রাজউক
৩তলা বাড়ির নির্মানের জন্য অনাপত্তিপত্র।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৩তলা বাড়ির নির্মানের জন্য অনাপত্তিপত্র।
this Sunday, Ami Amar dmf missing certificate tulte paper joma dei.Then bola Holo as usual day te Nile 800tk bank draft Korte & emergency nite hoy tahole 350 tk extra payment kore bank draft korle seta 1/2 din er moddhe Hoye Jabe.so I pay for emergency one.Then told me they are not sure when I'll get the certificate.after sometimes the man told me to give some cash so that they will manage the certificate.when I reject the proposal he told me to meet his senior. Senior man told me to collect the certificate after 21days .when I told him it's for normal timeline but I paid for emergency. So emergency koto din a setar Kono govt format nei? Bole Ami jokhn dibo tokhn e.eirkm e govt bolce .the
আমি জমা করি কিন্তু আপনার নষ্টামী বন্দ করুন এটা হুদাই
আমার জমির নাম জারি করতে 15000 টাকা চাইছে আমি না করে চলে আসছি.
আড়াই হাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে নামজারির জন্য গিয়েছিলাম। কাগজপত্র এটা সেটা সমস্যা আসছে বলে আমার নিকট ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। আমি বলেছি আমি গরিব মানুষ দিতে পারব না। বলছে না দিতে পারলে উপজেলা অফিসে ফাইল আটকে যাবে। আমি বলেছি আটকে গেলে আটকে যাবে আমার ফাইলটা ছেড়ে দেন। তারপর ওনারা ফাইলটা এক সপ্তাহ পর ছেড়ে দেয়। তারপর সঠিক নিয়মই আমার নাম জারি টা হয়ে যায়। তারপর ইউনিয়ন অফিসে হোল্ডিং খোলার জন্য আমার নিকট থেকে পাঁচশত টাকা নেয়। আর উপজেলা ভূমি অফিসে মূল খতিয়ান থেকে আমার নামজারীর অংশ মাইনাস করার জন্য ২০০ টাকা নেয়।এই নামজারিটি করার জন্য আমাকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তিনবার এবং উপজেলা অফিসে দুইবার আসতে হয়। তারপর আমার নামজারি সম্পন্ন হয়।
প্রথমবার প্র্যাক্টিক্যাল ফেল করার পর একজনের কাছে অনুরোধ করতে গিয়েছিলাম, উনি ৩০০০ টাকা চেয়েছিলেন, ওটা দিয়ে দিলে সেবারই পাশ করিয়ে দিত।।
বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পেনশনের জন্য ১৫০০০ টাকা চেয়েছে CGA office..
বাড়ি নির্মাণের জন্য অনাপত্তিপত্র
ঢাকা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের (৩৭) বিচারক ভয়াবহ ঘুষখোর। এদের কাছ থেকে দেশ বাঁচাতে হবে।
একটা সেল পারমিসান এর জন্য আমার কাছে ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ চাইছে। আমি পরে কজটা করিনি।
পারিবারিক সূত্রে অর্জিত সম্পত্তি নামজারি করার জন্য পৌরসভা ভূমি অফিস উপস্তিত হয়, এরপর অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন জন্য ওনাদের একজন দাবি করেন ১২০০ টাকা, যেখানে খরচ সরকারি নীতি অনুসারে ৭৫ টাকা । এরপর আমার কাছে স্ক্যানার না থাকাই একরকম বাধ্য হয়ে ৫৫০ টাকা অ্যাপ্লিকেশন করে নেই । কিন্তু আসল বিপত্তি হই ২২ কার্য দিবস এর দিন, হটাৎ ম্যাসেজ আসে নামজারি বাতিল হয়েছে । আবারও ভূমি অফিস উপস্থিত হইলে ওনার বলে আবার অ্যাপ্লিকেশন করতে, বাধ্য হয়ে আবারও ৫৫০ টাকা দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন করে ফেলি, আমি চলে আসছিলাম এমন সময় বলে “খরচা বিষয় ছিলো বলে দাবি করে বসে ১২ হাজার টাকা, এরপর অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নামজারি করতে সক্ষম হই, শেষ পর্যন্ত আমি কোন রকম ঘুষ না দেয়ার সিদ্ধান্ত অটল ছিলাম ।
১৫০০ টাকা চাইছিলো।মহাপরিচালক পিওন, আমি রিজেক্ট করেছি, পরিবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেট ওআমাকে করে দিয়েছে বলার পরে
পাওনাদার জন্য বিচার দিয়েছিলাম থানায়, পাওনা টাকা গুলো নিয়ে দিতে হলে ওসিকে ১০ হাজর টাকা দিতে হবে।
