জমি নামজারি
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে অফিস থেকে নানান হয়রানি। এটা নাই ওটা নাই, এটা আনেন ওটা আনেন। যখন সব আনা হইছে তখন কিছু না বলেই ফর্ম ফেরত দিয়ে দেয়। বলে নাগরিক সার্টিফিকেট লাগবে। এখন ঐটা কই পাই। দালাল কে মোট ৮ হাজার টাকা দিলাম। ফর্মে একটা ছোট ফোটা দিল। বলল নিয়ে যান। নিয়ে গেলাম। জমা ছবি তোলা সব চোখের পলকে হয়ে গেল।
আমার বার্থ সার্টিফিকেটে মায়ের নামের বানান ভুল ছিল । বিদেশ যাব দেখে নাম সংশোধন করার দরকার ছিল। প্রথমে ৫০ টাকা খরচ করে এই কাজের জন্য দরকারি কাগজ পত্র জমা দেই । আজ আসেন, কাল আসেন বলে ১ মাস ঘুরায়, তারপর বলে আবার এপ্লাই করেন । ধৈর্য নিয়ে আবার ৫০ টাকা খরচ করি , সেইম আগের মত ঘুরায় । এবার ঘুরলাম ২ মাস । ৩য় বার এপ্লাই করতে যখন গেলাম তখন পিয়ন ডাক দিয়ে বলল ভাই আপনাকে ২ / ৩ মাস ধরে দেখি প্রতি সপ্তাহেই আসেন, এইভাবে ৩ বছর ঘুরলেও কাজ হবেনা । তাহলে কি করলে কাজ হবে? আমি জিজ্ঞেস করলাম । বলল স্যার রা আগের মত ঘুষ খান না, মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১৫০০ টাকা দিয়েন, কালকে সন্ধায় এসে সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন। বাধ্য হয়ে পরে ১৫০০ টাকা দেই এবং যেমন কথা তেমন কাজ । পরেরদিনই পেয়ে যাই সঠিক নাম সহ বার্থ সার্টিফিকেটক, মাত্র ১৪ ঘটায়
চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করার জন্য খুলশী থানায় জিডি করি, থানা থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা উদ্ধারের জন্য ৩০০০ টাকা খরচ দিতে হবে বলে জানান,এবং এই খরচ দিতে রাজী থাকলে ফোন উদ্ধার হবে এই শর্তে ফোন উদ্ধার করে দেন, আমি মোবাইল পেয়ে ৩০০০ টাকা পরিশোধ করি
নোয়াখালী চাটখিলের উপজেলা অফিসে নতুন এনআইডি কার্ডের আবেদন করতে গেছে আমার একজন রিলেটিভ, অফিসের লোকজন কোনো পাত্তাই দেয় না৷ একবার বলে এই সমস্যা আর একবার বলে ওই সমস্যা। একবার বলে ওনার দাদার আইডি কার্ড লাগবে পরে আবার বলে দাদার আমলের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ লাগবে। মানে বাড়ি থেকে অফিসের দূরত্ব ১০ কিলো প্রায় ৫ বার বাড়িতে আপ-ডাউন করা লাগছে। কিন্তু একবারে বলে না কি কি ডকুমেন্টস লাগবে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকার কম্পিউটার দোকান থেকে সব রেডি করে আনতে হবে। যাইহোক সবশেষে ইনিয়ে বিনিয়ে বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। আচ্ছা এইবার আমার ওই রিলেটিভ ৫০০০ টাকা দিলো তারপর ৩০ মিনিটের মধ্যে সব কাজ কমপ্লিট। অথচ সকাল থেকে তাদেরকে সব ধরনের হেনস্তা করা শেষ। অথচ আমাদের ট্যাক্সের টাকায় তাদেরকে বেতন দেওয়া হয় আমাদের সেবা দেওয়ার জন্য।
সাভার সরকারী কলেজের (আরও অনেক কলেজেই) সকল বিভাগে, ইনকোর্স পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত নাম্বার কম দিয়ে শিক্ষকরা প্রায় সকল শিক্ষার্থীদের কাছে জরিমানা দাবি করে, এবং জরিমানা না দিলে রেজিস্ট্রেশন করতে না দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ খাতা দেখতে চাইলে, শিক্ষকরা খাতা দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়। গড়ে প্রতি শিক্ষার্থীর থেকে ১০০০ টাকা করে (প্রতি বিষয়ে ২০০ টাকা করে) নেয়া হয়। উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এরূপ কোনও নিয়ম নেই। এটা একান্তই কলেজ থেকে বেআইনি ভাবে নেয়া হয়।
