বিএস করার জন্য
আমার নিজের বিএস করার জন্য। চার শতাংশ জমির জন্য। চার হাজার টাকা দিতে হইছে। ২৫ সালে পরে এক বছর পরে বি এস কাগজের সাইন নেওয়ার জন্য আবারো দাবি করে তিন হাজার টাকা। কিন্তু অবশেষে আমার 500 টাকা দিতে হইছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার নিজের বিএস করার জন্য। চার শতাংশ জমির জন্য। চার হাজার টাকা দিতে হইছে। ২৫ সালে পরে এক বছর পরে বি এস কাগজের সাইন নেওয়ার জন্য আবারো দাবি করে তিন হাজার টাকা। কিন্তু অবশেষে আমার 500 টাকা দিতে হইছে।
পাসপোর্ট এর জন্য আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছি। তারপর ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিকের জন্য যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি। গেটে ঢুকতেই বলল আপনার বার কোড নেই। কম্পিউটারের দোকানে গেলাম ওখানে একটা নাম্বার লিখে দিল আমার কাগজের উপরে। এরপর আর বারকোড না থাকা সত্ত্বেও আমাকে আটকালো না। ২০০০ টাকার পাওয়ারে সরাসরি ছবি বায়োমেট্রিক পর্যন্ত চলে গেলাম কোন বাধা ছাড়া। আমি কম্পিউটার ওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম এত টাকা ? তিনি বললেন ২০০০ টাকা দিতে হবে। আমি তাকে হাসির ছলে জিজ্ঞেস করলাম নাম্বারটা কিসের বা এ টাকা কে নেয়। সে আমাকে বলল পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা এখান থেকে টাকার ভাগ নেয়। এই নাম্বারটা অফিসারদের গোপন নাম্বার।
আমি একটা জমি কিনেছিলাম। বিক্রেতার সাথে আমার কথা হয়েছিল যে নাম জারি এবং দলিলের খরচ আমি দেব। বিক্রেতার নামে জমির নাম জারি করা ছিল না। আমি যখন ভূমি অফিসে যাই তখন আমার কাছে ১১ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে বাধ্য হই।
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ২০২১ সালের দিকে টাকা নিসিলো ৬৫০০ মত।
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে হয়রানি স্বীকারত হয়। জন্ম নিবন্ধন আবেদনে বাড়ি রশিদ এন আই ডি কার্ড, ডেন্টাল সার্টিফিকেট, স্কুলের সনদ এবং পুরনো জন্ম নিবন্ধন এবং পাসপোর্ট প্রয়োজন। কিন্তু তারা এমনভাবে হয়রানি করে মানে সব প্রমাণ বা ডকমেন্ট তাদের কাছে নিয়ে গেল তারপর বলে যে কাজ হবে না। উপজেলা যেতে হবে। উপজেলায় গেলে তারা বলে কাজ হবে না কেন তাদেরকে গিয়ে বলেন কাজ করে দিতে। ওখান থেকে সব কিছু জানে,কাজ করে দেবেন । ইউনিয়নের পর শুধু আসলে তারা বলে প্রশাসকের সাথে আলাপ করতে কিন্তু প্রশাসকের কাছে আলাপ করলে তিনু কাজটি করতে নারাজ হয় এবং ঘুষ চায়। এত টাকা হলে কাজ করে দেবে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে বলে দেয়। ওখানে বলার সচিবের জানে স্যার বলে ডিজিটাল সেন্টার জানে। তারা কাজটাকে এত বড় কঠিনভাবে তৈরি করব বুঝায় কাজটি
Savar, Bazar Road, Agrani Bank e account khular jonno jai. Amar jete aste 100 taka kore khoroch pore. 2 din jai dupur 2 tar age. Amake firie daoa hoy. Final day te jaoar por, Ami form fill up korabo, tai amake boleche...jan form fill up kore niye ashen. Prothomoto 1. Amar hate somoy thakena. Amar office er pressure. 2. Rudely behave kortese. Jai hok, tokhon amake dekhae daoa hoy bank entrance er mukhei ekta table er dikei. Onake sobai mota moti 20-100-200 taka dicche, just deposit slip, check clearence slip, cheque likha, and account openning er jonno form fill up er taka dicche. Jai hok, lok pan chabae, onek somoy niye pray 2.5 theke 3 ghonta dhore boshe theke amar account open hoy.
