থানা
পারিবারিক ঝামেলার বিচার বা নালিশি বাবদ থানার একজন এস আই কে ঘুষ দিতে হয়েছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পারিবারিক ঝামেলার বিচার বা নালিশি বাবদ থানার একজন এস আই কে ঘুষ দিতে হয়েছিল
জমা খারিজ সংক্রান্ত কাজে শর্শদী ভূমি অফিসে যাওয়ার পর বলে ১০ দিন পরে আসেন, আমি বললাম এটা করতে ২ মিনিট লাগবে ১০ দিন কেন? এরপর আমি আধা ঘন্টা বসে আছি, তখন ভুমি সহকারী বলে আচ্ছা কিছু খরচ লাগবে, আপনি দিতে পারবেন? আমি বলি কেন? উত্তরে বলে তাহলে অপেক্ষা করেন, ১০ দিন পর আসেন। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১ টা ফাইলের জন্য ১০০০ টাকা দিয়েছি
আমার মেয়ের জন্ম সনদ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ আমি ও আমার স্ত্রী সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা নানা ধরনের জটিলতা তৈরি করছিল এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বাইরেও অতিরিক্ত কিছু কাগজ চাইছিল। অথচ জন্ম সনদের জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রই আমরা জমা দিয়েছিলাম। বিষয়টি নিয়ে আমাকে বারবার ঘোরানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, টাকা দেওয়ার কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে আমার মেয়ের জন্ম সনদ তৈরি করে দেওয়া হয়।
Bribe taken at time of verification.
কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ডোপ টেস্ট রিপোর্ট নিতে গিয়ে চা পানির খরচ বাবদ ৫০০ টাকা দেই। ওরা বলে ১দিন পর হবে, জরুরি ছিল আবার ১দিন পর আসলেও গাড়ি ভাড়া লাগবে বিধান টাকা দিয়েছি। পরে দেখি রিপোর্ট দুপুরের মধ্যে সবাইকে দিছে। আমাকে বোকা বানিয়ে ৫০০ নিছে
রেকর্ড সংশোধন করার জন্য দাবি করেছেন
I had to give extra cash1500 taka money to the investigate officer while renewing my passport.
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের OPM — ঘুষ না দিলে ফাইল ফেলে রাখে। দিনের পর দিন এটা ওটা বলে ঘুরায়। ২০০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি একটি কাজ করতে। প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অনুরোধ করতে গেলে বাজে ব্যবহার করে। পরিত্রাণ চাই।
কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের শুল্কায়ন গ্রুপ ৮এ রাজস্ব কর্মকর্তা — প্রতিটা পেপারে জোর করে ঘুষ নেন। আমার একটি পেপারে HS Code পরিবর্তন হবে বলে ২ লক্ষ টাকা চান। নইলে মামলার ভয় দেখান। এক পরিচিত ভাই এর মধ্যস্থতায় ১৫০০০০ টাকা নিয়ে পেপার শুল্কায়ন করেন। এই গ্রুপের কাজ খুব ধীর গতিতে হয়।
জমি কিনেছিলাম। জমি কিনার সময় একটা দাগ খতিয়ানে উঠে নায়। তারপর অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার সময় বিষয় টি অবগত হই।তারপর শুরু হলো ভূমি অফিসে ঘুষ যাতে প্রসেস টা তাড়াতাড়ি হয় তানাহলে ২ ৩ মাস লাগতে পারে। তার আবার সে জায়গার রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে কোটের ওখানেও ঘুষ সবমিলাই ২ জায়গায় মোট ৪০ হাজার টাকার মত লাগছে। এটা আমার কথা সবচেয়ে মজার কথা হলো একদিন ভূমি অফিসে গিয়ে বসে ছিলা কথা বলার জন্য আমার সামনে, একজন কর্মকর্তা কে ঘুষ দেওয়ার সময়, তিনি বলেন টেবিলের নিচে দিয়ে দিতে উপর দিয়ে না কারণ সিসিটিভি ক্যামেরা আছে।
