ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য এক্সট্রা ২০০০ নিচে। চার বছর আগে ড্রাইভিং লাইসেন্স করছে এখনো কার্ড পায় নাই।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য এক্সট্রা ২০০০ নিচে। চার বছর আগে ড্রাইভিং লাইসেন্স করছে এখনো কার্ড পায় নাই।
আমি মাস্টার্স পরিক্ষা দিয়ে ১ সাবজেক্ট ফেল আসে। তারপর রিচেক করার পর পাস আসে। সার্টিফিকেট তোলার জন্য ডিপার্টমেন্ট এ যাই, সেখানে অন্য একটি ডেস্কে রিচেক করা সার্টিফিকেট তোলার জন্য পাঠায়। সেখানে গেলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, এই রিচেক করা সার্টিফিকেট নাকি কলেজে আসে না। এতে ২৪০০ টাকা লাগবে তবেই আমি সার্টিফিকেট পাবো নয়তো পাবো না। আমি ঘুষ দেইনি এবং এখনো সার্টিফিকেট তুলতে পারিনি৷
আমার একটি আইফোন ঢাকা থেকে ছিনতাই হয়। আমি বাড়িতে এসে মোবাইল এর বক্স নিয়ে চরভদ্রাশন থানায় হারনোর জিডি করার জন্য যাই। তারা বলে ১৫০০০ টাকা দিলে তারা ফোন উদ্ধার করে দিবে
নবায়ন করতে হলে টাকা লাগবে ১৩ হাজার
সিসিটিভিতে দুর্ধর্ষ চুরিতে শনাক্ত হওয়া চোরের বাসায় যাওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করাতে তিনি টাকা দাবি করেন
আমার বাড়ি সরিষাবাড়ী জামালপুর।আমার একটি ক্রয় জমি অনেকদিন যাবত ভূত দখল করে আসতেছি। গত বছর তা খারিজ এবং নাম জারি করতে গেলে ভুলবশত অন্য কারো নামে আমার জমিটি খারিজ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পর্যায়ের ভূমি অফিসে গিয়ে যাওয়ার পর উনারা আমাকে কয়েক সপ্তাহ ঘুরায়। কিছু না পেরে ১০০০ টাকা দিয়ে আমি আমার জমির প্রতিবেদন উপজেলা ভূমি অফিসে প্রেরণ করি। সরকারি নির্দেশনা মতে আমার জমির ভুল নাম জারি সংশোধন হওয়ার কথা এক মাসের মধ্যে। কিন্তু এখন ৬ মাস হয়ে যাওয়ার পরেও তারা কোন উদ্যোগ নেয়নি। কারণ আমার কাছে বাড়তি টাকা চেয়েছে আমি তা দিতে রাজি হইনি। আমাকে বলা হয়েছে দুই বছর থেকে তিন বছর পর্যন্ত সময় লাগবে। এখন আমি তাদের অফিসে অফিসে ঘোরাঘুরি করতেছি কিন্তু টাকা দেইনি।
আমরা একটা সমবায় সমিতি করে দুই বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরে সমিতির একটা ভালো মূলধন তৈরি হয়। আর সেই অর্থ আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে গিয়ে আমাদের এটাকে সরকারি নিবন্ধন করার প্রয়োজন পড়ে। আমরা উপজেলা সমবায় অফিসে শারীরিকভাবে হাজির হয়ে আলোচনা করি কিভাবে কি করা যায়। উনারা আমাদের থেকে ২,০০০ টাকা দাবি করেন যা দিয়ে ওনারা নাকি বিভিন্ন বই খাতা বা রেজিস্টার কিনবেন আমাদের সমিতির রেজিস্ট্রেশন এর জন্য এবং সেটা আমরা দেই। পরবর্তীতে ওনারা আমাদের কাছ থেকে আরও ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। দীর্ঘ তিন বছর পার হয়ে যাওয়ার পরেও আমরা সেই ঘুষ না করা হয়নি। ওই অফিসের সবাই এর সঙ্গে জড়িত নেতৃত্বে আছেন উপজেলা সমবায় অফিসার । উত্তর সেবার সরকার নির্ধারিত ফি মাত্র ৩৪৫ টাকা ছিল।এর সকল প্রমাণ আছে।
তারাকান্দা উপজেলার তালদিঘি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আমরা ২০২৬ সালে পরিক্ষা দিয়ে পাশ করেছি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব গিয়েছিলাম প্রশংসা পত্র বা প্রত্যয়ন পত্র আনতে কলেজে ভর্তির জন্য তারা আমাদের কাছে ৫০০ টাকা চেয়েছে। আমরা কিছু বলি নাই সোজাসুজি চলে আসছি।
নিতে চেয়েছে এখনও দেয়নি।
সাময়িক সনদ তুলতে গিয়েছিলাম, ১ দিনে দিয়ে দিলো, টাকা চাইলো, একটা নগদ নাম্বার দিলো, কয় এই নাম্বারে টাকা পাঠাইয়ো তারপর টাকা দিলাম ১০০, তারপর শিক্ষা বোর্ডে গেলাম, ১ ঘন্টার মধ্যে রেডি করে দিয়ে দিলো,। যে দেওয়ার কথা ছিলো ৩ দিনের বিতরে।
