নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিস (এমইএস) এর সারা বাংলাদেশের প্রত্যেক কর্মকর্তা/কর্মচারীর কাছ থেকে বেতন সংক্রান্ত বকেয়া, টিএডিএ, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড, বৈদেশিক মিশন সংক্রান্ত ভাতা ও অন্যান্য বিষয়ে তাদেরকে অবধারিতভাবে তাদের কর্তৃক নির্ধারিত ঘুষের টাকা বা চাদা দিতেই হয়। অথচ এই শাখাটি ঢাকা সেনানিবাসের অতি গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া লগ অফিসে অবস্থিত। কোন আর্মি অফিসারদেরও তারা গুনেনা
সরকারি ব্যাংকে একাউন্ট করানোর জন্য জন প্রতি ১০০ টাকা করে নেয়। যা তারা বলে ফম লেখার জন্য নিছে।আসলেই কি টাকা লাগে
মাত্র ৬ শতক জমি খারিজে দেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম জমিতে কোন ভেজাল নাই শুধু কাতের দলিল 1996 সনের এজন্য বলে টাকা দিতে হবে, তবুও আমি বলছিলাম যেভাবে যতটুকু পাই অতটুকি খারিজ দেন
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে তার জন্য ১৩ হাজার টাকা দিতে হবে
ঢাকা দোহার উপজেলায় কিডনি,কেন্সার সহ কয়েকটা রোগের জন্য সরকার থেকে ১ লক্ষ টাকা অর্থায়ন করা হয়। সেখানে রোগিদের আবেদন করার জন্য অফিসের কর্মচারিরা জন প্রতি ১০,০০০ টাকা কন্টাক দাবি করে। কর্মচারিরা দাবি করে সরকারি অনুদান ১ লক্ষ টাকা পেতে হলে তাদের ১০,০০০ টাকা দিতে হবে। এভাবেই প্রত্যেক রোগির কাছে তারা ১০,০০০ টাকা দাবি করেন।
ভৈরব ভূমি অফিসের সিএস ও এসএ খতিয়ানের দুটি করে চারটি মূল বইয়ের মধ্যে একটি করে বই দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ। অভিযোগ রয়েছে, ১৯৭১ সালের পর এগুলো চুরি/সরিয়ে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে জেলা প্রধান ভূমি অফিস, এমনকি দেশের প্রধান ভূমি অফিস ঢাকা তে ও নথি পাওয়া যায় না। আরও অভিযোগ রয়েছে, ভৈরব ভূমি অফিসের কিছু কর্মচারীকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিলে ওই নিখোঁজ নথি থেকে কপি দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নথি উদ্ধার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার উপার্জন চলমান প্রক্রিয়ায় করে যাচ্ছে এই অসাধুচক্র। এবং এই ভোগান্তি দীর্ঘদিনের নয় দীর্ঘ বছরের।
আদালতে একটি মামলা চলমান ২০২০ সাল থেকে, কিন্তু এখন যেই স্তরে আছে, সেই স্তর থেকে সামনের স্তরে নিতে, ৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়, (মুরি) পেশকারের কাছে গেলে তিনি বলেন মহুরির সাথে কথা বলতে, তবে উকিল সাহেব এর এই খানে অপরাধ নেই, কিন্তু তিনি কিছু বলতে পারছেন না,
ময়মনসিংহ পৌর সিটিতে ৯ শতাংশ জায়গায় ১৩ তলা অনুমোদনের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছে।
My father went to pay water bill, but the government officer took the bill and did not sibmit it to the bank, he stole the money. But my father had the bill paid receipt, so he later took it to the government office and they said they will look into it
একটা প্রাইম মুভার গাড়ি নিছি, ২ মাস হলো এখনো নাম্বার করাতে পারি নাই, সরকারি জমা ১৭৫০০০ টাকা। BRTA চট্টগ্রাম বালুছড়া অফিস ঘুস চাচ্ছে ১,৩০,০০০/- টাকা। এ বাড়তি টাকা না দিলে গাড়ির নাম্বার দিবে না
রামগতি উপজেলায় প্রাইমারি শিক্ষক বদলির ম্যানুয়ালি প্রক্রিয়া চলছে। সিনিয়রিটি এবং দুরত্ব যাছাই না করে এমপি পি এস এবং শিক্ষ অফিস মিলে রাজনৈতিক বিবেচনায় লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে পদলি দিচ্ছে। যোগ্যরা টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাদের বদলি হচ্ছেনা।
নিজের নামে দলীল কৃত, দলীলের মুল কপি সংগ্রহ করতে গেলে ২০০০/ দাবি করে।