আমার মা গিয়েছিল নামজারির কাগজ সই করাতে সেখানে থাকা আয়া মে— নামক এক মহিলা মাকে ভুল ভাল বুঝিয়ে বলে দিছে কাগজে অনেক ঝামেলা আছে ঠিক করলে জমি আপনার নামে হবে না হলে নাই, আর ঠিক করতে হইলে ৪০০০টাকা দিতে হবে পরে মা কোন ঝামেলায় জড়াতে চাইনি বলে ৩৫০০ টাকা দিছে পরে তারা কাগজ সই করে দিছে অথচ পরে আমি দেখলাম মাকে যা বুঝিয়েছে পুরাটাই মিথ্যা শুধু শুধু টাকা টা নিয়েছে অই — নামে ইউনিয়ন ভুমি অফিস এর আয়া কাম এসিস্ট্যান্ট
আমি যখন ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম আমাকে যে রসিদ দেওয়া হয়েছিল তার থেকে আরো দুই হাজার টাকা বেশি টাকা দাবি করছিল, আমি দিতে বাধ্য হয়েছিলাম কারণ আমার ট্রেড লাইসেন্স জরুরীভাবে নবায়ন করতে হচ্ছে, না হয় কোন ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছি না
নোয়াখালী জেলা কোম্পানীগঞ্জ থানা হইতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন এর সাথে ১০০০ টাকা দিলে বৃহস্পতিবারে ফাইল জমা গ্রহণ এবং পরের সপ্তাহে বৃহস্পতিবারে অর্থ্যাৎ ৭/৮দিন পরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এসবি অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স যদি কোম্পানীগঞ্জ থানাতে সংগ্রহ করতে হলে ১৫০০ টাকা প্রদান করতে হয়। টাকা না দিলে, ১৫-২০দিনের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না।
১১৭০ টাকার নামজারী করতে গেলে তশিল অফিস এবং ভুমি অফিস জানায় ১২০০০ টাক নিচে হবেনা। তাই বাদ্যহয়ে উক্ত গুষ দিতে হয়েছে। বানাড়ীপাড়া এসিলান্ড খুবই খারাপ । ঘুষ ছাড়া কণো কাজ করতে চায়না।
ম্যাপে,দখলে,দলিলে, ৪৪ শতক ছিলো কিন্তু খতিয়ানে ভুলে ২৪ শতক উঠেছিলো সেটার সংশোধন। দীর্ঘ নয়মাস ঘুরেছি কোন কাজ হয়নি। আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে টাকা ছাড়া কিভাবে করবেন করেন। আমি দেখবো।শেষে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে বললাম ম্যাডাম কিছুই কি করার নাই? উনি বললেন কালকে বুধবার ২০ হাজার টাকা দিয়ে যান পরের দিন বৃহস্পতিবার আপনার কাগজ ওকে।আর না হয় ঘোরেন আরো পাঁচ বছর ধরে, দেখি আপনার কাজ কে করে দেয় কিভাবে হয়।
পার্ট টাইম একজন অফিসে জব করে , তাকে খুশি করার জন্য এবং নায়ককে খুশি করার জন্য এগারোশো টাকা নিয়েছিল, তা না হলে খাজনা দেবে না.
একটা মাঠপর্চা তোলার জন্য ডিমলা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গেলে অফিসার আমাকে বলেন " একটা খতিয়ান তুললে তো ৭০৯/৮০০ টাকা লাগে। উত্তরে কইলাম ডিসি অফিস থেকে ১৫০ টাকায় তুলে আনছি। তখন তিনি বললেন আপনার মাঠপর্চা নিতে হলে সবমিলিয়ে ৩০০ টাকা দিতে হবে। নির্ধারিত তারিখে যাওয়ার পর তিনি বললেন আপনার মাঠপর্চা ২ পেজে আসছে তাই আরও ৩০০ টাকা দিতে হবে না হলে আমার লজ হবে। পরবর্তীতে ওনার হাতের লেখা দেখে কইলাম লেখা একটু ছোট করলে ১ পেজেই হয়ে যাইতো। যাইহোক শেষপর্যন্ত আরও ১০০ টাকা সহ ৪০০ দিয়ে চলে এসেছি।
আদালতে ডেট কমানোর জন্য পেসকার সাহেবের আট হাজার টাকা দিতে হয়েছে টাকা না দিলে আমার ডেট ৫ মাস পরে দিবে
বাড়ি নির্মাণ এর plan পাস করার জন্য কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এর ইঞ্জিনিয়ার এর নিকট 4-5 লাখ টাকা দেওয়া হয়। যা legally 1-2 লাখ টাকা করা সম্ভব হত আনেক টেবিল ঘুরতে ঘুরতে। তিনি 1 বছর এর মধ্যে কাজ শেষ করে দেন।
আমি নামজারি করতে হিয়েছিলাম প্রায় ৫-৬ বছর আগে।দালাল ছারাতো কাজ হয় না।পরে ১৩ হাজার টাকা দিলে কাজ করে দেয়।এছারা একটা পাতাও লরে না