খতিয়ান সংশোধন
জমির সাবেক দাগ নম্বর সংশোধনের জন্য।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির সাবেক দাগ নম্বর সংশোধনের জন্য।
দুইটা মিটিশন এর জন্য ১৬হাজার চুক্তি , ১টা হওয়ার পর , বলে তোমার কাগজে সমস্যা আছে বাড়তি টাকা লাগবে, পরে টাকা দিলে ঠিক হয়
একটি এগ্রো ফার্মের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে এটি দাবি করা হয়। দুইদিন ঘোরাঘুরি করে অবশেষে পরিশোধ করলে আবেদন নেয়া হয়।
After giving all document,they harasse me nearly one month.after that with no improvement,i paid the bribe.
Madhupur Shahid Smrity Higher,The principal taken extra amount from us for doing the transfer my doughter.
ভুমি কর পরিশোধ করার জন্য গেলে ২৫০০০০ টাকার কথা বলে আর ৮০০০০ হাজার টাকা ঘুস দিলে ১০০০০০ টাকা হয়ে যাবে তার মানে ৮০০০০০ টাকা ঘুস ১০০০০ টাকা কর পরিশোধ এর স্লিপ দিবে।
টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না। নামের করনিক ভুল সং শোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা নিছে,শরিয়তপুর জেলা,ভেদরগঞ্জ থানা, ভুমি অফিসের সহকারী অফিসার —।
আমি পার্সপোট বানাতে আমার জেলার খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক পার্সপোট অফিসে যাই সেখানে অযথা নানান উল্টা পাল্টা কাগজের কথা বলে আমার আবেদন আটকে রাখা হয়। পরে আঞ্চলিক কর্মকর্তা মহোদয়ের কাছে গেলে দেখা যায় তিনি ও ঘুষ খোর ৫০০০ টাকা চান। পরে পার্সপোর্টটি প্রযোজন হওয়ায় আমি ৩০০০টাকা দিয়ে পার্সপোটটি গ্রহন করি। কিন্তু বিষয় যে, ঘুষ দেওয়ার পরে কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। এবং দেখলাম ঘুষ দিলে একটি এনআইডি ফটোকপি ছাড়া আর কিছু লাগে না।
স্যার, চট্ট মেট্রো পাবলিক গাড়ি গুলো আটক করে ৪৭৫০ থেকে শুরু করে ১০৭৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় ।কিন্তু তারা মানি রিচিপট দেয় শুধু ৭৫০ টাকা বাকি টাকা তারা সবাই মিলে আত্মসাৎ করে ।এই টাকাটা সবাই ভাগাভাগি করে খায় ।কোন গাড়িকে মামলা দেয় না।শুধু আটক দেখানো হয় ।যাতে করে টাকাটা নিয়ে ভাগাভাগি করা যায়। আমার আকুল আবেদন আপনারা বিষয়টি যাচাই করে ব্যবস্তা নিবেন ।চট্ট মেটো ২ টা ডাম্পিং আছে ১। সদর ঘাট ২।খুলশী ।উত্তর এবং দক্ষিণ ।
আমার মা একজন গ্রিহেনি । আমার বারি রামগঞ্জ আমরা কিছুদিন আগে মায়ের ভোটের আয়িদির জন্ন গ্রামে জাই অনেক কাগজ মেনেজ করতে বলে কিন্তু করার পরেও তারা বলে কন হাত লাগাভে না । টাকা চায় ১৫০০০ একন আমরা ২ ভাই ২১, ২৪ মায়ের ভোটের আয়িদি ছাড়া আমরা আমদারের তা করতে পারভ না তাই বাদ্দ হয়ে তাকা দিয়া কাজ তা করান লাগচে
আমার নানি নামে এক হানি জমি ছিল,, নানি ওয়ারিশ হচ্ছে এক ছেলে দুই মেয়ে, এক ছেলে হচ্ছে আমার মামা, মামা পুরাই এক খানি জমিন তার নামে বি এস জরিপ করে ফেলেছিল, ওয়ারিশ সূত্রে আমার মামাতো ভাইয়েরা তাদের নামে জায়গাটা আবার জরিপ করে ফেলেছে, আমি সেই জরিপ কেটে আমার মায়ের অংশটুকু আনার জন্য আমাকে ৯০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল, আমার মায়ের ৫ ঘন্টা জমির দাম ছিল তিন লাখ টাকা,আর আমাকে ঘুষ দিতে হয়েছিল ৯০ হাজার টাকা, আর আমার সময় ব্যয় হয়েছিল চার বছর, চার বছর আমি ৫০ বার উপরে ভূমি অফিসে যেতে হয়েছিল, তার মাঝেও ভুমি অফিসের ভিতরে কতজনকে ৫০০ টাকা ১০০০ টাকা কত বার যে দিয়েছি তা আমার হিসাব নাই ? আমার মায়ের পাঁচগান্ডা জায়গার মূল্য ছিল তিন লক্ষ টাকা
পুলিশ লাইন্স সিলেট রিজার্ভ অফিসার এসআই — উক্ত অফিসে দীর্ঘদিন কর্মরত থেকে অধিনস্থদের বিভিন্ন ইউনিটে বদলী করিয়ে দিবে বলে এমনকি অন্য অফিসার দিয়ে অধিনস্থদের নামে অভিযোগ দিয়ে জিম্মি করে বিভিন্ন এ্যামাউন্টের টাকা আদায় করে আসছে।
