হোল্ডিং টেক্স
নতুন হোল্ডিং নাম্বার ও টেক্স পরিশোধ করার জন্য ফিল্ড অফিসার ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করেন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন হোল্ডিং নাম্বার ও টেক্স পরিশোধ করার জন্য ফিল্ড অফিসার ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করেন
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) দেশের সরকারি পরিবহন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। পণ্য পরিবহনে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোর ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে এই ডিপো দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় করে আসছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ডিপোটিতে প্রায় ২৮০টি ট্রাক চলাচল করে এবং পণ্য পরিবহন খাত থেকে মাসে প্রায় এক কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের তথ্যও পূর্বে প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু সম্ভাবনাময় এই প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে মিউট মামলা পরার পরে আমার থানার যে ফাইলিং করে তাকে টাকা না দেওয়ার কারনে ফাইল মাসের পরে মাসে ধরে রেখে ১ বছর পর ফাইলে ত্রুটি আছে বলে ফেরত দেয়। আর সার্ভের যে তিনি টাকা না দিলে দিনের পরে দিন ঘুরায়, এবং প্রতিবেদন দেয় না।
জমি দলিল পার করতে , ২৫০০০ টাকা
এসিল্যান্ড আল আমিন একজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জালিয়াতির দলিল দিয়ে আমার জমি অন্যজনের নামে নামজারি করে দিছে।পরে নামজারি বাতিল করার আবেদন করার পর আমার কাছে ২লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করছে। আমি ডিসি বরাবর অভিযোগ দায়ের করছি।
— ভূমি অফিসার, শেরপুর, মির্জাপুর ভূমি অফিস নামজারি করার জন্য ৫০০০০ টাকা চেয়েছ
নতুন খারিজের প্রস্তাব নিয়ে। টাকা পেলে প্রস্তাব দিবেন না হলে বাতিল করে দেন বর্তমান নায়েব —।
আমার জমি আমি অন্য জনকে টাকা ছাড়া দিয়ে দিতাম,, আমাদের চেয়ারম্যান র দাবি,,
কাস্টমস ASYCUDA তে একটা ভূয়া বিল অব এন্ট্রি করেছিল কাস্টমস সরকার সবার অগোচরে, ফৌজদারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠান জড়িত নয় উল্লেখ্ করা হয়। ঐ ঘটনার কাস্টমস সি এন্ড এফ লাইসেন্স সার্ভিল্যান্সের আওতায় আনা, পরে কাস্টমস বিচার করে ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে ।এখন চুড়ান্ত চিঠি যাবে সারভিল্যান্স প্রত্যাহারের জন্য, তাই ঐ চিঠি অনুমোদনের জন্য ২৫০০০০/- টাকা ঘুষ চাচ্ছে। ঘুষ চাচ্ছে ARO- — , লাইসেন্স শাখ, কাস্টমস হাউস,চট্টগ্রাম, তারিখ: ২৫/০৮/২০২৬ ।
আমি একজন পুলিশ সদস্য, কখনো অন্যায় ভাবে একটি টাকাও নেই নি। পরিবার বাচ্চা সবমিলিয়ে কষ্টে দিন কাটছে, পরিবারের সদস্যরা বেশি । কিন্তু আমি কোনো এক থানায় কর্মরত আছি, ইদানীং আমাকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, যাতে করে আমি বদলি আবেদন করি, কারণ আমি ঘুষ খাইনা, তারা আমার সাথে কমপ্পেটবল হয় না। অতপর আমি একই শহরে অন্য শাখায় বদলির আবেদনপত্র জমা দিই, উপর থেকে জানানো হল মোটা অংকের টাকা ছাড়া কাজ হবে না!! এমতাবস্থায় কি করি!! চাকরি করা অনেক কঠিন হয়ে গেছে, এদিকে পরিবার আমার দিকে তাকিয়ে আছে! ঘুষ দিয়ে বদলি হবার পরে আমি কি সৎ থাকতে পারবো?
