নামজারি
নামজারি করার জন্য আবেদন করলে অনেক ভুল আছে বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়নি, কিন্তু কি ভুল আছে তা উল্লেখ করেনি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করার জন্য আবেদন করলে অনেক ভুল আছে বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়নি, কিন্তু কি ভুল আছে তা উল্লেখ করেনি
তারা টাকা না দিলে ফাইল ই গ্রহণ করে না।
পাসপোর্ট রিনিউ করেন কিংবা নতুন করেন সব অবস্থাতেই পার পাসপোর্ট ১৩০০/১৫০০ দিতে হবে। না হলে এমন এমন ভুল বের করবে যেটা ঠিক করা পসিবল না। যেমন, নাগরিক সনদ অনলাইন লাগবে, অরিজিনাল কাবিন নামা লাগবে, বাবা, মায়ের অরিজিনাল কার্ড শো করাতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর টাকা পে করলে কিছুই লাগেনা। ভুল থাকলেও সেটা চশমার উপর দিয়ে পড়ে সাইন দিয়ে দিবে।।
জামালপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে হয়রানি। টাকা দিলে সবই মানি।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান এর পর বেতন এক্টিভ করার জন্য সবার নিকট থেকে এভারেজ 500-1000 টাকা নিয়েছিল উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আর উপজেলা প্রাথমিক এর কর্মকর্তা যোগসাজ ছিল। অলিখিত নিয়ম হয়ে গেছে।
আমার ভাগ্নির জন্মের প্রায় ৪ মাস পরে (ঢাকায় হাসপাতাল থেকে একটা সনদ দেয় সেটা পেতে দেরি হয়, এবং ব্যস্ততার কারনে) জন্মনিবন্ধন আবেদন করি, প্রথম আবেদন বাতিল হয়। পরে ঠিকঠাকভাবে আবেদন নিজেই করি। আবেদন ফরম এ লিখা থাকে এই ফরম সরকারী সংস্থা থেকে বিনা মুল্যে পাওয়া যাবে। এবং আইন অনুযায়ী জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করলে বিনামূল্যে। ৪৫ দিন এর পর থেকে ৫ বছররের মধ্যে করলে ২৫ টাকা +১৫% ভ্যাট। কিন্তু তারা আসলে এই টাকা নেই না, এবং কোনো রসিদ ও দেইনা। সরাসরি ২০০ টাকা দাবি করে। জিজ্ঞেস করলে বলে এটাই সরকারী ফি, সাথে ফরম প্রিন্ট এর খরচ আছে। (তখন অনলাইনে আবেদন করা ফরম শুধু মাত্র সংস্থাই প্রিন্ট করতে পারত) বাকি সবাই তাই-ই দিচ্ছে। তাই অল্প টাকা বলে আর বাকবিতন্ডা না করে ২০০ টাকা দিয়ে চলে আসি।
মাদারবোর্ড ঘুষ খাইছে
ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসেই ব্যাবসায়ীক রিটার্ন সাবমিট করতে হয়, প্রতিবার ই ২/৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হলে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়,এটা তারা ওপেন এই চায়,ভ্যাট অফিসে এটা এতটাই স্বাভাবিক বিষয় যে মনে হবে এটা একটা বৈধ বিষয়
ইউনিয়ন পরিষদে যাই, আমার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি সংশোধন করতে। সেখানে দেখা যায়, সচিব সরাসরি অর্থের বিনিময় ইউনিয়ন পরিষদ সেবা প্রদান করছে। যে টাকা দিতে পারছে না, তাকে নানা কাজের জটিলতা বুঝাচ্ছে। থানায় জিডি, উপজেলায় আবেদন, নির্বাচন অফিসে যাওয়া ইত্যাদি৷ টাকা দিলেই সেই জটিল কাজের দাইত্ব নিয়ে নিচ্ছে সচিব।
Went for new passport, got rejected several times citing wrong documents. 3rd day rejection er por ek dalal ke 4k deyar por same room theke ar rejection holo na. Got my photo taken the same day.
