জন্ম নিবন্ধন
জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি বাচ্চার। অমুক তমুক সমস্যা বের করতে করতে অনেকদিন ঘুরাইছে। টাকা ২ হাজার দেওয়ার সাথে সাথে ১ দিন নিবন্ধন করে দিছে। টাকা দেওয়াতে সব সমস্যা সমাধান।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি বাচ্চার। অমুক তমুক সমস্যা বের করতে করতে অনেকদিন ঘুরাইছে। টাকা ২ হাজার দেওয়ার সাথে সাথে ১ দিন নিবন্ধন করে দিছে। টাকা দেওয়াতে সব সমস্যা সমাধান।
NGOAB অডিট বিভাগের একজন সংশ্লিষ্ট কর্মী অডিট রিপোর্ট ক্লিয়ার করার জন্য নিয়মিত অর্থ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু অর্থ নেওয়ার পরও তিনি রিপোর্ট নিয়ে অযথা জটিলতা সৃষ্টি করেন এবং বারবার নতুন নতুন আপত্তি তুলে হয়রানি করেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
Police Clearance korte gele computer operator — ghus nei, Tk na dile kaj kore na r tui kore kotha bole... chatmohar thana, pabna
পোস্টিং। টাকা নিয়ে জেলা টু জেলা পোস্টিং দেয়। অথচ গোপনে আবার অন্য রেঞ্জে পোস্টিং দিয়ে আমার সেই ভেকেন্সিতে আবার নতুন লোক পোস্টিং দেয়। কত বড় গাদ্দারী বাটপারি চিটারি। বিভিন্ন অফিসে পানিশমেন্টের নামে এভাবেই সরিয়ে টাকা নিয়ে নতুন লোক নিয়োগ দেয়
হৃদরোদ হাসপাতালে সিট পেতে আয়াদের খুশি করার টাকা দিতে হয়, যে যতো বেশি দিবে সিট তাঁর।
সোনারগাঁ থেকে সদর এ বদলি হই সেপ্টেম্বর/২০২৫ এ, তখন থেকে বেতন বন্ধ। রুপগঞ্জ LPC করে জমা দিলেও নানান নাটকিয়তা শুরু করে। ৮ মাসের বেতন বকেয়া করে, দেই দিচ্ছি করে ঘুরাচ্ছিল। অবশেষে ১০,০০০৳ বিনিময়ে বেতন একসাথে ৮ মাসের ও নববর্ষের বোনাস পাই একসাথে।
জিপিএফ এর টাকা উত্তোলনের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে ২% দিতে হয়েছে । আর এখানে বিন্দু পরিমাণ টাকা ছাড়া কোনো কাজ সম্ভব না,
Applied for new Trade license was told 3500taka government fees and 1500 taka speed money or bribe or case will thrown to the back of the pile.
ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়ার সময়
এলিভেটেড এ ওঠার পর দেখতে পাই টায়ার পাংচার হয়ে গেছে একটি সাইডে রেখে স্পেয়ার টায়ার লাগিয়ে চলে যাওয়ার সময় ট্রাফিক সার্জন্ট আমাকে হেল্প করার পরিবর্তে গাড়ির কাগজ নিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ৮৫০০ টাকা দাবি করেন আধা ঘন্টা অনুরোধে ৫০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ পেয়ে চলে আসি।
আমি একজন প্রবাসী। দীর্ঘ দিন পর গত ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে দেশে আসি। গত ২৮ এপ্রিল রাতে সোনাগাজী থানার পুলিশ ২০১৮ সালের একটি মামলার ওয়ারেন্ট দেখিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে হয়রানি করে, যদিও মামলাটি গত ০১ জুন, ২০২৫ তারিখেই নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছিল। পরদিন আমি নিজে থানায় গিয়ে আদালতের রিকল ও নিষ্পত্তির কপি জমা দেই। তা সত্ত্বেও থানার একজন এসআই আমার পরিচিতদের কাছে ফোন ও মেসেজ দিয়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। অবশেষে ঝামেলা এড়াতে বাধ্য হয়ে আমি তাকে ৫,০০০ টাকা দেই। একজন প্রবাসী হিসেবে নিজ দেশে এসে নিষ্পত্তিকৃত মামলা নিয়ে এমন প্রশাসনিক হয়রানি ও অনৈতিক অর্থ দাবির শিকার হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
আমি যখন মালিকানা পরিবর্তন করতে যাই ওই সময় আমাকে কয়েকটি ডকুমেন্টস নিয়ে আসতে বলে এরপর সব ডকুমেন্টস নিয়ে আসলে বিভিন্ন ভাবে ঘুরাইতে থাকে, এই ডকুমেন্টস এইভাবে লাগবে আপনি এইটা ওইটা করে নিয়ে আসেন, তারপর উনার কথামত সব কিছু করার পর বলে যে যে আমি কি জানেন না এখানে টাকা ছাড়া কাজ হয় না, আমাকে একটু মিষ্টি খাওয়ার জন্য কিছু দেন, এরপর ১০০০ টাকা দিলে বলে যে এইটা কি দিলেন ভাই, ২ টা বাইক মিনিমাম ৩০০০ করে ৬০০০ টাকা দিতে হবে, পরে ওই টাকা পরিশোধ করার পর সে আর কোনও ডকুমেন্টস দেখে নয়, জাস্ট কাজ গুলা করে দিয়েছে