সেবাটি ছিলো ভূমি নামজারি। ভূমি অফিস থেকে অনলাইনে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট করে, আশুলিয়া ভূমি অফিসের কানুনগো এর কাছে শুনানি করলেও, ৭ দিন পরে তিনি বলেন যে, সার্ভার থেকে নাকি সেসমস্ত ডকুমেন্ট দেখা যাচ্ছে নাহ। অথচ, ৭ দিন আগেই তিনি শুনানি করে তার ধাপটুকু এপ্রুভ করে (ট্র্যাকিং এ অগ্রগতি ছিলো ৮৩.৩৩%), সহকারী কমিশনার ভূমির নিকট পাঠিয়েছিলেন। এরপর সহকারী কমিশনার ভূমি আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার নামজারি আবেদনটি নামঞ্জুর করে দেন শুধুমাত্র তাদের সার্ভারে সেটি নেই বলে। আমার ১১৭০ টাকা এবং প্রায় ২ মাসের প্রচেষ্টা এখানে পরাজিত হয়। কিন্তু, এই একই অফিসে ৮০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আমার প্রতিবেশী মাত্র ৫ দিনে নামজারি করিয়ে নিয়েছেন।
আমি একটি পরিবারের জন্য একটি চাউলের কারড করতে গেলে,আমাকে বলা হয় পাঁচ হাজার টাকা লাগবে তাহলে কার্ড হয়ে যাবে। আর যদি না দেই তাহলে কাজগুলো জমা করে যাই ওনারা পরে দেখবে। এটি দেখবে এলাকার মেম্বার এবং চেয়ারম্যান
১০০০০ টাকা চেয়েছিলো।। পরে ৫০০০ দিয়েছি।। টাকা নিয়ে।। কোনো কাজও করেনি
ন্যাশনাল হাউজিং অথোরিটি এর প্লট প্রাপ্তি এবং তৎপরবর্তী সমুদয় অর্থ পরিশোধ পরবর্তী বাস্তব দখলের উচ্ছেদ কার্যক্রম সমাপ্ত হইলেও আমাকে বাস্তব দখল ও রেজিস্ট্রেশন এর পত্র দেওয়া হচ্ছে না।
নকল তোলার জন্য গেলে সেখানে সরকারি ফিস বাদেও তাদেরকে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দিতে হবে নয়তো নকল ( দলিলের ডুপ্লিকেট কপি) দেওয়া সম্ভব না এই ১০০০ টাকা কে তারা আদর করে শেরেস্তা নামে ডাকে।
নামজারি ১১৭০৳ সরকারি ফি,দাবি করে ১০০০০৳
লালমনিরহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল বিদ্যালয়ে বাজে আসে লক্ষ টাকা তার হিসাব ৬ ৯ টিও এটিও ঘুষখোর এটিও টাকা ছাড়া কাজ করে না কাছে হাত এ দেয় না হেডমাস্টারের মন গড়া রুটিন
২০২১ সালে বাড়ির কাজ শুরু করার সময় ওয়াসা অফিসে জানাই, সেই মাস থেকেই নির্মান বিল করা শুরু করে, যার ইউনিট প্রতি মূল্য প্রায় ৪৫ টাকা৷ আর আবাসিক এর ইউনিট মূল্য প্রায় ১৫ টাকা। ২০২৩ সালে বাড়ির কাজ আপাতত শেষ হলে তখন থেকে তাদের বলে, চিঠি ইস্যু করে নানাভাবে বিল আবাসিক করার চেষ্টা করছি, কিন্তু এখনো করতেছে না। ২ হাজার টাকা যেখানে বিল আসতো, এখন সে বিল করে ৪-৮ হাজার টাকা। শেষ আপডেট হচ্ছে আবাসিক করে দিবে তাও ৩০% বানিজ্যিক/ নির্মান বিদ্যমান রেখে। তার জন্য তাদের খুশি করতে ১০,০০০/- টাকা দিতে হবে। দিচ্ছি না বলে করে দিচ্ছে না।
প্রতি শতাংশ নামিজারি বাবত 2000/- দাবি করছে। অনেক কে আরো বেশি টাকা দিতে হযেছে।
জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ি এর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসহ সকল নিয়োগে রমরমা বানিজ্য চলে। সেটা এক প্রকার ওপেন সিক্রেট। খাগড়াছড়ি জেলার সকল বাসিন্দা জানে।কিন্তু কোন মিডিয়ায় আজ পর্যন্ত প্রকাশিত হয় নি। কেন হয়নি সেটা এখানকার দ্বায়িত্বরত সাংবাদিকরা বলতে পারবে। পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফলে এখানকার হস্তান্তরিত সকল বিভাগের নিয়োগ /বদলি জেলা পরিষদের কাছে ন্যাস্ত। আর সকল সার্কুলারের বিপরীতে নিয়োগকারী একমাত্র কতৃপক্ষ জেলা পরিষদ হওয়ায় প্রত্যেকটা পদের বিপরীতে ১০~২৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয় যা কারো অজানা নয়। সহিসেবে এক একটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শতকোটি টাকার লেনদেন হয়। আর ভুক্তভোগী হয় আমাদের মত নিম্ন মধ্যবিত্ত বেকার চাকরি প্রার্থীদের যারা নিজ যোগ্যতায় চাকরির জন্য দিনরাত কষ্ট করে যাচ্ছে। কিন্তু মেধা হেরে যাচ্ছে টাকার কাছে।