জন্ম নিবন্ধন সংশোধন
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য দুই নাম নাই নির্বাচন কমিশনের অপিস ইউনিয়ন পরিষদ অপিস।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য দুই নাম নাই নির্বাচন কমিশনের অপিস ইউনিয়ন পরিষদ অপিস।
জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়ার বিনিময়ে
আমাদের নরসিংদী সদরের বাবুরহাট বাজারে একটা ভিট দোকান আছে সেটা বাজারের পেরিফেরির বাইরে। আমরা নিয়মিত ট্যাক্স দিয়ে আসছি। কিন্তু হটাৎ আমার বাবা অসুস্থ হওয়াতে আমার ছোট ভাই এক বছরের ট্যাক্স দিতে গেলে তার কাছ থেকে ট্যাক্স না নিয়ে বলে দিছে বাজারের খাজনা নিতে পারবে না। তারপর আমি দেশে গেলে আমি চেষ্টা করি। আমাকেও নানান কথা বলে মানা করে দিছে কিন্তু আসল কথা হচ্ছে টাকা। তারপর আমি নরসিংদী ডিসি অফিসের এডিসি এর সাথে দেখা করে সব কিছু বলি। সে বলল একটা এপ্লিকেশন করতে। তাই করলাম। কিন্তু তখন কেবল আমার দুর্দশার প্রথম পর্ব। আমি আড়াইমাস দেশ ছিলাম। আমার সবটা সময় গেছে ডিসি অফিস থেকে জেলা ভূমি অফিস আর স্থানীয় ভূমি অফিসে দৌড়াদৌড়ি করতে করতে। শেষমেশ যখন আমাকে আর কোন দিক থেকে আটকাইতে পারে নাই তখন আমাকে এসিল্যান্ড অফিসার বলল
My land mutation application has been rejected several times without any valid or clear reason. When I spoke with the AC (Land) Magistrate to understand the reason for the rejection, he was unable to provide any explanation and simply advised me to reapply. I followed his advice and submitted the application again. Since I had already left the district, my younger brother followed up with the concerned office on my behalf. However, the application was rejected once again. This has become a frustrating and seemingly endless cycle. Although the mutation application process is conducted online and all the required documents are submitted as scanned copies, applicants are also asked to submit
পুরাতন দলিল আর জমির পরিমাণ বেশি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। ওয়ারিশ মূলে নামজারি। এতেই চরম মূল্য বাকলিয়া সার্কেল ভুমি অফিস ও আগ্রাবাদ সার্কেল ভূমি অফিস, মহানগর, চট্টগ্রাম।
সোনালি ব্যাংক, শম্ভুগঞ্জ, ময়মনসিংহ শাখায় একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলার জন্য পিয়ন ১০০ টাকা দাবি করে
বিএসপি তে থাকা নির্ধারিত ফি এর বাইরে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী এই অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। যা আমি পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করে চলে আসি।
২০১০ সালে জমিন দলিল করেছি,আমি এখন দলিল উঠাইতে গেছি, যে তারিখে দলিল হইছে সেই তারিখ বলছি কিন্তু সে বলতেছে দলিল পাওয়া যাচ্ছে না। আমি বললাম তাহলে এখন আমি কি করতে পারি সে বলল ৩০০০ টাকা দিলে দলিল পাওয়া যাবে,অন্যভাবে খুঁজে বের করে দেওয়া যাবে।
আমার একটি দলিল নামজারী করতে বর্তমানে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়। শুধু আমার নয় মাধবপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা দলিল নামজারী করার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা জনগণ থেকে নিচ্ছে।
আমার নিজ নামীয় জমি ক্ষমতার ব্যবহার অপব্যবহার করে জবরদখল করার হুমকি দেয় যদি তার ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয় তাহলে সে উক্ত জমিটির দখল করবে না বলে আমাকে জানায় কিন্তু আমি উক্ত চাহিত ঘুষের টাকা না দিতে পাড়ায় আমার জমিটি ক্ষমতার জোরে জবরদখল করে রেখেছে এবং আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা পর্যন্ত দায়ের করেছেন। জমির লোকেশন বরিশাল লাইন রোড।
