Pension or bill
Any settlement bill or arrear
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Any settlement bill or arrear
আমার একটি দলিল নামজারী করতে বর্তমানে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়। শুধু আমার নয় মাধবপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা দলিল নামজারী করার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা জনগণ থেকে নিচ্ছে।
পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা দেয়ার পর, যতবার গিয়েছি নতুন নতুন ডকুমেন্ট চাইছিল। যেগুলো তালিকাভুক্ত নয়। যেমন নাগরিকত্ব সনদ। আমাকে তিন চার দিন ঘোরানোর পর বললো, আপনি "অমুক" এর সাথে কথা বলুন, তার পেছনেই একজন পিওন বা সামথিং। সে বললো, আমরা সব ঠিক করে দিব, ৫ এর কম হবেনা। সবাই পাবে। আমি একা নিব না। আমি না দিয়ে তথ্য নিজেই সংশোধন করি। পরে দেখা যায়, অনলাইন পেমেন্টের করার পর তাদের দাবী অনুযায়ী তথ্য সংশোধন এর কারণে আমার পেমেন্টের সাথে পাসপোর্ট এর আবেদনের সম্পর্ক ক্যান্সেল হয়ে গিয়েছে। আমার ফি সব সব শেষ!
আমি নামজারি করতে গিয়ে ছিলাম তখন তহসিলদার নামজারির প্রস্তাব করানোর জন্য ১০০০০০ টাকা দাবি করে
আমার বাবার নাম সংশোধনের আবেদন করি। নাম সংশোধন ও মিউটেশন সহ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এক লাখ টাকা দাবী করেন যার কোন প্রমাণাদি নাই।
আমি অনলাইনে আবেদন করে নির্বাচন অফিসে আমার যাবতীয় কাগজ পত্র নিয়ে যাই লাইনে দাড়াই সিরিয়ালে গিয়ে আমার কাগজপত্র দেখে বলে ঠিক আছে আপনি মঙ্গলবারে আসেন,আমি মঙ্গলবারে আবার যাই ঐ দিন বলে ছবি তুলে সোমবার আর বুধবার আপনি বুধবারে আসেন আমি বুধবারে যাই লাইনে দাড়াই আবার সিরিয়ালে গেলে বলে আপনাকে কি কল দেওয়া হয়েছিলো?? আমি বললাম না কল তো দেওয়া হয় নাই। পরে বললো অফিস থেকে কল বা মেসেজ দিবে। তারপরে গেলো ১৫ দিন কল মেসেজ আসলো না।আমার পরিচিত একজনের মাধ্যমে জানলাম যারা টাকা দেয় শুধু তাদের ছবি তোলার জন্য কল দেয় তার ৮০০০ টাকা লাগছে পরে আমি আবার নির্বাচন অফিসে যাই বলি আমার কাছে ৬০০০ টাকা চায় পরে আমি রাজি হই নাই
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় বেশিরভাগই লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষাতে উত্তীর্ণ হলেও প্রাকটিকাল এ ফেল করে। একই পরিস্থিতির শিকার হওয়ার পর আমাকেও একই প্রস্তাব দেয় BRTA এর একজন কর্মি, যে 3000 টাকা দেওয়া হলে fail এর জায়গায় pass এন্ট্রি করা হবে কম্পিউটার এ।
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ আদায়
এইখানে প্রতিটা নামজারির জন্য ৫০০০-১০০০০ টাকা চাওয়া হয়। — নামে এক সাবেক ছাত্রলীগের লোক আছে,সে নায়েবের সাথে যোগাযোগ করে সব কন্ট্রোল করে।
আমি সকল দপ্তরের ঘুষের খবর জানি এমন কোনো দপ্তর নাই যে ঘুষ না খায় কে কত খায় বিস্তারিত দিব পরবর্তী আপডেটে আমার কোড নাম —
মাতুয়াইল মাও শিশু হাসপাতাল ঘুষের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ব্লাড টেস্ট করতে পরের দিন দূপুরে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে। কিন্তু আপনি ২০০টাকা দিলেই ১৫মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট রেডি। ওয়ার্ডগুলোতে যে আয়া নিয়োজিত থাকে ঐ খবিসগুলো টাকা ছাড়া বিছানা চাদর বালিস কিছুই দিবেনা। ক্লিনাররা রোগী রিলিজ দিলে টাকা ছাড়া ছাড়েনা। কোনো বাচ্চাশিশু কে ইমারজেন্সী NSU তে ভর্তি করা লাগলে সিট খালি থাকলেও আপনাকে বলা হবে সিট নেই। আনসার বা গার্ডের মাধ্যমে অন্য হাসপাতালে কথা বলিয়ে দিবে। সেখানে ভর্তি হবেন মোটা অংকের খরচ বহন করতে হবে প্রতিদিন। আর সেই খরচের কমিশন যায় ঐ আনসার আর যে ডাক্তার আপনাকে সিট নাই বলে বিদায় করেছে। কিছু সংখ্যক নার্সের আচরন দেখলে নিজেকে তাদের কাছে অসহায় ভাবতে বাধ্য হবেন। তবে সব নার্স না। যারা নতুন তারা কিছুটা ভাল।
