Registration motorcycle
After paid 11764 bdt in bank i submitted paper on BRTA office in khagrachari , they asked 3000 BDT as a bribe ti put data on Brta server otherwise they will return my documents More inf call [redacted]
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
After paid 11764 bdt in bank i submitted paper on BRTA office in khagrachari , they asked 3000 BDT as a bribe ti put data on Brta server otherwise they will return my documents More inf call [redacted]
কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফের এনআইডিতে তার বাবা -মায়ের নাম সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি, সেখানে ২,৩ দিন যোগাযোগের এক পর্যায়ে তিনি ৫০ হাজার টাকা চেয়ে বসেন। তার এনআইডিতে বাবা - মা দুজনের নামই ভুল ছিল এজন্য হয়তো তিনি একটু বেশি টাকা চেয়ে বসেছেন। পরে আমরা না করে দিয়েছি। তিনি এমনও অফার দিয়েছিলেন ৫০ হাজার টাকা দিলে আধা ঘন্টার মধ্যে সংশোধিত এনআইডি বের করে দিবেন। আর এত টাকা দিতে পারবোনা বলে দেই। তার ২ মাস পর উনি ট্রান্সফার হয়ে যান। পরে নতুন একজন আসেন, তারপর উনার এলাকার পরিচিত এমপির সাথে যোগাযোগ করি এমপির পিএসের মাধ্যমে। তারপর কোন টাকা লাগেনি কাজ করতে পারছি
প্রশাসন ক্যাডারদের বিভিন্ন মিটিং এর সম্মানী দিতে মন্ত্রণালয় এ যাওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু মন্ত্রণালয়ে ঢুকতে পাশ লাগে বিধায় সংশ্লিষ্ট অফিসার একজন পিওন কে পাঠায়। পিওন এসে বলে ওকে ও সম্মানী দিতে হলে না হলে ও কাগজ নিয়ে সাইন এনে দিবে না। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি।
সঠিক সাল মনে নাই, ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে হবে। সেনাবাহীতে চাকরির খুব ইচ্ছা ছিল এক বিশাল স্বপ্ন। তো তারপর একদিন — একদিন বলল চাকরি হবে কিন্তু কোনো এক ব্যক্তিকে ৭ লক্ষ টাকা ও একটি ব্ল্যাঙ্ক চেক দিতে হবে। টাকাটা এপয়েন্টমেন্ট লেটার পাওয়ায় পর দিলে হবে। যা আমার সাধ্যের বাইরে। এজন্য নিজের স্বপ্ন ওইখানেই আটকে গেছে।
I paid 11764 in bank for motorcycle registration later on i went BRTA khagrachari to submit documents they refused receive until if i not paid bdt 3000 bribe
জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র) তাদের তালিকাভুক্ত প্রতিটি সি এন্ড এফ থেকে ৮ লাখ টাকা বিলের কারচুপি মাধ্যমে আদায় করেছে।(সব এভিডেন্স আছে). হিসাব করলে দেখা যায় বছরে প্রায় দুই কোটি টাকার মত আত্মসাৎ হয়। তারা বিল দিতে বলে ০.২৫% দিয়ে, কিন্তু বিল দেয় ০.১৭%.আর গুলো তারা নিজেরা আত্মসাৎ করে. এগুলোর পরিমাণ ৮ লাখ টাকা পার বিল। অভিযুক্তরা হলেন : —, —,— ও —। পুরো ম্যানেজমেন্ট কমিটি জড়িত। পুরো ম্যানেজমেন্ট কমিটি চেঞ্জ না হলেও শাস্তির আওতায় না আসলে এই খাতে দুর্নীতি কমবে না। আরো অনেক দুর্নীতি চলছে ওখানে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অরাজকতার আসল কারণ তারা।
আমি হয়তো দেই নাই তাই আমার কাজ ও হয় নাই অনেক মানুষ দিয়ে তাদের কাজ করিয়ে নিচ্ছে
All of our Government product sell and service bill need to pass from FC ( Finance control). They do not pass not a single bill without gush. It may be .5% to 1% of total bill. Bangladesh Government and all agencies known this very well.