একজন ব্যক্তি বিদেশ নেওয়ার কথা বলে ৩০০০০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। কোন ভাবেই তার থেকে টাকা উদ্ধার করতে না পেরে মানবাধিকার কমিশনের নামে চলা ব্যক্তির পরামর্শে থানায় জিডি করা হয়। জিডি এনট্রি শেষে এসআইকে ৩০০০ টাকা দিতে বলা হয়। উল্লেখ্য মানবাধিকার কমিশনের লোক দাবীকারী ব্যক্তিও একাধিক বার বিভিন্ন অযুহাতে টাকা নেয়।
জমির দলিলের সব লেখা ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য সাব রেজিস্ট্রি অফিসের এক কর্মকর্তা যাচাই করেন, এমন এক পর্যায়ে সেই কর্মকর্তা বাংলা সনের কোন একটি কাগজ নবায়ন করা হয়নি বলে ভুল ধরেন এবং সেটি যে দলিল লেখক তাকে বলেন। সেই দলিল লেখক বিষয়টির জন্য তাকে ৫০০ টাকা দেয় এবং সেই কর্মকর্তা উক্ত দলিলটিই (কোন প্রকার পরিবর্তন না করেই) সাব রেজিস্টার এর কাছে জমা দেয় এবং আমার দলিলটি পাস হয়।
এটি ২০২৫ সালের শুরুর দিকের ঘটনা। আমার কাছে কাবিননামা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি সনাতনী হওয়ায় কাবিননামা নেই—এ কথা জানাই। তখন তারা বলেছিল, কাবিননামা না থাকলে ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন দেখাতে হবে। কিন্তু সেটিও আমার কাছে ছিল না। এরপর আমি AD-এর কাছে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য অনুরোধ করি। তিনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। পরের দিন উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে একজন দালালের মাধ্যমে ১,৭০০ টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজটি করাই এবং AD সাইন করে দেন। এরপর আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।
মিরপুর বিআরটিএ পুরোটা একটা সিন্ডিকেট এর উপরে ভর করে আছে । আপনি যদি মিরপুর বিআরটিএর গেট থেকে ১৩ নাম্বার পর্যন্ত যান, অসংখ্য দালাল রাস্তায় দাড়িয়ে থাকে । ফিটনেস করে দিবে বলে, বিনিময়ে ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা এক্সট্রা দিতে হয় । সরাসরি করতে গেলে অফিসার অনেক ইস্যু দেখায় । বেশিরবাগ বিআরটিএ কর্মকর্তার রাস্তায় দালাল সেট করা থাকে । দালাল চুক্তি করে রেফারেন্স দিয়ে তার কাছে পাঠালে কাজ হয়ে যায় । এমনকি বিআরটিএ এর আনসার রাও এর সাথে জড়িত ।
ইউনিয়ন ভুমি অফিস এর নায়েব, কালিবাড়ি, রেলিগেট, দৌলতপুর, খুলনা, এই কালিবাড়ি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের নায়েব আমার জমি সরজমিনে যায় দেখতে, বিষয়টি ছিলো জমির নামজারি এর জন্য, নায়েব যখন কাগজ পত্র সব মিলিয়ে দেখে সবই ঠিকাছে তখন বলেন যে এই প্রতিবেদন এর জন্য ৩৫০০০ হাজার টাকা লাগবে, নইলে প্রতিবেদন এ তিনি নেগেটিভ লিখবেন, অনেক কাকুতি মিনতি করে তাকে ১০০০০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ টা করিয়ে নেই
টাকা না দিলে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। এবং কি একভারে না পাওয়ার ভয়। টাকা দিলে সব কিছু কোন জামেলা ছারাই হয়ে জাবে। দ্বাইত্য তাদের😀
পেনশন জনিত কারণে পেনশনের প্রসেসিং এ বান্দরবান বন বিভাগের অফিসে ২০১৯-২১ এর দিকে অফিস সহায়ক আমাদের কাছ হতে নগদ টাকা এবং ৮ মাসের বেতন নিয়ে ফেলে।
আমি গত ৪ আগষ্ট আমার বড় ভাইয়ের কাবিননামা সত্যয়নের জন্য mygov.bd তে আবেদন করি।সাধারনত এই কায় ৫-৭ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা।এটা ফণী রেজিস্ট্রার অফিসে পড়ে আছে।পরে একজনের পরামর্শে কাজীর সাথে যোগাযোগ করলে উনি বলেন এমনিতেত কাজ হবেনা।কিছু অফিস খরচ আছে ও আমার সম্মানি ও যাতায়তায় ভাড়া দিলে আমি অফিসে গিয়ে কাজ ওকে করে দিবো।