নিম্নে দলিলের নকল (Certified Copy) এর ফিসের হার দেয়া হলঃ দফা ‘জি (এ)’ অনুসারেঃ কোন হেতু, ভুক্তি বা দলিলের নকল প্রস্তুতকরণ বা প্রদানের ক্ষেত্রেঃ (অ) বাংলায় লিখিত প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা তার অংশ বিশেষের জন্য- ১৬ টাকা। (আ) ইংরেজি ভাষায় লিখিত প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা তার অংশ বিশেষের জন্য- ২৪ টাকা। দফা ‘জি (বি)’: কোন আবেদনকারী, কার্যালয়ের অন্যান্য নকলের কাজ অপেক্ষা, তাহার প্রার্থিত নকলের জন্য অগ্রাধিকার চাইলে, তাহাকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে হইবে, বা যদি নকলটি প্রতি পৃষ্টায় ৩০০ শব্দ-বিশিষ্ট চার পৃষ্টার অধিক হয়, তাহলে প্রতি পৃষ্টার জন্য ১৫ টাকা হারে অতিরিক্ত ফি দিতে হবে। কিন্তু আমার কাছে ২৫০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। আমি ২২০০ টাকা দিতে সম্মতি হয়ে জাবেদা নকল তুলতো দিয়েছি।
বিশ্ব ব্যাংক কর্তৃক BRTC তে BRSP নামক একটি প্গ্রাম চালু আছে যেখানে ড্রাইভিং শেখানো হয় এবং ড্রাইভিং শেষে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়া হয় সরকারিভাবে। কিন্তু ড্রাইভিং এর পরীক্ষা দেওয়ার আগে বিআরটিসি অফিস কর্তৃক আমাদের ৩০০ জনের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া বাবদ ৩০০০টাকা লাগবে এরকম দাবি করা হয়। পূর্ববতী সিসেপ প্রকল্পের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও এরকম টাকা নেয়া হয়েছে এবং আমাদের থেকেও নেওয়া হবে। বিআরএসপি প্রতি বেচে ৩০০ জন স্টুডেন্ট থাকে। এই টাকা পরিশোধ না করলে আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বেগ পেতে হবে এই ধরনের কথা আমাদেরকে জানানো হয়। আর একটা বিষয় হচ্ছে আমাদের সবাইকে ড্রপ টেস্ট করতে হবে এটাই প্রকল্পের একটি অংশ। কিন্তু আমাদেরকে এটাও বলা হচ্ছে ড্রপ টেস্টের টাকা নিজেরা পরিশোধ করতে.
নামজারিয়া আবেদন করতে যেয়ে ভূমি অফিস সম্পর্কে আমার অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়। সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়ে যাওয়ার পরও তারা দেখা যাচ্ছে দিনের পর দিন ঘুরাবে। এরা আমাদের পাসপোর্ট অফিস রাজশাহীর থেকেও বেশি ঘুরায়। এবং এটা কোনো কারণ ছাড়া আপনি যতক্ষণ না ঘুষ দিবেন ততক্ষণ আপনাকে ঘুরাতেই থাকে। তো আমি যখন নামজারি আবেদনের জন্য বললাম যে আমার এটা এটা করা লাগবে, তখন আমাকে বলল যে হ্যাঁ হবে কিন্তু ম্যাডাম একটু সমস্যা আছে বুঝতেই তো পাচ্ছেন আপনার জমে অনেক ঝামেলার, ইভেন ওখানে যিনি প্রিয়ন থাকে তা না তার ডিমান্ড অনেক বেশি সে যেকোন একটা নথি বই বের করতে ২০০০,৩০০০ বা ১০০ টাকাও নেই এটা ডিপেন্ড করে যে আপনার জমি কতটুকু আপনি কি রকম ড্রেসআপ করে আসছেন। আপনি বলদ কিনা তার ওপর। এবং আমি বেশ কয়েকবার এই ফাঁদে পড়ে আমি কিছু টাকাও দেই
নামজারি করতে গেছি নাম অস্পষ্ট তাই ১০০০০০ টাকা চাইছে বলছে নতুন দলিল করতে ২০০০০০লাগবে আমারে এই টাকা দেন আমি দুই দিনে করে দিব আমি প্রত্যয়ন, বা অন্য প্রমান দিতে চাইলে কোন কিছু দিয়ে হবে না, হয় টাকা নয় দলিল করেন
I submitted plan for my home last year but they are not approved yet without showing any reasons. They want bribe but cannot express.
সেবাটি ছিলো একটা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক তার স্কুলের ছাত্র ছাত্রী দিবে একটা কোচিং সেন্টারে সেজন্য প্রধান শিক্ষককে একটা বাইক কেনার জন্য ১ লক্ষ টাকা দিতে হবে।
ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে সচিবের আলাদা লোক আছে সে, এই টাকা দাবি করতে থাকে। সে ধরা বাইরে থাকে সচিব
মান্দা থানা,,, অবস্থা ভয়াবহতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।। পুলিশ এটাও ভালো। সব ঘুষ খোর