নতুন লাইসেন্স
আমার জরুরি ড্রাইভিং লাইসেন্স কারার জন্য ২০ হাজার টাকা নিছে, ঢাকা তেজগাঁও বিআরটিএ
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জরুরি ড্রাইভিং লাইসেন্স কারার জন্য ২০ হাজার টাকা নিছে, ঢাকা তেজগাঁও বিআরটিএ
আমার পুরাতন পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করার দরকার ছিলো, যার জন্য আমি আবেদন করে সাথে টাকা পরিশোধ করি, আমার আগের পুরাতন পাসপোর্ট থেকে শুধু সিঙ্গেল থেকে মেরিড দেই তার জন্য মুল বিপত্তি, আমি সকল ডকুমেন্টস নিয়ে যাওয়ার পর আমাকে বলে মেরিড তার জন্য কাবিন নামা লাগবে, যেখানে পড়াশোনা করি সেখানে id কাড লাগবে, কিন্তু দুঃখের বিষয় আর কারো লাগতেছে না। পরে আমি বের হয়ে যাওয়ার সময় আনসার আর একজন পুলিশ ডাক দিয়ে বলে কি সমস্যা পাসপোর্ট হয় নাই, তাকে বললাম আমার এই ডকুমেন্টস গুলো লাগবে, আবার টাইম বেশি নেই এনে জমা দিবো, এই দিন আবার বৃহস্পতিবার ছিলো, বিয়ের কাবিন নামা ছিলো কাজীর কাছে ওর কাছ থেকে আনতে হবে। আনতে আনতে পাসপোর্ট অফিস সময় শেষ হয়ে জাবে। পরে পুলিশ বলে আমাকে ১৮০০ টাকা দিন আমি করে দিতে
Amar baba govt. Job korto..unar retired hobar por theke pension er tk pacchilam naa kormoroto der cha nastar bill er jonno...ajk 5 ,kalk arekjon ke 5,avabe kore pray 50 hajar tk dite hoy...abar bole kaouke janale amader nijeder e khoti hbe....
নামজারি করার জন্য ১৬ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র সঠিক থাকার পরেও। অন্যথায় ঘাস জমি হিসাবে প্রদান করা হবে।
আবার দাদার সম্পত্তির রেকর্ডে একটু ঝামেলা ছিল। দলিলে আমার দাদা এবং আমার চাচাতো দাদা দুজনেই আট আনা, আট আনা অংশীদার। কিন্তু রেকর্ডে ভুলবশত কিছু জমি আমার চাচাতো দাদা বেশি রেকর্ড করে নেয়।এই রেকর্ডটি সংশোধন করার জন্য ভূমি অফিসে একটি মিসকেস করি। এ মিসকেসটি করা এক বছর হলেও কাজের কোন অগ্রগতি দেখতে পাওয়া যায় না। শুধু অফিসে দিনের পর দিন ঘুরতেই থাকি। একদিন অফিসের এক পিয়নের মাধ্যমে আমাকে জানানো হয়। এভাবে দিনের পর দিন ঘুরে আপনার কোন কাজ হবে না। কাজ করতে হলে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হবে । শেষমেষ কোন উপায় না থাকায় আমি তাদের সাথে ৫০ হাজার টাকায় চুক্তি করি। এবং ৫০০০০ টাকা দেওয়ার কারণে এক মাসের মধ্যে আমার কাজটি সম্পন্ন হয়।
আমি ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে যাই বিদেশ গমনের জন্য পাসপোর্ট বানাতে, তারপর তারা আমাকে পাসপোর্ট অফিসে ডুকতে দেয় না। বলে আবেদন পক্রিয়া শেষ করে আসেন,, আমি বললাম যে আমি ভিতর থেকে আবেদন করবো, তারা বলে ভিতর থেকে কোনো আবেদন করা হয় না। তারপর গেলাম আবেদন করতে সেখানে গিয়ে আবেদন করলাম, সরকারি ফি কেটে নিলো ৫৭৫০ টাকা কিন্তু তারা আমার থেকে নিলো ৮০০০ টাকা। আমি জিজ্ঞেস করলাম ৮০০০ কেন? উত্তরে সো বললো এটা ঘুষ 🙂
