নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এখানে প্রতিটি সেনা সদস্যকে পেনশন আসার সময় চা মিস্টি খাবার জন্য ৬০০০০ থেকে ১৫০০০০ টাকা পর্যন্ত টাকা দাবি করে।যা বিভিন্ন র্যাংকের উপর নির্ধারণ করে থাকে।,না হলে পেনশন জড়িত অনেক হেনস্তার শিকার হতে হয়।এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মত সৎ সাহস কাররই হয় না।
প্রবাসীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নিচ্ছে কিছু দালাল চক্র। তাঁরা ফিঙ্গার প্রিন্ট অফিসের নিছেই মানুষের সাথে এই জালিয়াতি করছে। দেখার মতো কেও নেই। মোটামটি সব প্রবাসী এটার ভুক্তভুগী । তাঁরা প্রবাসীদের থেকে ৬০০ টাকা থেকে ১৫০০+ টাকা হাতিয়ে নেয়
প্রতি মাসের ভ্যাট জমা দিয়াৰ জন্য ৫ হাজার করে চাইছে, তখন সরকার কে কিছু দিতে হবে না, এক কালীন টোটাল 20000 টাকা চাই,uttara, customs & vat office,dhaka
babar pension er tk uthabe seikha tk chay
ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার জন্য আমিন বাজার ভূমি অফিসে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার জন্য অনুমোদন করার জন্য ২৭-০৮-২০২৬ ইং তারিখে আবেদন করি। কিন্তু অদ্যবধি আবেদন অনুমোদন করেনি, নিয়ম অনুযায়ী 48 ঘন্টার মধ্যে আবেদন মঞ্জুর করতে হবে। পূর্বে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা আছে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছর পর্যন্ত। এখন ২০২৬-২০২৭ সালে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার জন্য আবেদন করি। কিন্তু তারা বলতেছে শতাংশ প্রতি ১০০ টাকা করে দিলে তারা অনুমোদন করে দিবে। তা দিলে তারা আবেদন মঞ্জুর করবে না। তাদেরকে শতাংশ প্রতি 100 টাকা না দিলে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে পারবো না। এখন কি করণীয় । তারা ব্যক্তি স্বার্থে সরকারি দাবী আদায়ে দায়িত্বের অবহেলা করছে। এই অবস্থা ঢাকা শহরের সকল ভূমি অফিসের।
টাকা না দেওয়াতে আমার কাজটি করেনি আমি উপজেলাতে গিয়ে করছি
তহসিলদার এর কাছে দাখিলা কাটতে গেলে ২৫০০০টাকাদাবী করে।আমি পরে আসব বলে চলা আসি।
জমি খরিজ করার জন্য চা পানি খরচ বাবদ ৭,০০,০০০/- না দেওয়ার কারণে প্রায় ২ বছর যাবত আামার জমি খারিজ করে দেয় না নায়েব মোঃ শরিফ মিয়া দীঘ ১১ বছর রায়পুরা ভূমি অফিসে চাকুরী করিতেছে এবং নরসিংদী সদর তার নামে ১১ তালা ৪ টি বাড়ী আছে। মাষ্টার রোলে চাকুরী করে তার বর্তমান ১ কোটি টাকা বাড়ী নির্মন করেছে এবং রায়পুরা ভূমি অফিসে থেকে নাম তাদের সোহাগ মিয়া এবং মুস্তাকিন তারা দুই জনে রায়পুরা প্রায় ৪টা বাড়ী আছে বলিয়ম দেখতে গেলে ৫০০ টাকা কম ছাড়া তারা বলিয়েম দেখায় না । তারা দুই জন এবং নায়েব সাহেব মিলে রায়পুরা ভূমি অফিসে অসহায় মানুষদের জুলুম করিতেছে।
আমি একজন প্রবাসী গাজীপুরের শ্রীপুর গ্রামীন এলাকায় একটি জমি ক্রয় করি জমি রেজিস্ট্রি হওয়ার পর আমি নকল উঠানোর জন্য আবেদন করি তখন দলিল লেখক আমাকে জানান এক লক্ষ টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে তা না হলে নকল উঠানো কোনমতেই সম্ভব না এই টাকা দাবী করছেন সাব রেজিস্টার
