জেলা শিক্ষা অফিস
২০২২ সালে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য ফরওয়ার্ডিং পেতে ঘুষ চেয়েছিল।।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২২ সালে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য ফরওয়ার্ডিং পেতে ঘুষ চেয়েছিল।।
নোয়াখালী জেলার, সোনাইমুড়ী উপজেলার, ৯ নং দেওটি ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পিয়ন থেকে অফিসার সবাই বিষয়টার সাথে জড়িত, যে কোনো প্রকার জমির নামজারি করতে গেলে সর্বনিম্ন ১০০০০ দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তাদের ঘুষ বানিজ্য,, পুরো ইউনিয়নের সকল মানুষই তাদের সম্পর্কে জানে, কোনো গোয়েন্দা সংস্থা যদি তাদের এই অপকর্ম ধরতো, হাজার হাজার মানুষের অনেক দোয়া পেতো, ,
মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে দিতে হবে ঘুষ
২০১৮ তে খুলনায় পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। আমি ভেরিফিকেশনের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে যাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ভেরিফিকেশনের ব্যাপারে জানাই। ভদ্রলোক আমাকে অপেক্ষা করতে বলে নামাজে যায়। নামাজ থেকে এসে তিনি আমার পাসপোর্টের আবেদনের সকল তথ্য নেন এবং চা নাশতা খাওয়ার তাগিদে ১০০০ টাকা দাবি করেন। আমি ওনাকে বলি, এরকম তো চা নাশতা খাওয়ার টাকা নেওয়ার নিয়মাবলি ওয়েবসাইটে বলা নাই। ঐ মুহুর্তে আমার কাছে ৩০০ টাকা ছিলো। আমি বলি আপনি এই ৩০০ টাকা নেন। উনি অনেক অযুহাত দিয়ে থাকেন। আমার এ জায়গায়, ঐ জায়গায় টাকা দিতে হবে, না দিলে কাজ কেউ করবে না। আমি বললাম আমার কাছে ৩০০ টাকাই আছে। উনি সব তথ্য নিলেন ঠিকই কিন্তু ৩০০ টাকা নিলেন না। পরবর্তীতে ২ বছর পর চট্টগ্রামে ভেরিফিকেশন করিয়ে ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট নেই।
আমদানিকারক গার্মেন্টস কাচামাল ২০ টন বলে ২৫ টন আনছিল। অফিসার ৩০ লাখ দাবি করে। পরে মামলা হয়।
বাইকের রেজিস্ট্রেশন পেপার সাবমিট করার সময় চেয়েছে
বিদ্যুৎ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলাম, টাকা চেয়েছে, ২০০০০০ না হলে নাকি লাইন ওভারলোড দেখিয়ে আবেদন বাতিল করা হবে।। আমি এখনো টাকা দেই নাই। কি করবো ভাবছি।
আমার বাবা ২০১২ সালে মারা যাওয়ার সময় আমরা ভাই-বোন অনেক ছোট ছিলাম। তাই তখন মহানগর সিটি জরিপ চলাকালীন থাকা সত্ত্বেও আমাদের বনশ্রী এলাকায় অবস্থিত ফ্লাটটি নামজারি করাতে পারিনি। যখন বড় হয়ে বুঝের হই তারপর বাড্ডা ভূমি অফিসে ২০২৪ সালে নামজারির আবেদন করতে যাই। কিন্তু কর্মকর্তারা বললো আমার দলিলে যেই দাগে জমি রয়েছে সেই দাগে কাগজে কলমে কোন জমি ভুমি অফিসের বালাম বইয়ে নেই। লিগাল একমাত্র উপায় হলো মিস কেইস মামলা করা। এই মামলা শেষ হতে কত বছর লাগবে তার কোন ঠিক নেই। ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা একজন দালালের নাম্বার দেয় তার সাথে দেখা করলে সে বলে দুই লক্ষ টাকা দিলে সে অনলাইনে ভ্যালিড নামজারি করে দিবে। উপায় না পেয়ে ১১৫০/- টাকার নামজারি আমি ২,০০,০০০/- টাকা দিয়ে করাই।
গাইবান্ধা জেলার, নলডাংগা ডিগ্রি কলেজ ৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণি নিয়োগ প্রসঙ্গে। আমি নলডাংগা ইউনিয়ন বাসিন্দা, নলডাংগা ডিগ্রি কলেজ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে একটি দৈনিক পত্রিকা নিয়োগ কমিটির একজন আমাকে ডেকে নিয়ে বলল কলেজে তো নিয়ত চলতেছে তুমিও এপ্লাই কর। আমি বললাম করবো, কিন্তু তার পর সে বললো একটি পোস্ট জন্য ১৫০০০০০ টাকা দিতে হবে, কলেজের প্রিন্সিপাল এবং ম্যানেজিং কমিটিকে, আসলে আমার টাকা দাওয়ার ক্ষমতা নাই তাই আমি সেটাকে প্রত্যাখ্যান করি, কিন্তু নিয়োগ বানিজ্য হচ্ছে সেটা অনেকেই বুঝতে পারতেছে, কেউ কিছু বলে না
J Doctor test korbe se nijeo phone e bolesilo eta lagbe. pore lobbing kore onno doctor diye test koriyechilam.