আমার বাড়ি রংপুর। চাকরির সুবাদে চট্টগ্রাম থাকি ৫ বছর ধরে। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনলাইনে রিনিউর আবেদন করে অনলাইনে পেমেন্ট করি। কাগজ জমা দিতে গেলে তারা আমাকে বলে রংপুরের বাসিন্দাকে রংপুরেই আবেদন করতে হবে। অথচ এমন কোন নিয়ম নাই। প্রত্যেক ব্যক্তি বর্তমান ঠিকানায় আবেদন করতে পারবে। পাসপোর্ট অফিস থেকে যখন বের হতে চাইলাম দেখি গেটের আনসার কর্মি মানুষকে হেল্প করছে, আমিও দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম কোন উপায় আছে কি না? আনছার আমাকে বললো ২৫০০ টাকা লাগবে, তাহলে হয়ে যাবে, আমি টাকা না দিয়ে বের হলাম। পরে পাসপোর্ট হটলাইনে অভিযোগ করলাম, তারা আমাকে বললো এমন কোন নিয়ম নাই যে আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে হবে। পরে আবার গেলাম সরাসরি এডির রুমে, তিনি সাফ জানায় দিলেন তিনি আমাকে চেনেন না, তাই হেল্প করবেন না। চাদগাও
এখন কাজ আটকে রেখেছে। নানান বাহানা দিয়ে শুধু ঘুরাইতেছে। শুধু বলে উনার সাইন লাগবে, উনি ছুটিতে আছেন। এই সমস্যা ওই সমস্যা।
একটা জন্ম নিবন এসএসসি সনদ মতে সংশোধন করতে সচিব ২০০০ চাই।
শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারীদের যোগসাজশে নামজারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রানি চলছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ফি দিয়ে নামজারি আবেদন করার পর থেকেই অফিস থেকে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয়। নায়েব সরাসরি অফিসকক্ষে বসেই নামজারি প্রতি নির্দিষ্ট অংকের ঘুষ দাবি করেন। ঘুষের টাকা না দিলে জমির কাগজপত্রে ত্রুটি আছে বলে ফাইল বাতিল করা হয় কিংবা সাধারণ মানুষকে মাসের পর মাস ঘুরিয়ে হয়রানি করা হয়। এমনকি অফিসের স্টাফদের দাবি অনুযায়ী, এই ঘুষের টাকার একটি বড় অংশ নাকি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি),এর কার্যালয়েও পৌঁছাতে হয়।
“অভিযোগ রয়েছে যে, মাননীয় বিচারপতি —ের আদালতে মামলা ‘লিস্টে’ আনতে কিছু ক্ষেত্রে প্রায় ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অবৈধ অর্থ বা ‘স্পিড মানি’ দাবি করা হয়। একইভাবে সুপ্রিম কোর্টে মামলা ফাইলিংয়ের সময় সংশ্লিষ্ট সেকশনে নির্ধারিত সরকারি ফি বা বৈধ খরচের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন
ট্রাফিক পুলিশ এর পরিবর্তন করে শুধু পুলিশ রাখা উচিৎ ফোন খুঁজে দিবে ৫ হাজার টাকা চেয়েচিলো
২০১৫ সালে যে কোন বেসরকারি অফিসে যে কোনো পদে যে কেউ যেই বেতনে জয়েন করতো, ২০২৬ এ এসে সেই একই বেতনে কেউ চাকরি করবে না। কিন্তু সরকারি সমস্ত অফিসে ২০২৬ সালে এসেও ২০১৫ সালে যেই বেতন ছিল সেই একই বেতন নিতে হচ্ছে বাধ্য হয়ে, বিষয়টা এমন যে বাজারে জিনিসপত্রে দাম বেড়ে গেলে জনগণকে সহ্য করে যেতেই হয়, বেশি কথা বললে সিন্ডিকেট বলবে বাজার কেনো করতে আসছেন, করতে বলেছে কে?
শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে নামজারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রানি চলছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ফি দিয়ে নামজারি আবেদন করার পর থেকেই অফিস থেকে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয়। ঘুষের টাকা না দিলে জমির কাগজপত্রে ত্রুটি আছে বলে ফাইল বাতিল করা হয় কিংবা সাধারণ মানুষকে মাসের পর মাস ঘুরিয়ে হয়রানি করা হয়। এমনকি অফিসের স্টাফদের দাবি অনুযায়ী, এই ঘুষের টাকার একটি বড় অংশ নাকি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি),এর কার্যালয়েও পৌঁছাতে হয়।
মায়ের নাম ভুল থাকাই এক অফিসার দাবী করে ১০,০০০। পরে AD কে ধরে কাজ টা হয়েছিল বেশ লম্বা দিনে। প্রতিটা কর্মচারীই ঘুষ খোর। তাদের নিজস্ব দালাল আছে বাইরে৷ তাদের সিলেই কাজ হয়ে যায় মুহুর্তে। যেখানে আমরা লাইনে আটকে থাকি।
বেতাগি পৌরসভা কার্যালয়ে নকশাকার পদে নিয়োগের সময় ৩০লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে ২০২৪সালে থাকা মেয়র এবং বর্তমান কর্মরত প্রধান প্রকৌশলী সাহেব,পরবর্তীতে নিয়োগ পরিক্ষায় আমি প্রথম হলেও যে ঘুষ দেয় তাকে চাকরি দেয়া হয়।
I didn’t get the registration yet
আমি আমার জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করতে গিয়েছিলাম। সব ফর্ম পূরণ করে আমি তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দিলাম; তিনি জানতে চাইলেন কে এগুলো পূরণ করেছে, আমি বললাম আমি নিজেই করেছি। তিনি ফর্মগুলো রেখে দিলেন এবং জানালেন যে এটি হতে ৭ দিন সময় লাগবে। ৭ দিন পর আমি আবার সেখানে গেলাম, কিন্তু তারা জানাল যে ফর্ম পূরণে কোনো সমস্যা হয়েছে এবং আমাকে এটি পুনরায় করতে হবে। এরপর আমি আবার ফর্মগুলো পূরণ করলাম। ফি জমা দিয়ে বাইরে আসার পর একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আমার কাছে এসে বললেন যে, তাকে ৭০০০ টাকা দিলে তিনি ৩ দিনের মধ্যেই কাজটি করিয়ে দিতে পারবেন—এক্ষেত্রে আমার ফর্ম পূরণের সব তথ্য ঠিকঠাক আছে এবং আমাকে আর বাড়তি কোনো কাজ করতে হবে না