পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
থানায় বলল যে এখন হচ্ছে আপনার জামাতের এমপি হয়েছে এখন তার ঘুষ নিতে পারবো না হাদিয়া দেন টাকা ছাড়া কাজই করল না পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিতে হলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
থানায় বলল যে এখন হচ্ছে আপনার জামাতের এমপি হয়েছে এখন তার ঘুষ নিতে পারবো না হাদিয়া দেন টাকা ছাড়া কাজই করল না পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিতে হলো
মাতৃত্বকালীন ভাতার কাড করতে নিয়েছে । হয়েছে কি না তা টাকা আসলে জানা যাবে।
দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নবনিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশাসনিক কার্যক্রম, যেমন Pay Fixation, Biometric নিবন্ধন, Face Punch সক্রিয়করণ এবং Government Data Update-এর মতো সেবা প্রদানকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব সরকারি কাজ সম্পন্ন করার জন্য কোথাও কোথাও ৫০০ টাকা, ২,০০০ টাকা বা ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থ দাবি করা হয়। এছাড়া অর্থ প্রদান না করলে কাজ বিলম্বিত করা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা সৃষ্টি করা বা হয়রানির অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। যদি এসব অভিযোগের সত্যতা থাকে, তবে তা সরকারি সেবার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।
Police Super office Coxs Bazar, i came to this place for police clearance, Passport purpose. The duty officer asked me 1500tk to sign the papers of clearance. I have given 1000tk after negotiation. Ask anyone from coxs bazar who have gone through police super office for clearance.
আমি প্রতিবারের মতোই ভ্যাট আফিসে গিয়ে আমার দোকানের ভ্যাট জমা দেই ভ্যাট অফিসে গিয়ে,কিন্তু তারা ভ্যাট বাড়ানোর জন্য বলেছেন আমি বারিয়েছি এরপরেও ভ্যাট দেওয়ার পরে আমার কাছে তাদের খরচের টাকার কথা বলে ৫০০টাকা চান এবং আমাকে দিতে হয়,নাহলে উনারা যেকোনো উপায়ে জরিমানা লাগিয়ে দিতে পারেন যেটা পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক
জমি খারিজ করতে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না, কাগজ পত্র যতো ঠিক থাকুক, তারা প্রবলেম বের করবেই বা তা না হলে টালবাহানা করবে। ঘুষ থেকে মুক্তির উপায় নেই কি? বাংলায় কথা বলে ঘুষ খাওয়ার সুযোগ আছে কিন্তু ঘুষ খায় না এমন লোক পেলে সালাম দিতাম।
প্রথমে বলল আমার এনআইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ তারপরে বৌয়ের নামের ভুল ধরল আমি বললাম যা যা করার একবারে বলেন আমি করে নিয়ে আসি তারা বলল তা হবে না কিন্তু টাকা দিলে সব সম্ভব টাকা দেওয়ার পরে আমার আর একটু দেরী হয়নি কাজ হয়ে গেল
আমি নাম জারি জন্য অনলাইনে আবেদন করি তা বাতিল করে দেয় পরে আমি দালাল দিয়ে করি ৬০০০/- টাকা হয়ে যায়
“বাহিরে আবেদন করার পর যখন ভেতরে গেলাম টাকাত জমা দেওয়ার শেষে তখন তারা বলল এইটা দিয়ে হবে না কারণ আমার মায়ের নামে একটু সমস্যা বাইরে কম্পিউটার দোকানে 1500 টাকা দেয়ার পর না দেখেই সব ওকে”
টাংগাইল পৌরসভায় জন্ম সনদ /মৃত্যু সনদ সংশোধন করতে গেলে বিনা কারণে হয়রানি করা হয়।অজথা অনলাইনের আবেদন গুলো ভুল ধরে সেগুলোকে পেন্ডিং করে রাখে। দায়িত্বশীল সেনেটারী ইন্সপেক্টর — আমার কাছে থেকে ৫০০৳ ঘুষ নেয়, পরবর্তীতে অফিস টাইমের বাহিরে ফোন করে আরো টাকা ধার হিসেবে দাবী করে, আমি দিতে অস্বীকার করি, এতে সে আরো কয়েকদিন ঘুরিয়ে পেচিয়ে তারপর আমায় সনদ গুলো দেয়। টাংগাইল পৌরসভার সবগুলো কর্মচারী দূর্নীতিবাজ, টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না সেখানে।
ঘুষ ছাড়া পাসপোর্ট নবায়ন করবে না, বিভিন্ন রকমের ভুল ইত্যাদি ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে পাসপোর্ট নবায়ন বাতিল করেছে, পরবর্তীতে ঘুষ দিয়ে করতে পেরেছি
খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা থানার মংলা ফেরিঘাট পার হওয়ার পর কিছু লোক পৌরসভার নাম করে চান্দা উঠায়। আসলে এরকম আমি আগে কখনো দেখিনি তাই আমার কাছে মনে হয়েছে এটা অবৈধ। আমার কাছে তার একটি স্লিপ আছে। স্লিপ আপলোড করার অপশন পেলাম না।
৩টি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০০/- ঘুষ চাওয়া হইছে।
আমার পণ্যটি ছিল ১০৯০ ডলারের। কিন্তু অফিসার আমার উপর জুলুম করে ১৫৯০ ডলারের অ্যাসেসমেন্ট করতে চেয়েছিল। ৩২৫০০০টাকা ঘুষ খেয়ে, ১১৪০$ এসেসমেন্ট করেছে।
আমি একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী। আমার ভোটার আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট গরমিল রয়েছে। পাসপোর্ট অনুযায়ী ভোটার আইডি কার্ড করতে হবে। আমি আবেদন করেছি। কিন্তু আবেদন বাতিল হয়ে গেছে। উপযুক্ত ডকুমেন্ট গিয়েছিলাম। মানিকগঞ্জ নির্বাচন কমিশন অফিসের একজন ড্রাইভারকে ১৩ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে থাকি। কিন্তু ঘুষ নেওয়ার পরে সে কোন কাজ করেনি
ঘুষ দিয়া ছাড়া, সেবা নিতে যেয়ে বিভিন্ন রকমের করার কারণ দেখিয়ে, আমার গাড়ির লাইসেন্স নবায়ন, তিনবার বাতিল করে দেয়, পরে দালালকে ঘুষ দিয়ে, একবারেই করতে পেরেছি
জন্ম নিবন্ধন করতে সরকারি চার্জ ৫০ টাকা । কিন্তু আমি ২টা নিবন্ধন এর বাবদ ৪০০ টাকা দিয়েছি । এটা সাভার উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ
pcc.police.gov.bd এর মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি। এরপর পুলিশ ফোন দিয়ে অনেক কাগজ চায়। পরে অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে, খরচ পাতি আছে বলে টাকা চায়। বিদেশ যাবার জন্য প্রয়োজন, তাই দিতে বাধ্য হই।
এখানের ঘুষ প্রদান না করলে ১০০ জনে ৯৯ জনের ড্রাইভিং লাইসেন্স কমপ্লিট হয় না। আর ঘুষ প্রদান করলে কোন পরীক্ষা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা নাই।
দিনাজপুর বিআরটিএ অফিসে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী আছে যারা টাকার বিনিময় ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার রেজাল্ট ও মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা বিশেষ সুবিধা প্রদান করছে। যার অর্থ 7000 থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত চলে যাচ্ছে। এবং এই অর্থ প্রদান না করলে আপনাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি এবং বাহানা করে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করছে না।