এই অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তার হাতে আমরা সকল কর্মকর্তা - কর্মচারীরা জিম্মি। বছরে অফিস পরিচালনার জন্য যে বাজেট দেয়া হয় তা প্রায় ২ কোটি টাকা। কিন্তু আমরা হেড অফিসের কেউ কোন কিছু পাই না। এসি , প্রিন্টার , কম্পিউটার , ফিল্টার ইত্যাদি নষ্ঠ হলেও সহজে ঠিক করা হয় না। প্রতি বছর বাজেটের কোটি টাকার উপর প্রশাসনিক কর্মকর্তার সিন্ডকেট চুরি করে। অডিটকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে। সব উর্ধতন কর্মকর্তা জানলেও তার কোন কিছু হয় না।
আমার মা লিগ্যাল এইড এ মামলা করছিলো, আবেদন করার সময় তারা বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে আজ হবেনা, কাল আসবেন এই হয়েছে, সেই হয়েছে, পরে সেদিন ১০০৳ দিয়ে কাজ হলো, পরে ডেট দেওয়ার সময়, ১০০৳ দিলে ডেট আগে দেয় না দিলে পরে। এটা আবার ম্যাজিস্ট্রেট ও বলে দেয় যে ওখানে কিছু টাকা দিলে ডেট আগে দিবে😆, টাকা দিলে কাজ আগে হয় না দিলে হয়রানি হতে হয়।
আমি গাইবান্ধায় টিন সার্টিফিকেটের বাৎসরিক নবায়ন করতে আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত
বিদেশ থেকে ছোট ভাইয়ের ভ্যারিফিকেশ আসছিল সব ডুকুমেন্ট দেওয়ার পর তার ভাইয়ের বউয়ের কাবিন নামা চায়। পরে ৪০০০ টাকা দিয়ে সেটেল করি
They cam to my tannery to check my audit and tax files. My audit was not up to date. They took bribe and told me "to not keep audit files at the tannery premises".
নামজারি করতে 1100 টাকা চাইছিল
দালাল ছাড়া খাজনা দেওয়া যায় না।দালালকে 6000টাকা দেওয়ার পর 500 টাকার রিসিপ খাজনার দাখিলা দেয়।
গাড়িতে ওভারলোড হলেই ১০০ কেজি হোক বা ২০০ কেজি হোক ওভার একটু লোড হলেই ঝামেলা হয় ওইখানে অনেক গুলা দালাল আছে
Tk sara mitishion korbe na
নামজারি আবেদনের শুনানি করার জন্য ।
ভাইয়ে ভাইয়ে দানপত্র বা হেবা দলিল করতে চাইলে দলিল লেখক বলে যে এখন সাব কবলা ছাড়া সাব রেজিস্ট্রার দলিল পার করে না। সাব কবলার সরকারি হিসাব আসে ২৬ হাজার। আর সেখানে দলিল লেখক অফিসের ব্যক্তিগত খরচের কথা বলে নেয় ৩৭ হাজার। তারপর দলিল লেখক আবার একটু পর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ঢুকে এসে একটু পর আমাদের জানায় আরও ৩ হাজার লাগবো নামের নামের এ,কার আ, কার ভুলের জন্য। তাও দেই কারণ জমিটা কবলা করা খুব জরুরি ছিলো। যখন সাব রেজিস্ট্রার এ দলিল জমা দিলো একটুপর ডাক পরলো সাব রেজিস্ট্রার আইডি কার্ড ও রেকর্ড অনুযায়ী মূল নামের শেষে আলী ও হোসেন এর জন্য আটকে দিলো সাব রেজিস্ট্রারের জন্য আলাদাভাবে সে নাকি আরও ৩ হাজার টাকা নিবে। মনে করছিলাম দলিলই করবো না কিন্তু নিরুপায় হয়ে আরও ৩ হাজার সহ ৪৩ হাজার লাগলো+হয়রানি।
পাসপোর্ট প্রতি ১২০০-১৫০০ টাকা IP নামে ঘুষ দিতে হয়।৷ ঘুষ প্রদান করা হয়েছে কি-না তা কনফার্ম হওয়ার জন্য আগেই মানুষের ফাইল অফিসের ভিতর থেকে যাচাই করে আনা হয় যাতে মিডিয়া সহজে দরতে না পারে।
Kol karkhana odidoptor e 40000/50000 hazar taka gush na dilee license renew koree na.
ঢাকা মেডিকেলে রোগী সিয়ায়াল দেওয়া নিয়ে একজন আনসার অফিসার ইমার্জেন্সি গেটে ৫০ টাকা করে নিচ্ছিলো চুপিচুপি। যে বা যারা টাকা দিচ্ছে তাদেরকে সিরিয়াল গড়মিল করে আগেই ঢুকিয়ে দিচ্ছে।।