আমার বাবা হার্ট অ্যাটাক করেন প্রথমে হাইমচর উপজেলায় নেই, সেখানে ইসিজি করায় তবে কোনো সরকারি রশিদ ছাড়াই ২০০টাকা নেয়। অবস্থা খারাপ বলে চাঁদপুর ২৫০ শস্য বিশিষ্ট হাসপাতালে আমার বাবা কে নিতে বলে সেখানে গেলে আবারো ই,সি,জি করাই এবং সেখানেও ৩০০টাকা নেয়। পরে আমার বাবাকে ভর্তি করার কথা বল্লে বাবা না বলে, তারপরে আমরা ডাক্তার বলার কারনে ভর্তি করাই। পরে আরো ৪টা টেস্ট করি সেখানে বাবার রক্ত নিয়ে সরকারি কর্মীরাই ডায়াগনস্টিকে নিয়ে যায় আর আমাকে সেখানে ৭৫০০ টাকার টেস্টের জন্য টাকা দিতে হয়।টেস্টের কাজগ আনার পরে ডাক্তার মেডিসিন লিখে দেয়, তবে সব মেডিসিন কিনে আনতে হয়১৭০০টাকা,প রুমে নার্সরা পেশার আর ডায়বেটিস মাপার কারনে ১০০ টাকা নেয় সরকারি কোনো রশিদ ছাড়াই। তারপরে বেড পাইছি বালিশের জন্য এক আন্টিকে ৫০ টাকা দিতে হইছে।
আমি আমার দাদার জমির দলিল তলাশির জন্য কুষ্টিয়া জেলা রেজিস্টার অফিসে যাই। ওই খানে যাওয়ার পরে আমার সমস্যা কথা বলি সে বলে আপনার সমস্যা সমাধান করা যাবে আপনার কাগজ পাতি দেন তো আমার কাছে রেকর্ড ছিলো তাকে আমি দি এবং তখন বলে টাকা দেওয়ার জন্য আমি বলি কত টাকা সে আনু মানি আমার কাছে দুই হাজার চাই আমি এক হাজার টাকা দি বলে এই টা নাকি দলিল তলাশির জন্য লাগে তার পরে সে বলে এক সপ্তাহ পরে তার কাছে যেতে আমি এক সপ্তাহ পরে যাই সে বলে খুজে পাইনি এই ভাবে গুরাই এবং বিভিন্ন কথা বলে আমার কাছে থেকে আরও দুই হাজার টাকা নেই মোট তিন হাজার পরে সে বলে দলিল পাওয়া গেছে আর ও দুই হাজার টাকা দিতে হবে আমি বলি তাকে দলিল দিলে তার পরে আমি টাকা দিবো অনি বলে এই ভাবে কাজ করা হয় না আমাকে বলে। পরে আমাকে এড়িয়ে চলে ফোন দিলে ফোন ধরে না।
একটি নামজারিতে,নায়েব ৫০০০০ টাকা দাবি করে,তারপর দরকষাকষি করে ৪০০০০ টাকা দেয়া হয়।
নামজারি করতে গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভুমি অফিসে, দাগ নাম্বার এর একটা সমস্যার কথা বলে আমার কাছে ১৫০০০/- টাকা দাবি করেছে। আমি বলেছি আচ্ছা মাই দেখছি, পড়ে করবো।
আমার একটা গাড়ি রানিং এক নেতা জোরপূর্বক তার বারিতে আটকায় রেখেছে। আমার কাগজ পাতি সব আছে। আমি স্থানীয় সকল নেতাদের কাছে ঘুরেছি সমাধানের জন্য। যে গাড়ি আটকায় রেখেছে সে তাদের লোক তাই কেউ সমাধানের জন্য কোন উদ্যোগ নেয়নি। আমি থানায় অভিযোগ করতে গিয়েছিলাম থানায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয় নাই। পরে আমি গাড়িটা উদ্ধারের জন্য কোর্টে সার্চ ওয়ারেন্ট আবেদন করি। কোট থানাকে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলে। থানা থেকে কোটে তদন্ত রিপোর্ট প্রেরণ করা হয় তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরও কোট সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু করে না পরে আমরা পেশকারের কাছে গেলে পেশকার আমার কাছ থেকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি তার কাছে অনুরোধ করি আমার কাছে এত টাকা নাই পরে সে আমাকে ভয় দেখায় যে আপনি টাকা না দিলে সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু হবে না লম্বালম্বা