জমির খাজনা সংক্রান্ত
জমির খাজনার কাগজ দিচ্ছিলো না কৌশলে বুঝাচ্ছিলো যে ঘুষ লাগবে এটার সাথে ইওওনও সরাসরি যুক্ত
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির খাজনার কাগজ দিচ্ছিলো না কৌশলে বুঝাচ্ছিলো যে ঘুষ লাগবে এটার সাথে ইওওনও সরাসরি যুক্ত
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোনারগাঁয়ের উপর সরাসরি মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৩৭০/২৪ এর আদেশ থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সরকার দলীয় লোক পরিচয় দিয়ে মব সৃষ্টি করে মসজিদ দখল করে দানের টাকা লুটপাট করে নিলেও স্থানীয় প্রশাসন হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবানের জন্য কোনো প্রকার উদ্যোগ গ্রহন করছেনা। এই বিষয়ে আপনাদের সহায়তা একান্ত কাম্য।
ইন্টারনেটের নতুন সংযোগ স্থাপন করার জন্য বলেছিল যে আলাদা করে যদি আমি 500 টাকা দেই তাহলে দ্রুত কাজ করা হবে আর এর সাথে এটাও বলেছিল যে অনেক দেরি হবে লাইন ম্যান কার কথা শোনে না কাজ করে না কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সবার আগে সে আমাকে এটা জিজ্ঞেস করেছিল যে ইন্টারনেট আমরা সেবা প্রোভাইড করি এটার ব্যাপার আপনাকে কে বলেছে। মিরপুর দুই স্টেডিয়াম ম্যাচ সাথে যে বিটিসিএল এর অফিসে।
পূর্ব রাজাবাজার কবরস্থান গলিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে পানির পাম্প বসানো হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত মিটার ছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে। ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলীকে অবহিত করার পর তিনি প্রথম সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন কিন্তু অপরাধীদের কাছ থেকে নগদ টাকা পেয়ে পুনরায় সংযোগ প্রদান করেন। তিনি এখন উল্টো দাবি করছেন সবকিছু বৈধ অথচ এখনও মিটার ছাড়া অবৈধ সংযোগে বিপুল পরিমান বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে।
অফিসার ফাইলে সংকেত থাকলে দিনে দিনে করে দেয়। যারা কন্ট্রাক করে তাদের ফাইলে সংকেত দেয় দালালেরা, আর যদি সংকেত না থাকে অফিসার শুধু ঘুরাই , সব ঠিক থাকলেও আবার ডেট দেয়। টাকা দিলে সাথে সাথে করে দেয়। সরেজমিনে গেলে তা হাতে নাতে প্রমাণ পাবেন। সরাসরি ফাইল চেক করে। যত অপকর্ম সেই করে। জাল ডকুমেন্স দিয়ে অন্য উপজেলার লোককে হাটহাজারীতে ভোটার করে। টাকা দিলে সব করে।
লম্বা সিরিয়ালে দাড়াতে হয় , একবার জমা - একবার যাচাই - তারপর বায়োমেট্রিক ............ ২০০০ টাকা দিলে কোনো সিরিয়াল লাগবে না। না দিলে অধিকাংশই প্রত্যাখ্যাত............... উত্তরার বাসিন্দা হওয়ায় আর স্টুডেন্ট হওয়ায় দুইবার হয়রানি করতে চেয়েও পারেনি তবে আশে পাশের সবাই (৭০% আবেদনকারী) হয়রানির শিকার হয়েছে। সামান্য কিছু কারণ দেখিয়ে হয়রানি করা হয়, যাতে দালালের মাধ্যমে কাজ করানো যায়। রেট পার পার্সন ২০০০ টাকা, এর বেশি কেও দেবেন না, দালাল ছাড়া যেহেতু কাজ হয়ই না সেহেতু ১০০০ বা ১৫০০ তে দামাদামি করাই ভালো ।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিট স্ক্যান ও এমআরআই করাতে গেলে দীর্ঘ লাইনে ১০-১২ ঘণ্টাও বসে থাকা লাগে। সকালে ৯ টায় কাগজ জমা দিশে রাত ১০ টায় কাজ সম্পন্ন হয়। সেটাতো সমস্যাই কিন্তু অভিযোগ হলো অনেক লোক ১০ মিনিটে এসে আনসারের হাতে ১০০-২০০ টাকা গুজে দিয়ে স্ক্যান/এমআরআই করে বের হয়ে যায় কিন্তু সকাল থেকে বসে থেকেও সিরিয়াল পাওয়া যায় না। কোন রোগী সিরিয়াস কন্ডিশন হলে সেটা মেনে নেওয়া যায় বা তাকে সুযোগ দেওয়া যায় তবে এটা গণহারে যে টাকা দিতে পারে তার কাজই আগে শেষ করে দেয়।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস এই সিটে কর্পোরেশন অফিস। এখানে মানুষ ট্যাক্স প্রদান করতে গিয়েও দুর্নীতির শিকার হয়। মানুষ হোল্ডিং আলাদা করে ট্যাগ দিবে তাতেও তারা বিভিন্ন কাগজ পাতির ভুল ধরে মানুষকে ঘুষ প্রদানের বাধ্য করে। আমি নিজে একাধিকবার এসব বিষয় নিয়ে ঝামেলায় পড়েছি।