নামজারি আবেদন করার জন্য নাটোর জেলার, নলডাঙ্গা উপেলার ৫ নং বিপ্লবেরঘড়িয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা নামজারী আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র যাচাই করেছে এবং তা দেখেছে যে সকল কাগজপত্র সঠিক রয়েছে তারপরেও তিনি এই বলে ঘুষ চেয়েছে যে নায়েব: "ভাতিজা কিছু খরচ দাও"। ভুক্তভোগী: কত দিব? নায়েব: দাও তুমি স্টুডেন্ট মানুষ, দাও কিছু। ভুক্তভোগী ৫০০ টাকার নোট বাড়িয়ে দিলে পুনরায় তিনি আবার বলেন তারও ২০০ দাও। ঘুষ দেওয়া অপরাধ জেনেও ভুক্তভোগী এজন্যই দিয়েছে কারণ প্রশাসনিক কোন জটিলতায় না পড়ে যেন কাজটির সহজ ভাবে সমাধান হয় এজন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে।
মিলিটারি ফার্ম এ প্রতি ৬ মাস /১ বসর পর পর গরুর খামার এর জন্য গো-খাদ্য সরবারাহের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার দেয়া হয়। এই গো খাদ্য সরবরাহ শেষ করে বিল/ব্যাংক চেক নিতে মহাখালী, DGDP অফিস এ মোট বিল এর ১% ঘুস দেয়া বাধ্যতামূলক। না হলে চেক পাস হয় না, এবং এই টাকা ক্যাশ / মোবাইল ব্যাংকিং, অনেক সময় অফিস সহকারী /পিওন এর মাধ্যমে দিতে হয়। আমি নতুন, এসব না বুঝে, একবার কাজ করে অনেক লস করে, তওবা করেছি। টাকার ভাগ উপর মহলে যায়, সবাই সব কিছু জানে।অনেক কস্টের হকের উপার্জন যখন অন্যায় ভাবে ছিনিয়ে নেয়, সিসটেম এর ভয় দেখিয়ে, তখন ছল ছল, অবাক, অপলক, নয়নে তাকিয়ে দেখি শুধুই নিজের বুকের রুক্তখরন, আর ভাবি এই দেশে জন্ম নেয়াই একটা বড় ভুল, যার মাসুল দিচ্ছে অগনিত দেশপ্রেমিক, ব্যাবসায়ী সহজোদ্ধা...আত্তার কস্টই অভিশাপ।
২০২৩ সালে NTRCA এর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে একটি বিদ্যালয়ে যোগদান করি। চাকুরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ফোন দেয়। তারপর বাসায় একজন পুলিশ আসে। উনি বলেন যে উনি ঘাটাইল থানার ডিএসবি শাখার একজন এস আই। প্রয়োজনীয় কাগজ দেখতে চান। সবকিছু দেখানো হয়। সব ঠিক থাকলে উনি কালক্ষেপন করতে থাকেন। বলেন যে আগামীকাল কাগজপত্র নিয়ে দেখা করেন। আরো নানান তালবাহানা করে। পরে বুঝতে পেরে প্রথমে ১০০০ টাকা দেই, কিন্তু উনি বলেন যে প্রতি ফাইলে স্যারকেই দিতে হয় ২০০০/-, আমার খরচ আছে। এই টাকায় হবেনা। পরে আরো ৫০০ দেয়া হয়। তাতেও তিনি সন্তুষ্ট হন না। শেষ পর্যন্ত ২০০০/- টাকা দিলে উনি বাড়ি ত্যাগ করেন। পরদিন কাগজপত্র নিয়ে দেখা করতে গেলেও, উনি আর দেখা করেনি। একটা দোকানে রেখে যেতে বলে। উনার দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী সেই দোকানে কাগজ রেখে আসি।
পাসপোর্ট করতে গেলে!সব পেপার্স ঠিক থাকলেও অফিসের লোকজন বলে এই নিয়ে আসেন ওটা ঠিক নেই ইত্যাদি! তারপর ওখানকার একজন গেটের বাইরে আমাকে হর্ণে হয়ে ঘুরতে দেখে উপায় বাতলে দিয়ে সরকারি ফির বাইরে প্রায় তিন হাজার বেশি দাবি করে!তারপর তিন হাজার রাজি হলে আমার কাজ হয়ে য়ায়
foreign MBBS graduate der BMDC registration exam a attend korar jonno kichu verification lage. Amar shob papers authentic thakar porew ghush ditey hoyeche. Amar porichito 95% students der ei ghush ditey hoyeche noyto bhul bhaal reason dekhiye decline kore dey pichiye dey. Jader basha dure tara to bar bar ashtey pare na so baddho hiye ghush deya lage
— (Assistant Commissioner of Taxes, Circle-20, Netrokona) উনি আমার কাছ থেকে ২.৫ লক্ষ টাকা তার সহকারী —ের মাধ্যমে ঘুষ নিয়েছে। — এখন নেত্রকোনাতে নাই।
কক্সবাজার জেলার সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার —,বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসলে ১০০০ টাকা করে নেয়।
গাড়ীর কাগজ জমা দেওয়া নম্বর প্লেটের জন্য