মাতুয়াইল মাও শিশু হাসপাতাল ঘুষের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ব্লাড টেস্ট করতে পরের দিন দূপুরে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে। কিন্তু আপনি ২০০টাকা দিলেই ১৫মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট রেডি। ওয়ার্ডগুলোতে যে আয়া নিয়োজিত থাকে ঐ খবিসগুলো টাকা ছাড়া বিছানা চাদর বালিস কিছুই দিবেনা। ক্লিনাররা রোগী রিলিজ দিলে টাকা ছাড়া ছাড়েনা। কোনো বাচ্চাশিশু কে ইমারজেন্সী NSU তে ভর্তি করা লাগলে সিট খালি থাকলেও আপনাকে বলা হবে সিট নেই। আনসার বা গার্ডের মাধ্যমে অন্য হাসপাতালে কথা বলিয়ে দিবে। সেখানে ভর্তি হবেন মোটা অংকের খরচ বহন করতে হবে প্রতিদিন। আর সেই খরচের কমিশন যায় ঐ আনসার আর যে ডাক্তার আপনাকে সিট নাই বলে বিদায় করেছে। কিছু সংখ্যক নার্সের আচরন দেখলে নিজেকে তাদের কাছে অসহায় ভাবতে বাধ্য হবেন। তবে সব নার্স না। যারা নতুন তারা কিছুটা ভাল।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব নাম — (17830) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকার পরেও জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য এই অর্থ দাবি করেন, এবং বলেন তিনি আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে বাধ্য নন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব গাইবান্ধা খুবই একজন খারাপ মানুষ, টাকা ছাড়া তার দপ্তরে কোন ফাইল ই সই হয় না। অনেক অনেক ফাইল পেনডিং করে রাখে টাকার জন্য। এর বিরুদ্ধে সরকারের আসু পদক্ষেপ প্রয়োজন।
পটিয়া পোস্ট অফিস, পটিয়া, চট্টগ্রাম, যেখানে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা রাখা হয়। অনেক অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষের টাকা ও সঞ্চয় করা হয়। কিন্তু টাকা উত্তোলনের সময় নানা অজুহাতে হিসাবের টাকা গ্রাহককে ঠকিয়ে রেখে দেয়া হয়। আমার টাকা উত্তোলনের জন্য গেলে এই টাকা তুলতে 1মাস সময় চাওয়া হয়। 1 মাস পর যাওয়ার পর ও আমাকে সেবা দিতে অপরাগতা দেখানো হয়। এর পর আমি ক্ষুব্ধ হলে আমার পে অর্ডারটি খুজে বের করে আমাকে দেয়া হয় এর জন্য আমার কাছ থেকে টাকা খুজে। আমি সেটি দিতে প্রত্যাখ্যান করি।
Jomir kagoj niye gecilam tik kore dibe bole taka dite hobe na hole hobe na
Nid কার্ডে নামের বানান ভুল ছিলো। এভিডেভিড কপি দিয়েছি তারপরেও সাব রেজিস্ট্রার সাহেব মানিবেন না। তার পাইটু দিয়া টাকা চাওয়ায়। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। নিয়ম মেনে সব কাগজ দেবার পর ক্যানো রেজিষ্ট্রেশন হবেনা। সে স্পতাহে হয়নি পরের সপ্তাহে লোকাল সাংবাদিকদের দিয়ে চাপ দিয়ে করে দিয়েছিলেন।
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
চাকরি স্থায়ী করণ করতে অফিস আদেশ দেয় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে, এর জন্যে কেরানি প্রতিজনের জন্যে ১০০০ টাকা দাবি করে।
আমি একজন সেনাসদস্য আমার পেনশন পাশ করার জন্য এফসি আর্মি পে -২ এসিসি—এ ইসি গমন করি সুপার — এবং অডিটর — আমার পেনশন পাশকরার জন্য 150000টাকা দাবী করে আমি এতো টাকা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে দীর্ঘ 18 মাস হলে এখনো আমার পেনশন পাশ করেনি । আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষের নিকট একের পর এক আবেদন করেছি কোন সুরাহা পাচ্ছি না। উক্ত ব্যাক্তিদ্বয় প্রত্যেক পেনশনের নিকট হতে পেনশনের জন্য এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করে । দীর্ঘ ৬ বছর পর্যন্ত এক অফিসে কর্মরত থাকার ফলে তাদের এ ঘুষ নেওয়া ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । প্রতিকার তাই
২০২৫ সালে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা চার ধাপে (এমসিকিউ, লিখিত, ব্যবহারিক ও ভাইভা) অনুষ্ঠিত হয়। ৪র্থ ধাপে দুইদিন ভাইভা হয় ৩৮ জনের ১৫ পদের বিপরীতে, প্রথম দিন আমার ভাইভা হয় এবং সেটি খুব ভালো হয়েছিল। ২য় দিন ভাইভা চলাকালীন ওখানকার এক স্টাফ ফোন দিয়ে চাকুরি নিশ্চিত করতে ৭ লাখ টাকার প্রস্তাব দেয়। এবং আমি তা প্রত্যাখ্যান করি, ওই রাতেই চূড়ান্ত রেজাল্ট দেয় আর আমি বাদ পরে যাই।
শিক্ষা সংক্রান্ত ( নতুন এমপি ও বিএড স্কেল উচ্চতর গ্রেড সহ আরও যে কোন ফাইল পাঠাতে গেলেই টাকা ছাড়া ফাইল পার হয় না ।) বিনা কারনে রিজেক্ট করা হয়, টাকা দিলেই পার হয়।