সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১২,৪৫৫ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳১০.০ হাজার

অগ্রিম বর্ধিত বেতন ফাইল অনুমোদন

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তথা জেলা স্কুলের: বিদ্যালয় থেকে ফাইল যাবার পরে উপ পরিচালকের কার্যালয়ের( মাধ্যমিক পর্যায়ের)ঘুষ দিতে হয় ১ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এরপরে মহাপরিচালকের (মাউশি'র) কার্যালয় দুই থেকে তিন হাজার। ফাইল অনুমোদন পাওয়ার পরে হিসাবরক্ষণ অফিসে বকেয়া বেতনের জন্য ৩% হারে । গড়ে প্রত্যেকের পাস থেকে ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এই দপ্তরে বদলির ফাইল অনুমোদনের জন্য ১ থেকে ৫-৬ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।

শহর, ঢাকা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৩.৫০ লাখ

জায়গার রেজিস্ট্রেশন

রেজিস্ট্রেশন এর সময় বিভিন্ন ভুলের অজুহাতে আমাদের হয়রানি করছিল। আমাদের জমির মূল্য ছিল ১,২৩,০০০০০ টাকা। পরে এক দালাল এসে বললো এখানে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। আমরা চাকরিজীবী একটা গ্ৰূপ এটা কিনেছি। বারবার অফিস থেকে ছুটি নেওয়া অসম্ভব, তাই ঘূষ দিতে বাধ্য হই।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳২০.০ হাজার

পেনশন ফাইল

একজন সরকারি শিক্ষকের পেনশন ফাইল ক্লিয়ারেন্সের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে পরে ১৫ হাজার টাকা দিতে হয়। এবং এই ঘটনাটি ঘটে প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি ৪৫, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ এই অফিসে।এবং এখানে যে কোন কাজের জন্য গেলেই টাকা দাবি করে এবং দিতে বাধ্য হই আমরা।

ঢাকা, ঢাকা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৪.০ হাজার

এসএসসি ফর্ম ফিলাপ বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায়

এটা ঢাকা বিভাগ,গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নে আমার সাথে ঘটা ঘটনা,এসএসসি পরীক্ষার পর যারা পাশ করে তাদেরকে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়। তখন আমি সব বিষয়ে কৃতকার্য হওয়া সত্বেও আমার কাছ থেকে ৪০০০ হাজার টাকা ফি আদায় করা হয়,জানতে চাইলে উনারা বলে এটা মেনেজিং কমিটি নির্ধারিত ফি।তথাপি আমার আরে কিছু বন্ধুবান্ধব যারা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া সত্বেও রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সাথে নিয়ে দেখা করার ফলশ্রুতিতে সরকার নির্ধারিত ফি তেই রেজিষ্ট্রেশন করে।তবে আমার মতো এমন অনেককেই অতিরিক্ত ফি হয়েছিলো।

ঢাকা, ঢাকা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৩০.০ হাজার

জমি রেজিস্ট্রি

একটা জমি রেজিস্ট্রি করতে অন্যান্য খরচ বাদে শুধুমাত্র সাব রেজিস্ট্রারের সম্মানী বাবদ ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।

রংপুর, রংপুর ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১০.০ হাজার

চেকের মামলায় রায় হয়ে গেছে তাই আসামি ধরতে যাওয়ার জন্য থানাতে অনুরোধ করা হলেও তারা ধরতে যায়নি।

আমি আদালত থেকে এন আই এক্ট চেকের মামলায় রায় পেয়েছি যার পরিমান ২৩ লাখ টাকা। যখন থানাতে যাই এবং আসামির সন্ধান দিয়ে বলি যে চলেন আমার সাথে আসামিকে ধরতে হবে তখন তারা টাকা ছাড়া যেতে রাজি হয় না। পরবর্তীতে টাকা পরিশোধ করার পর আসামিকে ধরতে যাওয়ার জন্য রাজি হয়েছে। কিন্তু এই নিয়ে কথা বলতে বলতে, বারগেটিং করতে করতে এত সময় নিয়েছে যে, যেতে যেতে আসামি চলে গেছে। মানে আমার সব দিকেই লস। আসামিকে তো ধরতে পারলামই না চেকের টাকাও তুলতে পারলাম না উল্টা আরো দশ হাজার টাকা পকেট থেকে চলে গেল।