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
ভোলা হিসাব রক্ষণ অফিসের — (অডিটর) । তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভোলা সদর উপজেলার সকলের বেতন, বোনাস, অবসর ভাতার কাজ করেন। প্রতিটি কাজে তাকে টাকা দিতে হয়। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকেন, যা আমি নিজ চোখে দেখেছি। প্রবীণ শিক্ষক গণ ভয়ে তার দাবি কৃত টাকা দিয়ে দেয়। সে খুব কৌশলে কাজ করে। কাজ সমাপ্ত হলে আড়ালে গিয়ে টাকা নেয়। আমার কাছে দাবি কৃত টাকা প্রত্যাখ্যান করলেও অন্য অন্য কাজে ৫০০ করে দিতে হয়েছে।
এই খানে এত্ত গুলা রিপোর্ট যে সবাই দিচ্চে এই গুলা দেখে খুব ভালো লাগসে দেশ টা কে সুদড়ানো দরকার কিন্তু এই সব অভিযোগ গুলা খালি এই খানে জমা থাকবে? না কি একশন নেয়ার কেউ আছে? খালি খালি অভিযোগ করে লাভ কি ম্যাক্সিমাম সরকারি কর্মকর্তা/আইনি লোক গুলা তো ঘুষ খোর সবাইকে ধরবে কে আর শাস্তি দিবে কে?
আমি একজন সেনাসদস্য আমার পেনশন পাশ করার জন্য এফসি আর্মি পে -২ এসিসি—এ ইসি গমন করি সুপার — এবং অডিটর — আমার পেনশন পাশকরার জন্য 150000টাকা দাবী করে আমি এতো টাকা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে দীর্ঘ 18 মাস হলে এখনো আমার পেনশন পাশ করেনি । আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষের নিকট একের পর এক আবেদন করেছি কোন সুরাহা পাচ্ছি না। উক্ত ব্যাক্তিদ্বয় প্রত্যেক পেনশনের নিকট হতে পেনশনের জন্য এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করে । দীর্ঘ ৬ বছর পর্যন্ত এক অফিসে কর্মরত থাকার ফলে তাদের এ ঘুষ নেওয়া ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । প্রতিকার তাই
জমির মালিক মারা যাওয়ার পর তার ওয়ারিশ গনের নামে নামজারি করতে হয়।সব কাগজপএ ঠিক থাকার পারে ও ঘুষ দাবি করে।
ঢাকা এজি অফিসে জিপিএফ থেকে অগ্রীম উত্তোলনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছে। টাকা না দেওয়ায় চেক পাস করেনি।
আমার আম্মুর বিধবা ভাতা এর জন্য আবেদন করেছিলাম। এলাকার চৌকিদার আর বিএনপি নেতা এসেছিল যাচাইয়ে। ওনারা আমাদের চিনেন, তবুও ১৫০০ টাকা দাবি করেছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব নাম — (17830) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকার পরেও জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য এই অর্থ দাবি করেন, এবং বলেন তিনি আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে বাধ্য নন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব গাইবান্ধা খুবই একজন খারাপ মানুষ, টাকা ছাড়া তার দপ্তরে কোন ফাইল ই সই হয় না। অনেক অনেক ফাইল পেনডিং করে রাখে টাকার জন্য। এর বিরুদ্ধে সরকারের আসু পদক্ষেপ প্রয়োজন।
আমার নিজ নামীয় জমি ক্ষমতার ব্যবহার অপব্যবহার করে জবরদখল করার হুমকি দেয় যদি তার ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয় তাহলে সে উক্ত জমিটির দখল করবে না বলে আমাকে জানায় কিন্তু আমি উক্ত চাহিত ঘুষের টাকা না দিতে পাড়ায় আমার জমিটি ক্ষমতার জোরে জবরদখল করে রেখেছে এবং আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা পর্যন্ত দায়ের করেছেন। জমির লোকেশন বরিশাল লাইন রোড।