জমির খতিয়ান
১ টি জমির খতিয়ান উঠাতে সরকারি সব খরচ বাদ দিয়ে,, ২০০০ টাকা দাবি,,,পরে অনেক অনুনয় বিনয় করে ১০০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান আনতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১ টি জমির খতিয়ান উঠাতে সরকারি সব খরচ বাদ দিয়ে,, ২০০০ টাকা দাবি,,,পরে অনেক অনুনয় বিনয় করে ১০০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান আনতে হয়েছে
আমার এনআইডি কার্ডের ইংরেজি নাম ভুল ছিল। যখন আমি ২০২৫ এ ড. মুহাম্নুদ ইউনুসের আমলে পাসপোর্ট করবো ভাবলাম,তখন ভাবলাম এনআইডি কার্ডও ঠিক করি, তাই এনআইডি সংশোধনের জন্য আবেদনও করি। ৭ দিনের মধ্যে সংশোধন ও হয় এবং ম্যাসেজে উল্লেখ করেছিল সংশোধন কপির সাথে একটি যাকে স্ক্যান কপি বলে তা যেন সংগ্রহ করি( এটা নির্বাচন এলাকা পরিবর্তনের সময় ও পাসপোর্ট অফিসে প্রয়োজন) কিন্ত তারা সেটি দেয় নি। এবং পরবর্তীতে যখন পাসপোর্ট অফিস আামার এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি চায় তখন দিতে না পারায় আমাকে নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। নির্বাচন অফিসে গিয়ে তাদের ম্যাসেজ দেখালে তারা বলে তারা বাধ্য নয়। পরবর্তীতে আামাকে এক কোনায় নিয়ে ৫০০ টাকা চায় কিন্তু আমি ৩০০ টাকা দিবো বলায় তারা সাথে সাথে সেটি নিয়ে এসে একটা লোকবুকে সাইন নেয়।
আমার মা কে জরুরী ভর্তি করার প্রয়োজন ছিলো। ভর্তি করার পর বেড থাকা সত্ত্বেও দেয়া হচ্ছিল না,টাকা দাবী করেছিলো কর্তব্যরত নার্স,আয়ার একটি চক্র।বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেড পেয়েছিলাম 😰
আমি একটি পারিবারিক সমস্যার জন্য আশুলিয়া থানায় যাই জিটি করার জন্য কিন্তুু আমারে বলে তারা একটি লেখিত আকারে দিতে হবে আমি বলিলাম যে কোথায় থেকে দেবো তারা বলে আমাদের লোক আছে তাদের কাছে লেখে নিলাম একটি ফরম ৫০০ টাকার বিনিময়।তার পরে জিটি কাগজ জমা দিলাম তারা বলে যে আমারদের লোক জাবে এই কথা বলে এবং বলে তার যে ওখানে দোখান আছে ওখানে বসেন আমরা ওখানে বসলাম পরে কনস্টেবল আসলো এবং বললো যে সারেরা যাবে তাদের খরজ আছে কিছু দিতে হবে এবং টাকার জন্য জোর করে এবং বলে টাকা না দিলে সারেরা যাবে না বাদ্য হয়ে টাকা দেই ৫০০ টাকা।সে বলে এটাকা দিলে যাবেনা পরে আমি ১০০০ টাকা দেই এই হলো দেশের আইন। গরিবের জন্য বাংলাদেশে টাকা ছাড়া আইন নাই,,,আমাদের আল্লাহ আছে,,,,।
মোটরসাইকেল লাইসেন্স করার জন্য সরকারি খরচ ৫৫০০-৫৬০০। কিন্তু দালাল ছাড়া এটি সম্ভবই না। প্রথমবার দালাল ছাড়া করতে গিয়ে পরীক্ষায় ফেল করায় দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়। দালালের সাথে সেখানকার বড় অফিসারদের ঘনিষ্ঠ তা আছে যাদের মাধ্যমে তারা ঘুষ গ্রহন করে কাজ করে।
প্রতিটি প্রকল্প থেকে ১৩% টাকা কেটে রাখে।ঘুষ বাবদ।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হজে যাওয়ার জন্য ছুটি পাস বাবদ দশ হাজার টাকা। পি এফ এনং পেনশন বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করেছি।
Payment against Solar Rooftop project in BREB, bill was submitted but file was hold by PD of BREB. PD of Renewable Energy Division of BREB and demanded 7 lac taka for file processing. It was paid and he processed 80% bill. For rest 20% bill he is claiming more ghush.
