Registration
টাকা না দেয়ায় কাগজপত্র ভুল আছে মর্মে ঠিক করতে বলে বারবার।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দেয়ায় কাগজপত্র ভুল আছে মর্মে ঠিক করতে বলে বারবার।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা 1000 টাকা বিনিময়ে রিপোর্ট প্রদান করে।
Uttara BRTA Taka na Dile fitness e fail
অহেতুক হয়রানি, 70000 থেকে কমে 50000 টাকা , প্যাসিফিক সাগরে বিতরণ
লাইসেন্স রিনিউ করতে ১০০০ টাকা ঘুস দিয়া লাগছে
২০২৫ সালে আগস্ট মাসে প্রথম সপ্তাহে আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবেদন করি। আবেদনের মূল ফি ৫৭৫০ সহ সর্বমোট ৭৩০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। যেহেতু আমার পাসপোর্ট জরুরি প্রয়োজন ছিল, তাই বাধ্য হয়ে ১৫৫০ টাকা বেশি পরিশোধ করে বানানো লেগেছে।
শিক্ষক দের সবার এক মাসের বেতন দাবি করা হয়েছিলো
রাত ১১টার দিকে রাস্তায় হাঁটার সময় হঠাৎ রেইড শুরু হয় এবং পুলিশ তাকে আটক করে। পুলিশ দাবি করে, তার কাছে নাকি মাদক পাওয়া গেছে। কিন্তু বাস্তবে তার কাছে কোনো মাদক ছিল না এবং এ ঘটনার কোনো প্রমাণ বা ভিডিওও ছিল না। এরপর পুলিশ জোর করে তার জবানবন্দি নেয়। তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে এক রাত আটকে রাখা হয়। পরিবারের সদস্যদেরও প্রায় ৪–৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়। রাত ২টা–৩টার দিকে থানার কাছাকাছি একটি টং দোকান থেকে প্রস্তাব আসে—৫০,০০০ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। একজন সাধারণ মানুষের জন্য এটি ছিল অনেক বড় অঙ্কের টাকা। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এবং টাকা নিয়ে দর-কষাকষি শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ৩০,০০০ টাকায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। একজন ইনফর্মার টাকা গ্রহণ করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
টাকা না দিলে বেতন শুরু হবে না বলতেছিল।
বাইকের কাগজ সাথে না থাকায় এবং হেলমেট পরিধান না করায় 10000 টাকার মামলা এবং বাইক জব্দের ভয় দেখানো হয় । পরে একজন কনস্টেবল চায়ের দোকানের পিছে ডেকে নিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করে, পরে ১৫০০ টাকায় সম্মত হয়।
আমি আমার সন্তানদের জন্ম সনদ (৩) টায় বাংলা নামগুলি ভূল লেখা হইছে, শুধু ইংরেজী টা কারেক্ট ছিল । অনলাইনে আবেদন করে অফিসে নিয়া গেছি, ওখানকার কম্পিউটার অপারেটরের পাশে বসা অফিসার বল্ল প্রতি ফাইলে ১৫০০/- করে লাগবে, অফিস খরচ । ৩টা ৪৫০০/- দিতে হবে । এর নিচে হবে না । ৩ দিন গেলাম কোন সুরাহা হলো না । অবশেষে ৪৫০০/- দিলাম, সেইদিনই ৫টার দিকে ম্যেসেজ পেলাম আপনার আবেদন এপ্রোভ হয়েছে । অন-লাইনে চেক করে দিখি, সব ঠিক... ৫০+৫০+৫০=১৫০/- টাকার কাজ ৪৫০০/- দিয়া করালাম । বিপদে পরলে বুঝা যায়... এই দেশে যদি ফেরেস্তাও ক্ষমতায় বসে এর পর ও ঘুস দিতে হবে । তার কারন....আমরা নিমকহারাম জাতী... । তার কোন বিবেক বা মনুষ্যবোধ নাই ।
ন্যাশনাল আইডি কার্ড করতে যাওয়ায় তারা আমার থেকে একটার পর একটা কাগজ পএ দাবী করে তাদের সব কিছু দেওয়ার পরেও তারা বাতিল করে পরে তাদের ৪ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা আইডি কার্ড টা করে দেয় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা
আমি বিআরটিএ গিয়ে সবগুলোতে উত্তীর্ণ হই। পরে ড্রাইভিং টেস্টে ফেইল করে দেয়। পরে তাদের একজনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি যোগাযোগ করে গেছি কিনা।আমি না উত্তর দেই এবং তাকে জিজ্ঞেস করি যে কত টাকা দিলে পাশ করে দিবে।তিনি ৪০০০ টাকা দাবি করেন।যেটা ফি এর বাইরে।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স চুরি হয়ে যাওয়ায় নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে আমাকে থানায় গিয়ে একটি জিডি (GD) করতে হয়। এ জন্য আমি চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানায় যাই। থানায় প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়ে জিডি করার পর, কর্তব্যরত একজন কর্মকর্তা আমাকে বলেন, “চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য কিছু দিন।” কিছুটা বিব্রত ও লজ্জায় পড়ে আমি নিজের পকেট থেকে ২০০ টাকা বের করে তাকে দিই। তিনি টাকাটি রেখে দেন এবং আমাকে জিডির একটি কপি দেন। এরপর সেই জিডির কপি নিয়ে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ BRTA অফিসে যাই। সেখানে আমার মোটরসাইকেলের নামে আগে থেকে কোনো মামলা বা pending case আছে কি না—এ সংক্রান্ত একটি সনদ/প্রত্যয়ন প্রয়োজন ছিল। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর BRTA-এর সংশ্লিষ্ট কর্মচারী আমার কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ৫০০ ট
