পে ফিক্সেশন বাবদ
নতুন চাকরির পে ফিক্সেশন করতে গেলে আমার কাছ থেকে ১০০০(এক হাজার) টাকা নেয়। আমাকে বলছে এই টাকা ঐ অফিসের সবাইকে দিতে হবে কিছু অংশ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন চাকরির পে ফিক্সেশন করতে গেলে আমার কাছ থেকে ১০০০(এক হাজার) টাকা নেয়। আমাকে বলছে এই টাকা ঐ অফিসের সবাইকে দিতে হবে কিছু অংশ।
বাচ্চার জন্ম নিবন্ধনের জন্য ঘুষ হিসাবে ২০০ টাকা চাওয়া হয়। অফিস বসে থাকা দায়িত্বশীল ব্যক্তি ওই টাকা ঘুষ হিসাবে দাবি করেছেন।
জমির নামজারি করার জন্য ঘুষ ছাড়া ৪বার আবেদন করেছিলাম। প্রতিবারই ফেরত দিয়েছে। শুনানি ছাড়া আবেদন বাতিল করে দিত। ৫ম বার ঘুষের টাকার পরিষদের পরপরই মিউটেশন হয়ে যায়।
The land office ask me for 11000 BDT for my mutation otherwise they will no approved it.
বিল পাশের জন্য টাকা দাবি করা হয়ে এবং দিতে বাধ্য হই।
সরকারি কাজের বিল, ৭% হারে ঘুস না দিলে বিল হবে না।
হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে কোন সরকারি বিল তুলতে ন্যূনতম ফাইভ পার্সেন্ট ঘুষ তাদেরকে দিতে হয়। এটা সারা দেশের সব হিসাবরক্ষণ অফিসেই হয়।
রেজিষ্ট্রেশন করতে লাগে, ১৫-২০০০০ টাকা, আর নামজারি করতে লাগে ১১৫০০ টাকা, তবে মান্দির পুতেরা ১,২০,০০০ টাকার নিচে কোন কাজই করেনা, সাথে দলিল লিখক দের যোগ সাজশে চলছে রমরমা
As it is driving licence even if I pass the exam written but practical first go is impossible without contact magistrate will never give pass
আমাদের হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করার জন্য ইন্সপেক্টর এসে অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য করার ঠান্ডা হুমকি দেয় এবং প্রস্তাব দেয় যে যদি আমি ২৫০,০০০ টাকা তাদের 'অফিস প্রসেসিং' এর জন্য দেয়, তারা সেটি কে ন্যায্য যেটা হয়, সেটা ধার্য করবে যেটাকে তারা একটি অনুগ্রহ বা উপকার হিসাবে উপস্থাপন করে। এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩ (রিসিজিয়ন-৩) এবং ওয়ার্ড নম্বর ২১ এর অন্তর্ভুক্ত।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য নিজেই সব প্রসেসিং করি অনলাইনে, কাগজ জমা দেয়া ছবি তোলা সবই ঠিক গেছে। কয়েক দিন পর পুলিশ ভেরিফাই করতে একটা এস আই কল দেয়। বলে যে ভেরিফাই করতে আসবে না কিছু টাকা দিলেই হবে, আমি বললাম এসে দেখে যান। এস আই বলছে না লাগবে না। পরে ৫০০ টাকা দিছি বিকাশে, টাকা দেয়ার পর কল দিয়া বলে ৫০০ টাকায় হবে না আরও ৫০০ দেন।
নামজারির ফাইল জমা দিতে গেলেই ১০০ টাকা দিতে হয় এটা সেখানে রেওয়াজ
আমি পাসপোর্ট অফিস নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট করতে যাই ভুইঘর,সে খানে ১০১ নাম্বার রোমের ডাটা এন্টিওপারেটর যে প্রথম পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয় সে আমার পাসপোর্ট নেবার সময় খুটি নাটি ভুল দেখায় নামে ফুলিস্টপ দিছি হবে না।তারপর বাহিরে কম্পিউটার এর দোকানদার এর কাছে ঠিক করতে গেলে সে বলে এটা আপনাকে হয়্রানি করবে ৪৫০০ টাকা দেন আমি করিয়ে দিচ্ছি।আমার যেহেতু পাসপোর্ট দরকার তাই আমি পাসপোর্ট করতে টাকা দেই পরে একই দিন অই লোক আমার ফাইল জাম নিলো কোন ভুল দরলো না। আর কম্পিউটার এর দোকান দার আমার ফাইলে চিহ্ন দিয়া দিছে এবং আমার ফাইল এর ছবি তার What's apps পাইছে।।তারপর আমি কয়েক দিনের ভিতর পাসপোর্ট পাই।
