সরকারি সকল বিল উঠাতে গেলে ৫-১০% ষুষ নেয়
সরকারি সকল বিল তুলতে গেলে ৫-১০% ষুষ এবং সকল প্রজেক্টের অডিট টিমকে টাকা দিলে মেরে খাওয়া টাকা বৈধ হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি সকল বিল তুলতে গেলে ৫-১০% ষুষ এবং সকল প্রজেক্টের অডিট টিমকে টাকা দিলে মেরে খাওয়া টাকা বৈধ হয়
আমার মনে হয় সকল সরকারি অফিসগুলো অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ
উনি UNO অফিসের নাজির। সব কাজে ঘুষ খায়।
পদোন্নতি পাইয়ে দেওয়া, সাথে বদলি।
ডাক্তাররা সরকারি মেডিকেলে সেবা না দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে সেবা দেয়। প্রাইভেট হাসপাতালে যে টেস্ট দেয় সেই টেস্টের পরিমাণটা উল্লেখ করলাম
Taka chara hobe na, onek niyom dekhay. Jhulay rakhe
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আমার মায়ের ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার কথা বলে চার হাজার টাকা চেয়েছিল। পরে আমি বিষয়টি — চেয়ারম্যান কে জানিয়েছি। এভাবে অনেক ফ্যামিলির কার্ডের টাকা সে নিয়েছে। আমার বাড়ি উপজেলার চত্বরা ইউনিয়নে।
অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন করে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত তারিখে ওয়েবসাইটে উল্লেখিত কাগজপত্র নিয়ে নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে যাই। ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে যখন কাগজ জমা দেওয়ার সময় আসলো, কর্তব্যরত অফিসার বললেন আপনার চারিত্রিক সার্টিফিকেট নাই। জিজ্ঞেস করলাম, এটা কোথায় পাওয়া যায়? বললেন আপনার এলাকার কমিশনার দিবে। বললাম, এখন গিয়ে নিয়ে আসতে তো সময় লাগবে। উনি বললেন, চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দেন, আমি ম্যানেজ করে দিচ্ছি। জিজ্ঞেস করলাম, কত? বললেন, ২ হাজার! বললাম, টাকা দিলে যেহেতু করে দিতে পারবেন, তাহলে এমনিতেও করে দিতে পারবেন। কাইন্ডলি করে দেন না। আমি টাকা দিতে পারবোনা। উনি কাগজ ছুঁড়ে মেরে বললেন, যান! সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন! কাগজে ঝামেলা আছে।
খতিয়ান সংশোধনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা ভূমি অফিসে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে না হলে ফাইল হারিয়ে যাবে অথবা মাসের পর মাস বছরের পর বছর সময় পরও কোন অগ্রগতি দেখা যাবে না শুধু তারিখের পর তারিখ আর কিছুই না কাজের বেলা টাকা টাকা টাকা ছাড়া কোন কাজ নাই নাম জারি করতে গেলেও প্রতি ফাইলে দুই হাজার টাকা খাজনা কাটতে গেলে টাকা না দিলে ৫০ বছরের খাজনা টাকা দিলে দুই চার বছরের খাজনা এই হল অবস্থা
ট্রেড লাইসেন্স করলে একটা ভ্যাট রিটার্ন চালু করতে হয়। ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু রিটার্ন চালু থাকে।বন্ধ করতে গেলে 10000 টাকা চায়।আবার এক মাস জিরো রিটার্ন দিতে ভুলে গেলে তখন অটো সরকারিভাবে ১০ হাজার টাকা প্রতি মাসে জমা হয়। এভাবে প্রত্যেক মাসে 10000 টাকা করে জরিমানা হতে থাকে। আর তাদের কাছে গেলে তখন তারা ঘুস চায় এই জরিমানা ক্লোজ করে দেয়ার জন্য। আসলে আমার ব্যবসা তো বন্ধ আমি জরিমানা কেন দিব???? সরকার ইচ্ছে করেই এই কার্যক্রমটা স্বাভাবিকভাবে বন্ধ করে না।
ময়মনসিংহ জেলার, নান্দাইল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলীর জন্য কমিটি করা হয়েছে। সেখানে দুইজন বিদ্যোৎসাহী সদস্য (সাদ্দাম ও তালহা) সকল শিক্ষক দের কাছে ২-৩ লাখ টাকা করে ঘুষ দাবি করছে।
২০ বছর যাবৎ খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে৷ অনলাইনে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে দেখা যায় একই খতিয়ান অন্যজনের নামে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে৷ নামজারী খতিয়ান সংশোধনের জন্য এ পর্যন্ত ২ বছর সময় ঘুরাঘুরি করেও কাজের সমাধান পেলাম না৷ এসি ল্যান্ড ২ জন পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, কিন্তু কাজ হয় না৷ ভুল অফিসের, এখন ভুগছি জনগন৷
