জমি খারিজ করা
আমার নিজের বাপের জমি আমার নামে খারিজ করতে ২৫০০০ টাকা নিছে শুয়োরের বাচ্চারা । এতিমের টাকা মারা সবগুলারে আল্লাহ দুনিয়াতেই জাহান্নাম দিক
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার নিজের বাপের জমি আমার নামে খারিজ করতে ২৫০০০ টাকা নিছে শুয়োরের বাচ্চারা । এতিমের টাকা মারা সবগুলারে আল্লাহ দুনিয়াতেই জাহান্নাম দিক
আমি কিছুদিন আগে আমার খালাকে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করাই, ডাক্তার বেশ কিছু টেষ্ট করার পরামর্শ দেয় সেই নিমিত্তে হুইল চেয়ারে করে নিচ তালায় নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পরে। কিন্তু সেখানে নিযুক্ত পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ২৫০ টাকা ব্যতীত হুইলচেয়ার দিতে অসম্মতি জানায়। নিরুপায় হয়ে ২৫০/- টাকা দিতে বাধ্য হই।
বগুড়া শহরের ফাঁপোড় ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাবার সম্পত্তি খারিজ করবার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে ঘুরতে ২ জোড়া স্যান্ডেল ক্ষয় করে পরবর্তীতে একজন সহকারী সাইডে ডেকে নিয়ে বললেন, এতো ঘুরতে হবে কেন, মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিলে দ্রুতই আপনার কাজ হয়ে যাবে। কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিবার সিদ্ধান্ত নিই। বেচারা সহকারী অজু করে এসে বলে,তারাতারি খরচা টা দেন নামাজের সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আর আমরা ধার্মিক সহকারী কে ৫.৬৬ শতক জমির খারিজের জন্য ১০০০০(দেশ হাজার টাকা) বুঝিয়া দিয়া রাগে লজ্জায় মাথা নতুন হইয়া চলিয়া আসি।কারণে আমি অন্যায়ের কাছে কখনও মাথা নতুন করি না। বছরটি ছিলো ২০১৮ সাল।
গত বছর জরুরি পাসপোর্ট করতে মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজ ঠিক ছিল, শুধু স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা আলাদা হওয়ায় নাগরিক সনদ নিয়ে সমস্যা হলো। সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে সবশেষে ছবি তুলতে গেলে কর্মচারী স্থায়ী ঠিকানার সনদ চাইলেন। অথচ আমার আগের একজনের একই কাগজ না থাকলেও তার কোনো সমস্যা হয়নি। পরে জানতে পারলাম, সে দালালের মাধ্যমে কাজ করেছিল। বাধ্য হয়ে আমিও ২,৫০০ টাকা দিয়ে দালালের সাহায্য নিলাম। পরদিন কোনো লাইন ছাড়াই সরাসরি ছবি তুলতে গেলাম—একই কাগজপত্র দেখে সেই কর্মচারী এবার আর কিছুই বললেন না! ছবি তোলার পর হাসতে হাসতে শুধু জিজ্ঞেস করলাম, “কাল তো বলেছিলেন হবে না, আজ কীভাবে হয়ে গেল?” .
Even though all process and documentation was followed, SMS received passport printing done —- but not completed for more than a year , so then — by his magic completed and got passport in 3 day
সাধারণ জন্মনিবন্ধ করার জন্যে ৭০০৳ দাবি করে বসে। যদি না দিই তাহলে কার্ড হবে না। কার্ড ইমারজেন্সি ছিলো তাই চেয়ারম্যানের অফিসে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন নিতে হয়েছিলো।
1000 chara dewa jabe na. So u have to pay for it
BDS জরিপে নাম উঠানো নিয়ে, দাগ নাম্বার নিয়ে ঝামেলা করে, টাকা দাবী করে।
আমাকে বলছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে। অতিরিক্ত ইনকাম দেখিয়ে ইনকাম ট্যাক্স বাড়িয়ে দিবে। আমি নিরুপায় তাই টাকা দিতে বাধ্য।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দিয়েছিলাম, আমার অনেক ফ্রেন্ড বলেছিল দালাল দিয়ে না করালে জীবনেও হবে না, বা হলেও অনেক টাইম লাগবে আমার হাতে ২ মাস সময় ছিল। নিরুপায় হয়ে ঘুষ দিয়েছিলাম।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এ যত ধরনের রক্ত পরিক্ষা হয় ২৩৪ নাম্বার রুমে, সব গুলা পরিক্ষার জন্য সবার থেকে মোটের উপর ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। প্রতিদিন নিচ্ছে, সব সময় নিচ্ছে, সবার থেকে নিচ্ছে। জরুরী বিভাগে রোগি নিয়ে গেলে সেখান থেকে Stretcher করে নিয়ে যাওয়ার জন্য ও ১০০০ টাকা দাবী করে পরে ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। প্রতিদিন নিচ্ছে, সব সময় নিচ্ছে, সবার থেকে নিচ্ছে।
