খতিয়ান উত্তোলন
জমির খতিয়ান তুলতে গেলে সরকারি খরচ বাদেও এক্সট্রা টাকা দিতে হয়েছে, ঘুষ ছাড়া কোন ভাবেই কাজ করে দেই নাই। বাদ্ধ হয়ে দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির খতিয়ান তুলতে গেলে সরকারি খরচ বাদেও এক্সট্রা টাকা দিতে হয়েছে, ঘুষ ছাড়া কোন ভাবেই কাজ করে দেই নাই। বাদ্ধ হয়ে দিতে হয়েছে।
আমি রাউজানে একটা সরকারি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে চাকরি করি। চাকরিতে প্রথম পে ফিক্সেশন করার সময়, হিসাব রক্ষন অফিস ফিক্সেশন না করে ফাইল আটকিয়ে রাখে। পে ফিক্সেশন করা এটা একটি বিনা ফি তে করা সরকারি কাজ। কিন্তু আমরা যারা জয়েন করেছি সবার থেকে ২০০০ টাকা করে ঘুষ নিয়েছে এই কাজের জন্য। আমাদের অফিসে এই যাবত যারাই জয়েন করেছে সবার কাছ থেকে এভাবে ঘুস নিয়েছে। আমরা আরো খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, শুধু আমাদের অফিস না, সম্পূর্ন রাউজানে যারাই সরকারি চাকরিতে জয়েন করেন, সবার কাছ থেকে হিসাব রক্ষন অফিস পে ফিক্সেশনের জন্য ঘুষ নেই।
পাসপোর্ট করতে গেলে নানান ঝামেলা থেকে বাচতে এমন করতে হয়। সেম ফাইল চ্যানেল ছাড়া জমা দিয়ে ভোগান্তিতে পরতে হয়েছে। কিন্তু চ্যানেলের মাধ্যমে দিলাম কোন সমস্যা নেই। কোন অতিরিক্ত চাইলো না।
হোল্ডিং এ জমি এন্ট্রি ও নামজারী
আমার আম্মাকে আমার ৭নং কামারচাক ইউনিয়ন পরিষদে রাজনগর মৌলভীবাজার পাটাই একটা অবিবাহিত সনদ ও নাগরিক সনদ আনার জন্য। তখন ইউনিয়ন এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান,সচিব এবং কম্পিউটার অপারেটর মিলে আমার মাকে কয়েকদফায় বাড়ি আনা নেওয়া করে এই সনদ বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করেন।আমাদের প্রয়োজন থাকার কারনে আমার আম্মা দিতে বাধ্য থাকেন
আমার বাবার পেনশানের টাকা পাওয়ার জন্য শিক্ষা অফিসে গিয়ে সাইন করে ok করার কন্য গেছিলাম ওরা বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ৩০০০ tk খাইছে তারপর অফিসে এসে সাইন করে দিয়ে দিয়েছে.....
আমি আমার বাবাকে নিয়ে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসি। পরে দেখি ওখানে অনেক লম্বা লাইন। পরে ওখানের একজন কর্মচারী যিনি ওখানে কর্মরত ছিলেন তিনি লাইন সঠিকভাবে পরিচালনা না করে ওখানেই দাড়িয়ে মানুষের কাছে টাকা চাচ্ছিলেন। ৪০০ টাকা দিলেই সবার আগে লাইন। উনি ষ্টাফ হওয়ার সুবিদার্থে কাউন্টারে গিয়ে ভর্তির প্রসেস করে দেয়। তাই আমও আমার বাবার প্রচন্ড বেথা দেখে সয্য না করতে পেরে বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে ভর্তি করাই।
বিগত ৮-১০ বছর ধরে, শ্যামপুর সার্কেল অফিসে ভ্যাট রিটার্ন জমা এবং প্রয়োজনিয় চিঠি দিতে গেলে নগদ টাকা ছাড়া গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায়। এভাবে গত কয়েক বছরে প্রায় ৬-৭ লক্ষ ঘুষ দিতে হয়েছে।
পিতার নাম ভুল ছিলো। সংশোধন ফী জমা দেওয়ার পরও টাকা দাবি করে। ২ হাজার টাকা না দিলে ওরা ফাইল নিবেনা। খারাপ ব্যবহার করেছে। তারপর ২ হাজার টাকা পরিশোধ করি।