পারিবারিকভাবে ৩ জন এর মধ্যে একটা বন্টননামা করাতে গিয়েছিলাম, তারা সরাসরি টাকা দাবি করে বলেছে, সরকারীভাবে ৫ হাজার খরচ থাকলেও ৬০ হাজারের নিচে তারা করবে না, তাদের স্যারের খরচাপাতি আছে।
আমার একজন শিক্ষকের কাছে এমপিওর ফাইল ছাড়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। তিনি অনেক শিক্ষকের নিকট থেকে এভাবে অর্থ আদায় করেন।
উপজেলা থেকে শুরু হয়, এমপিও স্কুলের শিক্ষকদের বিএড স্কেল করাতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমরাও ফাইল পাঠিয়েছি। বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল ছেড়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসে টাকা নেয়নি পরবর্তীতে বরিশাল ডিডিতে — নামে একজন প্রোগ্রামার আছে তিনি ৫০০০ টাকা দাবি করেছেন। একজন টাকা গিয়ে দিয়েছে আমি যাইনি। ওনার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল পদক্ষেপ আশা করছি।
The present and permanent addresses mentioned in the NID are different; however, both addresses are permanent. I have never visited or lived in the village. Despite submitting a permanent residence certificate issued by the City Corporation, they asked me to provide a permanent residence certificate from the village as well. However, after paying the demanded amount to the middleman (dalal), the entire process was completed smoothly without any further complications.
ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা, সন্তোষ পৌর ভূমি অফিস, টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল। এর কর্মকর্তা আমার নামজারির কাগজ ঠিক থাকার পরেও নানান অজুহাত দিয়ে বার বার বাতিল করে দিচ্ছে। উনাকে বলার পরেও উনি মানছে না। এবং এক পর্যায় ওই টাকা দাবি করে। আমি না করে দিয়েছি
সরকারি হাসপাতালে রুগীকে ঔষুধ দেয় না যদিও ঔষুধ দেয় প্যারাসিটাম ৬টা এন্টাসিড ৪ অথবা ৬টা। সরকার কোটি কোটি টাকার ঔষুধ দেয় এগুলো কোথায় যায়,, লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লোহাগাড়া চট্টগ্রাম
আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য ছয়বার এই অফিস গিয়েছি । এই কাজটি সম্পন্ন করতে আমার পুরো এক ( জুলাই ২০২৬) মাস সময় লেগেছে। প্রথম দিন- কাগজ জমা রেখে দিয়েছে। দ্বিতীয় দিন- কাগজ খুঁজে পায়নি। আমাকে এক ঘণ্টা বসিয়ে রেখেছে। তৃতীয় দিন - আমাকে দুই ঘন্টা বসিয়ে রেখে কাগজ বের করে বলতেছে আমাকে টাকা দিয়ে জান আমি করে রাখছি। আমি তখন বলছি আপনি কাগজ প্রিন্ট করে রাখুন আমি আগামীকাল এসে কাগজ নিয়ে যাব। চতুর্থ দিন - আমি যে আমার লাইসেন্সের কপি নিয়ে চলে আসি। পঞ্চম দিন - তিন ঘন্টা লম্বাল টাইম লাইনের টাকা জমা দিয়ে মেইন কপি আনতে যাই তখন উনি আবার টাকা চাইবে। এখন আমি মুখের উপর বলেছি এতগুলো টাকা দেওয়ার পরও আবার কিসের টাকা । পঞ্চম দিন:- চুপচাপ কাগজ নিয়ে চলে এসেছি।
৩ বছর পর পর সব ডাক্তার ও সিভিল সার্জন অফিসের কর্মী, স্বাস্থ্য মহাপরিচালক অফিসের সকল কর্মচারী অন্য জেলায় ট্রান্সফার করলে এমনিতেই health দুর্নীতি কমে আসবে, ডাক্তার রা মন্ত্রনালায়ে টাকা দিয়ে ট্রান্সফার আটকে দেয়।সরকারী ডাক্তার গন বিশেষ করে UHFPOগন দেশের সকল বেসরকারী clinic এ-র মালিক বা পার্টনার, এদের জন্যই বেসরকারী clinic গুলা আইন মানে না, তাই জুনিয়র ডাক্তার দের চাকরী হয় না, এ-ই UHFPO গন প্রায় সকলেই একই উপজেলায় ৩ বছরের আধিক সময় চাকরী করছেন। সিভিল সার্জন অফিসের নিম্ন সারীর কর্মীগন সিভিল সার্জনকে দুর্নীতির পথে চিনিয়ে দেয়, বা দুর্নীতি করতে বাধ্য করে।