একটি বেসরকারি ব্যাংকের অস্ত্রের গুলি কেনার অনুমতি প্রদানের জন্য অফিস সহকারী লোকমান ৬/৭ দিন আমাকে ঘুরাচ্ছেন নানান অজুহাত দেখিয়ে।এক পর্যায়ে আমি বলি আপনি অনেক কষ্ট করছেন চা পান খাওয়ার জন্য কিছু বকশিস দিব তারপর ওনি বলেন আগামীকাল সকালে নিয়েন অনুমতি পত্র।আমি পরের দিন অনুমতি পত্র নিয়ে আসি এবং ওনাকে ৩০০ টাকা প্রদান করি।
আমি একটা কন্টাক্টি কাজ এর জন্য একটা ফরম পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে নেই যা খরচ ৭০০টাকার মত,কিন্তু আমার দিতে হয় বিভিন্ন ভাবে ১হাজার টাকার মত।প্রতিটা স্টেপ এ তারা টাকা ছাড়া কাজ করে না,,,,টাকা না দিলে আটকায় রেখে দিবে।
নানা তাল-বাহানা করছে ট্রেড লাইসেন্স করতে যেয়ে,,শেষ এ একজন বললো ঘুস না দিলে করবে না,তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।কারণ আমার ইমারজেন্সি প্রয়োজন ছিলো।
First name: Md xxxxxx and last name: xxxxx হবে। কিন্তু আবেদনের সময় ভুল সব লাস্ট নেমে চল যায় ফাস্ট নেম ফাকা থাকে। জমা দিতে গেলে শুরুতে আইডি কার্ডের সার্ভার কপির জন্যো আবেদন নেইনা। পরে বাইরব্র দোকান থেকে ১৫০ টাকা দিয়ে কপি এনে দিলে এবাএ বলে নামে সমস্যা জমা হবেনা। অথচ এইটা সহকারী পরিচালক ঠিক করে দিতে পারে। কাউন্টারের ব্যাক্তি বলে এইটা হবেনা আপনি আবেদন বাতিল করে আবার নতুন করে আবেদন নিয়ে আসেন। এরপর বাইরে কম্পিউটারের দোকানে গেলে বলে আবেদন বাতিল হতে ৩ কর্মদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কিন্তু পরেরদিনই আমার ঢাকা ফেরত আসতে হবে। তখন দোকানদার বলে সমস্যা নাই ১৫০০ টাকা দেন লাইন করে দিচ্ছি। এরপর টাকা দিলে উনি আমাকে নিয়ে ভিতরে যেয়ে ওই ব্যাক্তির থেকে সিল মেরে পরিচালক এর রুমে পাঠায়। এরপর পরিচালক সমস্যার সমাধান
বয়স কমিয়ে দেওয়া, ডেটও মিলে না, তাই বয়স আসলটা দিতে (বৃদ্ধি) করতে চেয়ে আইনের মার প্যাচে প্রায় ২০০০০ টাকার মতো খরচ করে শেষে একটা ডকুমেন্ট যা দেওয়া অসম্ভব তা দিতে না পারায় কাজও হয় নি । ঘুষের ১৩০০০ আর অন্যান্য কাগজ পত্র করতে ঘুষসহ আরও খরচ করেছি বাকিটা
Ghotonati younus sorkarer somoy passport korte gesi tara nana rokom documents chay r vul dekhay r bahire computer er dokan ache okhane gele tara choto kore akta number likhe abr akta nirdishto jaygay tik mark dey er por niye gele tara kono kagoj pati dekhe na oidin e finger niye documents submit kore. Dekhe kharap lagsilo 70+ boyosh er ek uncle re tara saradin ghuriyese but taka deyni dekhe finger ney ni sathe aro bolese kisu documents niye ashen. Ami dhaka theke nije kore niye gesilam jantam na bishoy ta amr documents jokhn ferot dilo tokhn ak vai amy deke bolese computer er dokane jan r bistarito bollo
গতকাল আমি চাঁদপুর কারাগারে যাই আমার কাছের ছোট ভাই কে সেফ কাষ্টাডি তে রাখা হয়েছে তার সাথে দেখা করার জন্য... যখন দেখা করতে যাই টোকেন দেয়ার জন্য টাকা চায় বলে এটা টোকেন ফি.. যেটা আমি জানতাম নাহ যে টোকেনের কোনো টাকা নেই.. পরে মোবাইল জমা রাখে আবার মোবাইল ফেরত নেয়ার সময় বলে মোবাইল রাখার টাকা দিন পরে আবার ৫০ টাকা নেয়... পরে বাহিরে এসে জানতে পারি আসামির সাথে দেখা করার জন্য কোনো প্রকার টাকা নেয়া হয়না..., চাঁদপুর বাবুরহাট কারাগার এর গেট এর কারারক্ষী।
১৫০০ টাকা দিতে হয়।তারা টার্গেট করে বিশেষ করে যারা একটু অশিক্ষিত তাদেরকে বা যারা কম বোঝে।এমনি একটা ভুল ধরে বলে যে এইটা ঠিক করতে হবে।এইটা নিয়ে আসলে আরেকটা ভুল ধরে।মানে ১৫০০ টাকা নিবেই।এবং দুপুর দুইটর পরে তারা এই কাজ গুলো করে থাকে যখন সবাই চলে যায়।এবং পাসপোর্ট অফিসের দিজি নিজেই জড়িত এইটার সাথে। উনি উপরে বসে থেকে এগুলো করায় এবং একটা মহিলা এগুলো সাহায্য করে।
নামজারি করতে ভূমি অফিস কর্মকতা গ্রাহককে নানা ভূল এটা ওটা ভয় দেখিয়ে অফিসের বাহিরে আড়ালে নিয়ে টাকা নেয়।সাধারন মানুষ ভয় পেয়ে ও দরকারি তাই টাকা দেশ বাধ্য হয়ে।