Tender Evaluation
Evaluation করে প্রতিটি Package এর অনূকূলে ২% টাকা ঘুস নিচ্ছে। তার পিডি মহোদয় ২% নিচ্ছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Evaluation করে প্রতিটি Package এর অনূকূলে ২% টাকা ঘুস নিচ্ছে। তার পিডি মহোদয় ২% নিচ্ছে
দলিল লেখার জন্য টাকা চেয়েছিলো।।। সাবরেজিস্টার ২০০০০/ দলিল লেখক ২৫০০০/=
আমাদের কেরানীগঞ্জে গত কয়েক মাস ধরে বি.এস পর্চার কাজ চলতেছে। আমাদের ১২শতাংশ জায়গায় সব কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলে আমরা সব কাগজপত্র দিয়ে আসার পর আমাদের একটি মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয় এবং মাসখানেক পর যোগাযোগ করতে বলা হয়। কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তাদের অফিসে যেতে বলে অফিসে যাওয়ার পর বলা হয় আমাদের জায়গায় কিছু অংশ খাস দাগে পরছে। অথচ বায়া দলিল, নামজারি, খাজনা সবকিছু ঠিকঠাক আছে। তারা সব ঠিক করে দিবে এই মর্মে ৩,৫০,০০০ টাকা দাবি করে।
আমি প্রথমে কম্পিউটারের দোকান থেকে প্রয়োজনীয় ফর্মটি পূরণ করি। ফর্মের কাজ সম্পন্ন করার পর মঙ্গলবার সেটি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে জমা দিতে যাই। সেখানে আমাকে বলা হয়, রবিবার এসে যোগাযোগ করতে। রবিবার অফিসে গিয়ে দেখি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন। এরপর মঙ্গলবার আবার অফিসে যাই। তখন আমার কাজটি করার সময় আমাকে বলা হয়, এই সমস্যাটি এখন সমাধান করা সম্ভব নয়, তাই পরের দিন আবার আসতে হবে। আমি পরদিন বুধবার আবার অফিসে যাই। গিয়ে দেখি, আমার কাজটি এখনও করা হয়নি। তখন অফিসের আরেকজনের কাছ থেকে জানতে পারি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিলে আমার কাজটি হয়ে যাবে। এরপর আমাকে আরও বলা হয়, কাজটি শেষ পর্যন্ত মূল অফিসে জমা দিতে হবে এবং সেখানে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হবে। পরবর্তীতে আমি সেই মূল অফিসে যাই।
প্রতিটা দলিল লেখনী বাবদ বি এন সি নেতাদের 5000 টাকা করে বেশী দিতে হয়
পেনশন ফাইল এর কাজ করার জন্য কিডনি হাসপাতাল, শ্যামলী এর একাউন্টস ও অফিস সহকারী 500000 টাকা দাবী করে। না দেয়ায় ০৫ বছর যাবৎ পেনশন ফাইল আটকে আছে
Fire Service and Civil Defence, Cumilla/ warehouse inspectors demand from BDT300,000 to BDT200,000 for approval of Fire Safety Plan for new factory building.
ভিপি লীজে কেস জন্য টাকা চায় তারা
অফিস আমাকে বলেছিলেন জরুরী ভিত্তিতে অনুমতি পত্র নিতে হলে বিশ হাজার টাকা দিতে হবে অফিস খরচ
আমি আমার জমির খাজনা দিতে গেলে চরবাট ভুমি অফিসের তহসিলদার আমার ৫০ টাকার খাজনা আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করে।
এফসি বিবিধ, ঢাকা সেনানিবাস হতে টিএ ডিএ, চিত্তবিনোদন, বিভিন্ন বকেয়া দাবী, পেনশন, জিপিএফ, জিপিএফ চুড়ান্ত টাকা দাবী, ছুটির নগদায়ন, উচ্চতর গ্রেড, নতুন নিয়োগের বিল, পারিবারিক পেনশন ইত্যাদির বিল দাবী করা হলে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করা যায় না যদিও করে দেয় তাহলে কোন বিল পাঠালে এখানে ভূল ওখানে ভূল এরুপ করে মাসের পর মাস লেগে যায় বিল হাতে আসতে।।। মোট কথা টাকার অংক বড় হউক আর ছোট হউক ঘুষ ছাড়া ফাইল আসবে না।৷ ধন্যবাদ