টাকা দিলে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়া যায় ১০ দিনে , না হয় ১৫/১৮ দিন বা এর থেকে বেশি ও লাগে
আমাকে বলা হলো যেকোনো কর কর্মকর্তা কাছ থেকে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা প্রদান করতে হবে। এটা উনাদের অফিস খরচ। মেয়রথেকে শুরু করে সবাই এই টাকার ভাগ পায়।
আপনারা ডিসক্লেইম করছেন যে কারো নাম বা ব্যক্তিগত কোনো কিছু প্রকাশ হবে না। অথচ দেখা যাচ্ছে সরাসরি কিছু মানুষের নামে অভিযোগ দেখা যাচ্ছে। এখন যদি সেই ব্যক্তি আইনি প্রতিকার চায় বা মানহানি মামলা করে তাহলে আপনারা কিভাবে এর দায় এড়াবেন?
আমার বিদেশে যাবার উদ্দেশ্য নিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়েছিলাম। নানা রকম অজুহাত দিয়ে আমাকে 2 দিন ঘুরানো হয়েছিলো। আমার বাসা বাকেরগঞ্জ থেকে পাসপোর্ট অফিসের দুরত্ব 2 ঘণ্টার পথ। এতো দুরত্ব পাড়ি দিয়ে দ্বিতীয় দিন যে যে ডকুমেন্ট চেয়েছে সব নিয়ে যাবার পর বলে আরও document লাগবে, পরবর্তী একজন আনসার আমাকে ডেকে নিয়ে 4000 টাকা দাবি করেন। বিনিময়ে তিনি সকল কাজ করে রাখবেন বলে জানিয়েছিলেন।
গুলশান ভুমি অফিসে নতুন দাগ নাম্বারে একটি ফ্ল্যাট এর মিউটেশন এর কাজে গেলে সেখানে আমার কাছে ৩০০০০ টাকা পূরো কাজটি করে দেওয়ার জন্য দাবি করা হয়। সমুদ্য় কাগজপত্র ঠিক থাকার পারেও এই টাকা দাবি করা হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গিলে ২ বার আবেদন ত্রুটি দেখায়, অথচ সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো, পরে কম্পিউটার এর দোকান থেকে বলে ৪৫০০ টাকা দিলে কিচ্ছু লাগবে না সব টাকার গতিতে কাজ হবে, এটা শুনে পরে আর কাজ করি নাই
জমি খারিজ করার জন্য গেলাম কাগজ পএ সব ঠিক থাকার পর ও নাকি ৩৫০০০ টাকা লাগবে পরে আর এখনো করিনি।
ঘটনা সেটি হচ্ছে দলিলে লেখা নাই কি কারনে দলিল করা হলো অর্থাৎ ওই দলিলের পূর্বের দলিল সম্পর্কে কিছু বলা নাই বা কার কাছ থেকে পাইল এটা কিছু বলা নাই।
আমি আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম, সেখানে এক অনির্বাচিত সদস্য দারা 2000 টাকা চাওয়া হয়.আমি এই টাকা পরিশোধ করব না বললে, আমকে হুমকি দেওয়া হয় বাচ্চার নিবন্ধন কীভাবে করি উনি দেখে নিবেন।
ফেনীতে নামজারি করতে সরকারি খরচের বাহিরে ঘুষ দিতে হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস রিপোর্টের জন্য 1500 সার্ভেয়ার 1000 কানুনগো 1000 ভলিউম চেকিং +নোটিশ জারি 300 অনুমোদনের এসি ল্যান্ড 2200 ---------------------------------------- মোট খরচ= 6000/- আর যদি একটু জটিল হয় তাহলে দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে যায়।