টাংগাইল
ভূমি খারিজ করার জন্য নিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভূমি খারিজ করার জন্য নিয়েছে
আমি আর আমার ওয়াইফ দেশের বাইরে আসার সময় ( ডিসেম্বর, ২০২৫ সাল) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেয়ার জন্যে সিতাকুন্ড থানায় ( আমার নিজ থানা) বসে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি। সে আমার কাছ থেকে ২০০০ দাবি করেছিল থান্য বসে। এসব নাকি তার আর উপরের লেভেল এর জন্যে চা নাস্তার খরচ। সে নাকি এক এটা নিবেনা। আর ও অনেকজন কে দিতে হবে।
আমি পাসপোর্ট করতে যাই। সকল কাজ সম্পন্ন করি।ষ এবং বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করি। রাতে বাসায় এসে দেখি পাসপোর্ট স্ট্যাটাস Local Rework হয়ে আছে মানে এপ্লিকেশন ফেরত এসেছে। গিয়ে জানতে পারি আমার এনআইডি ভেরিফাইড কপিতে পাসপোর্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা সিল সাইন না দেওয়াতে এপ্লিকেশন ফেরত এসেছে। কত বড় অব্যবস্থাপনা আর অপেশাদার ব্যবহার!! এখন মূল কাহিনী শুরু। এনআইডি ভেরিফাইড কপিতে পরিচালকের সাইন প্রয়োজন ছিলো, কিন্তু তিনি সাইন দিবেন না। হেন তেন বুঝায়, পরিচালক পাঠায় নিচতলায় আবার নিচতলা থেকে পাঠায় পরিচালকের কাছে। পরে বিরক্ত হয়ে পাসপোর্ট অফিসের পাশের দোকানের এক দালালকে ২০০০ টাকা বিকাশ করি। সেই দালাল সাইন করিয়ে নিয়ে আসে। আমার সকল ডকুমেন্ট সঠিক ছিলো শুধু সাইন তারা দিবে না।
আমি প্রবাসী দেশে এসে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড নিতে আসলাম তারা বললো ৪৫০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে, এটা নাকি সরকার নির্ধারিত করেছে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি করার জন্য ঘস দাবি করা হয় এবং আমি সেটা পরিশোধ করি।
“আমি তল্লাশি দেওয়ার জন্য আবেদন/অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু আমার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।”
অস্বাভাবিক বিদ্যুত বিল আসার কারণে অফিসে যোগাযোগ করলে মিটার পাল্টে দেওয়ার কথা বলে বার বার টাকা নেয়,কিন্তু মিটার পাল্টে দেয় না। এদিকে বিদ্যুত বিলের কাগজে অস্বাভাবিক বিদ্যুত বিল এসেই চলছে।
নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ে। ইউনিয়ন, উপজেলা অফিস, স্থানীয় পাতি নেতা সব মিলিয়ে ২০,০০০ টাকা।
নাম্বার প্লেট গাড়িতে লাগানোর জন্যই তারা মূলত ডাকছে। অথচ তারা নাম্বার প্লেট লাগানোর জন্য ১০০ টাকা দাবি করতেছে।
আমি আমার দোকানের ৪৫ সেন্ট জায়গার খারিজ করার জন্য আবেদন করি,পরবর্তীতে আমাকে অনেক হয়রানি করে উপজেলা একদিন পর পর নিয়ে এই সমস্যা সেই সমস্যা। পরে আমি নিরুপায় হয়ে তাদের নাস্তার টাকা দিতে হয়েছে।
হটাৎ আমাদের কিছু পুরাতন দলিল বাসায় খুঁজে না পেলে সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে গেলে সেখানকার রেকর্ড কিপার সুনির্দিষ্ট দলিলগুলোর সঠিক তথ্য আমাদের কাছে থাকার পরও আমার কাছে মোট চারটি দলিলের বিপরীতে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। যা আমি পরবর্তীতে পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স ফি ছিলো ৫০০ টাকা। বিভিন্ন বিষয় এবং দ্রুত সময়ে করার জন্য দাবি করেছিল ৩৫ হাজার টাকা এককালীন। পনেরো বিশ হাজার টাকা মত দেওয়া হয়েছিল। অন্যগুলো এখন ডিও আছে ।
অনলাইনে নামজারি আবেদনের পর কাগজপত্র, দলিল সহ অন্যান্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দিতে হয়। সেখানে নির্দিষ্ট অর্থ না দিলে সেটি এসিল্যান্ড অফিসে যায় না বা সার্ভারে পাওয়া যাচ্ছে না অথবা বিভিন্ন অজুহাতে ক্যান্সেল করা হয়। খাজনা দিতে হলে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে তারা উল্টাপাল্টা অর্থ দাবি বা হয়রানি করে। নামজারি হয়ে গেলে হোল্ডিং খুলতেও এক হাজার টাকা নেয়া হয়।
আমি নিজে করলে ১ -২মাস ঘোরা লাগবে
নামজারির শুনাননি ছিল
কোর্ট থেকে একটা জমির মামলার তদন্ত আসলে রিপোর্ট দিবে বলে তিরিশ হাজার টাকা লাগে
এডি স্যারের সাথে সাক্ষাৎ ও আবেদন পত্র অনুমোদিত করতে রুমে যাওয়ার জন্য দরজায় থাকা আনসার সদস্য টাকা ছাড়া কোন ভাবেই স্যারের সাথে সাক্ষাৎ করতে দিল না। বিপদে পড়ে টাকা দিয়ে ঢুকতে হয়েছে । কম বেশি সবার থেকে ওপেনে টাকা নিয়ে স্যারের সাথে সাক্ষাৎ ও ফাইল নেয়া দেয়া ও বিশেষ সুবিধা দেয়।
আমি নিজে কম্পিউটারের দোকান থেকে এপ্পলাই করে গিয়েছি।আফতাব নগর পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর বলল আপনার পাসপোর্ট এখানে হবে না ময়মনসিংহ যেতে হবে। আমি বললাম তবে আমার টাকা ফেরত দেন আমি পাসপোর্ট করবব না। তারপর মন খারাপ করে বের হলাম হতাশ হয়ে, বের হয়ে দরবেশ (দালাল) এর মাথে দেখা হলো!বলল টাকা ছাড়া পাসপোর্ট হয় না। ২,০০০ টাকা চাওয়া হলো আমি দিলাম এবং আমার কাগজপত্র গুলোতে ২ টা পিন মেরে দিল এবং বলল সরকারি লাইনে যান হয়ে যাবে। সরকারি লাইনে যাওয়ার পর কোনো প্রশ্ন নেই কোনো কইফত নেই, একদম উপর পর্ন্তত রাস্তা ক্লিয়ার।
সরকারি নির্ধারিত ফি পরিশোধ করারা পর ও সেবা নিতে ওয়ার্ড বয় ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে বাধ্য করে।
বিদেশ যাবার আগে ৩দিনের BMET ট্রেনিং শেষে ফিংগার দেয়া লাগে। যা সম্পূর্নরুপে চার্জমুক্ত। কিন্তু আমার স্থায়ী ঠিকানা অন্য জেলায় তাই ১৫০০টাকা না দিলে ফিংগার দিতে নিজ জেলায় যেতে হবে বলে জানায়। চাকরি রেখে যাওয়ার সুযোগ ছিলনা তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।