মালিকানা পরিবর্তন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

একটা সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কিনেছিলাম যার ৩য় মালিক ছিলাম।২য় মালিক একটি কোম্পানির থেকে বাইকটি কিনেছিলো।আমি মালিকানা পরিবর্তন করতে গিয়ে দেখি যে ২য় মালিকের নামে বাইকটি সার্ভারে আপডেট হয়নি।খোজ নিলে বলে এই কাগজ নাই সেই কাগজ নাই এভাবে করে ৬ মাসেরও অধিক সময় পার করে।এর মাঝে বাইক নিয়ে সার্জেন্টের সামনে পড়ে যাওয়ায় কাগজ আমার বা ২য় মালিকের নামে না দেখাতে পারায় বলা হয় বাইক ডাম্পিং এ যাবে অথবা ৫ হাজার টাকা লাগবে।শেষে ২.৫ হাজারে ম্যানেজ করা লেগেছে।ডাটা আপডেট এর ব্যাপারে দালালদের জিজ্ঞেস করলে ৩-৬ হাজার টাকা দাবি করে।পরবর্তীতে দালাল না ধরলেও ডাটা এন্ট্রি করে এমন লোককে ১৫০০ টাকা দেয়ার পরে কাজ হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য মালিকানা পরিবর্তন
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য