নামজারী
আমার একটি দলিল নামজারী করতে বর্তমানে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়। শুধু আমার নয় মাধবপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা দলিল নামজারী করার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা জনগণ থেকে নিচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার একটি দলিল নামজারী করতে বর্তমানে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়। শুধু আমার নয় মাধবপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা দলিল নামজারী করার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা জনগণ থেকে নিচ্ছে।
My land mutation application has been rejected several times without any valid or clear reason. When I spoke with the AC (Land) Magistrate to understand the reason for the rejection, he was unable to provide any explanation and simply advised me to reapply. I followed his advice and submitted the application again. Since I had already left the district, my younger brother followed up with the concerned office on my behalf. However, the application was rejected once again. This has become a frustrating and seemingly endless cycle. Although the mutation application process is conducted online and all the required documents are submitted as scanned copies, applicants are also asked to submit
পুরাতন দলিল আর জমির পরিমাণ বেশি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। ওয়ারিশ মূলে নামজারি। এতেই চরম মূল্য বাকলিয়া সার্কেল ভুমি অফিস ও আগ্রাবাদ সার্কেল ভূমি অফিস, মহানগর, চট্টগ্রাম।
সরকারি ফি ১১৭০, নায়েবকে ৬০০০ টাকা না দিলে ভুল রিপোর্ট দিবে। টাকা দেই নাই করেছেও তাই। এখন বনে বনে ঘুরি। এখনো হয়নি কাজটি।
দেশের একটি নামিদামি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামান্য (গ্রেড-১৩) চাকরির জন্যে উপরোক্ত অর্থ দাবী করা হয়েছিলো। যিনি চেয়েছিলো তিনি নিজেও একটি নামিদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা দেয়ার পর, যতবার গিয়েছি নতুন নতুন ডকুমেন্ট চাইছিল। যেগুলো তালিকাভুক্ত নয়। যেমন নাগরিকত্ব সনদ। আমাকে তিন চার দিন ঘোরানোর পর বললো, আপনি "অমুক" এর সাথে কথা বলুন, তার পেছনেই একজন পিওন বা সামথিং। সে বললো, আমরা সব ঠিক করে দিব, ৫ এর কম হবেনা। সবাই পাবে। আমি একা নিব না। আমি না দিয়ে তথ্য নিজেই সংশোধন করি। পরে দেখা যায়, অনলাইন পেমেন্টের করার পর তাদের দাবী অনুযায়ী তথ্য সংশোধন এর কারণে আমার পেমেন্টের সাথে পাসপোর্ট এর আবেদনের সম্পর্ক ক্যান্সেল হয়ে গিয়েছে। আমার ফি সব সব শেষ!
নাম খারিজ অথবা রেকর্ড সংশোধন। নাম খারিজ অথবা মামলায় রায় প্রাপ্ত কোন রেকর্ড সংশোধন করতে গেলে তারা শতাংশ অনুযায়ী টাকা দাবি করে। ঘুষ না দিলে দিনের পর দিন ঘুরাতে থাকে। অনেক সময় কোন কাজ হয় না।
Any settlement bill or arrear
নাটোর জেলার, ৪ নং (সাবেক ৯ নং) লক্ষীপুর ইউনিয়ন (হয়বতপুর) এ আমার ছোট বোন এবং স্ত্রীর গর্ভকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, জনপ্রতি ৫০০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। টাকা চায় মহিলা আসনের মেম্বার —। টাকা না দিলে উনি কোনো এপ্রভুভাল দিবেন না। আমার প্রশ্ন হলো, যেই গরিব নারীগুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এই সু্বিধা পাবার কথা, তারা কেনো ৫০০০ টাকা করে ঘুষ দেবে এই টাকা পেতে হলে? বিষয়টি সরজমিনে গেলে অবশ্যই প্রমাণ পাবেন।
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
Jomir kagoj niye gecilam tik kore dibe bole taka dite hobe na hole hobe na
শিক্ষা সংক্রান্ত ( নতুন এমপি ও বিএড স্কেল উচ্চতর গ্রেড সহ আরও যে কোন ফাইল পাঠাতে গেলেই টাকা ছাড়া ফাইল পার হয় না ।) বিনা কারনে রিজেক্ট করা হয়, টাকা দিলেই পার হয়।