পোস্ট অফিস যেকোনো সেবা নিতে গেলেই টাকা লাগে যেমন সাধারণ সঞ্চয় পত্রের ফরম কিনতে গেলে ১৫০ টাকা লাগে, সঞ্চয় পত্রের মেইন কফি স্বাক্ষর কোথা থেকে গেল এক হাজার টাকা লাগে ,যদি কোন কারণবশত ভাঙতে চায় তাহলে আর্জেন্ট যদি টাকা লাগে দুই হাজার টাকা চায় না হলে ১৫ দিন ২০ দিন পরে দিবে বলে
আমি নামজারি করার জন্য টাকা দিছি কিন্তু টাকা লাগে ১১৭০ তারা নিছে ২০০০০ টাকা । তারা আরো অনেক হুমকি দেয়।
বাইক নিয়ে যাচ্ছিলাম আমার হেলমেট থাকলেও পিছনের জনের হেলমেট ছিলো না, তখন ট্রফিক পুলিশ আটকিয়ে টাকা দাবি করে না দিলে মামলা জরিমানার ভয় দেখায় গাড়ি আটকে রাখার ও ভয় দেখায়
২০২২ সালে আমাদের ওয়রিশকৃত (৭জন) করার জন্য বাড্ডা(আফতাবনগর) ভূমি অফিসে যাওয়া হয়েছিল। এর আগে রেজিস্ট্রি অফিস, তেজগাঁও ভূমি অফিস, ঢাকা জেলা প্রশাসন, পরিচিত যারা নামজারি করেছে তাদের কাছে গিয়ে একটা ধারণা পাওয়া হয়েছিল। এরপরে বাড্ডা অফিসে গেলে একবার বলে এটা আনেন, আরেকবার বলেন ওটা লাগবে। তখন আমার এক প্রতিবেশীর সাথে এই ব্যাপারে কথা বললে উনি একজনের নাম্বার দেন। একদিন গিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করি। সকল কাগজপত্র সাথে ছিল। বললেন সর্বমোট ৭০০০০ টাকা লাগবে। নামজারি ও খতিয়ান এর পেপার দিবেন। অফিসে বসেই খাটায় এন্ট্রি করে আমার থেকে টাকা রাখলেন। আর সময় মত নামজারির কাগজ ও খতিয়ান দিলেন। এছাড়াও ২০০২ সাল থেকে আমাদের ভূমি খাজনাও বকেয়া ছিল। সেটাকেও অনলাইন মাধ্যমে সেট করে দিয়েছিল।
বয়স সংশোধন করলে ১৫ হাজার টাকা লাগবে
প্রাথমিক বিদ্যালয় পাঠদান অনুমতি পাইতে, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার, শিক্ষা অফিসার, ধাপে ধাপে আরো কর্মকর্তাদের ডিমান্ড অনুযায়ী বিভিন্ন হারে এই টাকা দিতে হয়।
আমাদের চাঁদপুরের ভিতরে হাজিগঞ্জ থানা, ভূমি অফিসে সব কাজে টাকা ছাড়া কোন কাজে হয় না, নাম জারি করতে গেল টাকাও প্রচুর টাকা চায় বিশ হাজার ত্রিশ হাজার টাকা,
Amar Birth Certificate kore dewar binimoye amar kase tk niase
সাম্প্রতি আমার আগের পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে আমি জানি যে বাংলাদেশের যেকোন পাসপোর্ট অফিস থেকে নবায়ন করা যায়। সেই সুবাদে আমি নিকটবর্তী নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই এবং আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার চেষ্টা করি, কোন দালাল ছাড়া! আমি যখন আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই তখন ওনারা আমার আবেদনটি জমা নিলেন না, আমি জিজ্ঞেস করাতে ওনারা বলেন আমার এলাকায় গিয়ে জমা দিতে এখানে হবে না এখানে আমার প্রশ্ন হল কেন হবে না? তখন আমাকে দায়িত্বরত একজন আনসার সদস্য বলে চ্যানেল নিয়ে আসুন আমি বললাম ওটা আবার কি ভাই? তখন ওনি বলেন আরে ভাই বুঝেন না দালাল লাগবে!😡 তখন আমি একজন দালালের কাছে যাই মোট ১৬০০০ টাকা নেয় তাও পাইনি পাসপোর্ট দুই বছরেও পরে আবার নতুন করে আবেদন করে পাসপোর্ট পাই কারন আগুন লেগেছ
আমার মায়ের পাসপোর্ট তৈরি করার আমি অনলাইনে ফরম পূরণ করি এবং অনলাইন পেমেন্ট করি। কিন্তু তারা আমার বাবার নামের বানান কিন্তু ২০০০ টাকা দিলে পাসপোট জমা নেয়।
অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন করার পরে জমা করতে গেলাম। রিনিউ ছিল। কোন চাকরি বা ব্যবসাতে না থাকায় 'পেশার' ঘরে 'other' select করে দিয়েছিলাম। জমাকারী এটা দেখে সাথে সাথে পেপার আমাকে দিয়ে বললেন এখানে other দেওয়া কেন। অথচ সিস্টেমে ছিল বলেই তো দেওয়া হইছে। এরপরে information desk এ যোগাযোগ করতে বলল। সেখানে গেলে বলল application cancel করতে। কিন্তু বিপত্তি বাধে আমি অনলাইনে ফি পরিশোধ করেছিলাম। এখন যদি cancel করি তাহলে টাকা পুরোটাই মাইর যাবে। তখন এক আনসার বলল ১৫০০ টাকা দেন করে দিচ্ছি। আমি পরে সেটা ১৩০০ তে রাজি করেছিলাম একেবারেই না পেরে, নাহলে ৫৭৫০ টাকা হারাতাম। সুন্দর একটু পরে ফরমে সাইন সহ নিয়ে আসলেন। পাসপোর্ট যথাসময়েই পেয়ে গেলাম। বাড্ডা পাসপোর্ট অফিস।
আমি একজন সরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা, আমার জমি রেললাইনের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। আমি শত চেষ্টা করেও ঘুষ ছাড়া টাকা উত্তোলনের চেক পাই নাই। জানতে পারলাম ৩% ঘুষ না দিলে চেক হবে না। ডিসি অফিস LA শাখা, সিরাজগঞ্জ। পরে ৪০০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১৩ লক্ষ টাকার চেক পাইছি। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের সংশোধিত প্রাক্কলিত ব্যয় বা বাজেট দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তাহলে ৩% হিসাবে ৩৭৫কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হয়েছে। এটাই আমাদের সোনার বাংলাদেশ। যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের ৯৫% কৃষক, তারা ঘুষের হিসাবটা অনলাইনে দিতে পারে না। তাই প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পায় না।