আমি একটা পুরাতন বাইক ক্রয়করি বরিশালের একটা শো-রুম থেকে। তারা জানায় গাড়ির কাজগপত্র তৈরী করতে ১০০০০ টাকা লাগবে। আমি শো-রমের মালিককে ১০০০০ টাকা দিয়ে দেই। তিনি কাগজপত্র আপডেট করে দেন। অনলাইনে আপডেট হয়ে যায়, কিন্তু সমস্যা বাধে আমি ১ মাস পরে ফিঙ্গার দিতে গেলে তারা আমাকে ঘুরানো শুরু করে। পরে ৪ মাস পরে জানতে পারলাম আমার বাইকের ফাইল নাকি পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টা জানার পরে আমি শোরুমের মালিককে ধরি তিনি আমাকে জানান যে বিএরটিএর যে কর্মকর্তা কাজটি শুরু করেছিলেন তিনি নাকি বদলী হয়ে গিয়েছেন। তার বদলীর পরে অফিসের লোকজন আমার ফাইল গায়েব করে দেন। বর্তমানে এটা পেন্ডীং অবস্থায় আছে।
আমার ২ বছর আগের কেনা ৩৭ শতাংশ আবাদি জমি নামজারি করতে চাইলে অফিসের একটি চক্র আমার কাছে ১৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে।
কাজ টা এখনো হয় নি,টাকা দি নাই তাই
একটা মাতৃত্বকালীন ভাতা করার জন্য আমার এলাকার মেম্বার বা চেয়ারম্যান কে বলছিলাম তারা দুজনেই 5000 বা 6000 টাকা দাবি করে।টাকা না দিলে কার্ড হবেনা বলেছে
আমার জমির নামজারি করার জন্য যোগাযোগ করি। তারা আমার থেকে ৭০০০ টাকা দাবি করে। আমি তাদের কথায় রাজি হইনি।
ডিসি অফিস কর্তৃক ঘুষ এবং না দেওয়ার প্রেক্ষিতে ইসিবি অফিসের দিদিকে ওভার ফোনে কমপ্লেন প্রদান যার পরিপ্রেক্ষিতে টিসিবি রংপুর জোনাল অফিস থেকে ডিলার কে শোকজ প্রদান। এবং টাকা না দিলে লাইসেন্স স্থগিত করবে এবং বাজেয়াপ্ত করবে প্রতি রমজান এবং কোরবানির ঈদের সময় ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেল হতে ১০০০ করে টাকা প্রতি গাড়ি প্রতি ডিলারের কাছ থেকে পৃথিবীর রংপুর বর্তমান নিয়ে থাকে টাকা না দিলে নানাবিধ সৌকজ লেটার প্রদান করে এবং লাইসেন্স ক্যান্সেলের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে তিনি তার অফিসে ডেকে বিভিন্ন ডিলারকে নানাভাবে হয়রানি এবং ব্যবহার খারাপ করে এর তীব্র প্রতিবাদ এবং বিচার আশা করছি।
আমি একজন সরকারি টিসিবির পণ্য ডিলার রংপুর বিভাগের বর্তমানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডি অন্যায় ভাবে আমাকে প্রোপোজ করে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে আমি আমি তার কাছে সময় চেয়ে এই রিপোর্ট দাখিল করছি।
অদ্য 04 মাস হয়েছে সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। সোনালী ব্যাংক লি. কতৃৃক পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার বৈধ নমিনি পরবতী অনলাইনকৃত মৃত্যুসনদ দিয়ে সঞ্চয় পত্র চলমান রাখার আবেদন করেছেন। 20/04/2026 ইং তারিখে। পরবর্তীতে ব্যাংকে যোগাযোগ করলে এখনো পরিবর্তন হয়নি। PENDING (পেন্ডিং) দেখায়। অনেক পরিবার আছে সঞ্চয় পত্রের লাভের টাকায সংসার চালায়। ব্যাংকে যোগাযোগ করলে তাহারা জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস টাঙ্গাইল (মান্না টাওয়ার) যোগাযোগ করার জন্য বলে। জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস টাঙ্গাইল (মান্না টাওয়ার) আসলে সময়ক্ষেপন করে কি বুঝাতে চায় অথবা কি চায়?
আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমার পিতা ১৬ আগে মারা গিয়েছেন, আমার মাতাও ৭বছর আগে Cancer এ মারা গিয়েছেন। আমি আমার অনেক কিছু উনাদের চিকিৎসার কাজে ব্যয় করেছি। আম্মু মারা যাবার পর আমি ২০২০ সালে মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পের আওতায় আবেদন করি , আবেদন করার সময় ১৫হাজার টাকা খরচ নেয় তারা এর পর সেটা সরকার পরিবর্তন এ বাতিল হয় । আমি আবার ১৩০০০ টাকা খরচ করে পূনরায় আবেদন করি , আবার ও আমার আবেদনটি গ্রহীত হয় কিন্তু পর মুহুর্তে বেগমগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা অফিস থেকে আমার কাছে ৪০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে কিন্তু আমি এখনো সেটা দেই নি। এই হচ্ছে আমাদের দেশের অবস্থা ।