ফিটনেস নবায়ন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

মিরপুর বিআরটিএ পুরোটা একটা সিন্ডিকেট এর উপরে ভর করে আছে । আপনি যদি মিরপুর বিআরটিএর গেট থেকে ১৩ নাম্বার পর্যন্ত যান, অসংখ্য দালাল রাস্তায় দাড়িয়ে থাকে । ফিটনেস করে দিবে বলে, বিনিময়ে ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা এক্সট্রা দিতে হয় । সরাসরি করতে গেলে অফিসার অনেক ইস্যু দেখায় । বেশিরবাগ বিআরটিএ কর্মকর্তার রাস্তায় দালাল সেট করা থাকে । দালাল চুক্তি করে রেফারেন্স দিয়ে তার কাছে পাঠালে কাজ হয়ে যায় । এমনকি বিআরটিএ এর আনসার রাও এর সাথে জড়িত ।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩,০০০
যে কাজের জন্য ফিটনেস নবায়ন
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য