নামজারির পর হোল্ডিং খোলা
নামজারির পর স্থানীয় ভূমি অফিসে হোল্ডিং খোলা জন্য গেলে ১০০/- ঘুষ লেগেছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারির পর স্থানীয় ভূমি অফিসে হোল্ডিং খোলা জন্য গেলে ১০০/- ঘুষ লেগেছে
নামজারি করতে সাধারণ ১১৭০ টাকা লাগে কিন্তু প্রস্তাব প্রেরণ জন্য নেয় ২৫০০ কানগো নেয় ১০০০ ডিসিআর জন্য অনুমোদন ৫৫০০
আবেদন ফরমে দালালের সীল না থাকায় আমাকে বার বার ফেরত পাঠানো হয়, আমি নিজেই অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম তাই কোন দালালের সীল ছিলো না, টাকার থেকে বেশি হয়রানি হই তিনি আমাকে প্রায় ৬-৮বার লাইন থেকে বের করে দেন এইটা সেইটা দেখিয়ে পড়ে আবার সেই লম্বা লাইন ঘুরে আসতে হয় পরে পাশ্ববর্তী কম্পিউটার দোকান থেকে একটা দালালের সীল নেওয়ার পর আমার আবেদন টা জমা নেয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য লিখিত ও ভাইবাতে পাশ করলেও প্র্যাক্টিক্যালে ফেইল দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে শুধু ফিংগার প্রিন্ট দিয়ে চলে আসি। কোনো প্রকার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ছাড়াই পরবর্তীতে পাশ চলে আসে এবং লাইসেন্স পাই।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, ২০১৮ সাল। এনআইডি কার্ড গ্রহন করতে গেলে আমাকে জানানো হয় ১৫ দিন পরে আসতে। তখন দারোয়ানের মাধ্যমে ৭০০ টাকা দিলে ১ ঘন্টার মধ্যে কার্ড পাই এবং স্ক্যানসহ সব কাজ সম্পন্ন হয়।
আমার বাবা ই নামজারি করতে যায়,১০০০০ টাকা চায়, কাগজ পত্র কোন সমস্যা নাই, তারপরে সর্বশেষ ৬০০০ টাকায় করে দিছে,তাও সর্বশেষ কর সাল ভূল দিয়ে
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বান্দরবানে নতুন লাইসেন্স করার জন্য ফরম নিতে গেলে টাকা ২০০০/- নিয়ে ফরম দে, পরে জমা দেবার সময় ৫০০০/- টাকা নেয়। বলেছে অফিসে খরচ, সব কর্মচারীদের নাকি দিতে হয়। মূল বিষয় হলো ২ জন মহিলা উপজাতি, হওয়ায় আমি বাঙ্গালি তাই প্রথমে ফরমও দিতে চাই নাই। আর তাদের ব্যবহার তেমন রুচিশীল না।
Every month I have to give 12000 taka VAT and 8000 taka bribe.
নামজারি খতিয়ান তোলার জন্য ৮০০০ টাকা নিচ্ছিলো, কারণ জায়গা অনেক দামি তাই এর নিচে হবে না।
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ৫ আগষ্ট ২০২৪ সাল পর্যন্ত সব ধরনের বিল থেকে ১০ পার্সেন্ট কমিশণ খেতো শিক্ষা অফিসার। যদি কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাতো তাহলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করা হতো বিদ্যালয় ভিজিট করে। এমন কি আওয়ামীলীগ সরকারের শেষ সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কর্মকর্তা হিসেবেও প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। এর সাথে কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকও এ অনৈতিক কাজে জড়িত হয়।
জোয়ার সাহারা, খিলখেত, বিআরটি এ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ৪ বার গাড়ি চালিয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। প্রতিবারই ফেল করিয়ে দিয়েছে। আমার দেশের বাইরের লাইসেন্সও আছে, দীর্ঘদিন গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা আছে। ৫ম বার ১৫০০০টাকা দিয়ে দালাল দিয়ে করাতে দিলাম, পরীক্ষাও দেয়া লাগেনি। পরীক্ষা ছাড়াই ৩ দিনের মধ্যেই লাইসেন্স করে দিয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৪ বার পরীক্ষা দিয়েছিলাম। দালাল দিয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে লাইসেন্স পেয়েছি।