বিদেশ থেকে পাসপোর্ট সংশোধন, বললাম কত টাকা লাগবে বললো ৩লাখ + বললাম জানাবো ভাই, বললো বিরাট সমস্যা এটা করা যাবে না, তবুও করে দিবো কিন্তু টাকা অনেক লাগবো, বললাম ঠিক আছে জানাবো।
আমি একটি ফ্লাট কিনেছি ৮ম তলা যার পারমিশন পৌরসভা থেকে দেয়নি। আমার এই ভবনে ৬ তলা পর্যন্ত পারমিশন আছে । ভবনটি ৮ তলা বিশিষ্ট ইতিমধ ৭ তলা পর্যন্ত রেজিস্ট্রি সম্পূর্ণ হয়েছে ঘুষ বা ফোন কলের বা ক্ষমতাধরদের ক্ষমতার মাধ্যমে। নতুন সরকার আসার পর সাব রেজিস্ট্রি অফিস জানিয়েছে পারমিশন ছাড়া প্রতি দলিল ১৫০০০০ টাকা এক্সট্রা ঘুষ দিতে হবে না দিলে পারমিশন নেই এমন দলিল রেজিস্ট্রি হবে না। আমি এখন কি করবো বুঝতে পারছিনা । অপর দিকে আমার ফ্লাট মালিক অসুস্থ কোন কারণে মারা গেলে আমি বিপধে পরেযাব । এতগুলো টাকা এখন আমি কি করবো ?
kabin nama e-apostile free te korar kotha ar seta automatic online howar kotha. kintu onekdin dhore online na howar karone offfice gele jela register officer er ekjon mohila 6000 tk dabi kore. whatsapp call record ache. bistoy ta niye onek hoyranni hocce manush
৪ শতক জমি খারিজ করার জন্য ৫০০০ টাকা চাইলো। প্রকৃত খরচ নাকি ১১/১২ শত টাকা।
amar kase dabi kore Land Office ar Asistent.
প্রতিনিয়ত বা প্রতিদিনই ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে টিকেট কালো মানুষদের হাতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১৬০ টাকা টিকেট ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা নিচ্ছে স্টেশনের কর্তব্যরতা কর্মকর্তা ও একদল টিকেট কালোবাজারি প্রতিদিন গরে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা সাধারণ মানুষের টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
৮৩ শতক জমী।বছর কয়েক আগে জমীটা হিন্দুদের থেকে কেনা, খাজনা দিতে গেলাম। কিন্তু লাগবে ৮৩হাজার টাকা সাথে আরো ১০ হাজার।রিজন হলো★ হাল সাং ভারত পক্ষে বাংলাদেশ সরকার ★লেখা আছে খতিয়ানের উপর।আপাতত সার্ভিস নিতে আমি ইচ্ছুক নই।
বিবিধ মোকদ্দমা শেষ পর্যায়ে (রায়ের জন্য) আছে। সকল কিছু আমার পক্ষে, গত দেড় বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে টাকা না দেওয়ার কারণে। আমি এখন পর্যন্ত টাকা না দেওয়ায় রায় দিচ্ছে না।
আমি অপূর্ব টেকনোলজিস এর নিয়োগ করা আইনজীবী, একটা মীমাংসার জন্য লেবার কোটে যেতে হয় আমাকে, আমাকে ১০ দিন সময় দেওয়া হয় সমস্যা সমাধান এর জন্য নয়তো বা বাদিরা মামলায় যাবে কিন্তু আমি আমার একক চেষ্টাতে কোম্পানির কাছে থেকে দুই জন বাদীর টাকা লেবার কোটের ভিতর লেবার অফিসার এর সামনে সকল আইনি কাগজ complete করে অনলাইন পেমেন্ট করাই এরপর লেবার অফিসাররা আমার সাথে আলাদা ভাবে কথা বলতে চান তাই বাদী পক্ষ রুম থেকে বের হয়ে যান তখন লেবার অফিসার রা আমার কাছে সম্মানি চান এতে আমি খুব অবাক হয় কারণ সকল সমস্যা জানার পর আমি নিজ দায়িত্বে মাত্র ৩৬ ঘন্টার মধ্যে দুই পক্ষের মীমাংসা করি। এখানে লেবার অফিসার এর কোন ফেবার ছিল না।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিটি কাগজ অনুমোদন এর জন্য টেবিল প্রতি ৫০০০ থেকে শুরু করে লাখ লাখ টাকা ঘুষ প্রদান করা লাগে যেকোন উপাদান,পন্য, ডিভাইস অনুমোদন, রেজিষ্ট্রেশন, মিটিং এ উত্তাপন এর জন্য ঘুষ দেওয়া লাগে, বড় মেডিসিন কোম্পানীগুলো অতিরিক্ত ঘুষ দিয়ে দিয়ে ছোট কোম্পানী গুলো ঘুষ না দেওয়ায় তাদের ব্যবসা অগ্রসর ব্যহত করে