আমার বাবা এক্সিডেন্ট করলে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ইমার্হেন্সি-তে নিয়ে গেলে সেখানকার বয় আমাকে বেশকিছু দৈর্ঘের ব্যান্ডেজ এর কথা বলে এবং জানায় যে, তাদের কাছে সেই ব্যান্ডেজ নেই৷ আমি পাশে থাকা ফার্মেসি-গুলোতে গিয়ে খুঁজেও সেইগুলো পাই নাই৷ এরপর না পাওয়ার বি্য়টি ফিরে এসে জানালে বলে যে- 'চা-পানির কিছু পয়সা দিয়েন ম্যানেজ করে দিচ্ছি।' পকেট থেকে ২০০টাকা বের করে দিলাম, আর সব কাজ হয়ে গেলো। পরিস্থিতি এমন ছিলো যে, ঘুষ দাবীকৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় যাচাই করার মতো সময় ও সুযোগ ছিলো না৷ তবে, দেখলাম যে, ইমার্জেন্সি-তে আসা সকল ব্যক্তির কাছ থেকেই কম-বেশী টাকা নিচ্ছে
পেনশনের হিসাব সম্পন্ন করার জন্য উক্ত টাকা দেয়া হয়েছে।
কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার — বিভিন্ন ফাইলে অর্থ দাবি করেন। অর্থ না দিলে সেবা প্রদানে বিলম্ব করেন। নানান অজুহাতে হয়রানি করেন। আমি প্রত্যাখ্যান করায় হয়রানির স্বীকার হয়েছি।
আমাদের গ্রামের একটি কমিউনিটি ক্লিনিক করার জন্য আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৮ শতাংশ জমি দান করেছি। এখন এই জমিতে কোন মামলা নেই, সম্পূর্ণ নিশকন্ঠক অবস্থায় রয়েছে এবং জমিটি কোন অবস্থানে রয়েছে প্রাক্টিক্যালি বাস্তবে গিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করে দিবে। আমি ৩০০০ টাকা দিয়েছি ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত রিপোর্ট দেয়নি, শুধু ঘুরাচ্ছে।
আমার বাবার পুরাতন পাসপোর্ট এর নাম্বার দিয়ে নতুন পাসপোর্ট করতে যাই। তো আবেদন এর সময় দেখি এন আইডি এর নাম্বার দিয়ে আবেদন দেখাচ্ছে যে অলরেডি আবেদন করা আছে। কিন্তু আমরা কোনো আবেদন করি নাই। পরে তারা বলল করে না থাকলে ৬ মাস অপেক্ষা ছাড়া সম্ভব না। এরপরে বাহিরে এসে দেখি দালাল বাইরে দাড়িয়ে ডাক দিয়ে বলল কি সমস্যা ।পরে বলার পর তিনি বললেন হবে এখন করে দেওয়া যাবে ১৫০০০ টাকা লাগব। আমার বাবার পাসপোর্ট বানানো জরুরি ছিল সে ক্ষেত্রে না দিয়ে উপায় ছিল না। ওনাকে কনফার্ম করার পর দেখি সাথে সাথে ওনি অফিস এর মেইন চেয়ারম্যান এর কক্ষে গিয়া আবেদন করলেন ভুল এন আইডি দিয়ে বললেন প্রিন্ট এর সময় সঠিক আসবে। ঠিক ১৭ দিন পরে দেখি সব ঠিক ভাবেই হল
আমি চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলা একজন বাসিন্দা... এখানে পল্লী বিদ্যুৎ এর নতুন মিটার এর জন্য ওয়্যারিং পরিদর্শক কে প্রতি মিটারে ১০০০ টাকা করে দিতে হয়... আমি চাই এইর একটা যথাযথ বিচার হোক
ফ্লাটের জমির (জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় ) সেল পারমিসন ও রেজিস্ট্রেসনের জন্য উক্ত টাকা দেয়া লাগছে।
ব্যবসা করলে কর দিতে হবে । কিন্তু কর দিলেই হবে না উপরি দিতে হবে তাই যা দাবি ছিলো ৫০০০০০ কর দিয়ে ১২ লাখ উপরি দিতে হয়
পাওয়ার দলিল নিতে গিয়ে দলিল দাতারা সবার সম বন্টন করে এবং এটার জন্য সরকারি ফি ও পরিশোধ করে তারপর ও সাব রেজিস্ট্রার টাকা দাবি করে তিন লক্ষ পরে ১ লক্ষ দিয়েছি ডেমরা সাব রেজিস্ট্রি অফিস, ঢাকা
নামজারির জন্য ৭০০০ টাকা আর ২৪ টাকা খাজনার জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
trade license new make and renue they ask money always