ঢাকা কাফরুল থানা, ঢাকা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০

জন্ম নিবন্ধন

আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন জন্য অনলাইনে আবেদন করে, প্রয়োজনীয় সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়ে ঈশ্বরদী পৌরসভাতে যাই, তারা অনেক ভুল ধরার চেষ্টা করেও না পেয়ে গ্রহন করতে বাধ্য হয়, ব্যাক আসার সময় বলে ৫০টা টাকা দিয়ে যান!! যেহেতু জন্ম নিবন্ধন ছাড়া টিকা দেয়া যাবে না, কি আর করা ৫০টাকা দিয়ে কাজটি করিয়ে নিলাম, নিরুপায় ছিলাম!! তবে আমি যেটা দেখলাম ওখানে গিয়ে, আপনি যদি অনলাইন আবেদন না করে যান, তাহলে আপনাকে দিতে হবে ২৫০টাকা, যদি পিতা মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন না থাকে তাহলে আরো ৫০০টাকা, কোন কাগজই না থাকলে ১০০০টাকা, রেট করা আছে!! এ ব্যপারে উনাদের ভিতর কোন প্রকার লজ্জা, ভয়, শরম পরিলক্ষিত না!! আমি ভাবলাম আমার তো মাত্র ৫০টাকা!!

ঈশ্বরদী, পাবনা, রাজশাহী ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

জন্ম নিবন্ধন

এটা গাজীপুর জেলা, শ্রীপুর উপজেলা,কাওরাইদ ইউনিয়নে আমার সাথে ঘটা ঘটনা।আমার জন্ম নিবন্ধ ঠিক করতে গেলে ওখানে কর্তব্যরত একজন ইউনিয়ন পরিষদ কর্মী যারা এই কাজগুলা করে তাদেরএকজন আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা চেয়েছে সংশোধন করে দিবে সেই বাবদ,যা সরকারি নীতিমালার বহির্ভুত অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং তখন আমি দিতে বাধ্য ছিলাম

ঢাকা, ঢাকা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳৩.০ হাজার

Operation

আমার স্ত্রী কে অপারেশন করাতে গিয়ে ২ মাস ঘুরে ঘুরে কোন ডেট নিতে পারছিলাম না, তরে ওখানের একটা ওয়াডবয়কে ৩০০০ টাকা দিয়ে ২ দিনের ভিতর অপারেশন টা করাতে সক্ষম হই।

Dhaka, ঢাকা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০০

মার্চেন্ট শিপ ক্রু সাইন অফ

আসলে এটা একটা অলিখিত রোলস,ধরতে পারেন অনেকে এখন মনে করে এটা ফি। শিপের ক্রুদের জাহাজে সাইন অন অফ আগে মোটামোটি ৫০০- কয়েক হাজার টাকা দিতে হয়। প্রতিদিন গড়ে ২০০-৩০০ সাইন অফ অন হয়।একজনও বিনেপয়সাতে করতে পারে না।টাকা না দিলে সকাল থেকে সন্ধ্যা হয়ে যাবে তবুও কাজ হবে না।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১২.০ হাজার

লাশের ময়না তদন্তের খরচ

আপনার বক্তব্যটি আরও গুছিয়ে, স্পষ্ট ও অভিযোগের ভাষায় এভাবে লেখা যেতে পারে: আমার ভাগনির লাশের ময়নাতদন্ত করাতে গিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে অত্যন্ত তিক্ত ও হয়রানিমূলক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। ময়নাতদন্তের দায়িত্বে থাকা মর্গের সংশ্লিষ্ট লোকজন আমাদের কাছে ১৫,০০০ টাকা দাবি করেন। অনেক অনুরোধ, অনুনয়-বিনয় এবং হাতে-পায়ে ধরার পর শেষ পর্যন্ত ১২,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে টাকা না দিলে সেদিন ময়নাতদন্ত করা হবে না। পরদিন ময়নাতদন্ত করা হলেও কখন করা হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা তারা দিতে পারেনি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, টাকা না দিলে লাশ বুঝে নিয়ে সেখান থেকে বের হওয়ার বিষয়টিও আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

ঢাকা, ঢাকা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কাস্টমস অফিস ৳৩.০০ লাখ