সাধারণ মানুষ জানেও না এজি অফিস বা জেলা আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কি হয়। এজি অফিস হচ্ছে সেই সরকারী অফিস যেটা অন্য সকল সরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থেকে ঘুষ খায়। জয়েনিং এর পর বেতন চালু করতে, টিএ/ডিএ বিল তুলতে, অগ্রিম বর্ধিত বেতন এর এরিয়ার টাকা তুলতে এছাড়া আরো অসংখ্য কাজে এই অফিসের ধারস্থ হতে হয়। এরা ফাইল না ছাড়লে আপনি যত বড় কর্মকর্তাই হন, টাকা পাবেন না। এরা হলো ঘুষখোরদের ঘুষখোর, কিন্তু সাধারণ মানুষ এদের সাথে সম্পৃক্ত না হওয়ার দেশে যত বড় বিপ্লবই হোক না কেন এরা সোজা হবে না। আমাদের মতো যারা ছোটখাটো কর্মচারী-কর্মকর্তা আছি তারা সবসময় এদের হাতে জিম্মি। আমাকে জয়েনিং এর বেশ কয়েকমাস পরে গিয়েও বেতন চালু করতে ৫০০০ টাকার বেশি দিতে হয়েছে ওদের। এরপর "অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট" এর বিল পেতে আরো ৩০০০।
নরসিংদী সরকারি কলেজে যে লোক ভর্তির কাগজপত্র জমা নেয় উনি সবার কাছে থেকে বই দেয়ার সময় 100 করে টাকা নিয়েছে। অথচ এই বই ফ্রিতেই দেয়।
আমার বাডি chittagong কিন্ত আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা হওয়াতে আমি ঢাকা ( উত্তরা ) জমা দিতে গেলে তারা আমকে এইকাহ্নে হবে না বাদ দিয়ে দে । পরে ১৫০০ টাকা দেওয়াতে তা গ্রহণ করে এবং জমা নে ।
সরকারিভাবে যে নাগরিক সনদ ফ্রি হওয়ার কথা, সেটা করতে গাড়ি ভাড়ার নামে ৫০০ টাকা নিয়েছে। এমাউন্টটা কম হলেও, যেহেতু আমি স্টুডেন্ট, এই টাকাটাও আমার জন্য অনেক।
বলা হয়েছিল এটা বেশ জটিল সমস্যা, যদিও তা নয় । তারপর নিম্নপদোস্থ কর্মকর্তা বাইরে গিয়ে জানান টাকার পরিমাণ বাড়ালে বিষয়টি তিনি বড় স্যারকে অনুরোধ করবেন ।
পুলিশ ভেরিফিকেশনে গেলে। আমার থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে। যাতায়াত খরচ। যেখানে আমি এই সব already Online pay korsi.
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম। নানান ধরনের জটিলতা দেখা যাওয়াতে দালাল করে ১২ হাজার টাকা দিলাম। আর যেতে হয়নি। দালাল সব করে হোয়াটস এপে ই-লাইসেন্স দিয়ে দিয়েছে।
ভূমি নামজারি করতে ১১০০ টাকা সরকারি চার্জ অথচ কালিকাপুর, মাদারীপুর সদর, মাদারীপুর ভূমি অফিস-এ থাকা সরকারি কর্মকর্তা আমার থেকে ৬০০০ টাকা নিয়েছে ১.২৫ শতাংশ জমির নাম জারি করতে.
সেবাটি ছিল জেলা স্বাস্থ্য অফিস। চাকরির পরীক্ষার জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। সে সার্টিফিকেটের জন্য সরকারিভাবে ১০০ টাকা ফি জমা দিতে হয় , সাটিফিকেট তৈরি হলে শেষ মুহূর্তে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করেন,দিতেই হবে এইটা বলেন।
পটিয়া পৌরসভা অফিসে দুটো প্রত্যয়ন পত্র বানাতে দিয়েছিলাম যেগুলো সরকারি ফি প্রায় 16 টাকা প্রতিটা প্রত্যয়ন পত্রের। কিন্তু অপারেটরকে ১০০ টাকা করে দিতে হয়।
সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্তর এ Elevated Expressway তৈরি করতে Building Acquire করার সময় LA এর লোকজন ঘুষ নিয়ে compensation বাড়াচ্ছিল।আবার,ভুয়া মামলায় আটকে যাওয়ায় compensation টা পাইতে আরে ঘুষ দেওয়া লাগছিল।
Land registration for purchase
C-Section এ ঢুকানোর ৩০ মিনিট আগে একটা ছোট্ট কাগজ আসে এবং বলে দেয় হাসপাতাল এর বাইরে একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে মেডিসিন গুলো আনতে হবে । না আনলেও ৪০০০ দিলেই হবে । আমি মেডিসিন এনে দেই । কিন্তু ওরা যেই প্যেকেট দিয়েছিল আমি চেঞ্জ করে দেই । ২ ঘন্টা পর আমার মাথা ব্যাথার মেডিসিন এর জন্য গিয়ে দেখি আমার সেই প্যাকেট ।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাঘাইছড়ি উপজেলা বিভিন্ন নিম্ন ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটি অনুমোদন, পাঠদান অনুমতি, স্বীকৃতি নবায়ন করতে হয়। এটার কাজ করার জন্য বেয়াইনী ভাবে বোর্ডের এক কর্মকর্তা (বাঘাইছড়ি এরিয়ায় দায়িত্ব প্রাপ্ত) ২০০০- ১৫০০ টাকা বা তারও বেশি টাকা গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও হেসেল না নিতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।