পেনশানের টাকা আদায় করার জন্য সাইন নেয়া
আমার বাবার পেনশানের টাকা পাওয়ার জন্য শিক্ষা অফিসে গিয়ে সাইন করে ok করার কন্য গেছিলাম ওরা বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ৩০০০ tk খাইছে তারপর অফিসে এসে সাইন করে দিয়ে দিয়েছে.....
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবার পেনশানের টাকা পাওয়ার জন্য শিক্ষা অফিসে গিয়ে সাইন করে ok করার কন্য গেছিলাম ওরা বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ৩০০০ tk খাইছে তারপর অফিসে এসে সাইন করে দিয়ে দিয়েছে.....
বিগত ৮-১০ বছর ধরে, শ্যামপুর সার্কেল অফিসে ভ্যাট রিটার্ন জমা এবং প্রয়োজনিয় চিঠি দিতে গেলে নগদ টাকা ছাড়া গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায়। এভাবে গত কয়েক বছরে প্রায় ৬-৭ লক্ষ ঘুষ দিতে হয়েছে।
পিতার নাম ভুল ছিলো। সংশোধন ফী জমা দেওয়ার পরও টাকা দাবি করে। ২ হাজার টাকা না দিলে ওরা ফাইল নিবেনা। খারাপ ব্যবহার করেছে। তারপর ২ হাজার টাকা পরিশোধ করি।
আমার বাবা এক্সিডেন্ট করলে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ইমার্হেন্সি-তে নিয়ে গেলে সেখানকার বয় আমাকে বেশকিছু দৈর্ঘের ব্যান্ডেজ এর কথা বলে এবং জানায় যে, তাদের কাছে সেই ব্যান্ডেজ নেই৷ আমি পাশে থাকা ফার্মেসি-গুলোতে গিয়ে খুঁজেও সেইগুলো পাই নাই৷ এরপর না পাওয়ার বি্য়টি ফিরে এসে জানালে বলে যে- 'চা-পানির কিছু পয়সা দিয়েন ম্যানেজ করে দিচ্ছি।' পকেট থেকে ২০০টাকা বের করে দিলাম, আর সব কাজ হয়ে গেলো। পরিস্থিতি এমন ছিলো যে, ঘুষ দাবীকৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় যাচাই করার মতো সময় ও সুযোগ ছিলো না৷ তবে, দেখলাম যে, ইমার্জেন্সি-তে আসা সকল ব্যক্তির কাছ থেকেই কম-বেশী টাকা নিচ্ছে
পেনশনের হিসাব সম্পন্ন করার জন্য উক্ত টাকা দেয়া হয়েছে।
কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার — বিভিন্ন ফাইলে অর্থ দাবি করেন। অর্থ না দিলে সেবা প্রদানে বিলম্ব করেন। নানান অজুহাতে হয়রানি করেন। আমি প্রত্যাখ্যান করায় হয়রানির স্বীকার হয়েছি।
আমাদের গ্রামের একটি কমিউনিটি ক্লিনিক করার জন্য আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৮ শতাংশ জমি দান করেছি। এখন এই জমিতে কোন মামলা নেই, সম্পূর্ণ নিশকন্ঠক অবস্থায় রয়েছে এবং জমিটি কোন অবস্থানে রয়েছে প্রাক্টিক্যালি বাস্তবে গিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করে দিবে। আমি ৩০০০ টাকা দিয়েছি ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত রিপোর্ট দেয়নি, শুধু ঘুরাচ্ছে।
আমার বাবার পুরাতন পাসপোর্ট এর নাম্বার দিয়ে নতুন পাসপোর্ট করতে যাই। তো আবেদন এর সময় দেখি এন আইডি এর নাম্বার দিয়ে আবেদন দেখাচ্ছে যে অলরেডি আবেদন করা আছে। কিন্তু আমরা কোনো আবেদন করি নাই। পরে তারা বলল করে না থাকলে ৬ মাস অপেক্ষা ছাড়া সম্ভব না। এরপরে বাহিরে এসে দেখি দালাল বাইরে দাড়িয়ে ডাক দিয়ে বলল কি সমস্যা ।পরে বলার পর তিনি বললেন হবে এখন করে দেওয়া যাবে ১৫০০০ টাকা লাগব। আমার বাবার পাসপোর্ট বানানো জরুরি ছিল সে ক্ষেত্রে না দিয়ে উপায় ছিল না। ওনাকে কনফার্ম করার পর দেখি সাথে সাথে ওনি অফিস এর মেইন চেয়ারম্যান এর কক্ষে গিয়া আবেদন করলেন ভুল এন আইডি দিয়ে বললেন প্রিন্ট এর সময় সঠিক আসবে। ঠিক ১৭ দিন পরে দেখি সব ঠিক ভাবেই হল
আমি চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলা একজন বাসিন্দা... এখানে পল্লী বিদ্যুৎ এর নতুন মিটার এর জন্য ওয়্যারিং পরিদর্শক কে প্রতি মিটারে ১০০০ টাকা করে দিতে হয়... আমি চাই এইর একটা যথাযথ বিচার হোক
