দলিল রেজিস্ট্রেশন
Chandgaon Sub registry office requires to pay the deed writer 1% of deed value for the sub register
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Chandgaon Sub registry office requires to pay the deed writer 1% of deed value for the sub register
টাকা দেয়ার আগে অনেক ভুল ধরে,দাঁড়ি কমা মিলে নাই এইটা নাই,সেইটা নাই টাকা দিছি তারপর সব ওকে
To do our house holding tax
টাকা ছাড়া প্রথমে বাতিল করে দেয়,কিন্তু টাকা দেয়ার পর ১০ দিনে করে দেয়,নায়েব এসি ল্যান্ড সবাই জড়িত
দলিল লেখকদের মাধ্যমে টাকা তুলে।
নতুন এসিস্ট্যান্ট করার জন্য এই ঘু# দেওয়া লাগছে৷
5000 tk chaichilo police...dichilam 2250 tk
জমির ব্যাপারে থানায় একটা অভিযোগ দিয়েছিলাম এখন থানার বলল আমাকে ৫০০০০ টাকা দেওয়া লাগবে আমি বললাম আমি ২০ হাজার টাকা দিব আমার কাজটা যেন হয় তখন তারা বলল যে আচ্ছা ঠিক আছে দেন কিন্তু তারপরও আমার পক্ষে তারা কোন কাজ করে নাই ২০ হাজার টাকা ঠিক নিচে সরাসরি ওসি
My mother passport application was rejected by scrutiny officer due to my Father's death certificate, while we do exit from line a — comes to help us and claim 4000/- to fix the issue, we paid him. He just give a sign behind my mother passport application and suggested to attend the line again. Same officer who refuse my mother application just before 10 min ago check an special sign behind the documents and approved the application.
চাকরিতে যোগদানের পর বেতন করার জন্য জন প্রতি ২০০০/- দিতে হয়েছিল। পরবর্তীতে জিপিএফ এর একাউন্ট খোলার জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
আমি আমার বোন ও বৌ এর পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম আমি তাদেরকে সব ধরনের কাগজপাতি দিয়েছিলাম এবং আমার কাগজপথে সবকিছু ঠিক ছিল তারপরে তারা আমাকে বলে এই কাগজ লাগবে ওই কাগজ লাগবে এটা নিয়ে আসেন কয়েকদিন আমাকে ঘুরাঘুরি করছে তারপরে আমি দেখি যে তারা আমাকে অনেক দিন তারিখ ঘোরাঘুরি করতে আছে তারপরে উপায় না দেখে আমি তাদের সাথে নেগোসিয়েশন করছি কার্ডের জন্য ৫০০০ টাকার দিয়েছি তাদেরকে তারপরে তাদেরকে টাকা দেওয়ার এক ঘন্টার ভিতরে আমার কাগজপরি সবকিছু ওকে করিয়া তারা কমপ্লিট করে দিছে।এখন আমি আমার আইডি কার্ড পেয়েছি দোনোটাই পেয়েছি এই হল আমার সোনার বাংলাদেশের অবস্থা ৫০০০ টাকা দিয়ে আইডি করা লাগতেছে আমাদের ৫০০০ টাকা দিয়ে আইডি কার্ড করা লাগতাছে এই হল সোনার বাংলা
একটি জাহাজ যাওয়ার সময় বন্ধর থেকে পোর্ট ক্লিয়ারেন্স নিতে হয় সেই দিনে আমাদের খুব ইমারজেন্সি প্রয়োজন তাকে বলার সাথে সাথে সে বুঝতে পেরে আমাদের থেকে টাকা দাবি করেন এবং আমরা কিছু করতে না পেরে তাকে পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি
দেশে ৮/১০ টা মিলিটারি ফার্ম এ গরুর খামারের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার এর মাধ্যেমে গো-খাদ্য সরবারাহের কাজ দেয়া হয় এবং কাজ শেষ করে সব রিসিভ ডকুমেন্ট নিয়ে মহাখালি প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তর এ বিল এর ব্যাংক চেক পাস করাতে মোট বিল এর 1 % ঘুশ দেয়া বাধ্যতামূলক। আমি ভুক্তভোগী, ব্যাবসায়ীক মুলধন ঝুলিয়ে রাখা & সিস্টেমের ভয় দেখিয়ে ঘুস দিতে বাদ্ধ্য করানো হয়। আমার মত অসংখ্য ব্যাবসায়ী তাদের প্রতারনার শীকার। অনেক কস্টে কাজ শেষ করতে পারলও কেউ লস ছাড়া লাভ করেতে পারে না এখানে, সব পকেট কেটে ছিনতাই করে নেয়া হয় এই DGDP ভবনে। সঠিক তদন্ত & ন্যায় বিচারের দাবি রইল.....আত্তার কস্টই অভিশাপ।