ভ্যাট বা আয়কর যাই বলেন আপনাকে আইনি ঝামেলা মোকাবেলা বা কাজকে সহজ করতে এই পন্থা অবলম্বন করতে হয়।
থানায় নিয়ে গিয়ে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেয় পরবর্তীতে প্রকৃত দোষীকে ধরিয়ে দিতে চাইলে তারা আমার সাথে আসে নাই উল্টো আমল আমাকে আরো মামলার ভয় দেখায় নিঃস্বার্থ আমি সত্তর হাজার টাকা দিয়ে আমার বাবা মা কষ্ট করে দিয়ে আমাকে নিয়ে আসেন
আমি আমার ড্রাইভিং নিজে করেছি সকল কিছু সেটা নিজের মেধাতেই হয়েছিলো কিন্তু এর পরে একটি গাড়ি নেই সেটার রেজিস্ট্রেশন করার জন্য নিজেই সকল কিছু করেছিলাম পেমেন্ট সকল বিকাশেই করেছিলাম এর পর যখন ফাইল জমা করতে যাই তখন তারা বলে খরচ লাগবে আমি জানতে চাওয়াও পরে যে বলে খরচ লাগবে এটি অফিসের ভেতরে সাইডে নিয়ে বলে যেখানে ক্যামেরা নাই। আমি নিজে করছিলাম প্রথম বার তাই ভেবেছিলাম হয়তো আসলেই লাগে কোনো ফি। দিয়ে চলে আসি কাজ হয়ে যায়। এর পর যখন আমি রিসার্চ করি তখন দেখা যায় আমি তাকে ঘুষ দিয়ে আসছি অযথায়। এর পর এক বড় ভাইয়ের কাগজ করতে যাওয়ায় তার থেকেও একই ফি চায় আমি ধরি যে আমরা সব ফি দিয়ে আসছি তারা করতে রাজি হয়না, আমরা চলে আসি। এই জন্য তার নাম্বারো হচ্ছে না পরে তার থেকেও শুনি ২০০০ টাকা নিয়ে তার কাজো করে দিয়েছে।
জাতীয় হৃদরোগ হসপিটাল থেকে পরীক্ষার রেফার করার পর বাচ্চার জরুরি টেস্ট এর জন্য ২০২৩ সালের দিকে বাতজ্বর হাসপাতালে যাই।কিন্তু সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দিয়ে ৫ টাকার টিকেট কিনে যদি পরীক্ষার জন্য ফি জমা দিলে নাকি রিপোর্ট পেতে ১/২ দিন লাগতে পারে তাই ওই বাতজ্বর হাসপাতালের কর্মচারীদের একজন বললো আমাদের ভিতরে একজন মহিলা আছে ওনাকে ৩৫০ টাকা দিলে রিপোর্ট ১ ঘন্টার মধ্যেই পাওয়া যাবে।তখন আমার বাচ্চার জরুরি হার্টের চিকিৎসায় নিরুপায় হয়ে আমি ৩৫০ টাকা দিতে বাধ্য হই এবং ঠিক স্যাম্পল কালেকশনের ১ ঘন্টা পরেই রিপোর্ট পেয়ে যাই।
ঘটনা ০১) ২০১৮ সালের নভেম্বর মাস, MATS থেকে পাস করে, হস্পিটালে ইন্টার্নশিপ শেষে "দি স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব বাংলাদেশ বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ" এ যেতে হয় প্রভিশনাল সার্টিফিকেট এর জন্য। সকল কাগজপত্র জমা দেবার পর সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা অবধি অপেক্ষা করে, অবশেষে ৫০০ টাকা নগদ "চা নাস্তা" খরচ দিয়ে প্রভিশনাল সার্টিফিকেট হাতে পায়। ঘটনা ০২) দুই বছর পর ২০২০ এর জানুয়ারি মাসে MATS এর অরিজিনাল DMF সার্টিফিকেট তুলতে গেলে, একই ভাবে ৮০০ টাকা "চা নাস্তা" বাবদ জমা দেবার পর তবেই অরিজিনাল সার্টিফিকেট হাতে পায়। উক্ত অফিসের দপ্তরি থেকে সেক্রেটারি সকলেই ভয়াবহ ঘুষ খোর। উলেক্ষ্য এই সরকারি অফিসে প্রায় নার্স মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট দের এভাবে হেনস্তা করা হয়। রিপোর্ট বক্সে রিপোর্ট দিলেও কোনো কাজ হয়না।
মাঝ জরিপের কাজে ঘুষ না দিলে কোন মাঠ পর্চা পাওয়া যাচ্ছে না
