বদলী / পদায়ন
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পদায়নের বিষয়ে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পদায়নের বিষয়ে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে ।
Amer hat vangcilo .. ami gaibandha sorkari hospital a doctor ke dakhaici .. tini dekhe bollen samne lok acen unader diya bandage kore naw . Ami galam . Tok taw niya galo .. amake bosaiya raklo pura 2 ta ghonta .. nana kotha bole santona day .. othocho sobar tai kore dicche .. pore ami ses mes prokash kore lok take bollam apnr kisu raja lagbe .? Uni tokhon bollen 500 taka lagbe .. ami 300 dite raji hoile tini kore dan ni .. porobortite 500 diyai kore nici
this Sunday, Ami Amar dmf missing certificate tulte paper joma dei.Then bola Holo as usual day te Nile 800tk bank draft Korte & emergency nite hoy tahole 350 tk extra payment kore bank draft korle seta 1/2 din er moddhe Hoye Jabe.so I pay for emergency one.Then told me they are not sure when I'll get the certificate.after sometimes the man told me to give some cash so that they will manage the certificate.when I reject the proposal he told me to meet his senior. Senior man told me to collect the certificate after 21days .when I told him it's for normal timeline but I paid for emergency. So emergency koto din a setar Kono govt format nei? Bole Ami jokhn dibo tokhn e.eirkm e govt bolce .the
আমি যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মনিরামপুর অফিসের একজন গ্রাহক। আমার বাড়ির বিদ্যুতের খুঁটি ও লাইনের রুট পরিবর্তনের জন্য গত জুন মাসে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করি। পরবর্তীতে এ কাজের জন্য অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টাকা জমাও প্রদান করি। কিন্তু কিছুদিন পর পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আমাকে ফোন করে জানান যে, আমি যদি তাকে অতিরিক্ত ৮,০০০/- (আট হাজার) টাকা প্রদান করি, তাহলে তিনি এক-দুই দিনের মধ্যে কাজটি করে দেবেন। অন্যথায় কাজ করতে প্রায় এক মাস সময় লাগবে বলে জানান। আমি ওই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এরপরও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আমার খুঁটি ও বিদ্যুতের লাইনের রুট পরিবর্তনের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি এবং বিষয়টি ঝুলে আছে।
আড়াই হাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে নামজারির জন্য গিয়েছিলাম। কাগজপত্র এটা সেটা সমস্যা আসছে বলে আমার নিকট ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। আমি বলেছি আমি গরিব মানুষ দিতে পারব না। বলছে না দিতে পারলে উপজেলা অফিসে ফাইল আটকে যাবে। আমি বলেছি আটকে গেলে আটকে যাবে আমার ফাইলটা ছেড়ে দেন। তারপর ওনারা ফাইলটা এক সপ্তাহ পর ছেড়ে দেয়। তারপর সঠিক নিয়মই আমার নাম জারি টা হয়ে যায়। তারপর ইউনিয়ন অফিসে হোল্ডিং খোলার জন্য আমার নিকট থেকে পাঁচশত টাকা নেয়। আর উপজেলা ভূমি অফিসে মূল খতিয়ান থেকে আমার নামজারীর অংশ মাইনাস করার জন্য ২০০ টাকা নেয়।এই নামজারিটি করার জন্য আমাকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তিনবার এবং উপজেলা অফিসে দুইবার আসতে হয়। তারপর আমার নামজারি সম্পন্ন হয়।
ভোলা পাসপোর্ট করার সময় আমার সব কাগজ ওকে ছিলো।অফিস অফ হওয়ার কথা ছিলো ৪ টায়।আমি ১২ টায় গেছি বলে হবে না,পরে এক আনসার এসে বলে টাকা ছাড়া হবে না,টাকা দেন ১৫০০ এখন হয়ে যাবে।আমি নাছর বান্দা পরের দিন ৯ টায় এসে হাজির।সব কাগজ রেডি থাকার পর ও আমাকে নানান কাগজ আনতে বলে,আমি অইগুলাও নিয়ে আসি।পরে উপায় না পেয়ে করে দেয় পাসপোর্ট।