মাতুয়াইল মাও শিশু হাসপাতাল ঘুষের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ব্লাড টেস্ট করতে পরের দিন দূপুরে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে। কিন্তু আপনি ২০০টাকা দিলেই ১৫মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট রেডি। ওয়ার্ডগুলোতে যে আয়া নিয়োজিত থাকে ঐ খবিসগুলো টাকা ছাড়া বিছানা চাদর বালিস কিছুই দিবেনা। ক্লিনাররা রোগী রিলিজ দিলে টাকা ছাড়া ছাড়েনা। কোনো বাচ্চাশিশু কে ইমারজেন্সী NSU তে ভর্তি করা লাগলে সিট খালি থাকলেও আপনাকে বলা হবে সিট নেই। আনসার বা গার্ডের মাধ্যমে অন্য হাসপাতালে কথা বলিয়ে দিবে। সেখানে ভর্তি হবেন মোটা অংকের খরচ বহন করতে হবে প্রতিদিন। আর সেই খরচের কমিশন যায় ঐ আনসার আর যে ডাক্তার আপনাকে সিট নাই বলে বিদায় করেছে। কিছু সংখ্যক নার্সের আচরন দেখলে নিজেকে তাদের কাছে অসহায় ভাবতে বাধ্য হবেন। তবে সব নার্স না। যারা নতুন তারা কিছুটা ভাল।
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ দাবি
আমি নামজারি করতে গিয়ে ছিলাম তখন তহসিলদার নামজারির প্রস্তাব করানোর জন্য ১০০০০০ টাকা দাবি করে
পটিয়া পোস্ট অফিস, পটিয়া, চট্টগ্রাম, যেখানে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা রাখা হয়। অনেক অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষের টাকা ও সঞ্চয় করা হয়। কিন্তু টাকা উত্তোলনের সময় নানা অজুহাতে হিসাবের টাকা গ্রাহককে ঠকিয়ে রেখে দেয়া হয়। আমার টাকা উত্তোলনের জন্য গেলে এই টাকা তুলতে 1মাস সময় চাওয়া হয়। 1 মাস পর যাওয়ার পর ও আমাকে সেবা দিতে অপরাগতা দেখানো হয়। এর পর আমি ক্ষুব্ধ হলে আমার পে অর্ডারটি খুজে বের করে আমাকে দেয়া হয় এর জন্য আমার কাছ থেকে টাকা খুজে। আমি সেটি দিতে প্রত্যাখ্যান করি।
আমাদের জমির হোল্ডিং ট্যাক্স রিনিউ করার জন্য তৎকালীন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে গেলে তারা ছাড়পত্র দেয়। পরের বছর মালিকানা দাবি করে মামলা দেয়। আমার ট্যাক্স আর জমির সব কাজ আটকিয়ে দেয়। তৎকালীন কাউন্সিলর আমাদের কে মেয়রের কাছে জাইতে বলে। মেয়র আবার কাউন্সিলরের কাছে পাঠায় এই বলে যে, "কাউন্সিলরকে সব বলা আছে, ওনার সাথে ফাইনাল করেন।" কাউন্সিলর জানায় যে, মেয়র সাহেব ২০ কোটি টাকা চাঁদা ও অর্ধেক জমি চেয়েছেন, দিলে সব ঝামেলা মিটিয়া দিবেন, প্রোটেকশন দিবেন। আমরা পারিবারিকভাবে রাজি হই নাই। যার দরুন মামলা এখনও চলমান। যিনিই মেয়র হয়ে আসেন উনিই আমাদের জমি নিয়ে নিতে চান তার মত করে। আদালত পাড়ায় ঘুরি কিন্তু আদেশের আগে বিচারক পালটায় যায়। এখন আমি বেদখল, মামলা লড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছি।
আমি অনলাইনে আবেদন করে নির্বাচন অফিসে আমার যাবতীয় কাগজ পত্র নিয়ে যাই লাইনে দাড়াই সিরিয়ালে গিয়ে আমার কাগজপত্র দেখে বলে ঠিক আছে আপনি মঙ্গলবারে আসেন,আমি মঙ্গলবারে আবার যাই ঐ দিন বলে ছবি তুলে সোমবার আর বুধবার আপনি বুধবারে আসেন আমি বুধবারে যাই লাইনে দাড়াই আবার সিরিয়ালে গেলে বলে আপনাকে কি কল দেওয়া হয়েছিলো?? আমি বললাম না কল তো দেওয়া হয় নাই। পরে বললো অফিস থেকে কল বা মেসেজ দিবে। তারপরে গেলো ১৫ দিন কল মেসেজ আসলো না।আমার পরিচিত একজনের মাধ্যমে জানলাম যারা টাকা দেয় শুধু তাদের ছবি তোলার জন্য কল দেয় তার ৮০০০ টাকা লাগছে পরে আমি আবার নির্বাচন অফিসে যাই বলি আমার কাছে ৬০০০ টাকা চায় পরে আমি রাজি হই নাই
এইখানে প্রতিটা নামজারির জন্য ৫০০০-১০০০০ টাকা চাওয়া হয়। — নামে এক সাবেক ছাত্রলীগের লোক আছে,সে নায়েবের সাথে যোগাযোগ করে সব কন্ট্রোল করে।
জমি বিক্রি করেছিলাম ১০০০০ টাকা চেয়েছিল 5000 টাকা দিয়েছি উনি বলেছে দলিলে দাগ এবু নাল এই ধরনের সমস্যা আছে টাকা নেওয়ার পর সরকারি কোন ধরনের রিসিট দেওয়া হয়নি