বন্ড অডিট

প্রতি অডিট ৩০০০০০ টাকা, সব টিকটাক থাকলেও, আর সমস্যা থাকলে এর উপর যা নিতে পারে।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৩.২ হাজার

নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য

একটা নতুন ট্রেড লাইসেন্স বাড়ানোর জন্য আমার ব্যাংক জমা ছিল ৪৩০০ টাকা কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৭৫০০

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.২ হাজার

জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে মুল দলিল তুলতে গেলে টাকা চাওয়া হয়

দলিল রেজিস্ট্রি করি ২০১৯ সালে। সেই সময় সরকার নির্ধারিত সকল ফিস পরিশোধ করি। অতিরিক্ত একাধিক টেবিলে টাকা দিতে হয়েছিল।যিনি টীপসহি গ্রহন করেন তাকেও দিতে হয়েছিল ১০০ টাকা।অবশেষে ২০২৫ সালের মে মাসে যখন মূল দলিল উঠাতে যাই তখন বলে সরকারী ফি বাবদ ১২০০ টাকা দিতে হবে। আমি করলেও নানান ধানায় পানায় শরু করে। আমি টাকা দতে বাধ্য হই। এর বিনিময়ে রশিদ চাইলে দেয়নি।

কুষ্টিয়া, খুলনা ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২৫.০০ লাখ

বোরো- ২০২৬ সংগ্রহ বরাদ্দ

আমি শেরপুর সদর উপজেলার একজন চাল কল মালিক। যথারীতি চলতি বোরো-২০২৬ মৌসুমে আমার মিলের অনুকূলে সরকারকে চাল সরবরাহের বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই বরাদ্দাদেশ ছাড় করতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় আমার নিকট হতে ১ম ৭,০০,০০০/-। তারপর আবার অনৈতিক ব্যাখা তলব করলে সেটার জবাব দেওয়ার পরও আমার বরাদ্দ পূণরায় স্থগিত করেন। যা পরবর্তী তে ১৮,০০,০০০/- দেওয়ার পর চাল সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়। অন্যথায় আমার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হতো।

শেরপুর, ময়মনসিংহ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳৯০০

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে বেতন চালু

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর বেতনের প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র শিক্ষা অফিসে জমা দিই। কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সেখানকার ভারপ্রাপ্ত বড়বাবু বেতনের সব কাজ করে দেওয়ার জন্য ৯০০ টাকা দাবি করেন। চাকরি নতুন, তাই বাধ্য হয়েই সেই টাকা দিতে হয়েছিল।

আদিতমারী, লালমনিরহাট, রংপুর ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১.০ হাজার

নতুন প্রভিডেন্ট ফান্ড করতে, শ্রান্তি বিনোদন এর আবেদন করতে এবং টাকা তুলতে

সদর হাসপাতালে যে accounts অ্যাকাউন্টের দায়িত্ব থাকে আমাদের প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং শ্রান্তি বিনোদনের আবেদন করার জন্য প্রথমে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছে পরে আবার শ্রান্তিবিনোদনের টাকা আসার পর উনি আমাদের কাছ থেকে আমরা যে টাকা পাবো সেখান থেকে প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নিয়েছে । আর আমরা তো হচ্ছে নিম্ন পোষ্টের অন্যদের টা জানা নাই

চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০০

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করা হয়েছিল । থানায় যিনি এই দায়িত্বে ছিলেন তিনি ফোন দিয়েছিলেন এবং কিছু খরচ চেয়েছিলেন ভেরিফাই এর জন্য । আমি প্রাথমিক অবস্থায় প্রত্যাখ্যান করি। ভেবেছিলাম ঘুষ দিবো না। এরপরে যখন আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স টা জরুরী তখন বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। এবং আমার জানামতে প্রত্যেকটা মানুষের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর সময় এক হাজার দুই হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে কেন তাদেরকে এই টাকা দিতে হবে। সরকার তো তাদেরকে মাসিক বেতন দিচ্ছে । আমার এই ৫০০ টাকা দিতে কত কষ্ট হয়েছে সেটা আমি জানি। আমার বাসায় তখন চাল ছিল না। চালের টাকা তাদেরকে দিতে হয়েছিল।

পটুয়াখালীর, বরিশাল ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য