২০১৮ সালে চট্টগ্রাম কাজির দেঊরী কাঁচা বাজারে মার্কেটর এর দোকান স্থানান্তর এ বাজারের সহ সভাপতি, সভাপতি, কাউন্সিলর নেতৃত্ব অনিয়মের মাধ্যমে ঘুষ খেয়ে পিছনের দোকান কে সামনের পজিশন প্রদান করে কোটি টাকা দুর্নীতি করে। দুর্নীতি খতিয়ে দেখলেই প্রমান পাওয়া যাবে।
এসএ দাগ হতে বিআরএস দাগে রূপান্তরের সূচিপত্রে ভুল থাকায় তা সংশোধনের জন্য মে'২৬ এ আবেদন করি। আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য কোন সুনির্দিষ্ট তারিখ না দিয়ে আজ নয় আগামী সপ্তাহে আসুন, এ সপ্তাহে নয় পরের সপ্তাহে আসুন বলে বলে গত পনের দিন আগে ১০০০০/০০ (দশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবী করা হয়। যা ৮০০০/০০ (আট হাজার) একক ব্যক্তি ও ২০০০/০০ (দুই হাজার) টাকা অন্যান্যদের মাঝে আনুপাতিক হারে বন্টিত হয় বলে জানায়। টাকা না দিলে আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে এক দেড় বছর সময় লাগবে বলে চলে যেতে বলে।
Dhaka CMM Cort No.27 মামলা নাম্বার ৩০২/২৫ আমি একজন সউদি প্রবাসি, এক প্রতারক প্রতারনা করে আমার ৭৫ লক্ষ টাকা মেরে দেয় পিবিয়াই তদন্ত করে পরিপূর্ণ সত্যতা পেয়ে কোর্টে প্রতিবেদনো জমা দেয় কিন্তু টাকার বিনিময়ে আসামী এক দিনেই জামিন নিয়ে বের হয়ে যায়, এখন আমাকে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জন অফার দেয় ২ লাখ টাকা দিলে আসামী কে গ্রেফতার করা হবে বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে, আমি বিচার দিয়েছি আল্লাহর কাছে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ আমাকে বিচার পাইয়ে দেবে না আমি পুরোপুরি হতাশ হয়ে গেছি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রতি। ৪০৬/৪২০/৫০৬/১০৯ ধারার অপরাধ প্রমানিত হবার পরো আসামী দিব্বি বাহিরে নেচে বেরাচ্ছে মনের সুখে আর আমি বিচার পাবার জন্য বিভিন্ন জায়গায় হোচট খেয়ে বেরাচ্ছি। এদের উপর আল্লাহর গজব নাজিল হবে ইনশাআল্লাহ।
টাকা কর্মচারীর কাছে হাতে দিতে বলেছেন
আমার নামে ৩০ ধারা মামলা হয় মাঠ জরিপ বহাল রাখতে টাকাটা চাওয়া হয়।পেশকার শাখা
আমার এন আইডি কার্ডের অন্যান্য তথ্য মধ্যে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে চেয়েছি। আমি অনলাইনে আবেদন করি, আবেদন কার্য দেরি হওয়াতে আমি সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি যে কি অর্বস্থায় আছে এবং কবে আবেদন কপি টি হাতে পাতে পারি । তিনি আমার কাছে এর জন্য 4500 টাকা চায় দিতে একদিনে আমার আবেদন সংশোধন করে হাতে দিবে
খুলনা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যেকোনো দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলেই নানা অংকে ঘুষ দিতেই হয়।
একটি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আর্জেন্ট, ১০০ টাকা ফিস বলা হলেও আর্জেন্ট বলাতে ১০০০ টাকা দাবী করে। এমনিতে ৩ দিনেও হবেনা, কিন্তু তাকে ১০০০ টাকা দিলে ২ ঘন্টার মধ্যে হয়ে যাবে বলে জানায়। মহিলার নাম মনে নেই এখন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড গ্রহণের সময় ১০০ টাকা খরচ চাওয়া হয়েছিল । আমি বলেছি বিকাশ নাম্বার দেন সেখানে দিচ্ছি তারপর ভয় পেয়ে বলেছে আপনি চলে যান ।
নিজে থেকে অনলাইনে আবেদন করে সকল কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করার পরে থানা থেকে আবেদন বাতিল করে দেয়। আবার তাদেরকে ১০০০ টাকা দিলে সব কিছু ঠিক হয়ে যায়।
আমাকে ফোন দিয়ে বলছে নামজারি করার জন্য ৩০০০০ টাকা দেন না হলে আপনার নাম জারি করা যাবে না। আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিস
মায়ের নামের বানানে ভুল থাকায় ২০০০০ দাবি করে আলিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ৩০০০ টাকা দাবি করে। টাকা ছাড়া কাজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়।
আমার জমানো জিপিএফ এর টাকা থেকে অগ্রীম উত্তোলন পাশ করতে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল। পরে শেষপর্যন্ত ৪০০০ টাকা দিতে হয়েছে অফিসের বড় বাবুকে