রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নাম পরিবর্তন
আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নাম ভুল থাকায় আমি নাম পরিবর্তন করতে চাই তখন তারা অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নাম ভুল থাকায় আমি নাম পরিবর্তন করতে চাই তখন তারা অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করে
সাতক্ষীরা বিআরটিএ যে যে কাজেইযাইনা কেনটাকাছাড়া কাজ হয়না
নিজ শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরের আরেকটি শহরের সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে চাকুরী করি । কয়েকবার চেষ্টা করেছি নিজ শহরে বদলি হওয়ার জন্য। প্রতিবার ঘুষ চেয়েছে । শেষবার বদলির আবেদন করে ঢাকাস্থ অধিদপ্তরে যাই একটু তদবিরের উদ্দেশ্যে। জানি ঘুষ ছাড়া বদলি হবে না, তাই প্রস্তুতি নিয়েই গিয়েছিলাম এবার। অধিদপ্তরের প্রধান ব্যক্তির সাথে দেখা করলাম , তার অফিসেই। তিনি সরাসরি চার লক্ষ টাকা দাবি করলেন। বদলি আমার খুবই দরকার, তাই চার লাখের বদলে আমি দুই লাখ দিতে চাইলাম। তিনি সরাসরি বললেন, এটা মাছ বাজার নাকি? এখানে দরদাম চলে না। ৪ লাখ দিলে হবে, নতুবা নয়। আমি দুই লাখ অগ্রিম দিয়ে বাকি দুই লাখ বদলি আদেশের পর দিতে চাইলাম। তিনি রাজি হলেন না। রাগত ভাবে আমাকে রুম থেকে বের করে দিলেন।
আমাদের কোম্পানীর প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে এই অর্থ দাবী করা হয়। দরকষাকষি চলছে। কারখানা চালাতে গেলে ফায়ার লাইসেন্স আবশ্যক |
আমি বোর্ডে গিয়ে আমার নাম পরিবর্তন করতে চাই রেজিস্ট্রেশন কার্ডে তারা বোর্ড ফি বাদেও কিছু টাকা দাবি করে কাজটি তাড়াতাড়ি করিয়ে দেওয়ার জন্য
অবৈধ জম্মনিবন্দন করে ৫/১০ হাজার টাকা নেয়
মিউটেশন করার জন্য সরকারি খরচ ১১৭০ । কিন্তু ভূমিঅফিস থেকে ক্লিয়ারেন্স দিবেনা এসিল্যান্ড অফিসকে তাই এজন্য ঘুষ দাবী, জমির পরিমান ও দাম অনুযায়ী তা লাখ টাকাও হয়ে থাকে ।
2 face electricity line conversion to 3 face electricity line.
বলেছিলাম, সিলেট সেনানিবাস— মুরাদপুর বাজারস্থ— (বাইপাস) শাহপরান রাহ. ব্রীজ এর টোলপ্লাজার কথা। এখানে ওপেনে চাঁদা নেয়া হচ্ছে। নামেমাত্র রয়েছে টোলপ্লাজা। কিন্তু কোনো টাকা আমার দেশ পায় না। সব টাকা চলে যায় ম্যানুয়ালি। তথা অবৈধ স্টাইলে রিসিট/রসিদ ছাড়া। আপনি যাস্ট ৫ মিনিট দাঁড়িয়ে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, সিএনজি গাড়ির প্রায় ১০০% এর মধ্যে ১০০% ই সাইড রাস্তা দিয়ে চলে যেতে দেয়। এবং দু পাশে দুজন দালাল এন্ড গার্ড রাখছে। এদের মাধ্যমে ম্যানুয়ালি টাকা তোলা হয়, নাই কোনো ডকুমেন্টস, নাই কোনো রিসিট। অথচ এসব নিয়ে কেউ কথা বলে না। প্রশ্ন হচ্ছে, রাস্ট্রের টাকাগুলো এভাবে চোখের সামনে ডাকাত দল ভোগ করা দেখে রীতিমতো খারাপই লাগে, এজ এ দেশের নাগরিক হিসেবে। এসবের তদন্ত করা খুব জরুরি। এই টাকা যায় কই? —।