বিয়ের কাবিন নামায় ভুল করে ঘুষ নিয়ে ঠিক করার ব্যবসা। এইভাবে প্রায় প্রতিটি মানুষের কাছ থেকে কাবিননামায় ভুল করে টাকা ঘুষ নিচ্ছে ঠিক করার জন্য। উনি ফটিকছড়ি পাইন্দং ইউনিয়নের কাজী লোকমান। এছাড়াও সে মানুষের জায়গা জমি নিয়ে মামলা করে পরবর্তীতে সেগুলো বিভিন্ন জালিয়াতি করে তাদের থেকে কম টাকা দিয়ে কিনে নেই।
জমি খারিজ করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা দিয়ে আবেদন করতে চাইলে, অফিসের কর্মকর্তা ১০ টাকা কর পরিশোধ করতে ১০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে দাখিলা কাটার জন্য। এখনো সমাধান হয়নি, আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি। ফুলবাড়িয়া উপজেলা, এনায়েতপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভূমি অফিস।
আমি যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মনিরামপুর অফিসের একজন গ্রাহক। আমার বাড়ির বিদ্যুতের খুঁটি ও লাইনের রুট পরিবর্তনের জন্য গত জুন মাসে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করি। পরবর্তীতে এ কাজের জন্য অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টাকা জমাও প্রদান করি। কিন্তু কিছুদিন পর পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আমাকে ফোন করে জানান যে, আমি যদি তাকে অতিরিক্ত ৮,০০০/- (আট হাজার) টাকা প্রদান করি, তাহলে তিনি এক-দুই দিনের মধ্যে কাজটি করে দেবেন। অন্যথায় কাজ করতে প্রায় এক মাস সময় লাগবে বলে জানান। আমি ওই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এরপরও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আমার খুঁটি ও বিদ্যুতের লাইনের রুট পরিবর্তনের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি এবং বিষয়টি ঝুলে আছে।
মিউটেশন করতে খরচ হয় ১১৭০ টাকা। আমি আবেদন করে গেলে তফসিলদার মহিলা বলেন এটা ইউনিয়ন এ অনলাইন এ নাই।যক্কত করতে হবে। এটা যুক্ত করতে অনেক বড় প্রক্রিয়া। তবে আমি কাউকে দিয়ে করাই দিতে পারি এতে হালকা খরচ বেশি। আমি বললাম কত? মহিলা তফসিলদার তার সামনে রাখা ক্যালকুলেটর চেপে ১৫০০০ চেপে দেখিয়ে বললেন এতো লাগবে। তারপর আমি বললাম এ তো অনেক বেশি। তারপর এসি ল্যান্ড এর কাছে যাওয়ার পর বললাম যে আমার খতিয়ান টি অনলাইন এ নাই।এখন কি করবো? তিনি বললেন এটা একটা প্রজেক্ট। কয়েক মাস পর হতে পারে। আমি বললাম এখন কি যুক্ত করা যায়? তিনি বললেন আপনার তফসিলদার চাইলে পারবে।কথা বলে দেখেন। সামান্য দাগ নম্বর তুলা প্রতি দাগ নম্বর ২০০ টাকা।
এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলা যায় না। কয়েকদিন ধরে তাদের কাছে গিয়েও দেখা করতে পারিনি। অফিসে থাকলেও বলে এখন উপস্থিত নাই। অথচ টাকা দিলে তারা কাজ করে দিতে রাজি হয়। এবং উপজেলার নিকট একটি কাচারি ঘর আছে সেখানে টাকার বিনিময়ে দলিল, নামজারি সহ বিভিন্ন রকম কাজ করা হয়। দিন শেষে মোট ঘুষের টাকা সবাই ভাগ করে নেয়। আমি সরাসরি কারো নাম বলতে চাইছি না। তবে কোন সৎ ও দায়িত্ববান প্রশাসনের লোক চাইলে সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম দেখে আসতে পারেন।
২০২৩ সালে ড্রাইভিং ট্রেনিং করি টিটিসি থেকে পরে লাইসেন্সের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য মধুপুরে ভেরিফিকেশনের জন্য ফাইল পাঠায় পরে পুলিশ আমাকে ফোন করে সেখানে দেখা করতে যাই তখন আমার কাছে 5000 টাকা ঘুষ দাবি করে তা না হলে ভেরিফিকেশন পাস করে দিবে না পরে তা আমি প্রত্যাখ্যান করি এবং লাইসেন্স করি না
আমাদের একটি সিআর মিথ্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পালন করে হাতিয়া উপজেলা জাহাজমারা থানার তদন্ত কর্মকর্তা —, যিনি আমার বাবাকে হুমকি দিয়ে (২০০০০/- বিশ হাজার টাকা ) নিয়ে নেই। পরবর্তীতে মামলায় প্রতিবেদনে দেখলাম যাহা একটি মিথ্যা এবং হয়রানি মূলক ছিলো।আমাদের সবাইকে অব্যহতি দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।