ফ্লাটের জমির (জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় ) সেল পারমিসন ও রেজিস্ট্রেসনের জন্য উক্ত টাকা দেয়া লাগছে।
বাংলাদেশের সরকারের হয়ে আমরা রাইস মিল মালিকগণ উপজেলা খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করে থাকি। মূলত বছরে দুই বার চালের বরাধ্য আসে। আমন, ভোরো মৌসুমে। বরাধ্য আসার আগেই খোলামেলা মিটিং হয় খাদ্য গুদামের ইনেস্পেক্টরের সাথে। তিনি তার সম্মানে প্রতি কেজিতে নির্ধারিত টাকা ধার্য্য করে দেন। শুরু হয় প্রতি কেজিতে ২/২.৫/৩ টাকা করে। শেষ আমন মৌসুমে এগারো শত টন চালের জন্য তাকে সম্মানি প্রদান করতে হয়েছে ২৪,২০,০০০ টাকা এবং অন্যান্য আনুসাঙ্গিক খরচের জন্য আমাদের প্রদান করতে হয়েছে ৭,৭০,০০০ টাকা মাত্র। — উপজেলা খাদ্য গুদাম ইন্সপেক্টর রামু উপজেলা কক্সবাজার
ব্যবসা করলে কর দিতে হবে । কিন্তু কর দিলেই হবে না উপরি দিতে হবে তাই যা দাবি ছিলো ৫০০০০০ কর দিয়ে ১২ লাখ উপরি দিতে হয়
পাওয়ার দলিল নিতে গিয়ে দলিল দাতারা সবার সম বন্টন করে এবং এটার জন্য সরকারি ফি ও পরিশোধ করে তারপর ও সাব রেজিস্ট্রার টাকা দাবি করে তিন লক্ষ পরে ১ লক্ষ দিয়েছি ডেমরা সাব রেজিস্ট্রি অফিস, ঢাকা
নামজারির জন্য ৭০০০ টাকা আর ২৪ টাকা খাজনার জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
trade license new make and renue they ask money always
জমির দলিল ভলিউম বুক থেকে যাচাই করার জন্য 200/- টাকা বকশিশ দিতে হয়েছে।
২০২৩ সালে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানায় আমার ওয়ালটন RX7 ফোন হারানোর জিডি করতে গিয়ে, জমা দেওয়ার সময় ডেস্কে ২০০ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে ৮০ টাকা দিয়েছিলাম, তাছাড়া কিছু করার দেখি নাই। ২০১৬ সালে আরেকবার পুলিশ সদস্যকে ৫০ টাকা দিতে হয়েছিল কপোতাক্ষ ট্রেনে।
My father had a shop in Bandarban Bazar Fund. When the agreement copy expired, I went to update it. I was told the actual cost should be only 12,575 taka. However, I was forced to pay 28,000 taka just to start the process, and even then, I did not receive the updated document. Later, they demanded another 2,000–3,000 taka to hand over the papers. In total, I am being charged nearly 31,000 taka, which is about 146% higher than the official cost. This means I am paying almost double the legitimate amount, simply because of corruption and irregular practices. What should have been a straightforward renewal has turned into a burden of bribery, exploitation, and injustice.
সিলেট সেটেলমেন্ট অফিসে আমার ১৫ শতাংশ ভূমি বিএস জরিপের জন্য আবেদন করলে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার — এর কাছে তদন্তের জন্য দেয়া হয়। তিনি — নামক দালালকে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং তার কাছে ২০ লক্ষ টাকা দিতে বলে। আমি বিভিন্ন ধাপে প্রায় ১২ লক্ষ টাকার বেশি দিই —ের মাধ্যমে। পরবর্তীতে জবর দখলে থাকা বিবাদী লন্ডন থেকে এসে তার সাথে মিটিং করে। সে বিবাদীর নিকট হতে টাকা খেয়ে আমাকে দুই বছর ঝুলিয়ে রেখেছে৷ টাকা দেয়ার প্রমাণ আমার কাছে আছে৷
বাসার হোল্ডিং নম্বর পরিবর্তনের জন্য সিটি কর্পোরেশনে আবেদন করি। এর জন্য সরকারি ফি পরিশোধ করি ৫,৭৫০ টাকা। সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা অতিরিক্ত ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দিয়ে সেখান থেকে চলে আসতে হয়।