আমি একটি ম্যারিজ সার্টিফিকেট ই এপোস্টেলের জন্য আবেদন করেছি স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস মুন্সিগঞ্জ। অনেক দিন হয়ে যাওয়াতে যোগাযোগ করি রেজিস্ট্রার অফিসের এক কর্মচারির সাথে সে জানায় এখানে কোনো কাজ হয় না যা করবে কাজি কাজির নাম্বার নিয়ে কাজিকে কল করলে কাজি জানায় হাদিয়া বাবদ ২০০০ টাকা দিতে হবে এবং সে বিকাশ নাম্বার দেয় এ বিষয় নিয়ে তর্ক হলে সে পরবর্তীতে ২০ হাজার টাকা দাবি করে ইতোমধ্যে ৩৩৩ ও লিগ্যাল এইড সেবা নাম্বারে কল করলে তারা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে লিখিত অভিযোগ করতে জানায় এখনো চলমান অভিযোগ কম্পোজ করে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে ঘুরছি এক সপ্তাহ ধরে জানিনা পরবর্তীতে কি হবে।
যে কোনো কাজে গেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা রাখে পিয়ন গুলো৷ অনেক সময় কাজ করে না টাকা না দিলে
BSTI, পরিচালক, পরিবেশ পরিচালক, ফায়ার, ভ্যাট অফিস সাবাই কে ঘুষ দিতে হয়
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা প্রচুর ঘুসি লেনদেনের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও ডিফেন্সের চাকুরী নিচ্ছে।। টাকার পরিমান ১৫-২৫ লক্ষ্য পর্যন্ত লেনদেন করেছে। বিশেষ করে মাঠ অঞ্চলের দিকে এটি বেশি হয়ে থাকে । উল্লেখযোগ্য যে মাছমারা গ্রামের অধিকাংশ ছেলে এর সাথে জড়িত ।।
চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস অফিস থেকে এইসবের কিছু কাজ হয়। যেখানে আপনি পণ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে মোটা অংকের লেনদেন চলে। বার্মা থেকে যেই শুটকি আসে ওখানে এক মাছ দিয়ে আরেক মাছের পণ্য আনা নেয়া চলে। অথচ ভিন্ন রেইট। এভাবে এরা বিপুল পরিমাণে সরকারি রাজস্ব নষ্ট করে নিজের পকেট ভারী করে। এইসবের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।
হোল্ডিং নাম্বার টা খুলে দিবে এর জন্য টাকা চাইছে। টাকা না দিলে খুলে দিবে না বলছে।
খতিয়ান অনুমোদন করার সময় চাইলো ৩১০০ যাহা ১১০০ টাকা। বাধ্য হয়ে ৩১৫০ টাকা দিলাম। খতিয়ান অনুমোদনের পরচাই আরো ৩১০০ টোটাল ৬২০০ চাই
আমার আম্মা উনার আম্মার জমির দলিল এর কপি উঠাতে গেলে ভূমি অফিস ব্রাক্ষ্ ণ বাড়িয়ায় জেলা সদরে এই ঘুষ চাওয়া হয়
এখন হবে না, টাকা ছাড়া
আমি সকল প্রকার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ করেছি। বিল পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারি এবং কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুষ দাবি করছে।
সরকারিভাবে নামজারি সেবা ১১০০ টাকায় সম্পন্ন হয় কিন্তু ভুমি অফিসে দালাল ছাড়া কর্মকর্তারা কাজ করেন না আমার কাছ থেকে দালাল ৩৫০০০ টাকা দাবি করে, আরেকটা কথা অনলাইনে আবেদন করলেও তারা সেটা চেক করেও দেখেনা