পেশায় আমি একজন ট্রাক ড্রাইভার, আমরা যখন দেশের উত্তরবঙ্গ রাজশাহী অথবা বিভিন্ন জেলা থেকে কাচা মাল, ফল, নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসি তখন শুরু হয় আমাদের ট্রাফিক পুলিশ কে ঘুষ দেওয়ার পালা, চট্টগ্রাম ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগে চট্টগ্রাম শহরের ফলমন্ডি ৮০০, রিয়াজউদ্দিন বাজার ৪০০, কদমতলী ৪০০, কোতোয়ালি মোর ৫০০, নিউমার্কেট ৫০০, নতুন ব্রিজ ৫০০, টাইগার পাস ৫০০, ওয়াসা মোর ৫০০। চট্টগ্রাম ট্রাফিক উত্তর বিভাগে এ নিষিদ্ধ সময়ের কথা বলে শেরশাহ মোর ৫০০, অক্সিজেন মোড় ৫০০/১০০০, মুরাদপুর ৫০০, দুই নাম্বার গেট ৫০০, বদ্দারহাট ব্রিজের নিচে ৫০০, কাপ্তাই রাস্তার মাতা ৫০০, জি ই সি মোর ৫০০, খুলশি রেল ক্রসিং ৫০০, টেক্সটাইল মোড় ৫০০,
আমি একটা মামলা করেছিলাম ভূমি সংক্রান্ত। মামলাটি কোর্টে করেছিলাম । কোর্ট থেকে থানা ও ভূমি অফিসকে বিবাদীকে নোটিশ করার জন্য বলা হয়েছিল। কোর্টের পেশকারকে দিতে হয়েছিল ৫০০ টাকা। তারপর কোর্ট থেকে ভূমি অফিস, থানা ও বিবাদীর কাছে নোটিশ পৌঁছানোর জন্য পিয়নকে দিতে হয়েছিল ৫০০ টাকা। তারপর যখন কোর্টের নোটিশগুলো থানা এবং ভূমি অফিসে পৌঁছালো তখন থানা থেকে বিবাদীপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হলো একজন এ এস আই এর (পুলিশ)মাধ্যমে। এই এ এস আইকে দিতে হয়েছিল ৩৫০০ টাকা যদিও তিনি পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন । এবং এই এ এস আই এর সাথে একজন গ্রাম পুলিশ ছিলেন তাকে দিতে হয়েছিল ৫০০ টাকা। এবং তাদেরকে হোটেলে নিয়ে খাওয়াতে হয়েছে আরো ৫০০ টাকা। এটি হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশের অবস্থা। আমরা শুরু হওয়ার আগেই খালি খাওয়াইতে হয়।
আমি ২০২৪ সালে এক্সিডেন্ট করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি হই। ভর্তি হওয়ার পর থেকে রিলিজ নিয়ে গাড়িতে উঠার আগ পর্যন্ত প্রতিটা পদে পদে হাসপাতালের কর্মচারীদের নানা অঙ্কে টাকা দিতে হয়েছে। ড্রেসিং করার জন্য পুরুষ নার্স এসে স্লীপ ধরিয়ে দেয় বাহিরে থেকে কিনে আনেন নাইলে আমাদের এত টাকা দেন। আবার অপারেশন এর সময়ে প্রতিটা রুগিকে দিয়ে নিম্নে ৩-৫হাজার টাকার ঔষধ ক্রয় করায়। গত ১৫ তারিখে পঙ্গু হাসপাতালের এমারজেন্সি ওটিতে আমার ছোট একটা অপারেশন এর জন্য ডাক্তার পাঠায় কিন্তু ওখানে কর্মচারীরা নিম্নে ৫০০টাকার নিচে কাউকে ভিতরে ডুকায় না। অতঃপর সকাল ৯টা থেকে রাত পর্যন্ত বসে থেকে বাসায় চলে এসেছি। বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতাল গুলোতে গোয়েন্দাদের মাধ্যমে রুগি সেজে সেবা নিয়ে দেখেন ৭দিন তাহলে অনুধাবন করতে পারবেন আসল চিত্র।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে মোটা অংকের টাকা লাগে টাকা ছাড়া করে না, — অপারেটর ও — সম্ভবতো,,সর্বনিম্ন এক হাজার হাজার ছাড়া কোন কাগজেই হাত দেয় না,,,কুমিল্লার সবচেয়ে দুর্নীতি হয়,বড়ুরা থানায়, কি লাভ বলে দেশটাই এমনি, কত নিরীহ মানুষের সাথে জুলুম করতেছে 😭
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মটরসাইকেল লাইসেন্স নতুন হাফ কাগজ 15000 টাকা নিয়েছে
কেরানি ঘুস খায়।কাগজ জমা নিতে