জমি খারিজ করার জন্য ময়মনসিংহ সদর দাপুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নায়েব আমার কাছে 9000 টাকা চেয়েছিল জমি খারিজ করার জন্য এক শতাংশ জমি,
আমি সরকার এটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় চাকরি করি। আমার পদোন্নতি জন্য টাকা চাওয়া হয় । কিন্তু আমি এ বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি না হওয়াতে টাকার পরিমাণ তারা উল্লেখ করতে পারেনি। আমি যে টাকার পরিমাণে উল্লেখ করেছি সেটা ধারণা। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করাতে আমার নিয়োগ বিধি বাতিল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ার কারণে আমি একই পদে ২৮ বৎসর চাকরি করছি। আমাকে এই পদের থেকে রিটায়ারমেন্টে যেতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের সবাই জানে।
He was SB staff to varify my information and asked taka through bkash. I referred higher official name than he argue many things and delayed my application
জমি নামজারি করতে গেছিলাম 15000 টাকা নিছে
ডিলার হিসেবে নিয়োগ করার জন্য ঘুষ দাবি করেছে
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের সাদিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, নামজারি আবেদন নং-১৬১০২০৬৬ তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য ৫০০০ টাকা চাইলে বিকাশে ৩০০০ টাকা দিলে একদিন পর টাকা ফেরত দেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সর্বোচ্চ ২৮ দিন নির্ধারণ করে দিলেও কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের কানুনগোর শোনানীর তারিখ ছিল ১৭/০৮/২০২৬ আবেদনকারী যোগাযোগ না করায় আজ ২৫/০৮/২৬ তারিখ হলেও ফাইল্টিতে হাত দেয়নি, চাইলে অনলাইনে দেখতে পারেন,কানুনগোর শোনানী সিস্টেমটাই ঘুষ খাওয়ার একটি রাস্তা কারণ অনলাইনে কাগজপত্র দেওয়ার পর আবার আবেদনকারীকে ডাকা হয়, আমার মনে হয় কেবলমাত্র টাকা আদাইয়ের জন্য
জমি সংক্রান্ত টাকা চাচ্ছিলো আমরা দেইনি
নামজারির ফাইল আটকে রেখে প্রথমবার শুনানিতে উপস্থিত হই নাই বলে বাতিল করে। দ্বিতীয় বার সফটওয়্যার সমস্যা বলে বাতিল করে।।তৃতীয়বারের আবেদন চলমান আছে। ইতোমধ্যে ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাবদ আমার ১০০০০টাকা শেষ।
জন্ম নিবন্ধনের সার্ভার বন্ধ এটি উপরের লোক দিয়ে করাতে হবে। ইউনিয়ন নাগরিক সেবা কর্মী।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ১ লক্ষ টাকার কাজে ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে হয়।
বগুড়া জেলার ১টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা বাবদ ৩৭৮০০০/- অনলাইনে জমা দিতে হবে দাবি করে বসে, পরবর্তীতে বলে আচ্ছা আপনি ১৫০০০০/- আমাকে দিয়ে যাবেন যা করার করে দিব, আপনি এসে জমা রিসিভ নিয়ে যাবেন। মানে ১৫০০০০/- টাকা থেকে সরকারি কোষাগারে সর্বোচ্চ ১৮/২০ হাজার টাকা জমা দিবে বাকি টাকা উনার পকেটে। এর আগে যেগুলো খাজনা জমা দিয়েছি প্রতিটি খাজনার মূল রশিদ আমার কাছে আছে কিন্তু উনাদের রেজিস্টারে একটাও উঠায় নাই সব টাকা পকেটে ঢুকাইছে, জেলা প্রশাসক বরাবর ২বার লিখিত অভিযোগ দেয়ার ২বছর পর অবশেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে সমাধান পেয়েছি, মজার বিষয় উনার নামে এতো অভিযোগ থাকার পরও কিছুদিন আগে কানুনগো পদে পদোন্নতি পেয়েছে। শহরে উনার গৃহিনী স্ত্রীর নামে ৫ তলা বাড়ী, উনার নামে ২ টি ফ্লাট, বিভিন্ন যায়গায় জমি।
দিয়ার সেটেলমেন্ট অপারেশন এ নিয়োজিত ব্যক্তিরা বিডিএস জরিপের মাঠ নকশা শেষ করে, কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও সৃষ্ট খতিয়ানের সত্যায়ন পর্যায়ে বা ২য় ধাপে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ঘুষ দাবি করতেছেন,,,