আমার কম্পানি বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানে এ কাজ করে। বিষয় হল যখন বিল ছাড়ান হয় তখন সকল অফিস যেখানে যেখানে আমি কাজ করি AG খরচ হিসাবে ১ থেকে ২ % পর্যন্ত টাকা নিয়ে থাকে এটা সব কম্পানির সাথে হয়। ধরুন যদি ৩ বা ৫ কোটি টাকার বিল ছাড়ান হয় তাহলে বুজতে পারছে কি বিশাল একটা ammount হয়ে যায়। আমি যে যে অফিসে কাজ করি সব প্রতিষ্ঠানই একই সিস্টেমে চলে। সবাইকে আমাদের এই ১ বা ২% টাকা দিয়েই বিল ছাড়াতে হয়।
২২-২৩ অর্থবছরে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিয়ে পাস করি তারপর সমস্ত কাগজ জমা দিবো ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য কিন্তু বলে আপনার এই কাগজ নেই ওইটা নেই ফাইল জমা নেয় না,,যা যা কাগজ চাইলো সব সংগ্রহ করে আবার জমা দেওয়ার জন্য গেলাম হইল না তারপর বাধ্য হয়ে দালালকে ১২০০ টাকা দিয়ে ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য ডেট নিলাম,,,
নোয়াখালী হাই মাইজদী কোর্টে আমাদের বাড়ির একটা বন্টকের মামলার, আমি শুধু মামলার শুনানির কপি তুলতে গুয়েছিলাম সেখানে জীবনে প্রথম আমাকে ৭০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। রক্ষক যখন ভক্ষক হয়, তখন মানুষ কার কাছে যাবে?
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, গাজীপুরে গিয়েছিলাম একটি ভ্যাট চালানে সাইন করার জন্য। কর্মকর্তাকে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে সাইন করার জন্য এবং তিনি বললেন যে ঐ রুমে যান সীল দেবার জন্য। সেখানে অফিস সহকারী সীল দেয়ার আগে বলল টাকা দেন অনেক ব্যস্ত। তখন আমি বললাম যে কিসের টাকা, তখন সেই অফিস সহকারী আমার ফাইলটি আমার সামনে ছুড়ে মেরে বললো জানেননা এখানে টাকা লাগে? তারপর টাকা ৫০০ টাকা দিয়ে সাইন করিয়ে আনলাম।
Aro টাকা নিয়েছে টাকা না দিলে অনেক সময় লাগবে প্রোডাক্ট পাবো কিনা তাও নিশ্চয়তা নেই তবে সেই একই কাজ টাকার মাধ্যমে দ্রুত করেছে আসলে এরা রক্ত খেকো অর্থাৎ মানুষের রক্ত চুষে খায় এই দুর্নীতি কমাতে সরকারকে পরামর্শ দিব ট্যাক্সের বিষয়গুলো শিথিল করা যাতে করে সরকারি কোষ আকারে সম্পূর্ণ টাকা জমা হয় সেই ক্ষেত্রে ইন্সট্যান্ট ট্যাক্স করে প্রোডাক্ট ছেড়ে দেওয়া নয় তো বা সাধারণ জনগণ হয়রানির শিকার হয়
পুলিশ ভেরিফিকেশনে এসবি পুলিশ 1000 টাকা দাবি করা হয়েছে।
ভূমি অফিসে একটি নামজারি/মিউটেশন করতে খরচ ১১৭০ টাকা । কিন্তু আমার কাছে তহশিলদার ৪০০০ টাকা দাবি করেছিল। আমি প্রথমে নিজে করার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। সেই আবেদনের কাগজ যখন ভেরিফিকেশনের জন্য ভূমি অফিসে যায় তখন সেখান থেকে কল করে দেখা করতে বলা হয়। আমি অফিসে গেলে বলে টাকা না দিলে কাগজ পাশ হবে না। অথচ আমার সকল কাগজ সঠিক ছিল।
প্রধান শিক্ষক পদোন্নতির জন্য এসিআর সাইন দরকার ৫ কপি করে। প্রায় ১৫০ জন প্রধান শিক্ষক পদোন্নতির জন্য এসিআর নিচ্ছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার থেকে, জনপ্রতি ৫০০-২০০০৳ করে নেওয়া হচ্ছে সাক্ষর করার জন্য। ঘুষ লেনদেনের পরিমান প্রায় লাখ টাকা।