আমার আর আমার বাবার সম্পূর্ণ নির্ভুল Passport আবেদন form কোনো কারণ ছাড়াই বাতিল করে দেয়। তারপর দালালের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দাবি করে। তারপর বাধ্য হয়ে টাকা দিলে সেই Passport form approve করে। মূলত তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ঘুষ আদায় করা।
পাসপোট আবেদন কপিতে সব ঠিক ছিলো তারা কোন ভুল ধরতে পারে নাই সেজন্য টাকাও দাবী করতে পারছেনা পড়ে বলতেছে আপনার সব ঠিক আছে কিন্তু আজকে ফিঙ্গার ছবি হবেনা আপনি কালকে আসেন পরবর্তীতে এক আনছার পুলিশ এসে বলতেছে কি হয়েছে ভাই আমি বলললাম এই কাহিনী সে বলল সমস্যা নাই উপরে চলেন উপরে গেলাম এক ঘরের কোনে গিয়ে বললে আপনার ফিঙ্গার ছবি আজকেই হবে 1500/- টাকা লাগবে্। যেই কথা সেই কাজ আমি টাকা দিলাম আমাকে আর সিরিয়ালে দাড়িয়ে থাকাও লাগলো না আমি ফিঙ্গার আর ছবি দিয়ে বের হলাম এই হলো কাহিনী
Passporte abedone profession bussiness deoa hoisilo, tai abedoner shathe trade lisence chaise. Trade lisence chara passport hobe na. Pore bollam amar basa to onno thanay trade lisence niya ajker moddhe ashte parbo na, ar amar trade lisence er meyad shesh, renew kore tarpor ashte hobe, jeheto amar passport notun na renew korchi ektu shujug den, ami jehetu onek dur thehe ashchi tai kindly trade lisence chara abedon ta joma rakhen, ami pore trade lisence joma kore jabo. Pore amar kache 3000 taka chaise, taka dile trade lisence lagbe na, ami pore nirupay hoye 3000 tk diya passport korchi. Eta 2022 saler ghotona.
আমার পাসপোর্ট করার সময় পাসপোর্ট অফিসের আনসার কে টাকা দেওয়া লাগছে। আমার ডকুমেন্টস এই সমস্যা ওই সমস্যা আজকে হবে না কালকে হবে। আজকে সময় শেষ। এগুলো বলতেছিলাম। তারপর বাহিরে এসে কানের দোকানে বসলাম এবং আমাকে বলতেছিলাম চা দেন। এবং উনার সাথে কথা শেয়ার করলাম। পর্যন্ত উনিও দালাল। উনি পরিচয় করিয়ে দেয় একজন আনসার সদস্যের সাথে। এবং আধা ঘন্টায় আমার পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সাইনটাইন সব দেওয়া শেষ। যে অফিসার কিছুক্ষণ আগে সাইন করতে চাচ্ছিল না। তই একই অফিসার এখন সাইন করলো। এখনো সময় শেষে তালবাহানা করতে ছিল না। তখন আমার অনেক দুই তিনটা বাজে। উত্তরায় হরিনাম সংসদ দালাল। এবং ঊর্ধ্বতরক কর্মকর্তার সাথে জড়িত। কারণ বাহিরে অনেক টঙের দোকান আছে তারাও দালাল। এমনকি যারা পাসপোর্ট এর সময় ছবি তুলে তারাও সাথে সংযুক্
বাবার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সনদ বানানোর জন্য আবেদন করি। ঐখানের একজন অফিসার নানারকম অজুহাত দিয়ে বলে যে "ওয়ারিশ সনদ দিয়ে কি করবেন ? আপনি (আমার মা ) ইয়ং মানুষ আপনি তো দ্বিতীয় বিয়েও করতে পারবেন" এই সেই বলে অনেকভাবে ঘুড়াচ্ছে আমাদেরকে বিগত ১ বছর ধরে। আমরা ২০০০০ টাকা দেওয়ার পর আমাদের কাছ থেকে অবশেষে ডকুমেন্ট গুলো নেয়। কিন্তু আমরা ৩ বোন কোনো ভাই নেই তাই বলে বাবার রিলেটিভ রাও নাকি সম্পত্তি পাবে । আমরা বাবার রিলেটিভ দের ডকুমেন্ট ও দিয়েছি। এরপরেও আমাদেরকে ঘুরাচ্ছে এবং এখন কথা ঘুরিয়ে বলছে যে আমরা নাকি উনাকে হয়রানি করছি। আমার মনে হয় ভবিষ্যতে আরো টাকা দিতে হবে নাহলে সনদ করে দিবে না...
# ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে আমার ভোগান্তির অভিজ্ঞতা ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক ভোগান্তির শিকার হয়েছি। প্রথমবার আমি এবং আমার ভাই দুজনেই দালালের মাধ্যমে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছিলাম। তখন আমাদের কোনো ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেল করা হয়নি, এবং প্রক্রিয়াটিও তুলনামূলকভাবে সহজ ছিল। কিন্তু এক থেকে দুই বছর পর বিআরটিএর কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সময় আমার ডাটাসহ অনেক মানুষের তথ্য সিস্টেম থেকে হারিয়ে যায়। ফলে আমার লাইসেন্স-সংক্রান্ত রেকর্ড আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এর কারণে আমাকে আবার নতুন করে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। দ্বিতীয়বার আমি ভেবেছিলাম দালালের সাহায্য না নিয়ে নিজেই নিয়ম অনুযায়ী লাইসেন্স করব। এতে খরচও কম হবে। কিন্তু তখন ড্রাইভিং পরীক্ষার সময় আম