গৃহসম্পদ হস্তান্তর অনুমতি নেওয়ার জন্য আবেদন করি। কয়েকদিন ঘোরাঘুরি করে বুঝতে পারলাম সিস্টেমটা প্যাকেজ প্রথা। সিদ্ধান্ত নিলাম নিজেই চেষ্টা করব। রাজশাহী ঢাকা কয়েকবার দৌড়াদৌড়ি করলাম। কয়েক টেবিলে অল্প টাকার ঘুষ গুলো পরিশোধ করলাম। প্রায় ২০ হাজার টাকার কাছাকাছি খরচ করে অনুমতি মিলল না। অবশেষে প্যাকেজ সিস্টেম এর কাছে আত্মসমর্পণ করলাম।
জমি রেজিস্ট্রি বাবদ খরচ হয় নূন্যতম খরচ 1170 টাকা যেখানে সরকার নির্ধারিত ফি বাট ওদের সিন্ডিকেট এবং ওদের কারণে রেজিস্ট্রি করা যায় না রেজিস্ট্রি করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের অযুহা দিয়ে তারা জনগণের কাছ থেকে আরো অর্থ হাতিয়ে নেয় । সেটা হচ্ছে নেত্রকোনার কেন্দুয়া সাব রেজিস্ট্রি অফিস এখানে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে কিছু সিন্ডিকেটের কারণে যদি পুলিশ প্রশাসন তাদের নাকের ডগায় বসে করতেছে কিন্তু তারা কিছুই বলতেছে না কারণ তারা ওদের সাথে সম্পর্কিত সরিষার মধ্যে ভূত তাড়ানোর মত অবস্থা।দালালকে টাকা দেওয়া হয়েছে বেশি যাতে দলিল ওঠায় দেয় কিন্তু দলিলটা উঠায় না দিয়া সে শুধু ঘুরায় আর ঘুরায় এটা সব জায়গায় একই অবস্থা সেখানে অফিসের কর্মকর্তারা হচ্ছে এক নম্বর বিশ্ব চোর ওদের আস্কারা পাইয়া দালালরা আরো বেশি পরি
মূল্য ঘোষণার (ভ্যালু ডিক্লারেশন) সময় ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। উক্ত টাকা প্রদান না করায় সেগুনবাগিচা আঞ্চলিক অফিস থেকে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ ছাড়াই আমার প্রতিষ্ঠানের BIN বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমার আমদানিকৃত মালামাল বন্দরে পৌঁছানোর পর কাস্টমস ডিউটি পরিশোধ করতে গেলে জানতে পারি যে আমার BIN বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কোর অফিসে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, “আপনার সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় BIN বন্ধ করা হয়েছে।” BIN পুনরায় চালু (Unlock) করার জন্য ২,০০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। BIN আনলক করতে প্রায় এক মাস সময় নেওয়া হয়। এর ফলে বন্দরে আমার পণ্য আটকে থাকায় প্রায় ৪ লাখ টাকা ডেমারেজ দিতে হয়েছে। এছাড়াও, কর কর্মকর্তাকে ৫০,০০০ টাকা এবং প্রতিটি পোর্টে আলাদাভাবে BIN
গার্মেন্টস্ এর যাবতীয় কাগজপত্র সাইনের জন্য ৫ হতে ১০ হাজার টাকা নেয়। যদি কোন শ্রমিকের অভিযোগ থাকে পরিমান মতো জনপ্রতি ৫০০০ টাকায় সমাধান করিয়া নেন, সাথে ফেডারেশন গুলি সহযোগী থাকে। উনার নাম —
Protibondhi sonaktokoron civil cerjon office
টাকা চেয়েছিল অনেক কিন্তু আমি দেই নি।
৬ শতক বসতভিটা নামজারি তথা এসিল্যান্ড যাচাই করতে প্রথম দপে ২০০০ ২য় দপে ৮০০০ দাবি করে এবং পরিশোধ করি। এর আগে একই জায়গা বায়নানামা করতে ৪০০০০/- নিয়েছে। এখনো নামজারি হয়নি বরং জেলা অফিসে আটকে রাখা হয়েছে সেখানেও প্রাথমিকভাবে ১০০০০/- দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নামজারি বা কোনো সূরতহাল দেখা যাচ্ছে না, বরং ফাইল কোন স্তুপে পড়ে আছে তাও জানিনা।