17 shotok jomi namjari korar jonno vumi office niye jai, prothome bole ekta jomir dag Bhul, ami balam book check korte bolle bole RS thik ache onno ekta balam e naki ei dag nai, ekhn notun kore jomi dolil korun nahole hobe na othocho record shob thik ekta dag barti uthese dolil e jar poriman amar jomir ongshe nai, detail clear thaka shotteo bole hobe na tahole ekkaj korun 20000 taka lagbe nahole jevabe paren koren ar bortoman Ac Land ghush chara kaj kore na iccha kore khute khute bhool ber kore jeta kono problem na kintu taka dile ta thik kore nahole batil kore dey evabe shobaike hoyrani kore, amar jomi ta bikri kora joruri taka proyojon tai baddho hoye gush dite hoyeche
জমি খারিজ ১১৭০ টাকা,,আমার কাছ থেকে নিছে ১০০০০ টাকা,,বইলর ইউনিয়ন, ভুমি অফিস
আমার ওয়াইফের একটা পরীক্ষার প্রবেশপত্র এসেছিল আগ্রাবাদ ডাকঘরে । পোস্টম্যান বলতেছিল টাকে খুশি করতে, নাহয় নাকি চিঠি টা দিবেনা। অনেকক্ষণ বাতচিত করেও ফায়দা না হওয়ায় শেষে ৫০/- দিয়ে নিসিলাম বাধ্য হয়ে। পোস্টম্যান এর নাম ছিল — ।
ami prothombar driving exam diyechilam. practicale fail korechilam. next exame amar practical er assessor ke 4000 taka diye pass korte hoyeche.
দলিল করতে গেলে ব্যাংক চালানের অতিরিক্ত টাকা দেয় যা দলিল লেখক, সাব রেজিস্ট্রার সহ ক্ষমতাসীন দলের শুয়োররা ভাগাভাগি করে খায়
গাজীপুর ডিসি অফিসের ভেতরে ফটোকপির দোকানদার আমার থেকে সরকারি ফির অতিরিক্ত ১০ হাজার নেয়। পরে পরীক্ষায় ফেল করেও লাইসেন্স পেয়ে যায়।
আমি একজন প্রেসায় ছাত্র আমি তাদেরকে যখন ঘুষ না দিই তখন আমাকে জোর করে আমার পেশা চেঞ্জ করে আমাকে কৃষক বানিয়েছে নওগাঁ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ।
আমি সকল কাগজপত্র নিজে ফিল আপ করে অনলাইনে অর্থ পরিশোধ করেছি। তারপর নির্ধারিত তারিখে আমি সিরিয়াল ধরে কাউন্টারে গেছি। বলে অরজিনাল এনআইডি নিয়ে আসেন। অথচ ফটোকপি দেওয়া ছিলো। এরপর বাহিরে গিয়ে অরজিনাল এনআইডি আবার বের করে লাইন ধরে য়ামনে গেছি। এবার সব দেখে বলে সব ঠিক আছে। অরজিনাল স্টুডেন্ট আইডিকার্ড নিয়ে আসেন; সত্যায়িত ফটোকপি দেওয়া ছিলো। আমি ৩০কি.মি দূর লাকসাম থেকে যাওয়ায় এটি সম্ভব ছিল না আনা। তাকে অনুরোধ করার পরও নিলো না। তারপর বাধ্য হয়ে কম্পিউটারে দোকানে যাওয়ার পর ২০০০টাকা দিলে সে ফাইল থেকে আরো কিছু কাগজ কমিয়ে ফেলে। তারপর একটা সিগন্যাল লেখার পর আবার লাইন ধরতে বলে। তারপর কাউন্টারে গেলে এবার কিছু না বলেই সিগনাল দেখে কাগজ জমা নিয়ে নেয়।
আমি ফুলবাড়ী উপজেলা ভুমি অফিস মিস কেচ আবেদন জমা করছি কিন্তু অফিসের বড় বাবু (—)কে ফাইল দিলাম ওনি নিলো আর বললো তোমারা দিলেন হামরা নিলোং এ কথা বললো তাতে কেন জানি আমার সন্দেহ হলো পরে একজন কে জিজ্ঞেস করলাম কেন ওনি এই কথা বললো ঐ ব্যক্তি বললো বুঝলেন না টাকা ঘুষ চায় পরে ১০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে আবেদন ফাইল করছে। ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিল গেলেই টাকা চায় । — প্রচন্ড লেভেলের ঘুস খোর,