আমি বিদেশ থেকে হজ্বে যাওয়ার উদ্দেশ্য পাসপোর্ট রি-নিউ করতে গেছিলাম। উনারা বলছে জন্ম নিবন্ধন লাগবে। জন্ম নিবন্ধনের নামের বানান ভুল ছিল। আমি বিদেশ থেকে বসে কথা বলছি, টাকা না দিলে সংশোধন হবে না। বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্স রেনু করার জন্য সরকারি ডুব টেস্ট করতে হয় এই ডুব টেস্টের সিরিয়াল বিআরটিএ থেকে দেওয়া হয় একটা সিরিয়াল দেওয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আর একটা দেওয়া হয় ফৌজদারহাট বি,আই, টি ,আই ডি হাসপাতাল বি আই টি আই ডি হাসপাতালে ডুব টেস দেওয়ার লোকদের ভিড় একটু কম থাকে তাই সবাই ওখানে সিরিয়াল নিতে চায় এইজন্য এক হাজার টাকা বিআরটিএ অফিসার কে দিয়ে সিরিয়াল নিতে হয় না হলে চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠায়
সরাসরি অফিসে বহুদিন ধরে ফাইল জমা দেওয়ার পরেও কাজ হয় নাই। পরে তাদের মধ্যে থেকে দালাল দিয়ে সে কাজটা অফার করে। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
বসিলা ৪০ ফিট পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট রেনিউ করতে গেলে সব কাগজ জমা দেওয়ার পরও জমা নেয়নি অতপর পাসপোর্ট অফিসের নিচেই কিছু ফটোকপির দোকান আছে সেখানে যোগাযোগ করতে বলা হলে যেখানে যোগাযোগ করার পর তাড়াতাড়ি দুইহাজার টাকা দাবি করে এবং তাদের দুইহাজার টাকা জমা দেওয়ার পর তারা সেম কাগজটাই নিয়ে জমা দেয় তখন আর কোন রুমে যেতে হয়নি সরাসরি ফিঙ্গারপিন্ট যেখানে নেওয়া হয় সেখানেই ডাকে এবং কাজ শেষ করে। আমার কথা হলো প্রথমে সমস্যা থাকলে সেম কাগজ আবার দালালরা জমা দিলে ঠিক হয় কিভাবে?? দালালদের কথা অনুযায়ী তাদের ১৫০০ টাকা নাকি বড় অফিসারদের দিতে হয়।
৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধনে কোন খরচ নেই, কিন্তু অফিস সহকারী ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী সচিবের সাথে যোগ সাজসে ১৫০ বা এর অতিরিক্ত টাকা নেয়
আমি জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট করে সৌদি আরবে এসেছি। আমার জন্মনিবন্ধনের সব তথ্য সঠিক ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারিভাবে তথ্য অনলাইনে তোলার সময় আমার জন্মতারিখ ভুলভাবে ৮ বছর পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। এই ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে ইউনিয়ন সচিবের কাছে গেলে তিনি বলেন, এটি ঠিক করা সম্ভব হবে না। পরে একই অফিস থেকে একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘটনা সেখানে নিয়মিত ঘটছে বলে মনে হচ্ছে। নতুন জন্মনিবন্ধন করতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ৩০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট চায়ের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতেও ৩,০০০–৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে
পরশুরাম উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর কিবরিয়া,জুনিয়র অডিটর সুব্রত ঘুষ ছাড়া কোন কাজই করেনা। যেকোন বপতন বিল,টিএডিএ ভাতা,এলপিসি সনদ পাশ করতে হলে ওনাদের ঘুষ দিতে হয়।যেটাকে ওনারা অফিসের ভাষায় বলে 'সমন্বয়' করা। আমার বিভিন্ন কাজে বারবার অনুরোধ করলেও ওনারা সমন্বয় না করে কোন ফাইল ছাড়ে না।
কুমিল্লার পাসপোর্ট অফিসে আমি নিজে করতে চেয়েছিলাম,সত্যায়িত করা সহ আমাকে ৪ বার ফেরত পাঠানো হয়েছিলো।শেষে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে ফটোকপির দোকানদারদেরকে ২ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা একটি ছোট স্টিকার লাগিয়ে দিয়েছে,আর কাগজ গুলা সিরিয়াল করে দিয়েছিলো।এগুলা পরে সিরিয়ালে জমা দেওয়াতে ইজিলি প্রাথমিক ভ্যারিফিকেশন হয়ে গেলো,আর স্টিকারটাও ওরা রেখে দিলো। তাছাড়া সিরিয়াল অনেক বড়ো থাকতো,যারা আনসারকে ৫০০ টাকা দিতো,তাদেরকে আগেই ঢুকার সুযোগ করে দিতো।পুরা পাসপোর্ট অফিস করাপ্টেড,বাহিরে যে চেক করে ঢুকায় সে,আনসার বাহিনী থেকে শুরু করে সবাই।ভিতরের লোকজন জানি না পার্মেন্টেজ পায় কি না,তবে আনসার সদস্য আর বাহিরের চেক কারী সম্পূর্ণ জড়িত। আমার নিজে নিজে পাসপোর্ট করা আর হলো না,এখনও মনে হয় আমি হেড়ে গেছি,হেড়ে গেছি দূর্নীতির কাছে।
আমার বাড়ি করার জন্য নিজেদের পৌতৃক ভিটাটির ইমিঊটেশন বা নামজারির দরকার পরে। তাই আমার বাবা টাংাইল বাসাইলের ভুমি অফিসে সরনাপন্য হন। ওখান থেকেই আমাদের অনলাইন আবেদন করে দেয়া হয় আর পর কিযেন একটা ভুল আসে। তারপর সেটা ঠিক করতে আ্যসিলেন্ট এর কাছে যেতে বলে।আব্বু ওখানেও যাই, অনেকদিন ঘুরপাক খাই কিন্তু কাজ হয়না। পরে ওই অফিসের এক কর্মকর্তা তার পিওনকে ১২০০০ টাকা দিতে বলে আর বলে যে কোন সমস্যাই হবে না। আমাদের বাড়ি বানানোর তাড়া থাকাই দিতে বাধ্য হই তখন।
আমি আমার গাড়ির নাম বদলির করার জন্য যাই সেখানে সব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরে আমাকে স্লিপ দিবে কিন্তু দেয়না কিচ্ছুক্ষণ পর বলে কালকে নিতে আমি তো চিন্তায় পড়ে যাই সাথে সাথে আমি যার মাধ্যমে কাজ করেছি আলরেডি ঘুষের বিষয় যা দেয়া লাগে তাকে দিয়ে আসছি ।আমি তারে ফোন দেই যে এরকম বলছে স্লিপ দিবে না। উনি বললেন জিজ্ঞাসা করেন কেন দিবে না । আমি তাই করলা তখন বি আর টি এ এর পরিচালক হারুন রশীদ এর পিস বলে খরচ পাতি কে দিবে আমি বললাম এইটা দিয়ে আসছি বাহিরে সে বললে কল দিতে শেষমেষ দেখলাম ক্যাচাল করলে সময় চলে যাবে অফ করে দিবে। পরে আমি ৫ হাজার দিয়ে আসি এবং সাথে সাথে স্লিপ দিয়ে দেয়।