কার্ড তৈরি করতে গিয়ে
আমার সাথে অনেক কথা কাটাকাটি হয় তারপর ও টাকা দিয়ে ভোটার আইডি কার্ডে বানাতে হয় তাহলে কিছুই করার ছিল না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার সাথে অনেক কথা কাটাকাটি হয় তারপর ও টাকা দিয়ে ভোটার আইডি কার্ডে বানাতে হয় তাহলে কিছুই করার ছিল না
হোল্ডিং ট্যাক্স প্রথমবার ২৪ কিস্তি (ছয় বছর) একসাথে প্রদান করতে গেলে প্রথমে অনেক বেশী ট্যাক্স ধার্য করেন জনৈক ভদ্রনোক। নিজে যেহেতু আবাসিকভাবে ব্যবহার করছি, কর কমানো যাবে, তবে মামলা করতে হবে ইত্যাদি কথামালার মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা দাবি করলে, অগত্যা দিতেই হয়। নাহলে সারাজীবন অতিরিক্ত কর টানতে হতো।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্বেও বারবার ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। পরে অফিসের ভেতর ঘুরতে থাকা দালাল ধরে ৩০০০ টাকার বিনিময়ে মুহূর্তেই আবার একই কাগজপত্র দিয়ে পাসপোর্ট হয়েছে। এই ঘটনা আমার শহর Faridpur আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
২০২৫ সালের অক্টোবর মাস। BRS খতিয়ান পাওয়া যাচ্ছিল না । সব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানাইলো বি আর এস খতিয়ান ছাড়া জমির দলিল হবে না। তখন বাধ্য হয়ে বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে এটা করতে হয়েছে ।
আমি প্রবাসী। সদর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গেলে থানায় আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি যেহেতু বিদেশ যাবো । তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।
সৌদি আরবে কাজের ভিসার আবেদন করতে হলে TAKAMUL একটি ট্রেনিং করতে হয়। সেই TAKAMUL রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ৫০ ডলার। সেই ট্রেনিং সেন্টারে সরাসরি পরীক্ষা দিতে গেলে নিশ্চিত ফেল করিয়া দেয় । যখন তাদের সাথে কন্টাক করে যাওয়া হয় ২৫ হাজার ৩০ হাজার ৩৫ হাজার ৪০ হাজার টাকায় তখন তারা পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়। সারা বাংলাদেশে সম্ভবত ১৬ টি TTC সেন্টার আছে যা সবগুলোই এই কাজ করে থাকে। এতে করে নবাগত সৌদি প্রবাসীরা হেনস্তার শিকার হচ্ছে
কাজটা প্রয়োজন ছিল,প্রথমে বলা হলো যে, ৫০০০-৮০০০ হাজারে হয়ে যাবে।পরের ধাপে বেশ কালক্ষেপণ করানো হলে পরবর্তীতে তাগাদা দিতেই বলে ১৫০০০ লাগবে, আচ্ছা যান ৫০০ টাকা ছাড়! পরের সর্বমোট ১৪৫০০ টাকা নিলেও রশিদ পেয়েছি ১৯৪১/- টাকার। বি.দ্র: প্রয়োজন মানুষকে ভুল সিদ্ধান্ত বাধ্য করায় সমাজের আইনের শাসন দূর্বল হলে।
নির্বাচন কমিশন nid আবেদন নিয়ে তালবাহানা পরে ৭০০ ঘুষ দিয়ে সিরিয়ালের প্রথম না লেখালাম আর ৭২ ঘন্টায় nid করে দিলো । প্রথম বলে হবে না ,তারপর একজন বলল স্যারের সাথে আলাপ করেন স্যার সরাসরি না বললেও আমি বুঝেছিলাম ১ কাপ চায়ের দাম ৭০০ টাকা ।
২০১৮ সালে পাসপোর্ট করতে গিয়ে বারবার ভুল ধরে ফাইল রিজেক্ট করছিলো। পরে দালালের মাধ্যমে টাকা চেয়েছে উনারাই....