ডেট ফেলায় দেব ততদিনে গাড়ি জং ধরে নষ্ট হয়ে যাবে। তোরে আমি খুব কষ্ট করে ১৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হই কিন্তু তারপরেও সে মানেনি পরে সে আমার কাছ থেকে লাস্ট ২৫ হাজার টাকা চেয়েছে কিন্তু এই টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নাই আমার যে গাড়িটা আটকায় রেখেছে এই গাড়িটার উপর আমার পরিবারের রুজি রুটি চলে এখন আমি নিরুপায়। টাকাও ম্যানেজ করতে পারছি না আর উনি ঘুষ ছাড়া কাজও করে দেবে না। আমি সত্য তদন্ত রিপোর্ট চেয়েছিলাম যা ঘটেছে তাই। সত্যি রিপোর্টটা তার জন্য আমাদেরকে টাকা দিতে হয়েছে পুলিশের এস আই এর কাছে। তারা প্রমাণ ছাড়া ঘুষ খায় প্রমাণ নাই আমার কাছে কিন্তু টাকা আমি দিয়েছি। এখন পর্যন্ত আমি খুব কষ্টে দিন পার করছি শেষ আশ্রয়স্থল ছিল মহামান্য আদালত। সেখানেও আমি সমাধান পাচ্ছিনা এদেশে কোন আইন কানুন নাই ক্ষমতা যার আইন তার। একটা কথা ভুলে গেলাম যারা আমার গাড়িটা জোরপূর্বক আটকে রেখেছে তারাও চাঁদা দাবি উদ্দেশ্যে আটকে রেখেছে যেটার সমাধান তাদের কোন নেতার করে দিতে পারে নাই গঞ্জের কোন নেতা করে দিতে পারে নাই। এখন আল্লাহর কাছে বিচার চাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। আহা বাংলাদেশ।
All relevant doxuments are presented and well updated but i was overfined and to solve this issue i was asked a handsome amount of 15L to absolve everything. Trying my luck at negotiations now.
আমি ২০২৭ সসচ এক্সামিনী আমার রেজিস্ট্রেশন সফল হয় নি । আমি ২০২৪ এ অসুস্ততার কারনে ক্লাস ৮ এর রেজিস্ট্রেশন তাহ করতে পারিনাই । কিন্তু ২০২৫ এ বোর্ড থেকে একটা নোটিশ আসে যে ২০২৪ এ যাদের ক্লাস ৮ এর রেজিস্ট্রেশন হয়নি তারা ওঁই সময়ে করতে পারবে । আমিও করলাম । কিন্তু রেজিস্ট্রেশন টা নাকি সফল হয় নাই দ্রফত এ আছে । যার কারনে ২০২৫ এ ও আমার ক্লাস ৯ এর রেজিস্ট্রেশন আটকে আছে । এখন ২০২৬ সেপ্টেম্বর আমার কাছ থেকে ৫০০০ থেকে ৭০০০ টাকা এর দাবি করা হচ্ছে । আর আতা না হলে তো আমি সসচ ২০২৭ এ পরীক্ষা দিতে পারব নাহ । I have to live in a corrupted country .....
ভুলবসত আমার পৈত্রিক সম্পত্তি একই দাগে ভিপি হয়েছে। আমার অংশে ভিপি। আমার অংশে ভিপু নাই মর্মে একখানা প্রত্যায়ন এবং নামজারি মিউটেশনের জন্য ২০০০০ ঘুষ চেয়েছে। আমার কসজটি এখনো পেইন্ডিং আছে।
প্রথমে বলি দিয়ে জায়গা দখল করে যারা উদ্ধারের জন্য ৫০০০০ টাকা দাবি করে না দিলে ক্ষতি করবে তার কারণে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে
অসুস্থ পিতার চিকিৎসা করাবো বলে জমি ব্রিক্রি করছি, কিন্তু জায়গা দলিল করার সময় নামে মধ্যম অংশে আংশিক ব্যবদান পাওয়া যায়, আবেদন করছি, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য পাটাইছে, ভূমি কর্মকর্তা তদন্ত করে সত্য প্রমাণিত হওয়ায়, নাম ঠিক করার জন্য রিপোর্ট দিছে, কিন্তু টাকা না দেওয়ায় , উপজেলা ভূমি অফিস ২ বছর ধরে ঘুরাচ্ছে ।
আমি জন্মনিবন্ধন বাংলাটা ইংলিশ করতে চাই।দায়িত্বরত ব্যাক্তি আমাকে বলে এইটা করতে খরচ বেশি পড়বো। আমি বললাম কত বললো ৫০০ টাকা