলা থেকে ৪ তলায় যাবে এজন্য আমার কাছ থেকে ১২০০ টাকা ঘুষ নেয়। ঘুষটি নিয়েছিলো নোয়াখালী জজকোর্ট আদালতের দেওয়ানি সেকশন এর অতি জেলা জজ ১ এর কম্পিউটার অপারেটর —। টাকা ছাড়া তার মুখ ও চলেনা।