Any death certificate from city corporation needs 5,000tk to 6000tk
পাসপোর্ট আবেদনে আমার সকল তথ্য প্রোপার সঠিক ছিলো কিন্তু অফিসার বলেন ঠিকানা সমস্যা তাই ভেরিফিকেশন হয়নি নেগেটিভ রেজাল্ট ।তারপর আর কি সমস্যা সমাধান পুলিশ নিলো ৫০০ আর পাসপোর্ট অফিস নিলো ১০০০ । টাকা দিলাম আর ঠিকানা জাদুর মত ঠিক হয়ে গেলো ।
ফোনকলে বললো আপনার পাসপোর্ট এ ভুল আছে , পেতে ১০০০ টাকা লাগবে।
ফোন করেছিল, দুই হাজারের নিচে কিছুতেই ভেরিফাই করবে না, ২০০০ দিয়েই করতে হয়েছে।
For 2025-2026 tax return, I have to pay 8,000tk bribe at segunbaghicha tax office
সাংবাদিক ভূমি অফিসে এসে আমাদের ভূমি অফিসে নাকি সমস্যা আছে, এসব বলে টাকা দাবি করে।
আমার অভিযোগ বেসরকারি পর্যায়ের একজন নিয়ম করদাতা। আমার উপজেলা এলাকা অনুযায়ী বাৎসরিক ন্যূনতম কর ৩,০০০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও, আমার রিটার্ন দাখিলকারী আইনজীবী মিথ্যা তথ্য দিয়ে দাবি করেন যে সরকারি কর ৫,০০০ টাকা এবং ফিসহ ৬,০০০ টাকা দিতে হবে। তাঁর ওপর সরল বিশ্বাস রেখে আমি বিগত দুই বছরে মোট ১২,০০০ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে তিনি আমাকে কোনো চালান বা প্রাপ্তিস্বীকারপত্র না দিয়ে কেবল একটি কর সার্টিফিকেট দেন। এতে সন্দেহ হওয়ায় আমি অনলাইনে সরকারি ট্যাক্স স্টেটমেন্ট যাচাই করে দেখি যে প্রতি বছর প্রকৃতপক্ষে মাত্র ৩,০০০ টাকা জমা হয়েছে। অর্থাৎ, সরকারি করের ভুল হিসাব দেখিয়ে তিনি আমার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে বাকি অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিষয়টি গোপন রাখতে প্রকৃত জমার স্লিপ আটকে রেখেছিলেন।
আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট আবেদনের সময় তার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী ঠিকানা ব্যাবহার করি। পুলিশ কর্মকর্তা সেটা ভুল বলে বাতিল করে দিতে চায়, আমার স্ত্রী একা মানুষ সে পুনরায় সবকিছু সংশোধন করে আবার জমা দেওয়া সময় সাপেক্ষ যেহেতু প্রবাসে ছিলাম একপ্রকার বাধ্য হয়েই আমি তা পরিশোধ করেছি ।
সাবরেজিস্টার টাকা খেয়ে প্রকৃত মালিকের জমি আরেকজনের নামের লিখে দেই, ভূমি কমিশনার স্যার বারবার এই সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার পরও,মুখোশ পরা সাব রেজিস্টার 'রা নতুনভাবে সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলে, শেষ পর্যন্ত জমি নিজের দখলেই আনার জন্য বাধ্য হয়ে চার লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে, ভূমি অফিসে যারা পিয়ন আছে তারা আরো বেশি ভয়ংকর তারা কোন কাজ টাকার বিনিময় ছাড়া করতে চায় না। একটা ছোট কাজ, খতিয়ান ঠিক করার মত ছোট কাজ করতে প্রায় সাড়ে তিন বছর সময় লাগছে এতে ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ ৪ লক্ষ টাকা প্লাস
আমি একজন শিক্ষার্থী। জরুরি পাসপোর্ট করতে পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে গেলে সরকারি ফি দেওয়ার পরও আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়। এই টাকা না দিলে কাগজপত্রে সমস্যা দেখিয়ে কাজ এগিয়ে নিতে অনীহা প্রকাশ করা হয়। আমি টাকা দিতে না চেয়ে অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে টাকা দিতে বাধ্য হই। বিষয়টি আরও গুরুতরভাবে বোঝাতে—যদি প্রতিদিন ১০৫ জনের কাছ থেকে ১,৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়, তাহলে প্রতিদিন ১,৫৭,৫০০ টাকা, মাসে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা এবং বছরে প্রায় ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা হয়। এটি শুধু উদাহরণমূলক হিসাব, বাস্তব আদায়ের দাবি নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
খুবি দুক্ষের সাথে বলতে হয় এই দেশে ঘুস ছাড়া কোনো সরকারি সেবা পাওয়া জায় না যেখানে সরকারি ভাবে পিপেইড মিটার নিতে হলে ৩ থেকে ৬ হাজারের মধ্যে হয়ে জাওয়ার কথা সেখানে ১৪ হাজার টাকা লাগসে সব কাগজ পত্র জমা দেয়ার পর ও এইটা নেই সেইটা নেই এমন এমন ভাবে বলে জা এনে দেয়া পসিবল নয় তখন তারা নিজেরাই বলে কিছু টাকা খরচ করলে অই সব আর লাগবে না মুলত ঘুস নেয়ার জন্য এতো বাহানা বাদ্য হয়ে ঘুস দিয়েই করতে হলো কি করবো দিন শেষে আমরা সাধারণ মানুষ তাদের কাছে জিম্মি এই দেশ এই ভাবেই চলবে কোনো সরকার পারবে না এই ঘুস বানিজ্য বন্ধ করতে কারন তারা নিজেরাও এখানে বড় রকম ভাগ পায় ভুল করেছি এই দেশে জন্ম নিয়ে এই দেশ কুকুর বিরালদের বসবাস যোগ্য মানুষের নয়